বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
দায়িত্বশীল ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতায় দৈনিক কালের দিগন্ত
৩য় পাতা - শেষ পাতা: সম্পাদকীয়, বাণিজ্য ও খেলাধুলা ❖ ঢাকা সংস্করণ
বিশেষ আয়োজন
কালের দিগন্ত ই-পেপার পড়ার সহজ মাধ্যম
সত্য ও ন্যায়ের সন্ধানে সার্বক্ষণিক আপনার পাশে
বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন
যোগাযোগ: [email protected]
৩য় পাতা - শেষ পাতা: সম্পাদকীয়, বাণিজ্য ও খেলাধুলা
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
পৃষ্ঠা: 3
● প্রধান প্রতিবেদন

ওভেন ব্যবহারে সঠিক তাপমাত্রা জানা কেন জরুরি?

ওভেন ব্যবহারে সঠিক তাপমাত্রা জানা কেন জরুরি?
ওভেন ব্যবহারে সঠিক তাপমাত্রা জানা কেন জরুরি?
কেক, বিস্কিট, পিৎজা কিংবা মাংস রান্নার ক্ষেত্রে ওভেনের সঠিক তাপমাত্রা জানা গুরুত্বপূর্ণ। প্রয়োজনের তুলনায় তাপমাত্রা কম বা বেশি হলে খাবার ঠিকভাবে সেদ্ধ বা বেক নাও হতে পারে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে খাবারের বাইরের অংশ পুড়ে গেলেও ভেতরের অংশ কাঁচা থেকে যেতে পারে। তাই ওভেনে রান্নার আগে খাবারের ধরন ও রেসিপি অনুযায়ী তাপমাত্রা নির্ধারণ করা প্রয়োজন।বিভিন্ন খাবার তৈরিতে ভিন্ন তাপমাত্রার প্রয়োজন হয়। সাধারণত কেক ও বিস্কিট বেক করার ক্ষেত্রে যে তাপমাত্রা ব্যবহার করা হয়, পিৎজা বা কিছু ধরনের রুটি তৈরিতে এর চেয়ে বেশি তাপমাত্রা প্রয়োজন হতে পারে। তবে রেসিপি, উপকরণ এবং ওভেনের ধরন অনুযায়ী তাপমাত্রা পরিবর্তিত হয়। তাই নির্দিষ্ট খাবারের জন্য দেওয়া নির্দেশনা অনুসরণ করাই ভালো।ওভেনে খাবার দেওয়ার আগে নির্ধারিত তাপমাত্রায় প্রিহিট করা প্রয়োজন কি না, তা রেসিপি দেখে নিশ্চিত হওয়া উচিত। বিশেষ করে কখনো কখনো কেক ও বিস্কিট তৈরিতে প্রিহিটিং গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। পাশাপাশি খাবার নির্ধারিত সময়ের আগেই পুড়ে যাচ্ছে কি না, সেটিও খেয়াল রাখা দরকার। কারণ সব ওভেন একইভাবে তাপ ছড়ায় না। নিরাপদ ও ভালো ফল পেতে ওভেনের নির্দেশিকা অনুসরণ করুন এবং রান্নার সময় উপযুক্ত পাত্র ব্যবহার করুন। মাংস বা মুরগির মতো খাবারের ক্ষেত্রে শুধু বাইরের রং দেখে রান্না সম্পন্ন হয়েছে বলে ধরে নেওয়া ঠিক নয়। সঠিক তাপমাত্রা ও রান্নার সময় মেনে চললে খাবারের মান বজায় রাখা এবং রান্নার ভুল কমানো সহজ হয়।
—ক্লিক করে পড়ুন

সকালের নাশতা এড়িয়ে গেলে শরীরে আসতে পারে ক্লান্তিভাব

সকালের নাশতা এড়িয়ে যাওয়ার অভ্যাস দিনের কাজকর্মে প্রভাব ফেলতে পারে। সকালে খাবার না খেলে কারও কারও ক্লান্তি, দুর্বলতা, মাথা ঝিমঝিম করা কিংবা মনোযোগ ধরে রাখতে অসুবিধা হতে পারে। তবে এর প্রভাব ব্যক্তি ও খাদ্যাভ্যাস অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে।দিনের প্রথম খাবারে প্রোটিন, আঁশ ও স্বাস্থ্যকর চর্বির সমন্বয় থাকা ভালো। ডিম, আটার রুটি, ওটস, দুধ, দই ও ফল হতে পারে সকালের নাশতার উপযোগী খাবার। এসব খাবার শরীরের পুষ্টির চাহিদা পূরণে সহায়তা করে এবং দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতে পারে। সকালে তাড়াহুড়ার কারণে অনেকেই নাশতা না করেই কাজে বা পড়াশোনায় বেরিয়ে পড়েন। এ অভ্যাস এড়াতে আগের রাতেই নাশতার প্রস্তুতি নিয়ে রাখা যেতে পারে। সকালে ক্ষুধা না লাগলে জোর করে খাওয়ার পরিবর্তে শরীরের ক্ষুধার সংকেত অনুযায়ী কিছুটা পরে খাবার খাওয়ার বিষয়টিও বিবেচনা করা যায়। তবে সারা দিনের খাদ্যতালিকায় পর্যাপ্ত পুষ্টি নিশ্চিত করা জরুরি। শুধু সকালের নাশতা বাদ দেওয়াই ক্লান্তির একমাত্র কারণ নয়। পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব, পানিশূন্যতা, মানসিক চাপ কিংবা কিছু শারীরিক সমস্যার কারণেও সারাদিন ক্লান্ত লাগতে পারে। তাই নিয়মিত ক্লান্তি অনুভব করলে বা তা দৈনন্দিন কাজে বাধা সৃষ্টি করলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
—সম্পূর্ণ পড়ুন

