বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
দায়িত্বশীল ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতায় দৈনিক কালের দিগন্ত
১ম পাতা - জাতীয় ও প্রধান সংবাদ ❖ ঢাকা সংস্করণ
বিশেষ আয়োজন
কালের দিগন্ত ই-পেপার পড়ার সহজ মাধ্যম
সত্য ও ন্যায়ের সন্ধানে সার্বক্ষণিক আপনার পাশে
বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন
যোগাযোগ: [email protected]
১ম পাতা - জাতীয় ও প্রধান সংবাদ
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
পৃষ্ঠা: 1
● প্রধান শিরোনাম

আইজিপির ক্রসফায়ার ফেরানোর বক্তব্যে বিব্রত সরকার: রিজভী

বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের পরিবর্তে প্রচলিত আইন প্রয়োগের আহ্বান বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতার
আইজিপির ক্রসফায়ার ফেরানোর বক্তব্যে বিব্রত সরকার: রিজভী
আইজিপির ক্রসফায়ার ফেরানোর বক্তব্যে বিব্রত সরকার: রিজভী — কালের দিগন্ত
ক্রসফায়ার ফিরিয়ে আনার বিষয়ে পুলিশের মহাপরিদর্শকের (আইজিপি) বক্তব্য সরকারকে বিব্রত করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেছেন, দেশে অপরাধ দমনের জন্য পর্যাপ্ত আইন রয়েছে। তাই আইনবহির্ভূত কোনো পদ্ধতি অনুসরণ না করে প্রচলিত আইনের যথাযথ প্রয়োগের মাধ্যমে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পুলিশ বাহিনীকে কাজ করতে হবে।মঙ্গলবার যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন রুহুল কবির রিজভী।এ সময় আইজিপির ক্রসফায়ার ফিরিয়ে আনার বিষয়ে মন্তব্যের প্রসঙ্গ তুলে ধরে রিজভী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একটি মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চান। এমন পরিস্থিতিতে পুলিশের মহাপরিদর্শকের ক্রসফায়ার ফিরিয়ে আনার বিষয়ে বক্তব্য আমাদের ভাবিয়ে তুলেছে। এ ধরনের বক্তব্য সরকারের জন্য বিব্রতকর পরিস্থিতি তৈরি করেছে।রিজভী বলেন, দেশে আইন থাকার পরও অপরাধ দমনে আইনবহির্ভূত পদ্ধতি গ্রহণের কোনো প্রয়োজন নেই। প্রচলিত আইন যথাযথভাবে প্রয়োগ করেই অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। বেআইনি পদ্ধতি অনুসরণ করে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।বিএনপির এই নেতা বলেন, গত ১৭ বছরের গুম, খুন ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে লড়াই-সংগ্রাম করেই বিএনপি ক্ষমতায় এসেছে। সে কারণে দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং মানবিক পরিবেশ নিশ্চিত করার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। আইনবহির্ভূত পদ্ধতির পরিবর্তে আইনের যথাযথ প্রয়োগের মাধ্যমে অপরাধ দমনে পুলিশ বাহিনীকে দায়িত্ব পালন করতে হবে বলে তিনি মত...
অনলাইনে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন

● জাতীয়

বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান তারেক রহমানের

বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান তারেক রহমানের
জাপানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার এবং বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি। বৈঠককে ফলপ্রসূ উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেছেন, দুই দেশের সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) স্থানীয় সময় বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটে টোকিওতে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় কান্তেইয়ে দুই নেতার দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য জাপানি ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানান তারেক রহমান।বৈঠকে সানায়ে তাকাইচি বলেন, বাংলাদেশের প্রতি জাপানের দৃঢ় সমর্থন রয়েছে। পাশাপাশি বঙ্গোপসাগরকে কেন্দ্র করে দুই দেশের সম্পর্ক আরও জোরদার করতে টোকিও আগ্রহী বলেও জানান তিনি।এর আগে, জাপানের পক্ষ থেকে তারেক রহমানকে আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনা জানানো হয় এবং তাঁকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। পরে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠক শুরু হয়। এতে বাংলাদেশের পক্ষে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল অংশ নেয়।
—অনলাইনে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন
● জাতীয়

