<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"

>
    <channel>
        <title>দৈনিক কালের দিগন্ত | সত্যের আলোয় প্রকাশিত </title>
        	<atom:link href="https://epaper.kalerdiganta.com/feed" rel="self" type="application/rss+xml" />
        	<atom:link href="https://pubsubhubbub.appspot.com/" rel="hub" />
        <link>https://epaper.kalerdiganta.com</link>
        <description> বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন। </description>
        <language>bn</language>
                 
    
    <item>
		<title>ডিসেম্বরে কোনো আপার এ দেশে আসার সুযোগ নেই: নোবিপ্রবিতে নাহিদ ইসলাম </title>
		<link>https://epaper.kalerdiganta.com/11184/nstu-nahid-islam-december-warning-2026</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 07 Nov 2026 23:40:37 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="true">https://epaper.kalerdiganta.com/11184/nstu-nahid-islam-december-warning-2026</guid>
		<description> নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে নবীনবরণ অনুষ্ঠানে জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক ও চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম হুশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ডিসেম্বরে কোনো আপারের এ </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;ডিসেম্বরে কোনো আপার এ দেশে আসার সুযোগ নেই, আমরা প্রস্তুত আছি’ বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;শনিবার দুপুরে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ ও জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে শিক্ষার্থীদের ভাবনা কার্যক্রমের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আগামী ডিসেম্বর মাসে মনে হয় কেউ দেশে আসতে চাচ্ছে। আপনারা কি প্রস্তুত আছেন? জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে যেভাবে প্রস্তুত ছিলাম, এবারও কি সেভাবে প্রস্তুত আছি? এবার কি আগের চেয়ে বেশি হবে না কম হবে?’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তিনি আরও বলেন, ‘আগেরবার আমরা অনেক উদারতা দেখিয়েছি। আমরা ক্ষমা করে দিয়েছিলাম। আমরা বলেছিলাম, ওসমান হাদির ভাষায়, শত্রুর প্রতি আমরা ইনসাফ করব, ন্যায়বিচার করব। কিন্তু গত দুই বছরে আমরা কোনো বিচার পাইনি। আমরা ওসমান হাদি হত্যার বিচার পাইনি। জুলাইয়ে আমাদের যেসব ভাই-বোন শহীদ হয়েছেন, তাঁদের হত্যারও বিচার পাইনি।’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বিচার না পেলে জনগণ নিজেরাই প্রতিরোধ গড়ে তুলবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘মানুষ যদি ন্যায়বিচার না পায়, তখন জনগণ নিজেই প্রতিরোধ শুরু করে। ডিসেম্বর আমাদের প্রতিরোধের মাস, আমাদের বিজয়ের মাস। একাত্তরে বিজয় লাভ করেছি, চব্বিশেও বিজয় লাভ করেছি। ২০২৬ সালেও বিজয় লাভ করব ইনশাআল্লাহ। আগামী সব ডিসেম্বরেই বাংলাদেশের ছাত্র-জনতা বিজয় লাভ করবে।’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে নাহিদ ইসলাম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়জীবন শুধু ব্যক্তিগত ক্যারিয়ার গঠনের সময় নয়, বরং দেশ ও সমাজের প্রতি দায়িত্ব পালনেরও সময়। বিশ্ববিদ্যালয়ে আবাসন, পরিবহন ও শ্রেণিকক্ষ সংকট নিরসনে রাষ্ট্র ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে দায়িত্ব নিতে হবে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতেও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর ভূমিকা রাখতে হবে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তিনি বলেন, বিগত সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে র‌্যাগিং, ছাত্র নির্যাতন, গেস্টরুম ও গণরুম সংস্কৃতির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ওপর নিপীড়ন চালানো হয়েছে। এসবের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের গণতান্ত্রিক পরিবেশ ও স্বাধীনতা রক্ষা করতে হবে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ছাত্রসংগঠনগুলোর ভূমিকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শুধু নবীন শিক্ষার্থীদের ফুল ও উপহার দিয়ে মন জয় করাই ছাত্রসংগঠনের কাজ নয়। শিক্ষার্থীদের আবাসন, পরিবহন ও শ্রেণিকক্ষ সংকটসহ বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে আন্দোলন করা এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ওপর চাপ সৃষ্টি করাই প্রকৃত ছাত্ররাজনীতির দায়িত্ব।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে মেধাভিত্তিক বাংলাদেশ গঠন, দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি বন্ধ, সুশাসন প্রতিষ্ঠা, আধিপত্যবাদ প্রতিরোধ এবং গণতন্ত্র নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। শিক্ষার্থীদের যেকোনো অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হওয়ার আহ্বান জানান।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;অনুষ্ঠানে জাতীয় ছাত্রশক্তির নোবিপ্রবি শাখার আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>পার্বতীপুরে মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত </title>
		<link>https://epaper.kalerdiganta.com/11182/parbatipur-national-revolution-and-solidarity-day-2026</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 07 Nov 2026 23:34:49 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="true">https://epaper.kalerdiganta.com/11182/parbatipur-national-revolution-and-solidarity-day-2026</guid>
		<description> দিনাজপুরের পার্বতীপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস-২০২৬ পালিত হয়েছে। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;দিনাজপুরের পার্বতীপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস-২০২৬ পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে শহিদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে আলোচনা সভার আয়োজন করে উপজেলা প্রশাসন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;শনিবার (৭ নভেম্বর) সকালে পার্বতীপুর মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরাফাত আমিন আজিজ।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;অনুষ্ঠানে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত ও গীতা পাঠের মধ্য দিয়ে কার্যক্রম শুরু হয়। ভোটগাছ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আতিয়ার রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ রাজিব হুসাইন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;দিবসটির ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও তাৎপর্য তুলে ধরে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অধ্যাপক ফায়েজুর রহমান।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আলোচনা সভায় আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আমিনুল ইসলাম শাহ ও যুগ্ম আহ্বায়ক মাহাবুর রশিদ সংগ্রাম। এ ছাড়া বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আকরাম হোসেন মাস্টার। শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেয় কে বি রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুলের শিক্ষার্থী অনুশ্রী সাহা।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আলোচনায় বক্তারা জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরেন। পাশাপাশি জাতীয় ঐক্য, দেশপ্রেম ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ সমুন্নত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে দিবসটি উপলক্ষে আলোচনা সভার পাশাপাশি পুরস্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হয়।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ধামইরহাটে আলোচনা সভা ও মাহফিলের মধ্য দিয়ে পালিত হলো জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস </title>
		<link>https://epaper.kalerdiganta.com/11181/dhamoirhat-national-revolution-and-solidarity-day-2026</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 07 Nov 2026 23:30:47 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="true">https://epaper.kalerdiganta.com/11181/dhamoirhat-national-revolution-and-solidarity-day-2026</guid>