হামের চিকিৎসায় অ্যান্টিবায়োটিক কার্যকর নয়, টিকাদানে জোর চিকিৎসকদের

দেশে শিশুদের মধ্যে হাম ও ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা বাড়তে থাকায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে অভিভাবকদের মধ্যে। জ্বরের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে আসা শিশুদের চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা পাওয়া নিয়েও ভোগান্তির কথা জানিয়েছেন কেউ কেউ। চিকিৎসকেরা বলছেন, হামের চিকিৎসায় অ্যান্টিবায়োটিক কার্যকর নয়। এ রোগ প্রতিরোধে টিকাদানের বিকল্প নেই।সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে হাম ও ডেঙ্গুতে আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসা দিতে ব্যস্ত সময় পার করেন চিকিৎসকেরা। অন্যদিকে, অসুস্থ সন্তানকে নিয়ে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠায় সময় কাটছে অভিভাবকদের।চিকিৎসকদের মতে, চলতি বছর ডেঙ্গুর উপসর্গ ও রোগের ধরনে কিছু পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে জ্বরের তীব্রতা তুলনামূলক কম থাকলেও রোগী দ্রুত শকের পর্যায়ে চলে যাচ্ছেন। সময়মতো চিকিৎসা না নেওয়ায় জটিলতা বাড়ছে এবং পরিস্থিতি সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে।বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের নবজাতক ও শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, হামের চিকিৎসায় অ্যান্টিবায়োটিক কার্যকর নয়। এ রোগ প্রতিরোধে টিকাদানের কোনো বিকল্প নেই। তাই শিশুদের হাম থেকে সুরক্ষিত রাখতে সময়মতো টিকা দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
—সম্পূর্ণ পড়ুন
● বিশ্লেষণ ও সংবাদ

সেন্ট মার্টিনে রাতযাপনের অনুমতি, পর্যটকেরা থাকতে পারবেন ১৫ মার্চ পর্যন্ত

সেন্ট মার্টিনে রাতযাপনের অনুমতি, পর্যটকেরা থাকতে পারবেন ১৫ মার্চ পর্যন্ত
সেন্ট মার্টিন দ্বীপে পর্যটকদের রাতযাপনের বিষয়ে আগের সিদ্ধান্ত সংশোধন করেছে সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ১ নভেম্বর থেকে ১৫ মার্চ পর্যন্ত পর্যটকেরা দ্বীপে যাতায়াতের পাশাপাশি রাতেও থাকতে পারবেন। ২৭ অক্টোবর এ বিষয়ে সংশোধনী আনা হয়েছে বলে জানিয়েছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়।মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব সাবরীনা রহমান প্রথম আলোকে বলেন, নভেম্বর এবং ফেব্রুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত দ্বীপে রাতযাপন নিয়ে যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছিল, তা সংশোধন করা হয়েছে। এখন নির্ধারিত পুরো সময়েই পর্যটকেরা সেন্ট মার্টিনে থাকতে পারবেন।এর আগে ১২ অক্টোবর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ে সেন্ট মার্টিনে পর্যটকদের যাতায়াত নিয়ে আন্তমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে ২৫ অক্টোবর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরগুলোকে নির্দেশনা পাঠানো হয়েছিল। এতে ২০২৫ সালের ২২ অক্টোবর জারি করা প্রজ্ঞাপনের নির্দেশনা বহাল রাখা হয়।আগের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, নভেম্বর মাসে পর্যটকেরা শুধু দিনের বেলায় দ্বীপে যেতে পারতেন এবং একই দিন ফিরে আসতে হতো। ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে রাতযাপনের সুযোগ ছিল। ফলে এবার পর্যটকদের যাতায়াতের সময় বাড়লেও রাতযাপনের ক্ষেত্রে আগের বিধিনিষেধ বহাল থাকবে বলে ধারণা তৈরি হয়। এ নিয়ে পর্যটক, হোটেল ও রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ী এবং জাহাজমালিকদের মধ্যে বিভ্রান্তি দেখা দেয়। পরে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা তৈরি হলে সিদ্ধান্ত সংশোধন করা হয়।নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, পর্যটকবাহী জাহাজ আগের মতোই কক্সবাজার শহরের নুনিয়ারছড়ায় বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের ঘাট থেকে সেন্ট মার্টিনের উদ্দেশে ছেড়ে যাবে।এবার দ্বীপে প্রতিদিন সর্বোচ্চ সাড়ে ৩ হাজার পর্যটক যাওয়ার সুযোগ পাবেন। প্রত্যেক পর্যটককে ১০০ টাকা পরিবেশ সংরক্ষণ ফি দিতে হবে। এ ছাড়া সেন্ট মার্টিনে যেতে ট্রাভেল পাস নেওয়া বাধ্যতামূলক থাকছে। বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গতবারের মতো এবারও ট্রাভেল পাস চালুর জন্য কারিগরি প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।দ্বীপের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় আগের প্রজ্ঞাপনে জারি করা বিধিনিষেধও বহাল থাকবে। রাতে সমুদ্রসৈকত ও আশপাশের এলাকায় আলো জ্বালানো, উচ্চ শব্দ সৃষ্টি এবং বারবিকিউ পার্টির আয়োজন করা যাবে না। কেয়াবনে প্রবেশ এবং কেয়া ফল সংগ্রহ, কেনাবেচাও নিষিদ্ধ।এ ছাড়া সামুদ্রিক কাছিম, পাখি, প্রবাল, শামুক, ঝিনুক, তারামাছ, রাজকাঁকড়া, সামুদ্রিক ঘাস ও শৈবালসহ দ্বীপের জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি করা যাবে না। সমুদ্রসৈকতে মোটরসাইকেল ও সি-বাইকের মতো যানবাহন চালানোর ওপরও নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। পর্যটন কার্যক্রমের পাশাপাশি দ্বীপের পরিবেশ সংরক্ষণে এসব নিয়ম মেনে চলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
—ক্লিক করে পড়ুন