দেশে বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতের তাগিদ রাষ্ট্রপতির

দেশে বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতের তাগিদ রাষ্ট্রপতির
উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে রোগীদের যাওয়া কমাতে দেশে বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবা, আধুনিক প্রযুক্তি, দক্ষ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও রোগীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, দক্ষ জনবল নিয়োগ, জবাবদিহিতা এবং সরকারি অর্থের স্বচ্ছ ব্যবহার নিশ্চিত করে আধুনিক ও সাশ্রয়ী স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর শহীদ আবু সাইদ আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে দুই দিনব্যাপী ‘কোলোরেক্টাল সার্জারি সম্মেলন-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।রাষ্ট্রপতি বলেন, উন্নত চিকিৎসার জন্য বাংলাদেশের অনেক রোগী বিদেশে যান। বিশেষায়িত চিকিৎসা, আধুনিক প্রযুক্তি, দক্ষ চিকিৎসক এবং সেবার মান নিয়ে সীমাবদ্ধতার পাশাপাশি আস্থার বিষয়টিও এর সঙ্গে জড়িত। এতে প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ অর্থ দেশের বাইরে চলে যায়। এ পরিস্থিতি পরিবর্তনে দেশের স্বাস্থ্যসেবার সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।চিকিৎসাসেবায় মানবিক আচরণের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি বলেন, চিকিৎসা শুধু পেশা নয়, মানুষের জীবন ও মর্যাদার সঙ্গে যুক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। রোগী ও স্বজনদের সহজ ভাষায় চিকিৎসার বিষয়গুলো বুঝিয়ে বলা, পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ পরিবেশ বজায় রাখা এবং দরিদ্র রোগীদের প্রতি সহমর্মিতা দেখানো জরুরি। আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে কেউ যেন প্রয়োজনীয় চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত না হন, সে জন্য সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।দেশের স্বাস্থ্য খাতের অতীত পরিস্থিতি তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি অভিযোগ করেন, গত ১৭ বছরে অব্যবস্থাপনা, দুর্নীতি ও অপরিকল্পিত সিদ্ধান্তের কারণে স্বাস্থ্যব্যবস্থা প্রত্যাশিত অগ্রগতি অর্জন করতে পারেনি। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও দক্ষ জনবল নিশ্চিত না করেই ব্যয়বহুল চিকিৎসা সরঞ্জাম কেনা হয়েছে। ফলে অনেক যন্ত্রপাতি অব্যবহৃত থেকেছে। চিকিৎসক, নার্স ও টেকনিশিয়ান নিয়োগে দীর্ঘস্থায়ী স্থবিরতাও স্বাস্থ্যসেবার ওপর প্রভাব ফেলেছে।এ অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনা, দক্ষ জনবল, জবাবদিহিতা এবং অর্থের স্বচ্ছ ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন তিনি। এ সময় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য খাতে নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও স্মরণ করেন।স্বাস্থ্য খাতে সরকারের বরাদ্দ ও পরিকল্পনার বিষয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে এ খাতে ৬৯ হাজার ৪০৯ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, যা এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ বলে তিনি উল্লেখ করেন। বরাদ্দের অর্থ কার্যকর ও স্বচ্ছভাবে ব্যয় নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। এ ছাড়া ১০০ শয্যার হাসপাতালগুলো পর্যায়ক্রমে ১৫০ শয্যায় উন্নীত করা, স্থানীয় ও উপজেলা পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ এবং চিকিৎসক, নার্স, মিডওয়াইফ, টেকনিশিয়ানসহ প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগের উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন।কোলোরেক্টাল রোগের বিষয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, লজ্জা, সংকোচ ও অসচেতনতার কারণে অনেক রোগী চিকিৎসকের কাছে যেতে দেরি করেন। এতে রোগ জটিল আকার ধারণ করতে পারে। তাই জনসচেতনতা বৃদ্ধি, প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্তকরণ এবং সহজলভ্য বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা সম্প্রসারণে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।সম্মেলনে একটি জাতীয় কোলোরেক্টাল সার্জারি ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার দাবি জানানো হলে রাষ্ট্রপতি এ বিষয়ে যথাযথ সহযোগিতার আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক সম্মেলনে দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা থেকে তরুণ চিকিৎসকেরা উপকৃত হবেন এবং তা দেশের মানুষের চিকিৎসাসেবায় কাজে লাগাতে পারবেন।অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সোসাইটি অব কোলন অ্যান্ড রেক্টাল সার্জনসের (বিএসসিআরএস) পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতিকে সম্মাননা স্মারক দেওয়া হয়। সংগঠনটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. রশিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. সাহাদত হোসেন শেখ।এ সময় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এফ এম সিদ্দিকীসহ বিভিন্ন চিকিৎসক সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা বক্তব্য দেন। দুই দিনব্যাপী এ সম্মেলনে দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞরা তরুণ চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ দেবেন এবং নিজেদের অভিজ্ঞতা বিনিময় করবেন।
—অনলাইনে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন
● বিশেষ প্রতিবেদন