		<description> নওগাঁর ধামইরহাটে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে উপজেলা ও পৌর বিএনপির উদ্যোগে বর্ণাঢ্য আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&amp;nbsp;নওগাঁর ধামইরহাটে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;শনিবার (৭ নভেম্বর) ধামইরহাট উপজেলা বিএনপি ও পৌর বিএনপির উদ্যোগে এ আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;অনুষ্ঠানে বক্তব্যে ধামইরহাট উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ মাহবুবার রহমান চৌধুরী চপল বলেন, “জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। ১৯৭৫ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। এমন পরিস্থিতিতে তৎকালীন সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমানের আবির্ভাব ঘটে। পরবর্তী সময়ে তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশ বহুদলীয় গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করে।”&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তিনি দিবসটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরে জাতীয় ঐক্য, গণতন্ত্র ও দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এ সময় উপস্থিত ছিলেন ধামইরহাট উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ মাহবুবার রহমান চৌধুরী চপল, ধামইরহাট পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ রেজোয়ান হোসেন রঞ্জু, পৌর বিএনপির সদস্য আজমল হোসেন চৌধুরী সাহান, পৌর মহিলা দলের সভানেত্রী বেলী খাতুন, সাধারণ সম্পাদক কাইফা খাতুন, উপজেলা মহিলা দলের সাংগঠনিক সম্পাদক নার্গিস বানু, উমার ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ রুহেল হোসেন সুমন, উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব ও ধামইরহাট উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী মোঃ আবির হাসান মিলন এবং পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোঃ সাঈদ বিন জাবেদসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আলোচনা সভা শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ, শান্তি-সমৃদ্ধি এবং প্রয়াত নেতাকর্মীদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ভোলাহাটে আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে পালিত হলো জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস </title>
		<link>https://epaper.kalerdiganta.com/11180/volahat-national-revolution-and-solidarity-day-2026</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 07 Nov 2026 23:26:06 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="true">https://epaper.kalerdiganta.com/11180/volahat-national-revolution-and-solidarity-day-2026</guid>
		<description> চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাটে যথাযোগ্য মর্যাদায় ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাটে যথাযোগ্য মর্যাদায় ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;শনিবার (৭ নভেম্বর ২০২৬) বেলা ১১টায় উপজেলা মডেল মসজিদ মিলনায়তনে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ নাহিদ হোসেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা এলজিইডি ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আবু সাঈদ, কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ সুলতান আলী, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ রবিউল ইসলাম কবিরাজ, আরডিও মোঃ সবুজ আলী, সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ নাসিম উদ্দিন, সাবেক উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আলহাজ্ব মোঃ নুরুল ইসলাম, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক মোঃ আফসার হোসেন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ ইয়াজদানী জর্জ, থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মোঃ বশির উদ্দিন, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা ডেপুটি কমান্ডার মোঃ তৈমুর হোসেন, উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ ইব্রাহিম খলিলুল্লাহ্, আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা মোঃ গোলাম আজম এবং জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উপসহকারী প্রকৌশলী মোঃ আজমীর শেখ।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ মোজাম্মেল হক চুটু, পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের ভোলাহাট শাখা ব্যবস্থাপক মোঃ মতিউর রহমান, তথ্য আপা নাসরীন আক্তার, প্রধান শিক্ষক এম কুরবান আলীসহ উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আলোচনা সভায় বক্তারা ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, তাৎপর্য ও গুরুত্ব তুলে ধরে বক্তব্য দেন। এ সময় স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গসহ উপস্থিত নেতাকর্মীরা দিবসটির বিভিন্ন দিক নিয়ে খোলামেলা মতামত প্রকাশ করেন।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>নাসিরনগরের বাঘি গ্রামের ডোবা থেকে অর্ধগলিত অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার </title>
		<link>https://epaper.kalerdiganta.com/11179/nasirnagar-baghi-village-body-recovery-2026</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 07 Nov 2026 23:20:51 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="true">https://epaper.kalerdiganta.com/11179/nasirnagar-baghi-village-body-recovery-2026</guid>
		<description> ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার ভলাকুট ইউনিয়নের বাঘি গ্রামের একটি পরিত্যক্ত ডোবা থেকে অর্ধগলিত অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার&amp;nbsp;&amp;nbsp;নাসিরনগর উপজেলার ভলাকুট ইউনিয়নের বাঘি গ্রামের একটি পরিত্যক্ত ডোবা থেকে অর্ধগলিত অজ্ঞাত&amp;nbsp;&amp;nbsp;ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে লাশটি উদ্ধার করে নাসিরনগর থানা পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নাসিরনগর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জাহান ই আলম।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার দুপুরে বাঘি গ্রামের মাঠে কাজ করতে গিয়ে স্থানীয় এক কৃষক ডোবার পানিতে অর্ধগলিত লাশটি ভাসতে দেখেন। প্রথমে বিষয়টি বুঝতে না পারলেও কাছে গিয়ে মানুষের লাশ দেখে তিনি আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। পরে তিনি আশপাশের লোকজনকে বিষয়টি জানান এবং নাসিরনগর থানায় খবর দেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;খবর পেয়ে নাসিরনগর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহায়তায় লাশটি উদ্ধার করে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;পুলিশ জানায়, উদ্ধারের সময় লাশটি প্রায় পঁচে গিয়েছিল। শরীরের বিভিন্ন অংশ আলাদা হয়ে যাওয়ায় মাথা ও হাড় একত্রিত করে বস্তাবন্দি করে থানায় নেওয়া হয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;লাশের পরিচয় এখনো শনাক্ত করা যায়নি। মৃত ব্যক্তির বয়স, পরিচয় ও মৃত্যুর কারণ জানতে লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এদিকে, দিন-দুপুরে ডোবা থেকে অর্ধগলিত লাশ উদ্ধারের ঘটনায় বাঘি গ্রামসহ আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ঘটনাস্থলে উৎসুক জনতা ভিড় জমায়। স্থানীয়রা বলছেন, কে বা কারা, কখন এই লাশটি ডোবায় ফেলে গেছে — তা এখনো কেউ বলতে পারছেন না।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এ বিষয়ে নাসিরনগর থানার এসআই জাহান ই আলম বলেন, “লাশটি অর্ধগলিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।”&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>বগুড়ায়  আলোচনা সভা ও নানা কর্মসূচিতে পালিত হলো জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস </title>
		<link>https://epaper.kalerdiganta.com/11178/bogra-national-revolution-and-solidarity-day-2026</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 07 Nov 2026 23:17:51 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="true">https://epaper.kalerdiganta.com/11178/bogra-national-revolution-and-solidarity-day-2026</guid>
		<description> ঐতিহাসিক ৭ই নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে বগুড়া জেলা প্রশাসনের আয়োজনে শহীদ টিটু মিলনায়তনে এক বর্ণাঢ্য আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে বগুড়া জেলা প্রশাসনের আয়োজনে শহীদ টিটু মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;শনিবার (৭ নভেম্বর) আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বগুড়া-৬ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মোঃ রেজাউল করিম বাদশা।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বিশেষ অতিথি ছিলেন বগুড়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ মোশারফ হোসেন, বগুড়া সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক এম.আর. ইসলাম স্বাধীন এবং বগুড়ার পুলিশ সুপার মির্জা সায়েম মাহমুদ পিপিএম।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;অনুষ্ঠানে মুখ্য আলোচক ছিলেন সরকারি মজিবর রহমান ভান্ডারী মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মো. বেল্লাল হোসেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এ সময় চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিশুদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন প্রধান অতিথি ও অন্যান্য অতিথিরা।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>নাসিরনগরে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত </title>