৩০০ কোটি টাকার প্রকল্পে ৭০ পৌরসভায় কর্মসংস্থানের লক্ষ্য

দেশের আট বিভাগের ৭০টি পৌরসভায় স্থানীয় অর্থনীতির বিকাশ, উদ্যোক্তাদের সহায়তা এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে প্রায় ৩০০ কোটি টাকার প্রকল্প নিতে যাচ্ছে সরকার। ‘প্রবৃদ্ধি: নির্বাচিত পৌরসভায় স্থানীয় অর্থনৈতিক উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে ২৯৯ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। তবে এ বিনিয়োগের মাধ্যমে কতটা স্থায়ী কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং স্থানীয় মানুষের আয় কতটা বাড়বে, তা নির্ভর করবে প্রকল্পের বাস্তবায়ন ও ফলাফল মূল্যায়নের ওপর।প্রকল্পে সরকারের অর্থায়ন ২৫৪ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। বাকি ৪৫ কোটি টাকা অনুদান হিসেবে দেওয়ার কথা সুইজারল্যান্ডের উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা সুইস ডেভেলপমেন্ট করপোরেশনের। স্থানীয় সরকার বিভাগের প্রস্তাবিত প্রকল্পটি ২০২৬ সালের অক্টোবর থেকে ২০৩০ সালের মার্চ পর্যন্ত বাস্তবায়নের সুপারিশ করেছে পরিকল্পনা কমিশন।প্রকল্পটির মূল লক্ষ্য নির্বাচিত পৌরসভাগুলোতে স্থানীয় অর্থনৈতিক উন্নয়নের কাঠামো গড়ে তোলা, নাগরিক সেবার মান বাড়ানো, রাজস্ব আদায়ের সক্ষমতা জোরদার এবং ব্যবসা পরিচালনার পরিবেশ উন্নত করা। পাশাপাশি নারী, যুব ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক অংশগ্রহণ বাড়িয়ে স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে।প্রস্তাবিত ব্যয় বিভাজন অনুযায়ী, ৭০টি পৌরসভায় স্থানীয় অর্থনৈতিক উন্নয়ন কাঠামো বাস্তবায়নে অনুদান হিসেবে ১৯৬ কোটি ৯১ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। ডিজিটাল সেবা চালু করতে ৩০ কোটি ৪৫ লাখ টাকা এবং জাতীয় স্থানীয় সরকার ইনস্টিটিউটের কার্যক্রমে সহায়তার জন্য ২৮ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব রয়েছে। এ ছাড়া প্রশিক্ষণে দুই কোটি ৯৫ লাখ এবং গবেষণায় ১৯ কোটি ৮২ লাখ টাকা ব্যয়ের পরিকল্পনা করা হয়েছে।প্রকল্পের আওতায় পৌরসভাগুলোতে ডিজিটাল ওয়ানস্টপ সেবা কেন্দ্র ও ই-পেমেন্ট ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। এতে নাগরিকদের পাশাপাশি স্থানীয় উদ্যোক্তাদের বিভিন্ন সেবা পাওয়া সহজ হওয়ার কথা। একই সঙ্গে স্থানীয় ব্যবসার সম্ভাবনা চিহ্নিত করা, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বে বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের সহায়তা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে।পরিকল্পনা কমিশনের নথি অনুযায়ী, এর আগে ‘প্রবৃদ্ধি: স্থানীয় অর্থনৈতিক উন্নয়ন’ প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে সাতটি পৌরসভায় ‘বাংলা এলইডি মডেল’ চালু করা হয়েছিল। ওই পর্যায়ে প্রায় ৩৮ হাজার উদ্যোক্তা এবং ৫০ হাজার সেবাগ্রহীতা সরাসরি উপকৃত হয়েছেন বলে নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে। এ সময়ে প্রায় ৪৯ হাজার ১১১টি নতুন কর্মদিবস সৃষ্টি, স্থানীয় উদ্যোক্তাদের আয় প্রায় ১২ কোটি টাকা বৃদ্ধি এবং সংশ্লিষ্ট পৌরসভাগুলোর অতিরিক্ত প্রায় আট কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের তথ্যও তুলে ধরা হয়েছে।প্রথম পর্যায়ের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে এবার প্রকল্পের আওতা সাতটি থেকে বাড়িয়ে ৭০টি পৌরসভায় নেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে কর্মদিবস সৃষ্টি এবং স্থায়ী কর্মসংস্থান এক বিষয় নয়। ফলে নতুন প্রকল্পের সাফল্য মূল্যায়নে কতজন দীর্ঘমেয়াদি কাজ পেয়েছেন, কতটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে এবং উদ্যোক্তাদের আয় বৃদ্ধির ধারাবাহিকতা কতটা বজায় রয়েছে, তা পরিমাপ করা গুরুত্বপূর্ণ হবে।প্রকল্পের জন্য পৌরসভা নির্বাচনের ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা, জনসংখ্যা, সেবার চাহিদা, দারিদ্র্য ও উন্নয়ন ঘাটতি, স্থানীয় অর্থনৈতিক সম্ভাবনা এবং উদ্যোক্তা উন্নয়নের সুযোগ বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে বলে পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা গেছে। পাশাপাশি নিজস্ব রাজস্ব বৃদ্ধির সম্ভাবনা, ডিজিটাল সেবা ও ই-পেমেন্ট চালুর প্রস্তুতি, যোগাযোগব্যবস্থা, আঞ্চলিক অর্থনৈতিক ভূমিকা এবং জলবায়ু ও ভৌগোলিক ঝুঁকিও বিবেচনা করা হয়েছে।তবে শুধু ডিজিটাল সেবা চালু বা অনুদান দিলেই কর্মসংস্থান নিশ্চিত হবে না। উদ্যোক্তাদের পুঁজি, বাজারে প্রবেশের সুযোগ, পণ্য বিপণন এবং ব্যবসা পরিচালনার ব্যয়ও স্থানীয় অর্থনীতির বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ। পৌরসভাভেদে অর্থনৈতিক সম্ভাবনা আলাদা হওয়ায় স্থানীয় চাহিদা অনুযায়ী বিনিয়োগ ও উদ্যোক্তা সহায়তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। পাশাপাশি কর নির্ধারণ, রাজস্ব আদায় ও অর্থ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা না থাকলে ডিজিটাল ব্যবস্থা চালুর সুফলও সীমিত হতে পারে।গত ১৪ জুন ২০২৬ তারিখে পরিকল্পনা কমিশনে অনুষ্ঠিত প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব পুনর্গঠন করে পাঠানো হয়েছে। কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী, প্রকল্পটি ২০২৬ সালের অক্টোবর থেকে ২০৩০ সালের মার্চ পর্যন্ত বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।পরিকল্পনা কমিশনের কৃষি, পানি ও পল্লী প্রতিষ্ঠান বিভাগের সদস্য (ভারপ্রাপ্ত সচিব) কবির আহমেদ বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে নির্বাচিত পৌরসভাগুলোতে স্থানীয় অর্থনৈতিক উন্নয়ন কাঠামো প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পাবে। পাশাপাশি রাজস্ব ও সেবাদানের সক্ষমতা বাড়বে এবং ডিজিটাল সেবা, উদ্যোক্তা সহায়তা ও বিনিয়োগের সুযোগ সম্প্রসারিত হবে।
—সম্পূর্ণ পড়ুন