৪৬ বছর পর ফিরছে গ্রাম সরকার, থাকছে ১৭ সদস্য

৪৬ বছর পর ফিরছে গ্রাম সরকার, থাকছে ১৭ সদস্য
৪৬ বছর পর ফিরছে গ্রাম সরকার, থাকছে ১৭ সদস্য
দীর্ঘ ৪৬ বছর পর নতুন কাঠামোয় গ্রাম সরকারব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিটি ওয়ার্ডে ১৭ সদস্যের গ্রাম সরকার গঠনের বিধান রেখে ‘গ্রাম সরকার আইন, ২০২৬’ এর খসড়া তৈরি করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। প্রস্তাবিত আইনে স্থানীয় উন্নয়ন, সরকারি সেবা বাস্তবায়নে সহযোগিতা এবং সামাজিক সমস্যা মোকাবিলায় গ্রাম সরকারের দায়িত্ব নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে আইনটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। খসড়ার ওপর জনসাধারণের মতামত চাওয়া হয়েছে।শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাসনামলে ১৯৮০ সালে স্বনির্ভর গ্রাম সরকার চালু হয়েছিল। পরে বিভিন্ন পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে এ ব্যবস্থা বিলুপ্ত হয়। ২০০৩ সালে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার নতুন করে গ্রাম সরকার আইন করলেও ২০০৯ সালে তা বাতিল করা হয়। দীর্ঘ ১৭ বছর পর আবারও এই ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হলো।খসড়ায় বলা হয়েছে, প্রতিটি গ্রাম সরকারে একজন প্রধান, একজন উপদেষ্টা ও ১৫ জন সদস্য থাকবেন। সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের নির্বাচিত ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য হবেন প্রধান। সংরক্ষিত আসনের নারী ইউপি সদস্য তাঁর নির্বাচনি এলাকার গ্রাম সরকারগুলোর উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। প্রথম সভা থেকে গ্রাম সরকারের মেয়াদ হবে পাঁচ বছর।১৫ সদস্যের মধ্যে দুজন গণ্যমান্য ব্যক্তি বা সমাজসেবক, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর একজন পুরুষ ও একজন নারী সদস্য এবং দুজন কৃষক রাখার প্রস্তাব রয়েছে। এ ছাড়া নিকাহ রেজিস্ট্রার, সমবায় সমিতির সদস্য, পল্লিচিকিৎসক, শিক্ষক, ব্যবসায়ী, পেশাজীবী, শ্রমিক ও যুব প্রতিনিধি থাকবেন একজন করে। সংশ্লিষ্ট এলাকায় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বসবাস থাকলে তাদের একজন প্রতিনিধিও অন্তর্ভুক্ত হবেন। কোনো শ্রেণির প্রতিনিধি পাওয়া না গেলে গণ্যমান্য ব্যক্তি বা সমাজসেবকের সংখ্যা বাড়িয়ে শূন্যস্থান পূরণ করা হবে।সদস্য নির্বাচনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ভোটার তালিকায় থাকা অন্তত ১০ শতাংশ ভোটারের উপস্থিতিতে হ্যাঁ-না ভোট আয়োজনের প্রস্তাব করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অথবা তাঁর ক্ষমতাপ্রাপ্ত কমিটির তত্ত্বাবধানে নির্বাচন পরিচালিত হবে।