		<link>https://epaper.kalerdiganta.com/11177/nasirnagar-national-revolution-and-solidarity-day-2026</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 07 Nov 2026 23:09:50 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="true">https://epaper.kalerdiganta.com/11177/nasirnagar-national-revolution-and-solidarity-day-2026</guid>
		<description> ঐতিহাসিক ৭ই নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র‍্যালি, আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&amp;nbsp;নাসিরনগর উপজেলায় যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন করা &amp;nbsp;হয়েছে। এ উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে ছিল বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার , আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে আজ শনিবার ৭ নভেম্বর&amp;nbsp;&amp;nbsp;সকালে উপজেলার সরকারি ডিগ্রি কলেজ সংলগ্ন চেয়ারম্যান মার্কেট থেকে একটি বিশাল ব়্যালি উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্প মাল্য অর্পণ শেষে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তন প্রাঙ্গণে&amp;nbsp;&amp;nbsp;উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি এ কে এম খালেদের সভাপতিত্বে ও উপজেলা বিএনপি সংগ্রামী সাধারণ সম্পাদক কে এম বশির উদ্দিন তুহিন এর&amp;nbsp;&amp;nbsp;সঞ্চালনায় আলোচনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য, উপজেলা বিএনপি সংগ্রামী সভাপতি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া - ১ নাসিরনগর সংসদীয় ২৪৩ আসনের সংসদ সদস্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য জননেতা এম এ হান্নান এমপি।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এসময় তিনি বলেন ‎প্রধান অতিথির বক্তব্যে জনাব এম এ হান্নান, এমপি বলেন, _“৭ই নভেম্বরের চেতনাই আমাদের প্রেরণা। নাসিরনগরের নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ থাকলে আগামী দিনে আরও বড় বিজয় আসবে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;‎অনুষ্ঠানটি শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;‎বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,&lt;/p&gt;&lt;p&gt;‎উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জনাব এ্যাড. আলী আজম চৌধুরী, সাবেক সদস্য সচিব জনাব মোঃ আজিজুর রহমান চৌধুরী, সাবেক সহ সাংগঠনিক সম্পাদক জনাব আজদু মিয়া, সদর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জনাব আবু সারোয়ার, সদর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জনাব ওবায়দুল হক, উপজেলা যুবদলের সভাপতি জনাব জামাল আহাম্মেদ, উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক জনাব মাসুদুর রহমান চৌধুরী, উপজেলা শ্রমিক দলের আহবায়ক জনাব ইমরান মিয়া, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব জনাব নজরুল ইসলাম, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক জনাব তাকিউল ইসলাম, শরিফুল ইসলাম, খায়রুল বাশার রনি, উপজেলা মহিলা দলের তাজমহল মেম্বার, গুলবাহার মেম্বার সহ উপজেলা বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, কৃষক দলসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;‎আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ই নভেম্বর ছিল জাতীয় জীবনের এক ঐতিহাসিক দিন। সেদিন সিপাহী-জনতার বিপ্লবের মধ্য দিয়ে দেশে জাতীয় ঐক্য ও সংহতি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। সেই চেতনাকে ধারণ করেই গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনকে আরও বেগবান করতে হবে। বক্তারা সকলকে ঐক্যবদ্ধ থেকে দলের জন্য কাজ করার আহ্বান জানান।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;‎&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ঝালকাঠিতে ‘কিং স্টার স্পোর্টিং ক্লাব’-এর নতুন উপদেষ্টা ও আহ্বায়ক কমিটি গঠিত </title>
		<link>https://epaper.kalerdiganta.com/11176/king-star-sporting-club-jhalokathi-committee-2026</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 07 Nov 2026 23:00:14 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="true">https://epaper.kalerdiganta.com/11176/king-star-sporting-club-jhalokathi-committee-2026</guid>
		<description> “One Team, One Dream” স্লোগানকে সামনে রেখে ঝালকাঠিতে ঐতিহ্যবাহী ক্রীড়া সংগঠন ‘কিং স্টার স্পোর্টিং ক্লাব’-এর নতুন উপদেষ্টা পরিষদ ও আহ্বায়ক কমিটি গঠিত হয়েছে। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp;“One Team, One Dream” (এক দল, এক স্বপ্ন) স্লোগানকে সামনে রেখে ঝালকাঠিতে গতিশীল ও সুশৃঙ্খলভাবে ক্রীড়া কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে ঐতিহ্যবাহী ক্রীড়া সংগঠন ‘কিং স্টার স্পোর্টিং ক্লাব’-এর নতুন উপদেষ্টা পরিষদ ও আহ্বায়ক কমিটি গঠিত হয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;দেশের প্রতিটি জেলা ও তৃণমূলে ক্রীড়া সংগঠনের কার্যক্রম সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ঝালকাঠি জেলা শাখার এই কমিটি অনুমোদনের মধ্য দিয়ে সংগঠনটি তাদের নতুন যাত্রার সূচনা করল। ক্লাবের সাংগঠনিক উন্নয়ন, খেলাধুলার প্রসার এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে অভিজ্ঞ ও নিবেদিতপ্রাণ ব্যক্তিবর্গকে এই কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।&amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; উপদেষ্টা কমিটি  উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিবর্গ:&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;কিং স্টার স্পোর্টিং ক্লাবের উপদেষ্টা কমিটিতে বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গকে রাখা হয়েছে। যাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন—&lt;/p&gt;&lt;p&gt;**ডক্টর এস এম জিয়া হায়দার স্বপন (প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী)।                          *মো. রফিকুল ইসলাম                                       জামাল।                                                                                          মাননীয় সংসদ সদস্য,                ঝালকাঠি-১)।&amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;*ইসরাত সুলতানা ইলেন।             ভুট্টো।                                                               (মাননীয় সংসদ সদস্য                  ঝালকাঠি-২)&amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;*জেবা আমিনা আল গাজী।                      মাননীয় সংসদ সদস্য।                 সংরক্ষিত মহিলা আসন।&amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;*এডভোকেট মোঃ:শাহাদাত                হোসেন।                                                     (প্রশাসক, জেলা পরিষদ, ঝালকাঠি)।&amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;*মো. শামীম তালুকদার।            (আহ্বায়ক, জেলা যুবদল, ঝালকাঠি)&lt;/p&gt;&lt;p&gt;*মো. জোবায়ের আলম (মুন),&amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&amp;nbsp;ম্যানেজিং ডিরেক্টর, সারেং ফার্নিচার লিমিটেড, ঝালকাঠির স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও ক্রীড়াপ্রেমী গুণীজন।&amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আহ্বায়ক কমিটি:&amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ক্লাবের দৈনন্দিন কার্যক্রম ও      সার্বিক ব্যবস্থাপনা সুচারুভাবে।  পরিচালনার জন্য একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠিত হয়েছে। এই কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন—&lt;/p&gt;&lt;p&gt;*আহ্বায়ক:                              মো. শফিউল আলম (রাশেদ)&lt;/p&gt;&lt;p&gt;*সদস্য সচিব:                              মোঃ মনোয়ার হোসেন রানা&lt;/p&gt;&lt;p&gt;*সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক:                       মো. তমাল খলিফা (সহ অন্যান্য সদস্যবৃন্দ)।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সংশ্লিষ্ট সকলের মতামত ও অনুমোদন সাপেক্ষে গঠিত এই নতুন কমিটি ঝালকাঠির ক্রীড়াঙ্গনে এক নতুন গতিশীলতা বা dynamism নিয়ে আসবে বলে আয়োজকরা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। ক্লাবের মূল মন্ত্র “One Team, One Dream”-কে ধারণ করে ঝালকাঠির যুবসমাজকে মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রেখে খেলাধুলামুখী করতে এই কমিটি অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ঝিনাইদহে বর্ণাঢ্য র‍্যালি অনুষ্ঠিত </title>