রমজান সামনে রেখে বাড়ছে নিত্যপণ্যের আমদানি, কমেছে কয়েকটির দাম

আসন্ন রমজানকে সামনে রেখে ভোজ্যতেল, চিনি, ছোলা, মসুর ডাল ও খেজুরের আমদানি এবং ঋণপত্র (এলসি) খোলার পরিমাণ বেড়েছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এসব পণ্যের আমদানি বৃদ্ধি পাওয়ায় রমজানে বাড়তি চাহিদা মেটাতে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি দেশের বাজারে ডিম, ব্রয়লার মুরগি ও মসুর ডালের দাম কমেছে। ভোজ্যতেল ও চিনির দাম রয়েছে স্থিতিশীল। তবে আন্তর্জাতিক বাজার, আমদানি ব্যয় ও শুল্ক পরিস্থিতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে সরকার।সোমবার (২৬ অক্টোবর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা সভায় বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের উপস্থাপিত তথ্য থেকে এসব চিত্র উঠে আসে। সভায় সভাপতিত্ব করেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। রমজানে পণ্যের পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করা, দাম স্থিতিশীল রাখা এবং আমদানি ও শুল্কসংক্রান্ত জটিলতা নিরসনের বিষয়ে সভায় আলোচনা হয়।ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত দেশে ভোজ্যতেল আমদানি হয়েছে ৮ দশমিক ২৩ লাখ মেট্রিক টন। গত বছরের একই সময়ে আমদানির পরিমাণ ছিল ৭ দশমিক ০৫ লাখ মেট্রিক টন। অর্থাৎ আমদানি বেড়েছে ১ দশমিক ১৮ লাখ মেট্রিক টন। এ সময়ে ভোজ্যতেলের এলসি খোলা হয়েছে ৮ দশমিক ০৫ লাখ মেট্রিক টন, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১ দশমিক ৩১ লাখ মেট্রিক টন বেশি। সয়াবিন বীজ আমদানি হয়েছে ৫ দশমিক ০১ লাখ মেট্রিক টন, যা আগের বছরের তুলনায় ১ দশমিক ১৩ লাখ মেট্রিক টন বেশি।এ সময়ে চিনি আমদানি হয়েছে ৬ দশমিক ৮৭ লাখ মেট্রিক টন, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১ দশমিক ৫৩ লাখ মেট্রিক টন বেশি। চিনির এলসি খোলার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ১০ লাখ মেট্রিক টনে।রমজানের ইফতারে বহুল ব্যবহৃত ছোলার আমদানিও বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। চলতি অর্থবছরের ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত ছোলা আমদানি হয়েছে ৮২ হাজার মেট্রিক টন। গত বছরের একই সময়ে এ পরিমাণ ছিল ১২ হাজার মেট্রিক টন। অর্থাৎ আমদানি বেড়েছে ৭০ হাজার মেট্রিক টন। এ সময়ে ছোলার এলসি খোলা হয়েছে ১ লাখ ৩৮ হাজার মেট্রিক টন।অন্যদিকে, মসুর ডাল আমদানি হয়েছে ১ লাখ ২২ হাজার মেট্রিক টন, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৬৪ হাজার মেট্রিক টন বেশি। এ সময়ে মসুর ডালের এলসি খোলা হয়েছে ১ লাখ ১৪ হাজার মেট্রিক টন। খেজুর আমদানি হয়েছে ১১ হাজার মেট্রিক টন। গত বছরের একই সময়ে আমদানির পরিমাণ ছিল ৪ হাজার মেট্রিক টন।ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) তথ্য অনুযায়ী, গত এক মাসে খুচরা বাজারে ডিমের দাম ৭ দশমিক ৬২ শতাংশ কমেছে। বর্তমানে প্রতি হালি ডিম বিক্রি হচ্ছে ৪৭ থেকে ৫০ টাকায়। একই সময়ে ব্রয়লার মুরগির দাম ২ দশমিক ৬৩ শতাংশ কমে প্রতি কেজি ১৮০ থেকে ১৯০ টাকায় নেমেছে।বড় দানার মসুর ডালের দাম গত এক মাসে ২ দশমিক ৫৬ শতাংশ এবং গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৭ দশমিক ৩২ শতাংশ কমেছে। বর্তমানে প্রতি কেজি বড় দানার মসুর ডাল বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১০০ টাকায়। মাঝারি দানার মসুর ডালের দামও গত বছরের তুলনায় ৯ দশমিক ৬২ শতাংশ কমেছে।বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম প্রতি লিটার ২০৪ টাকা এবং পাঁচ লিটারের বোতল ১ হাজার টাকায় স্থিতিশীল রয়েছে। চিনির দাম প্রতি কেজি ১১০ থেকে ১১৫ টাকা। সাধারণ মানের খেজুর মানভেদে প্রতি কেজি ৩৫০ থেকে ৫৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গত এক মাসে এসব পণ্যের দামে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয়নি।সভায় পোলট্রি খাতের প্রতিনিধিরা জানান, বর্তমানে ডিম ও মুরগির উৎপাদন পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। খামার পর্যায়ে ডিমের দাম প্রতি পিস সাড়ে ১১ টাকা থেকে কমে ১০ টাকার নিচে নেমেছে, যা উৎপাদন খরচের কাছাকাছি। খামারে রোগবালাইয়ের উল্লেখযোগ্য প্রকোপ না থাকায় উৎপাদন ও সরবরাহে বড় ধরনের ঘাটতির আশঙ্কা করছেন না তারা। তবে রমজানে সকালের নাশতার ধরনে পরিবর্তনের কারণে ডিমের চাহিদা কমতে পারে। ঈদের পর মুরগির চাহিদা বাড়লে বাজারদরে প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিদ্যমান আমদানি নীতি অনুযায়ী, সরকারের বিশেষ অনুমতি ছাড়া ডিম ও মাংস আমদানি করা যায় না বলেও জানান তারা।সভায় খেজুর আমদানির শুল্ক কাঠামো সহজ, স্বচ্ছ ও যৌক্তিক করার ওপর গুরুত্ব দেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, মিসর, সৌদি আরব, ইরাক ও আলজেরিয়াসহ প্রায় এক ডজন দেশ থেকে বিভিন্ন জাত ও মানের খেজুর আমদানি করা হয়। পণ্যের গুণগত মান ও দামের পার্থক্যের কারণে একই ধরনের মূল্যায়ন পদ্ধতিতে জটিলতা তৈরি হতে পারে। এ কারণে আমদানিকারকদের জন্য সহজবোধ্য ও বাস্তবসম্মত শুল্কব্যবস্থা প্রয়োজন। শুল্ক নির্ধারণ জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দায়িত্ব হলেও কার্যকর সমাধানে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সমন্বয় জরুরি বলে তিনি উল্লেখ করেন।আলোচনায় খেজুরের প্রচলিত শুল্ক সুবিধা দ্রুত কার্যকর করার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, এ সুবিধা বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় অভ্যন্তরীণ প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। পাশাপাশি নির্দিষ্ট মূল্য ধরে শুল্কায়নের পরিবর্তে খেজুরের প্রকৃত গুণগত মান ও আমদানি মূল্যের ভিত্তিতে কর নির্ধারণের প্রস্তাব উঠে আসে।আমদানিকারকেরা জানান, সাধারণ মানের খেজুরের প্রকৃত আমদানি মূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শুল্কায়ন না হলে আমদানি ব্যয় বেড়ে যায়। এর সঙ্গে আঞ্চলিক পরিস্থিতি, বিকল্প পরিবহনপথের ব্যবহার, বাড়তি পরিবহন ব্যয় এবং এলসি খোলার জটিলতা যুক্ত হয়ে সরবরাহে চাপ সৃষ্টি করতে পারে। উচ্চ করহারের কারণে সাধারণ ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতা বিবেচনায় ফল আমদানির কর কাঠামো আরও সহনীয় করার দাবিও জানান আমদানিকারকেরা। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এসব সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে।ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের পর্যালোচনায় দেখা গেছে, আন্তর্জাতিক বাজারে ভোজ্যতেল ও ছোলার দাম কিছুটা বাড়লেও মসুর ডালের দাম কমেছে। ছোলা ও মসুর ডাল আমদানিতে বর্তমানে শুল্ক ও কর নেই। তবে চিনি ও ফল আমদানির শুল্ক কাঠামো পর্যালোচনা করে যৌক্তিক সমন্বয় করা গেলে বাজারদর সহনীয় রাখতে সহায়ক হতে পারে। সাম্প্রতিক সময়ে স্থানীয় বাজারে তাজা ফলের দামও কিছুটা কমেছে বলে সভায় জানানো হয়।সভায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী, বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যান নাসির উদ দৌলা, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. জহিরুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও বিভিন্ন খাতের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
—সম্পূর্ণ পড়ুন
● বিশেষ ফিচার