প্রস্তাবিত আইন অনুযায়ী, গ্রামের রাস্তাঘাট ও কালভার্ট উন্নয়নে অগ্রাধিকারভিত্তিক পরিকল্পনা তৈরি, চলমান প্রকল্পের অগ্রগতি ও আর্থিক বিষয় পর্যালোচনা এবং সরকারি সেবা বাস্তবায়নে সহযোগিতা করবে গ্রাম সরকার। নারী ও শিশু নির্যাতন, সন্ত্রাস, চুরি, মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা এবং স্থানীয় বিরোধ মীমাংসায় উদ্যোগ নেওয়ার দায়িত্বও থাকবে প্রতিষ্ঠানটির।এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে উপস্থিতি নিশ্চিত করা, পরিবার পরিকল্পনা, পুষ্টি, টিকাদান, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা, নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন কার্যক্রমে সহযোগিতা করার কথা বলা হয়েছে খসড়ায়। কৃষি উপকরণের সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে সংকটের তথ্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো এবং সমবায়, কুটিরশিল্প, মৎস্যচাষ, পশুপালন, বৃক্ষরোপণ ও পরিবেশ সংরক্ষণে মানুষকে উৎসাহিত করার দায়িত্বও দেওয়া হয়েছে।খসড়ায় প্রতি দুই মাসে অন্তত একটি সভা এবং প্রতি ছয় মাসে একটি সাধারণ সভা আয়োজনের বিধান রয়েছে। সাধারণ সভায় ওয়ার্ডের অন্তত ১০ শতাংশ ভোটারের উপস্থিতি প্রয়োজন হবে। কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বিষয়ভিত্তিক কমিটি ও প্রয়োজনে উপকমিটি গঠনের সুযোগ রাখা হয়েছে।গ্রাম সরকারের জন্য পৃথক তহবিল গঠনের প্রস্তাবও করা হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদ ও অন্যান্য উৎস থেকে পাওয়া অর্থ এ তহবিলে জমা হবে। দাপ্তরিক উপকরণ কেনার ব্যয় নির্বাহে ইউনিয়ন পরিষদ নিজস্ব আয়ের একটি অংশ দেবে। গ্রাম সরকারের কার্যক্রম পরিদর্শন ও তদন্তের বিধানও রয়েছে।দায়িত্ব পালনে ধারাবাহিক ব্যর্থতা, প্রশাসনিক বা আর্থিক অক্ষমতা, জনস্বার্থবিরোধী কার্যক্রম কিংবা ক্ষমতার অপব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া গেলে জেলা প্রশাসক গ্রাম সরকার বাতিল করতে পারবেন। তবে এ ধরনের সিদ্ধান্তের আগে সংশ্লিষ্ট গ্রাম সরকারকে কারণ দর্শানোর সুযোগ দিতে হবে।স্থানীয় সরকার বিভাগের ওয়েবসাইটে খসড়াটি প্রকাশ করে জনসাধারণের মতামত চাওয়া হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদ ও ওয়ার্ড সভা থাকার পরও নতুন এই কাঠামোর প্রয়োজনীয়তা, জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর সম্ভাবনা এবং দায়িত্বের পুনরাবৃত্তি নিয়ে আলোচনা রয়েছে। আইনটি চূড়ান্ত হওয়ার পর এর বাস্তবায়ন ও কার্যকারিতা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে।
—অনলাইনে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন

● সমকালীন

খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার মামলায় সোহাগের ৩ দিনের রিমান্ড