		<link>https://epaper.kalerdiganta.com/11175/jhenaidah-national-revolution-and-solidarity-day-2026</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 07 Nov 2026 22:44:58 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="true">https://epaper.kalerdiganta.com/11175/jhenaidah-national-revolution-and-solidarity-day-2026</guid>
		<description> ঐতিহাসিক ৭ই নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ঝিনাইদহে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ঝিনাইদহে বর্ণাঢ্য র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৭ নভেম্বর ২০২৬) জেলা প্রশাসনের আয়োজনে এ র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে র‍্যালিটি শুরু হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এতে নেতৃত্ব দেন ঝিনাইদহের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নোমান হোসেন। র‍্যালিতে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মোহাম্মদ রাশেদ খান।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এ ছাড়া জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, সরকারি কর্মকর্তা ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ র‍্যালিতে অংশগ্রহণ করেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরতে আয়োজিত এ বর্ণাঢ্য র‍্যালিতে অংশগ্রহণকারীদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। শহর প্রদক্ষিণ শেষে র‍্যালিটি শেষ হয়।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>যুক্তরাষ্ট্রে হামের প্রকোপ মারাত্মক, বাড়ছে মৃত্যু </title>
		<link>https://epaper.kalerdiganta.com/11174/us-measles-outbreak-deaths-rise-2026</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৩]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 07 Nov 2026 21:36:26 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="true">https://epaper.kalerdiganta.com/11174/us-measles-outbreak-deaths-rise-2026</guid>
		<description> যুক্তরাষ্ট্রে ২০২৬ সালে হামে আক্রান্ত ৫ হাজার ছাড়িয়েছে, যা ১৯৯১ সালের পর সর্বোচ্চ। অঙ্গরাজ্যগুলোর হিসাবে এ বছর অন্তত আটজনের মৃত্যু হয়েছে। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;যুক্তরাষ্ট্রে হামের প্রকোপ মারাত্মক রূপ নিয়েছে। দেশটিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে আটে। সম্প্রতি উইসকনসিনে এক শিশুর মৃত্যুর মধ্য দিয়ে চলতি বছর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গত কয়েক দশকের মধ্যে হামে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানির ঘটনা ঘটলো।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;স্টেট হেলথ ডিপার্টমেন্টের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে দেশজুড়ে আটজনের মৃত্যু রেকর্ড করা হয়েছে। অঙ্গরাজ্যটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় কাউন্টিগুলোতে প্রাদুর্ভাব ছড়িয়ে পড়ার মধ্যে উইসকনসিন ডিপার্টমেন্ট অফ হেলথ সার্ভিসেস গত বৃহস্পতিবার এই শিশুর মৃত্যুর কথা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করে। ১৯৯০ সালের পর অঙ্গরাজ্যটিতে এটিই হামে প্রথম কোনো মৃত্যুর ঘটনা। এছাড়া পেনসিলভেনিয়ায় ছয়জন এবং নিউইয়র্কে একজনের মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে চলতি সপ্তাহেই তিনজনের প্রাণহানির তথ্য জানানো হয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তবে ফেডারেল ও অঙ্গরাজ্যের হিসাবের মধ্যে কিছুটা অমিল রয়েছে। সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন বা সিডিসির অফিশিয়াল রেকর্ডে চলতি বছরে এখন পর্যন্ত মাত্র চারজনের মৃত্যুর কথা উল্লেখ করা হয়েছে। সংস্থাটির সবশেষ তথ্যমতে, চলতি সপ্তাহের বৃহস্পতিবার পর্যন্ত দেশজুড়ে ৫১৮২ জন আক্রান্ত নিশ্চিত হওয়া গেছে, যা ২০২৫ সালের পুরো সময়ে রেকর্ড করা ২২৮৯ জন আক্রান্তের দ্বিগুণ থেকেও বেশি। শুধু উইসকনসিনে ৩ নভেম্বর পর্যন্ত ১৩টি কাউন্টিতে ৪৩১ জন আক্রান্তের খবর পাওয়া গেছে, যা গত ৩৫ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। অন্যদিকে পেনসিলভেনিয়ায় পরিস্থিতি আরও নাজুক, গত এপ্রিলে প্রাদুর্ভাব শুরুর পর থেকে সেখানে প্রায় ১৫০০ জন হামে আক্রান্ত হয়েছেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;উদ্ভূত পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ বাসিন্দাদের নিজেদের টিকা নেওয়ার তথ্য যাচাই করা এবং প্রয়োজনে পরিপূরক হিসেবে এমএমআর টিকা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। ক্রমাগত প্রাদুর্ভাবের ফলে আমেরিকা তার &#039;হাম মুক্ত দেশ&#039; মর্যাদা হারাতে পারে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ২০০০ সালে দেশে হামের অভ্যন্তরীণ সংক্রমণ পুরোপুরি বন্ধ হলে আমেরিকা এই মর্যাদা অর্জন করেছিল। আগামী সপ্তাহে প্যান আমেরিকান হেলথ অর্গানাইজেশন আমেরিকার এই মর্যাদা পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা সংক্রামক এই ভাইরাসের বিস্তারের পেছনে টিকাদানের হার কমে যাওয়াকে দায়ী করছেন। সিডিসির তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষে কিন্ডারগার্টেন শিক্ষার্থীদের টিকা নেওয়ার হার যেখানে ছিল ৯৫.২ শতাংশ, ২০২৫-২০২৬ সালে তা কমে ৯২.৪ শতাংশে নেমে এসেছে। চলতি বছরের আগস্টে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক নির্বাহী আদেশে সংযুক্ত এমএমআর টিকাকে আলাদা আলাদা ডোজে ভাগ করার নির্দেশনা দেন। তবে চিকিৎসকদের বিভিন্ন সংগঠন এই পদক্ষেপের সমালোচনা করে সতর্ক করেছে যে, এটি মানুষকে টিকা নিতে আরও নিরুৎসাহিত করতে পারে। সিডিসি দুই ডোজ সংযুক্ত এমএমআর টিকা নেওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকে, যা হামের বিরুদ্ধে প্রায় ৯৭ শতাংশ সুরক্ষা প্রদান করে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;হামের কারণে সাধারণত জ্বর, কাশি, সর্দি এবং গায়ে গুটি ওঠে, তবে এটি নিউমোনিয়া ও মস্তিষ্কে ফোলাভাবের মতো মারাত্মক জটিলতাও তৈরি করতে পারে। পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু, গর্ভবতী নারী এবং দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পন্ন ব্যক্তিরা এতে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকেন। সিডিসির হিসাব মতে, ১৯৬০-এর দশকে ব্যাপক টিকাদান কার্যক্রম শুরুর আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি বছর প্রায় ৫০০ মানুষ হামে আক্রান্ত হয়ে মারা যেতেন।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>৭ নভেম্বরের চেতনায় দেশবিরোধী সব ষড়যন্ত্র রুখতে বিএনপি প্রস্তুত: রিজভী </title>
		<link>https://epaper.kalerdiganta.com/11173/bnp-rizvi-november-7-spirit</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৩]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 07 Nov 2026 21:31:29 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="true">https://epaper.kalerdiganta.com/11173/bnp-rizvi-november-7-spirit</guid>
		<description> ৭ নভেম্বরের চেতনায় দেশের সব অগণতান্ত্রিক ও দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র রুখতে বিএনপি প্রস্তুত বলে মন্তব্য করেছেন দলটির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ৭ নভেম্বরের বিপ্লব ও সংহতির চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে দেশের সব অগণতান্ত্রিক ও দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র রুখতে প্রস্তুত রয়েছে বিএনপি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;শনিবার (৭ নভেম্বর) সকালে রাজধানীর জিয়া উদ্যানে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;রিজভী বলেন, ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি বাকশাল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেয়া হয়েছিল। এরপর পাল্টাপাল্টি সংঘাত ও রক্তপাতের মধ্য দিয়ে দেশে এক অরাজক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এমন পরিস্থিতিতে মানুষের মধ্যে গণতন্ত্র ফিরে পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও তাঁর পরিবারকে ক্যান্টনমেন্টের বাসায় বন্দি করে রাখা হয়। ওই সময় দেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা হতাশায় নিমজ্জিত হয়ে পড়ে। ২, ৩ ও ৪ নভেম্বর দেশ এক চরম সংকটের মধ্য দিয়ে যায়। আবারও বাকশাল প্রতিষ্ঠা হবে কি না, নাগরিকদের স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া হবে কি না—এমন শঙ্কা তৈরি হয়েছিল। সেই সংকটময় সময়ে জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে দেশের মানুষ নতুন করে পথের দিশা পায়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;রিজভী আরও বলেন, ৭ নভেম্বরের বিপ্লবের মধ্য দিয়ে দেশের মানুষ প্রকৃত স্বাধীনতা ও মুক্তির স্বাদ পায়। এরপর শহীদ জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে দেশ উন্নয়ন ও উৎপাদনের পথে এগিয়ে যায় এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মর্যাদা অর্জন করে। তাঁর নেতৃত্বেই দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তিনি বলেন, বাংলাদেশ কোনো আধিপত্যবাদের থাবায় পড়বে না, দেশের সার্বভৌমত্ব আরও শক্তিশালী হবে—এমন অঙ্গীকার নিয়েই ৭ নভেম্বরের পর গণতান্ত্রিক ও বহুদলীয় বাংলাদেশ গড়ে তোলার যাত্রা শুরু হয়েছিল।