চট্টগ্রাম বন্দরে ৩৯৩ জন নিয়োগ, আবেদন শুরু ৮ নভেম্বর

চট্টগ্রাম বন্দরে ৩৯৩ জন নিয়োগ, আবেদন শুরু ৮ নভেম্বর
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ ২২টি পদে মোট ৩৯৩ জন নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। অস্থায়ী ভিত্তিতে এসব পদে নারী ও পুরুষ প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। অষ্টম শ্রেণি ও এসএসসি পাস প্রার্থীদেরও আবেদনের সুযোগ রয়েছে। অনলাইনে আবেদন শুরু হবে ৮ নভেম্বর ২০২৬ সকাল ১০টায়। আবেদন করা যাবে ৮ ডিসেম্বর রাত ১২টা পর্যন্ত।নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আবেদনকারীদের বয়স ৮ ডিসেম্বর ২০২৬ তারিখে ১৮ থেকে ৩২ বছরের মধ্যে হতে হবে। তবে ৬ নম্বর পদের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৪০ বছর এবং ৮ নম্বর পদের ক্ষেত্রে ৩৫ বছর পর্যন্ত শিথিলযোগ্য। বয়স প্রমাণের জন্য কোনো ধরনের এফিডেভিট গ্রহণ করা হবে না।আগ্রহী প্রার্থীদের চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। আবেদনপত্রের সঙ্গে নির্ধারিত মাপের ছবি ও স্বাক্ষর স্ক্যান করে সংযুক্ত করতে হবে। ছবি ৩০০ বাই ৩০০ পিক্সেল এবং স্বাক্ষর ৩০০ বাই ৮০ পিক্সেল মাপের হতে হবে।নির্ধারিত সময়ের পরে জমা দেওয়া আবেদন এবং অসম্পূর্ণ আবেদনপত্র গ্রহণ করা হবে না। আবেদন সম্পন্ন করার পর প্রার্থীদের অনলাইন আবেদনের প্রিন্ট কপি সংরক্ষণ করতে হবে।আবেদন ফি পদের নম্বর অনুযায়ী নির্ধারণ করা হয়েছে। ১ থেকে ৩ নম্বর পদের জন্য ২০০ টাকা, ৪ থেকে ৬ নম্বর পদের জন্য ১৫০ টাকা, ৭ থেকে ১৭ নম্বর পদের জন্য ১০০ টাকা এবং ১৮ থেকে ২২ নম্বর পদের জন্য ৫০ টাকা জমা দিতে হবে। ফি অনলাইনের মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে।আগ্রহী প্রার্থীদের আবেদন করার আগে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের মূল নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেখে পদের যোগ্যতা, আবেদনপদ্ধতি ও অন্যান্য শর্ত যাচাই করে নেওয়া উচিত। আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় ৮ ডিসেম্বর ২০২৬ রাত ১২টা।
—ক্লিক করে পড়ুন