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় করা মামলায় শ্রমিক লীগ নেতা মো. আজমাইন হোসেন সোহাগের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। সোমবার (২৬ অক্টোবর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ্ ফারজানা হক শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও তেজগাঁও থানার পরিদর্শক আব্দুল হান্নান সোহাগকে আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। আসামিপক্ষের আইনজীবী মো. রফিকুল ইসলাম রিমান্ড বাতিলের পাশাপাশি জামিনের আবেদন করেন। অন্যদিকে, রাষ্ট্রপক্ষ রিমান্ড মঞ্জুরের পক্ষে শুনানি করে জামিনের বিরোধিতা করে। উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক আরিফ রেজা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৫ সালের ২০ এপ্রিল ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী তাবিথ আউয়ালের পক্ষে প্রচারণায় অংশ নিতে গিয়ে রাজধানীর কারওয়ান বাজার এলাকায় হামলার শিকার হন তৎকালীন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। বাপেক্স ভবন, পল্লী ভবন, পরিবার পরিকল্পনা অফিস ও কাব্যকস সুপার মার্কেটের সামনে তাঁর গাড়িবহরে হামলা চালানো হয়।অভিযোগে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগ ও এর বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘবদ্ধভাবে ওই হামলা চালান। এতে খালেদা জিয়ার গাড়িবহরের একাধিক গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। তাঁর নিরাপত্তায় নিয়োজিত সিএসএফ সদস্যসহ বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মী গুরুতর আহত হন।রিমান্ড আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তার, হামলায় ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার এবং ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের জন্য সোহাগকে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। তাঁকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হলে পলাতক হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলেও আবেদনে উল্লেখ করা হয়। পুলিশের দাবি, সোহাগ এ মামলার ৬০ নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি। ঘটনার সঙ্গে তাঁর সরাসরি সম্পৃক্ততার বিষয়ে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তথ্যপ্রমাণ পাওয়া গেছে।মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে ঘটনার সময় মামলা করা সম্ভব হয়নি। পরে ন্যায়বিচারের স্বার্থে ২০২৪ সালের ২২ আগস্ট ঢাকা মহানগর বিএনপির ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক মো. বেল্লাল হোসেন বাদী হয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১০৮ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ৫০০ থেকে ৭০০ জনকে আসামি করা হয়।গত ১২ জুন রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে সোহাগকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।
—অনলাইনে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন

তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে বিএনপির বিরুদ্ধে নাহিদ ইসলামের অভিযোগ

আওয়ামী লীগের মতো বিএনপিও ক্ষমতা কুক্ষিগত করার চেষ্টা করেছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তাঁর অভিযোগ, বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তরের পরিবেশ তৈরিতে সহযোগিতা করেনি। তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা নিয়েও দলটি বিভিন্ন সময়ে বিতর্কিত ভূমিকা রেখেছে বলে দাবি করেন তিনি।সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে মুন্সীগঞ্জ শহরের একটি রেস্তোরাঁয় সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন নাহিদ ইসলাম। সারাদেশে দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম পর্যালোচনা এবং স্থানীয় ও জাতীয় নির্বাচন নিয়ে পরিকল্পনা নির্ধারণের লক্ষ্যে এনসিপির অঞ্চলভিত্তিক সমন্বয় সভা শুরুর আগে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।নাহিদ ইসলাম বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় থেকেই শুরু হয়। ওই আন্দোলনে অংশ নেওয়া রাজনৈতিক দলগুলো এ দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়েছিল। তবে ১৯৯৬ সালে বিএনপি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন না করে একতরফা নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় যায় বলে অভিযোগ করেন তিনি। পরে আন্দোলনের মুখে বিএনপি সরকারকে ক্ষমতা ছাড়তে হয়েছিল বলেও উল্লেখ করেন এনসিপির আহ্বায়ক।২০০৬ সালের রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রসঙ্গ টেনে নাহিদ ইসলাম বলেন, সে সময় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা নিয়ে বিএনপি বিতর্ক তৈরি করেছিল। বিচার বিভাগকে রাজনীতিকরণের মাধ্যমে নিজেদের পছন্দের ব্যক্তিকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান করার চেষ্টা করা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর ভাষ্য, আওয়ামী লীগ ক্ষমতা কুক্ষিগত করার ক্ষেত্রে সফল হলেও বিএনপি একই চেষ্টা করে সফল হতে পারেনি।নাহিদ ইসলামের অভিযোগ, বিএনপি এবারও তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা নিয়ে টালবাহানা করছে এবং নিজেদের পছন্দের লোককে দায়িত্বে বসানোর চেষ্টা চালাচ্ছে। এ ধরনের উদ্যোগ সফল হতে দেওয়া হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক সারজিস আলমসহ দলের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
—অনলাইনে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন
এক নজরে আজকের খবর
সারাদেশে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদার করার নির্দেশ।
আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দামে স্থিতিশীলতা।
চলতি অর্থবছরে কৃষি ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা বৃদ্ধি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
● জাতীয়