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;রিজভী বলেন, দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রকারীরা থেমে থাকেনি। চট্টগ্রামের সার্কিট হাউসে শহীদ জিয়াউর রহমানকে হত্যা করা হয়। তবে ৭ নভেম্বরের চেতনা, স্বাধীনতা রক্ষা, মুক্তি, গণতন্ত্র ও সার্বভৌমত্বের চেতনায় জাতি আবারও ঘুরে দাঁড়িয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তিনি আরও বলেন, ৭ নভেম্বরের চেতনায় খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে স্বৈরশাসক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের ৯ বছরের শাসনের অবসান ঘটিয়ে দেশে আবারও গণতন্ত্র ফিরে আসে। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনেও এই চেতনা জনগণকে অনুপ্রাণিত করেছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;রিজভীর অভিযোগ, ২০০৯ সালে আবারও বাকশালের নতুন রূপ তৈরি করা হয়। জনগণের অধিকার কেড়ে নিয়ে দেশে ভয়ংকর ফ্যাসিবাদী শাসন প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। গুম, খুন ও গুপ্তহত্যার সংস্কৃতি তৈরি করা হয়। মানুষ ভয়ে কথা বলতে পারত না, এমনকি রাস্তায় চলাফেরা করতেও ভয় পেত।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছরের সেই প্রেক্ষাপটে ২০২৪ সালের জুলাইয়ে যুগান্তকারী গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত হয়। এর মধ্য দিয়ে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পতন ঘটে। এই আন্দোলনের পেছনেও ৭ নভেম্বরের চেতনা কাজ করেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বিএনপির এই নেতা বলেন, ৭ নভেম্বরের তিনটি মূল অঙ্গীকার—স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও বহুদলীয় গণতন্ত্র। এই প্রত্যয় নিয়েই ২০২৪ সালের জুলাইয়ে দেশের মানুষ অপশক্তিকে পরাজিত করেছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বর্তমান সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের কথা উল্লেখ করে রিজভী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমানে একটি জনবান্ধব সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তিনি মানুষকে কোনো মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দেন না। বিনামূল্যে সার বিতরণ, কৃষক ও হতদরিদ্রদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড প্রদান এবং দেশজুড়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়নে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এরই মধ্যে তিনি ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন গত ৭-৮ মাসেই প্রায় হাজার কিলোমিটার খাল খননের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;দেশের বর্তমান পরিস্থিতি প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, কোথাও কোথাও গলিতে ককটেল ও বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটছে। পার্শ্ববর্তী দেশ থেকেও বিদ্বেষ ছড়ানো হচ্ছে। এ অবস্থায় কেউ চোখ বন্ধ করে ভিন্ন কথা বললে কিংবা বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করলে জনগণ তা পর্যবেক্ষণ করছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তিনি বলেন, এ দেশের মানুষ ও জাতীয়তাবাদী শক্তি ৭ নভেম্বরের বিপ্লব ও সংহতির চেতনায় উজ্জীবিত। সেই চেতনায় বলীয়ান হয়ে সব অগণতান্ত্রিক ও দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র রুখতে বিএনপি প্রস্তুত রয়েছে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ধর্মীয় পরিচয় কোনও বিভাজনের কারণ হতে পারে না: ডেপুটি স্পিকার </title>
		<link>https://epaper.kalerdiganta.com/11172/religious-identity-no-division-deputy-speaker</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৩]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 07 Nov 2026 21:27:57 +0600</pubDate>
		<category>ধর্ম</category>
		<guid isPermaLink="true">https://epaper.kalerdiganta.com/11172/religious-identity-no-division-deputy-speaker</guid>
		<description> ধর্মীয় পরিচয় কোনো বিভাজনের কারণ হতে পারে না বলে মন্তব্য করেছেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল। সব ধর্মের মানুষের সমান অধিকার নিশ্চিতের আহ্বান জানান তিনি। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেছেন, সব ধর্মাবলম্বীর সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করে সাম্য, স্বাধীনতা ও মানবিক মর্যাদাভিত্তিক বাংলাদেশ গড়তে চায় সরকার। পাহাড়, সমতল, জাতি-গোষ্ঠী কিংবা ধর্মীয় পরিচয় কোনও বিভাজনের কারণ হতে পারে না।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;শুক্রবার (৬ নভেম্বর) রাজধানীর বনানী বিদ্যানিকেতন স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে ঢাকা ওয়ানগালা-২০২৬ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ডেপুটি স্পিকার বলেন, ‘আমরা সবাই বাংলাদেশের নাগরিক, আমরা বাংলাদেশি। প্রত্যেক ধর্মই সৃষ্টিকর্তার সন্তুষ্টি লাভের কথা বলে। যার যার ধর্মীয় অনুশাসন যথাযথভাবে পালন করলে সমাজব্যবস্থা আরও সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ হবে।’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সম্প্রতি অনুষ্ঠিত দুর্গাপূজা প্রসঙ্গে কায়সার কামাল বলেন, স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে এবার অত্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপিত হয়েছে। এর অন্যতম কারণ দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরে আসা। জাতি, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের কথা বলার অধিকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় সবাই পরিপূর্ণভাবে ধর্মীয় স্বাধীনতা উপভোগ করতে পারছেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য সংরক্ষণে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন শ্রেণি-গোষ্ঠীকে একত্রিত করে তিনি প্রথম ১০টি কালচারাল একাডেমি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এর মধ্যে নেত্রকোণার দুর্গাপুরেও একটি একাডেমি রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠান দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ডেপুটি স্পিকার বলেন, কালচারাল একাডেমির কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণ করতে চায় সরকার। ঢাকা ওয়ানগালা আয়োজকদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে বনানী এলাকায় একটি কালচারাল একাডেমি ও একটি গির্জা প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ শিগগিরই নেওয়া হবে।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আসন্ন বড়দিন উদযাপন উপলক্ষে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের জন্য প্রধানমন্ত্রীর অনুদানের বিষয়টি তুলে ধরে কায়সার কামাল বলেন, খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীরা বড়দিন উদযাপনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে দুই কোটি টাকা অনুদান চেয়েছিলেন। প্রধানমন্ত্রী তাদের উৎসব আরও প্রাণবন্ত করতে আবেদনের চেয়ে এক কোটি টাকা বেশি; অর্থাৎ তিন কোটি টাকা অনুদান দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এ জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশ এমন একজন প্রধানমন্ত্রীর শাসনব্যবস্থা দেখতে চায়, যিনি সব ধর্মের প্রতি, মানবতার প্রতি এবং দেশের মানুষের প্রতি সহানুভূতিশীল থেকে সবার অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করবেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদ থেকে মুক্ত হয়ে নতুন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ পেয়েছি উল্লেখ করে ডেপুটি স্পিকার বলেন, অতীত ভুলে সবার অংশগ্রহণে এমন বাংলাদেশ গড়তে চাই, যেখানে প্রত্যেকের মানবিক মর্যাদা থাকবে, সাম্য প্রতিষ্ঠিত হবে এবং নাগরিক অধিকার নিশ্চিত হবে। গণতন্ত্রকে সুসংহত ও প্রতিষ্ঠিত রাখতে শ্রেণি, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে সবার সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন তিনি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা ওয়ানগালা-২০২৬-এর নকমা জন দ্রং। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন ঢাকা ওয়ানগালার সাবেক নকমা ও বাংলাদেশ ব্যাংকের যুগ্ম পরিচালক দীপঙ্কর রিছিল।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার ওমর সাদাত, বাংলাদেশে ইউনেস্কোর আবাসিক প্রতিনিধি ড. সুজান ভাইজ, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব আন্দ্রিয় দ্রং, প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির প্রিন্সিপাল অ্যাডভাইজার অধ্যাপক ডা. মো. আনোয়ারুল কবিরসহ অন্য অতিথিরা।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;অনুষ্ঠানের শুরুতে ডেপুটি স্পিকার উৎসবের বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন। আলোচনা পর্ব শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। এতে গারো সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং বিপুলসংখ্যক দর্শনার্থী উপস্থিত ছিলেন।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>খাবার গ্রহণের আগে কবজি পর্যন্ত হাত ধোয়া সুন্নাহ </title>