বাংলাদেশের শতাধিক প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট সাইবার ঝুঁকিতে

পুরোনো ও নিরাপত্তা-সমর্থনহীন সফটওয়্যার ব্যবহারের কারণে বাংলাদেশের শতাধিক সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট সাইবার নিরাপত্তা ঝুঁকিতে রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে ওয়েবসাইট ও সার্ভারের নিরাপত্তা জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওয়েবসাইট পরিচালনায় ব্যবহৃত PHP সফটওয়্যারের নিরাপত্তা দুর্বলতা এ ঝুঁকির অন্যতম কারণ। এসব দুর্বলতা কাজে লাগিয়ে সাইবার অপরাধীরা অননুমোদিতভাবে সিস্টেমে প্রবেশ, তথ্য চুরি কিংবা অনলাইন সেবা ব্যাহত করার চেষ্টা করতে পারে।সরকারি সাইবার নিরাপত্তা সংস্থা BGD e-GOV CIRT এ ধরনের ঝুঁকি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে সতর্ক করেছে। প্রতিষ্ঠানগুলোকে সফটওয়্যার হালনাগাদ, নিরাপত্তা ত্রুটি সংশোধন এবং সার্ভারের কার্যক্রম নিয়মিত পর্যবেক্ষণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিজিটাল সেবার ব্যবহার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে সরকারি সেবা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিগত তথ্য সংরক্ষণকারী ওয়েবসাইটের ক্ষেত্রে নিরাপত্তার ঘাটতি বড় ধরনের সমস্যা তৈরি করতে পারে।তবে কোনো ওয়েবসাইট নিরাপত্তা ঝুঁকিতে থাকা মানেই সেটি ইতোমধ্যে সাইবার হামলার শিকার হয়েছে, এমন নয়। ঝুঁকি কমাতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।
—সম্পূর্ণ পড়ুন