অনুমতি পেলে ক্রসফায়ারের কথাও বললেন আইজিপি

অনুমতি পেলে ক্রসফায়ারের কথাও বললেন আইজিপি
সরকার অনুমতি দিলে প্রয়োজনে ক্রসফায়ার করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের দায়িত্ব পালনের উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, পুলিশ বলপ্রয়োগ করলে সমালোচনার মুখে পড়ে, আবার নিষ্ক্রিয় থাকলেও দুর্বল বলে আখ্যা দেওয়া হয়।সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর চকবাজারে কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির ইসলামিক ব্যাংকিং সেবা ‘কমিউনিটি ইসলামিক’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।আইজিপি বলেন, ‘যেখানে ক্রস যদি প্রয়োজন হয়, সরকার যদি এলাও করে, আমরা সেটাই করব।’পুলিশের বলপ্রয়োগ নিয়ে সমালোচনার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, পুলিশ লাঠিপেটা করলে এক পক্ষ পুলিশকে ফ্যাসিস্ট বলে, আর নীরব থাকলে দুর্বল বলে মন্তব্য করে। এ পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশকে দায়িত্ব পালনের উপযুক্ত পরিবেশ দিতে হবে।তিনি আরও বলেন, সমাজে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আইন ও সংবিধান অনুসরণ করা জরুরি। অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি পুলিশের কোনো সদস্য অপরাধে জড়িত থাকলে তাঁর বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে।আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়ে আইজিপি বলেন, গুজব ও মিথ্যা তথ্যের ভিত্তিতে বিভ্রান্ত না হয়ে যেকোনো ঘটনার সত্যতা যাচাই করা প্রয়োজন। দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা এবং অর্থনৈতিক অগ্রগতি অব্যাহত রাখতে সবার সম্মিলিত সহযোগিতাও জরুরি।
—অনলাইনে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন
● বিশেষ ফিচার

শ্রেণিভেদ নির্মূল করে মানবতার কল্যাণের কথা বলেছেন গৌতম বুদ্ধ: রিজভী

শ্রেণিভেদ নির্মূল করে মানবতার কল্যাণের কথা বলেছেন গৌতম বুদ্ধ: রিজভী
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, শ্রেণিভেদকে নির্মূল করে মানবজাতির কল্যাণের জন্য কথা বলে গেছেন গৌতম বুদ্ধ। তার কাজ ও আদর্শ অনুসরণ করলে তা গোটা মানবজাতির কল্যাণে আসবে।রবিবার রাজধানীর বাসাবো বৌদ্ধ মহাবিহারে ‘শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা’ ও ফানুস উৎসব উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।রিজভী বলেন, গৌতম বুদ্ধের সরল পথ ও মানবিক কাজগুলো অনুসরণ করলে জীবন সুন্দর ও শান্তিময় হয়ে উঠবে। বুদ্ধের বাণী শুধু বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের একার নয়, এটি সর্বজনীন এবং সব ধর্মের মানুষকেই সঠিক পথে চলার প্রেরণা দেয়। বুদ্ধ সমাজ ও মানবতার জন্য যে কাজগুলো করে গেছেন, তা সমগ্র মানবজাতির জন্যই অনুকরণীয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।প্রবারণা পূর্ণিমাকে ‘চিত্ত পরিশুদ্ধির অনুষ্ঠান’ হিসেবে আখ্যায়িত করে তিনি বলেন, বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের মতো সব মানুষ যদি তাদের বছরের নানা ঘটনার (ভুলত্রুটি) স্বীকারোক্তি সহকর্মীদের কাছে দেয়, তাহলে তাদের মধ্যে নতুন করে কোনো অন্যায় করার ইচ্ছা থাকবে না।
—অনলাইনে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন
সংক্ষিপ্ত সমাচার

অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ইউনিয়ন পরিষদ পুনর্গঠন ও বিভক্তকরণ

ইউনিয়ন পরিষদ পুনর্গঠন ও বিভক্তকরণ কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করেছে সরকার। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এ কার্যক্রম বন্ধ রাখতে দেশের সব জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। নির্বাচনকালীন প্রশাসনিক প্রস্তুতি, ভোটার তালিকা হালনাগাদ এবং ইউনিয়ন পরিষদের সীমানা নিয়ে সম্ভাব্য জটিলতা এড়াতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।রোববার (২৫ অক্টোবর) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের ইউনিয়ন পরিষদ ১ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করা হয়। নির্দেশনাটি দেশের সব জেলা প্রশাসকের কাছে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি বিভাগীয় কমিশনার, স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অবগতির জন্য এর অনুলিপি পাঠানো হয়েছে।নির্দেশনায় বলা হয়েছে, স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯ এর ১১ ধারা অনুযায়ী ইউনিয়ন পরিষদ বিভক্তকরণের নীতিমালা এবং পুনর্গঠন ও বিভক্তকরণ সংক্রান্ত কার্যক্রম পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত থাকবে।এ ক্ষেত্রে ২০১৩ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর জারি করা ইউনিয়ন পরিষদ বিভক্তকরণের নীতিমালা সংক্রান্ত স্মারক এবং ২০১৪ সালের ৯ ডিসেম্বর জারি করা ইউনিয়ন পরিষদ পুনর্গঠন ও বিভক্তকরণ সংক্রান্ত স্মারকের আওতায় পরিচালিত কার্যক্রমও বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে।
—অনলাইনে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন
পুঁজিবাজারে লেনদেন সূচক ঊর্ধ্বমুখী; বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বৃদ্ধি।
আগামীকাল থেকে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে হালকা বৃষ্টির পূর্বাভাস।
● আলোকচিত্র ও বিশেষ প্রতিবেদন

সাংবাদিকদের নিয়ে মন্তব্য, এনায়েতুল্লাহ আব্বাসীকে আইনি নোটিশ

সাংবাদিকদের নিয়ে মন্তব্য, এনায়েতুল্লাহ আব্বাসীকে আইনি নোটিশ
সাংবাদিকদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য এবং পেটানোর হুমকি দেওয়ার অভিযোগে ইসলামী বক্তা ড. সৈয়দ মুহাম্মদ এনায়েতুল্লাহ আব্বাসীকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। নোটিশে সাত দিনের মধ্যে বক্তব্য প্রত্যাহার করে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। অন্যথায় মানহানি, হামলার হুমকি ও উসকানি দেওয়ার অভিযোগে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।রোববার (২৫ অক্টোবর) নিম্ন আদালতে কর্মরত সাংবাদিকদের সংগঠন কোর্ট রিপোর্টার্স ইউনিটির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য আজহারুল ইসলাম সুজনের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী খাদেমুল ইসলাম এ নোটিশ পাঠান।নোটিশে উল্লেখ করা হয়, গত ১৯ অক্টোবর চাঁদপুরের মতলব উপজেলার নিশ্চিন্তপুর হাফিজিয়া মাদ্রাসার বার্ষিক ওয়াজ ও দোয়া মাহফিলে বক্...
—ক্লিক করে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন পড়ুন
দৈনিক কালের দিগন্ত ডিজিটাল সংস্করণ
বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে সত্য ও নির্ভীক সাংবাদিকতার নির্ভরযোগ্য সঙ্গী। সত্যের পক্ষে আপসহীন।