		<link>https://epaper.kalerdiganta.com/11171/washing-hands-before-meals-sunnah</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১২]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 07 Nov 2026 19:53:45 +0600</pubDate>
		<category>ইসলামিক</category>
		<guid isPermaLink="true">https://epaper.kalerdiganta.com/11171/washing-hands-before-meals-sunnah</guid>
		<description> তাই আসুন, আজ থেকেই খাবার গ্রহণের আগে কবজি পর্যন্ত দুই হাত ধুয়ে নেওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলি। দৈনন্দিন জীবনের ছোট ছোট আমলের মাধ্যমে সুন্নাহর অনুসরণ করি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;খাবার খাওয়ার আগে কবজি পর্যন্ত দুই হাত ধুয়ে নেওয়া সুন্নাহ। ইসলামে ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। দৈনন্দিন জীবনের খাবার গ্রহণের মতো কাজেও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং রাসুলুল্লাহ সল্লাল্ল-হু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নাহ অনুসরণের শিক্ষা রয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;খাবারের আগে হাত ধোয়ার মাধ্যমে হাতে লেগে থাকা ধুলাবালি, ময়লা ও অন্যান্য জীবাণু দূর করা সম্ভব। এতে খাবারের সঙ্গে জীবাণু শরীরে প্রবেশের ঝুঁকিও কমে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তাই খাবার গ্রহণের আগে কবজি পর্যন্ত দুই হাত ধুয়ে নেওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা উচিত। এটি একদিকে যেমন পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে সহায়ক, অন্যদিকে সুন্নাহ অনুসরণেরও একটি সুযোগ। দৈনন্দিন জীবনের ছোট ছোট আমলের মাধ্যমে সুন্নাহর চর্চা করা এবং পরিচ্ছন্ন জীবনযাপন করা প্রত্যেকের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তাই আসুন, আজ থেকেই খাবার গ্রহণের আগে কবজি পর্যন্ত দুই হাত ধুয়ে নেওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলি। দৈনন্দিন জীবনের ছোট ছোট আমলের মাধ্যমে সুন্নাহর অনুসরণ করি এবং নিজেদের জীবনকে পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর করে তুলি।&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ঝালকাঠিতে আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত </title>
		<link>https://epaper.kalerdiganta.com/11170/jhalokathi-national-revolution-and-solidarity-day-2026</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 07 Nov 2026 19:44:10 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="true">https://epaper.kalerdiganta.com/11170/jhalokathi-national-revolution-and-solidarity-day-2026</guid>
		<description> ঐতিহাসিক ৭ই নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ঝালকাঠিতে বর্ণাঢ্য আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;ঝালকাঠিতে ঐতিহাসিক ৭ই নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকালে ঝালকাঠি জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে এই সভা হয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঝালকাঠি-নলছিটি আসনের সংসদ সদস্য ও রেলপথ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ইশরাত সুলতানা এলেন ভুট্টো। তিনি তাঁর বক্তব্যে ঐতিহাসিক ৭ই নভেম্বরকে বাংলাদেশের জাতীয় জীবনের টার্নিং পয়েন্ট উল্লেখ করে বলেন, এই দিনটি আমাদের স্বাধীনতা রক্ষা ও বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার চেতনাকে উজ্জীবিত করে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক মোঃ:মমিন উদ্দিন ভুইয়ার সভাপতিত্বে সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট মো. শাহাদাত হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ঝালকাঠির পুলিশ সুপার মেরিনা সুলতানা, সিভিল সার্জন ডাক্তার মো. হুমায়ুন কবীর, ঝালকাঠি জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কাউন্সিলের আহ্‌বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মোস্তফা কামাল মন্টু এবং জেলা বিএনপি আহ্‌বায়ক অ্যাডভোকেট মো. সৈয়দ হোসেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;পুলিশ সুপার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং জনগণের নিরাপত্তা বিধানে দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।                অন্যান্য বক্তারা ৭ই নভেম্বরের চেতনা ধারণ করে দলকে আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানান।&amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;অনুষ্ঠানে স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা এবং সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। দিনব্যাপী আয়োজনের অংশ হিসেবে সকালে শোভাযাত্রা এবং আলোচনা শেষে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দিবসটি উদ্‌যাপন করা হয়। ঝালকাঠি জেলা প্রশাসনের এই আয়োজনে স্থানীয় শিল্পকলা একাডেমির শিল্পীরা সঙ্গীত ও নৃত্য পরিবেশন করেন।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>তারেক রহমানের নেতৃত্বে নয়াপল্টন থেকে বিএনপির র‍্যালি শুরু </title>
		<link>https://epaper.kalerdiganta.com/11169/tarique-rahman-bnp-rally-nayapaltan</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১৩]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 07 Nov 2026 16:31:43 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="true">https://epaper.kalerdiganta.com/11169/tarique-rahman-bnp-rally-nayapaltan</guid>
		<description> জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে তারেক রহমানের নেতৃত্বে নয়াপল্টন থেকে বিএনপির র‍্যালি শুরু হয়েছে। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রাজধানীর নয়াপল্টন থেকে র‍্যালি শুরু করেছে ক্ষমতাসীন বিএনপি। শনিবার (৭ নভেম্বর) বিকেল সোয়া ৩টায় দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শোভাযাত্রাটি শুরু হয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;র‍্যালিতে অংশ নিতে সকাল থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন থানা, ওয়ার্ড এবং আশপাশের জেলা ও উপজেলা থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে নয়াপল্টনে জড়ো হন বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। এ সময় তাদের হাতে জাতীয় ও দলীয় পতাকা, ব্যানার, ফেস্টুন এবং দলের শীর্ষ নেতাদের ছবি সংবলিত প্ল্যাকার্ড দেখা যায়। স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে নয়াপল্টন ও আশপাশের এলাকা।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;র‍্যালি শুরুর আগে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য দেন তারেক রহমান। এ সময় দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব, স্থায়ী কমিটির সদস্যসহ জ্যেষ্ঠ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;র‍্যালিটি প্রধান বিচারপতির বাসভবন ও হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে দিয়ে বাংলামোটর ও ফার্মগেট হয়ে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে গিয়ে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;শোভাযাত্রা সুশৃঙ্খল ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে বিশেষ প্রস্তুতি নিয়েছে বিএনপি। সড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে দায়িত্ব পালন করছেন দলের স্বেচ্ছাসেবকেরা। পাশাপাশি যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা ও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলা ও মহানগরেও শনিবার র‍্যালি করছে বিএনপি। এ ছাড়া আগামী ৮ নভেম্বর থানা ও উপজেলা পর্যায়ে র‍্যালি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>সোনারগাঁয়ে বাণিজ্যিকভাবে বাড়ছে সজিনা চাষ, কম খরচে লাভের আশা কৃষকের </title>