আত্রাইয়ের ৪০০ বছরের পুরোনো মসজিদ ও মঠ, সংরক্ষণ নিয়ে উদ্বেগ
নওগাঁর আত্রাই উপজেলার ইসলামগাঁথী গ্রামে মোগল আমলের স্থাপত্যশৈলীর নিদর্শন তিন গম্বুজ মসজিদ ও প্রাচীন মঠ আজও ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। প্রায় ৪০০ বছরের পুরোনো বলে পরিচিত এ দুটি স্থাপনা যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে সৌন্দর্য হারাচ্ছে। এরই মধ্যে মসজিদ সম্প্রসারণের জন্য মঠটি ভেঙে ফেলার উদ্যোগ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে মতভেদ দেখা দিয়েছে। ঐতিহাসিক স্থাপনা দুটি সংরক্ষণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সচেতন এলাকাবাসী।উপজেলা সদর থেকে প্রায় আট কিলোমিটার পূর্বে ঐতিহাসিক গুড় নদীর তীরে ইসলামগাঁথী গ্রাম অবস্থিত। উপজেলার বিশা ইউনিয়নের এ গ্রামে রয়েছে কারুকার্যখচিত তিন গম্বুজবিশিষ্ট একটি পুরোনো মসজিদ ও এর পাশে প্রায় ৪০ ফুট উঁচু একটি মঠ। মসজিদের স্থাপত্যে মোগল আমলের প্রভাব লক্ষ করা যায়। মঠটির গায়ে একসময় বিভিন্ন প্রাণীর ছবি খোদাই করা ছিল।স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা যায়, একসময় গ্রামটিতে যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম ছিল নৌকা। সে সময়েই মসজিদ ও মঠ নির্মিত হয় বলে ধারণা করা হয়। অতীতে মঠটিকে ঘিরে বিভিন্ন মানত ও ধর্মীয় আচার প্রচলিত ছিল। প্রতি বছর মহররমের ১০ তারিখ আশুরায় দূরদূরান্ত থেকে লোকজন সেখানে আসতেন। তবে সময়ের পরিবর্তনে এসব প্রথা এখন প্রায় বিলুপ্ত।মসজিদ ও মঠের নির্মাণকাল সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় প্রবীণ ব্যক্তিরাও স্থাপনা দুটির সঠিক বয়স বা প্রতিষ্ঠার সাল জানাতে পারেননি। আত্রাই কলকাকলী মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মাজেদুর রহমান জানান, তাঁর দাদা ১৯৮০ সালে ১০৩ বছর বয়সে মারা যান। তিনিও মসজিদ ও মঠের নির্মাণকাল সম্পর্কে কিছু বলতে পারেননি। ঐতিহাসিক স্থাপনা দুটি সংস্কারে তিনি স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।স্থানীয় ইতিহাসের প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, ১৫৭৬ খ্রিষ্টাব্দে মোগল শাসনামলে ইসলাম খাঁ নামে কোনো এক ব্যক্তি এ অঞ্চলের শাসনকার্যে নিয়োজিত ছিলেন। ইসলামগাঁথী ও ইসলামপুরসহ আশপাশের কয়েকটি গ্রামের নাম তাঁর নামের সঙ্গে সম্পর্কিত বলে ধারণা করা হয়। স্থানীয়ভাবে প্রচলিত এ ধারণা থেকেই তাঁর সময়কালে মসজিদ ও মঠ নির্মিত হয়ে থাকতে পারে বলে মনে করা হয়। তবে এ বিষয়ে নিশ্চিত ঐতিহাসিক প্রমাণের উল্লেখ নেই।এসএ ও আরএস খতিয়ান অনুযায়ী, ছয় শতক জমির ওপর স্থাপনা দুটি অবস্থিত। দীর্ঘদিনের অবহেলায় মঠের গায়ে খোদাই করা অনেক নকশা মুছে গেছে। অন্যদিকে, মসজিদ সম্প্রসারণের জন্য মঠটি ভেঙে ফেলার পক্ষে রয়েছেন স্থানীয় একটি পক্ষ। অপর পক্ষ ঐতিহাসিক মঠটি অক্ষত রেখে মসজিদ অন্য স্থানে নির্মাণের প্রস্তাব দিয়েছেন।স্থানীয় সচেতন ব্যক্তিদের মতে, যথাযথ সংস্কার ও সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হলে স্থাপনা দুটি এলাকার ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন হিসেবে গড়ে উঠতে পারে। তাই মসজিদ ও মঠের ঐতিহাসিক গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে সেগুলো অক্ষত রাখার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সংস্কার ও সংরক্ষণের ব্যবস্থা নিতে স্থানীয় প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা।
এই পাতার গুরুত্বপূর্ণ সারসংক্ষেপ
অন্যান্য পাতার সংবাদ পড়তে বামপাশের পাতাসমূহ থেকে পছন্দমতো পাতায় ক্লিক করুন।
ঢাকা কর অঞ্চল-৯-এ ৯ পদে ৩৮ জনের সরকারি চাকরির সুযোগ
● বিশেষ আয়োজন

ঢাকা কর অঞ্চল-৯-এ ৯ পদে ৩৮ জনের সরকারি চাকরির সুযোগ

কর কমিশনারের কার্যালয়, কর অঞ্চল-৯, ঢাকা জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটিতে ৯ ক্যাটাগরির পদে মোট ৩৮ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। গত ২৫ অক্টোবর থেকে অনলাইনে আবেদন শুরু হয়েছে। আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ১৪ নভেম্বর ২০২৬ বিকেল ৫টা পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, পদভেদে মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক ও স্নাতক পাস প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। নারী ও পুরুষ উভয় প্রার্থীই আবেদনের সুযোগ পাবেন। তবে আবেদনকারীকে অবশ্যই ঢাকা মহানগর ও ঢাকা জেলার স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে।চাকরিটি সরকারি ও অস্থায়ী। কর্মস্থল ঢাকা। ১ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে প্রার্থীর বয়স ১৮ থেকে ৩২ বছরের মধ্যে হতে হবে। বয়স প্রমাণের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের এফিডেভিট গ্রহণ করা হবে না।আবেদন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১ থেকে ৬ নম্বর পদের জন্য ১১২ টাকা এবং ৭ থেকে ৯ নম্বর পদের জন্য ৫৬ টাকা। আবেদন ফি অফেরতযোগ্য এবং নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে জমা দিতে হবে।আবেদনের সময় নির্ধারিত মাপ অনুযায়ী ছবি ও স্বাক্ষর স্ক্যান করে অনলাইনে যুক্ত করতে হবে। ছবির মাপ ৩০০×৩০০ পিক্সেল এবং স্বাক্ষরের মাপ ৩০০×৮০ পিক্সেল হতে হবে। নির্ধারিত সময়ের পর জমা দেওয়া আবেদন কিংবা অসম্পূর্ণ আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না।আগ্রহী প্রার্থীদের আবেদন করার আগে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত পদভিত্তিক যোগ্যতা, শর্ত ও আবেদনপ্রক্রিয়া ভালোভাবে যাচাই করে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
—ক্লিক করে সম্পূর্ণ প্রতিবেদন পড়ুন
৩য় পাতা - শেষ পাতা: সম্পাদকীয়, বাণিজ্য ও খেলাধুলা — দৈনিক কালের দিগন্ত
ন্যায়, সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে আমরা সদা জাগ্রত।