		<link>https://epaper.kalerdiganta.com/11168/sonargaon-drumstick-farming-profit</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১৩]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 07 Nov 2026 16:17:32 +0600</pubDate>
		<category>কৃষি ও প্রকৃতি</category>
		<guid isPermaLink="true">https://epaper.kalerdiganta.com/11168/sonargaon-drumstick-farming-profit</guid>
		<description> নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে কম খরচে বেশি লাভের আশায় বাড়ছে সজিনা চাষ। বারমাসি জাতের প্রদর্শনী বাগান স্থাপন করেছে কৃষি বিভাগ। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে কম খরচে অধিক লাভের সম্ভাবনায় বাণিজ্যিকভাবে সজিনা চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের। পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ এ ফসলের উৎপাদন খরচ কম এবং পরিচর্যাও তুলনামূলক সহজ। ঢাকার কাছাকাছি হওয়ায় উৎপাদিত সজিনা সহজে বাজারজাত করার সুযোগও রয়েছে। কৃষকদের উৎসাহিত করতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বারমাসি জাতের সজিনার প্রদর্শনী বাগান স্থাপন করেছে কৃষি বিভাগ।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, সোনারগাঁয়ে প্রায় ১১ হাজার ২২৯ হেক্টর আবাদি জমির মধ্যে বর্তমানে ১০ হেক্টর জমিতে সজিনা চাষ হচ্ছে। কৃষক পর্যায়ে রয়েছে পাঁচটি সজিনা বাগান, যার প্রতিটির আয়তন প্রায় ২০ শতাংশ। এ ছাড়া ঢাকা অঞ্চলের কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় পাঁচটি বারমাসি সজিনার প্রদর্শনী বাগান স্থাপন করা হয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;কৃষি বিভাগের পরামর্শ অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারি-মার্চ এবং জুলাই-আগস্ট মাসে সজিনা চাষের উপযুক্ত সময়। ডাল কাটিং ও বীজের মাধ্যমে চারা উৎপাদন করা যায়। সারি থেকে সারি সাত ফুট এবং গাছ থেকে গাছ পাঁচ ফুট দূরত্বে চারা রোপণ করতে হয়। অতিরিক্ত পানি গাছের জন্য ক্ষতিকর হওয়ায় বর্ষাকালে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা এবং নিয়মিত ডালপালা ছাঁটাই প্রয়োজন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;উপজেলার বারদী ইউনিয়নের মসলন্দপুর গ্রামের কৃষক শফিকুল ইসলাম বলেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার অনুপ্রেরণায় এ বছর ২০ শতাংশ জমিতে সজিনার চারা লাগিয়েছেন। গাছগুলো ইতোমধ্যে ৬ থেকে ৭ ফুট লম্বা হয়েছে। ভালো ফলনের আশা করছেন তিনি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;অন্যদিকে, জামপুর ইউনিয়নের তিলাব গ্রামের কৃষক হাজী মুক্তার হোসেন ভূঁইয়া জানান, উপজেলা কৃষি অফিস থেকে চার মাস আগে তাকে ৬৫টি সজিনার চারা দেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে গাছগুলো বড় হয়েছে এবং কয়েকটিতে ফুলও এসেছে। এ বছর সজিনা বিক্রি করে লাভবান হওয়ার প্রত্যাশা করছেন তিনি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;কৃষি সংশ্লিষ্টরা জানান, সজিনার পাতা ও ফলে রয়েছে নানা পুষ্টি উপাদান। পাতা শুকিয়ে মোরিঙ্গা পাউডারসহ বিভিন্ন মূল্য সংযোজিত খাদ্যপণ্য তৈরি করা যায়। ফলে কাঁচা সজিনা বিক্রির পাশাপাশি প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমেও আয় বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে কৃষক ও উদ্যোক্তাদের।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সোনারগাঁ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবু সাঈদ তারেক জানান, সজিনা বহুবর্ষজীবী উদ্ভিদ হওয়ায় একবার গাছ প্রতিষ্ঠিত হলে দীর্ঘদিন ফলন পাওয়া যায়। বর্তমানে বারি সজিনা-১ ও ওডিসি-৩-এর মতো উন্নত জাত চাষের সুযোগ রয়েছে। এসব জাতের মাধ্যমে বছরের দীর্ঘ সময় সজিনা উৎপাদন সম্ভব।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>জামায়াতের ৭৭ জেলা ও মহানগরে আমির ঘোষণা, নতুন ২৭ জন </title>
		<link>https://epaper.kalerdiganta.com/11167/jamaat-77-district-metropolitan-amir-announcement</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১৮]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 07 Nov 2026 15:07:10 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="true">https://epaper.kalerdiganta.com/11167/jamaat-77-district-metropolitan-amir-announcement</guid>
		<description> জামায়াতে ইসলামীর ৭৭ জেলা ও মহানগর শাখার আমিরদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। ২৭ শাখায় নতুন আমির নির্বাচিত হয়েছেন, বাকিদের পুনর্নির্বাচিত করা হয়েছে। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ৭৭টি জেলা ও মহানগর শাখার আমিরের নাম প্রকাশ করা হয়েছে। এসব শাখার মধ্যে ২৭টিতে নতুন নেতৃত্ব এসেছে। অন্য শাখাগুলোতে আগের আমিরদেরই আবার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে কুমিল্লা মহানগর শাখার আমিরের নাম এখনো ঘোষণা করা হয়নি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বুধবার রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে নির্বাচিত আমিরদের নাম ঘোষণা করেন দলটির আমির শফিকুর রহমান।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;জেলা ও মহানগর শাখার আমির নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন জামায়াতের রুকন বা সদস্যরা। গত মাসে সংশ্লিষ্ট শাখাগুলোতে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। তবে কুমিল্লা মহানগরে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিরোধ দেখা দেয়। নির্বাচনের এক পক্ষের সমর্থকদের হামলার ঘটনার পর সদ্য সাবেক আমির কাজী দ্বীন মুহাম্মদ এবং নায়েবে আমির এ কে এম এমদাদুল হককে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;নতুন দায়িত্ব পাওয়া আমিরদের মধ্যে রয়েছেন ঠাকুরগাঁওয়ে মোহাম্মদ আলমগীর, দিনাজপুরে এনামুল হক, রংপুর জেলায় এনামুল হক, কুড়িগ্রামে আজিজুর রহমান সরকার, জয়পুরহাটে গোলাম কিবরিয়া, বগুড়া মহানগরে আবদুল মালেক, পাবনায় নজরুল ইসলাম, নওগাঁয় মাহফুজুর রহমান, রাজশাহী মহানগরে ডা. মো. জাহাঙ্গীর, কুষ্টিয়ায় খন্দকার এ কে এম আলি মহসিন, ঝিনাইদহে আবদুল আউয়াল, মাগুরায় সাঈদ আহমাদ, খুলনা জেলায় কবিরুল ইসলাম, বরিশালে ড. মাহফুজুর রহমান, পিরোজপুরে আবদুর রব, ময়মনসিংহ মহানগরে আসাদুজ্জামান সোহেল, কিশোরগঞ্জে আজিজুল হক, গাজীপুর মহানগরে খায়রুল হাসান, গাজীপুর জেলায় সেফাউল হক, নারায়ণগঞ্জ জেলায় মাসুদুর রহমান গিয়াস, নরসিংদীতে ইব্রাহিম ভূঁইয়া, রাজবাড়ীতে হাসমত আলী, ফরিদপুরে ইমতিয়াজ উদ্দিন আহমদ, সুনামগঞ্জে অ্যাডভোকেট শামসুদ্দিন, লক্ষ্মীপুরে এ. আর. হাফিজুল্লাহ, চট্টগ্রাম মহানগরে মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম এবং খাগড়াছড়িতে মিনহাজুর রহমান।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;অন্যদিকে আগের দায়িত্বে থাকা আমিরদের মধ্যে পঞ্চগড়ে ইকবাল হোসাইন, নীলফামারীতে আব্দুস সাত্তার এমপি, লালমনিরহাটে আবু তাহের, রংপুর মহানগরে এ টি এম আজম খান, গাইবান্ধায় আব্দুল করিম সরকার এমপি, বগুড়া জেলায় আবদুল হক সরকার, সিরাজগঞ্জে শাহিনুর আলম, চাঁপাইনবাবগঞ্জে আবুজর গিফারী, রাজশাহী জেলায় আবদুল খালেক, নাটোরে ড. মীর নুরুল ইসলাম, মেহেরপুরে তাজউদ্দীন খান এমপি, চুয়াডাঙ্গায় রুহুল আমিন এমপি, যশোরে গোলাম রছুল এমপি, নড়াইলে আতাউর রহমান বাচ্চু এমপি, বাগেরহাটে রেজাউল করিম, খুলনা মহানগরে মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান, সাতক্ষীরায় শহীদুল ইসলাম, বরগুনায় মো. মহিববুল্লাহ, পটুয়াখালীতে নাজমুল আহসান, ভোলায় জাকির হোসেন এবং বরিশাল মহানগরে জহির উদ্দিন মুহাম্মদ বাবর পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এ ছাড়া ঝালকাঠিতে হাফিজুর রহমান, শেরপুরে হাফিজুর রহমান, ময়মনসিংহ জেলায় আবদুল করিম, ঢাকা মহানগর উত্তরে মোহাম্মদ সেলিম উদ্দীন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণে নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি, মানিকগঞ্জে কামরুল ইসলাম, মুন্সিগঞ্জে আ. জ. ম. রুহুল কুদ্দুস, ঢাকা জেলায় মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসাইন, নারায়ণগঞ্জ মহানগরে মুহাম্মদ আবদুল জব্বার, গোপালগঞ্জে রেজাউল করিম, মাদারীপুরে মোখলিসুর রহমান, শরীয়তপুরে আবদুর রব হাশেমী, সিলেট মহানগরে ফখরুল ইসলাম, সিলেট জেলায় হাবীবুর রহমান, হবিগঞ্জে কাজী মোখলিছুর রহমান, কুমিল্লা উত্তরে আবদুল মতিন, কুমিল্লা দক্ষিণে মো. শাহজাহান, চাঁদপুরে বিলাল হোসেন মিয়াজী, ফেনীতে আবদুল হান্নান, নোয়াখালীতে মো. ইছহাক খন্দকার, চট্টগ্রাম উত্তরে আলাউদ্দিন শিকদার, চট্টগ্রাম দক্ষিণে আনোয়ারুল আলম চৌধুরী, কক্সবাজারে নুর আহমদ আনোয়ারী, রাঙ্গামাটিতে মোহাম্মদ আবদুল আলীম এবং বান্দরবানে এস. এম. আবদুছ ছালাম আজাদ দায়িত্বে বহাল রয়েছেন।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>জামালপুরে ট্রাকের ধাক্কায় একই পরিবারের তিনজনসহ নিহত ৪ </title>
		<link>https://epaper.kalerdiganta.com/11166/jamalpur-truck-accident-four-killed-melandaha</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১৮]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 07 Nov 2026 14:46:04 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="true">https://epaper.kalerdiganta.com/11166/jamalpur-truck-accident-four-killed-melandaha</guid>
		<description> জামালপুরের মেলান্দহে ট্রাকের ধাক্কায় একই পরিবারের তিনজন ও এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। আহত তিনজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন, চালক আটক। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;জামালপুরের মেলান্দহে ট্রাকের ধাক্কায় অটোরিকশার যাত্রী একই পরিবারের তিন সদস্য ও এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও তিনজন। দুর্ঘটনার পর ট্রাকটি পালানোর চেষ্টা করলেও স্থানীয়দের সহায়তায় সেটি আটক করা হয়। পরে চালককেও গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;শনিবার (৭ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে জামালপুর-দেওয়ানগঞ্জ আঞ্চলিক সড়কের মেলান্দহ উপজেলার নয়ানগর ইউনিয়নের বুরুঙ্গা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;নিহতরা হলেন ইসলামপুর উপজেলার ইন্দুল্লামারী এলাকার মোরশেদ আলম (২৫), তাঁর স্ত্রী ইকরামা (২৩), আট মাস বয়সী মেয়ে রিফা এবং মোটরসাইকেল আরোহী লিখন আকন্দ।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;স্থানীয়দের বরাতে জানা গেছে, শিমুলতলী এলাকা থেকে একটি অটোরিকশা জামালপুরের দিকে যাচ্ছিল। একই সময়ে বিপরীত দিক থেকে জামালপুর হয়ে মেলান্দহের দিকে যাচ্ছিল একটি মোটরসাইকেল। এ সময় পেছন দিক থেকে আসা একটি ট্রাক প্রথমে মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দেয়। পরে ট্রাকের ধাক্কায় অটোরিকশাটিও দুমড়ে-মুচড়ে যায়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;দুর্ঘটনায় মোরশেদ আলম ঘটনাস্থলেই মারা যান। তাঁর স্ত্রী ও শিশুকন্যাকে মেলান্দহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথে মৃত্যু হয়। আহত অপর তিনজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে তাঁদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;দুর্ঘটনার পর ট্রাকটি পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয়রা মেলান্দহের মালঞ্চ এলাকায় সেটিকে আটক করেন। প্রথমে চালক পালিয়ে গেলেও পরে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এটিএম মাহমুদুল হক জানান, দুর্ঘটনায় একই পরিবারের তিনজনসহ চারজন নিহত এবং তিনজন আহত হয়েছেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধারসহ প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম শুরু করে। স্থানীয়রা ট্রাকটি আটক করেছেন এবং চালককে শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে তিনি জানান।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এদিকে দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন মেলান্দহ-মাদারগঞ্জ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল। এ সময় তিনি নিহতদের পরিবারের প্রতি শোক প্রকাশ করেন এবং আর্থিক সহায়তার আশ্বাস দেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মেলান্দহ-মাদারগঞ্জ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান ভূইয়া জানান, দুর্ঘটনায় জড়িত ট্রাকসহ চালক শান্ত মিয়াকে (২০) আটক করে থানায় নেওয়া হয়েছে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>৭ নভেম্বরকে স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসের ‘ম্যাগনাকার্টা’ বললেন প্রধানমন্ত্রী </title>
		<link>https://epaper.kalerdiganta.com/11165/tareq-rahman-november-7-magna-carta-bangladesh-history</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১৮]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 07 Nov 2026 14:37:57 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="true">https://epaper.kalerdiganta.com/11165/tareq-rahman-november-7-magna-carta-bangladesh-history</guid>
		<description> ৭ নভেম্বরকে স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসের ম্যাগনাকার্টা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের আলোচনায় জাতীয় ঐক্য ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার আহ্ব </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরকে স্বাধীন বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের গুরুত্বপূর্ণ দিন হিসেবে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তাঁর ভাষায়, ৭ নভেম্বর স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসের ‘ম্যাগনাকার্টা’। তিনি বলেন, ইতিহাসের বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশ এই দিনের পথরেখা থেকে সরে যাওয়ায় দেশের সার্বভৌমত্ব ও জনগণের অধিকার হুমকির মুখে পড়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;শনিবার (৭ নভেম্বর) রাজধানীর আর্মি স্টেডিয়ামে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তারেক রহমান বলেন, ধর্ম, বর্ণ, দল ও মতের ভিন্নতা থাকলেও বাংলাদেশের সব নাগরিকের অভিন্ন পরিচয় ‘আমরা বাংলাদেশি’। মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান কিংবা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষ—সবাই এই পরিচয়ের অংশ। তাঁর মতে, ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরের মধ্য দিয়ে এই জাতীয় পরিচয় প্রতিষ্ঠার ভিত্তি তৈরি হয়েছিল। তাই বাংলাদেশ যত দিন থাকবে, সিপাহি-জনতার ঐক্যবদ্ধ বিপ্লবের তাৎপর্যও তত দিন প্রাসঙ্গিক থাকবে। তিনি ৭ নভেম্বরের নায়ক হিসেবে দেশপ্রেমিক সিপাহি ও জনতার কথা উল্লেখ করেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে জিয়াউর রহমান যেভাবে মুক্তিযুদ্ধে সম্মুখসমরে অংশ নিয়েছিলেন, ৭ নভেম্বরেও তিনি দেশের সার্বভৌমত্বের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন। এ সময় স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা জানান তিনি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ইতিহাসের গুরুত্ব তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, একটি জাতির ইতিহাস শুধু অতীতের ঘটনা স্মরণ করার বিষয় নয়; বরং তা জাতির আত্মপরিচয়, আত্মমর্যাদা ও ভবিষ্যৎ নির্মাণের প্রেরণা। অনুষ্ঠানে তরুণ প্রজন্মের অংশগ্রহণের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, স্টেডিয়ামে কিশোর-কিশোরী ও তরুণ-তরুণীরা বাংলাদেশের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট যেভাবে উপস্থাপন করেছে, তা আশাব্যঞ্জক। ইতিহাস সম্পর্কে সচেতন এই প্রজন্ম ৭ নভেম্বরের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ থাকলে বাংলাদেশ আর পথ হারাবে না বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তারেক রহমানের মতে, তরুণদের মধ্যে জাতীয়তাবোধ না থাকলে দেশের মানুষের ঐক্য দৃঢ় হয় না। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর, ১৯৯০ সালের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের ফ্যাসিবাদবিরোধী গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনায় তরুণরা বাংলাদেশের স্বার্থে আপসহীন ভূমিকা রেখেছে। তাঁর বক্তব্যে, ‘সবার আগে বাংলাদেশ’—এই নীতিই সবার মধ্যে ধারণ করা প্রয়োজন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ভবিষ্যতে যেন কেউ দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জনগণের অধিকার কেড়ে নিতে না পারে, সে বিষয়ে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, বাংলাদেশকে অন্য কোনো দেশের অধীনস্থ রাষ্ট্রে পরিণত করার প্রচেষ্টা প্রতিহত করতে জাতীয় ঐক্য প্রয়োজন। দেশের আর্থসামাজিক, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতায় এই ঐক্য ধরে রাখতে ৭ নভেম্বরের সিপাহি-জনতার বিপ্লবের চেতনা ধারণ করতে হবে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;স্বাধীনতা অর্জনের গৌরব ধরে রাখার পাশাপাশি তা অর্থবহ করে তোলার দায়িত্বও প্রতিটি প্রজন্মের বলে মন্তব্য করেন তিনি। বিশেষ করে তরুণদের একটি নিরাপদ, সমৃদ্ধ, মানবিক ও মর্যাদাপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার কাজে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তরুণদের সম্ভাবনা বিকাশে উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করাকে অভিভাবকদের দায়িত্ব হিসেবে উল্লেখ করেন। সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ গড়তে বর্তমান সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও জানান তিনি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র কিংবা গণতন্ত্র বিপন্ন হওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হলে ৭ নভেম্বরের ঐক্যবদ্ধ বিপ্লবের চেতনায় দেশ ঘুরে দাঁড়িয়েছে—ইতিহাসে এমন নজির রয়েছে। বক্তব্যের শেষ দিকে তিনি ৭ নভেম্বরের সিপাহি-জনতার বিপ্লবের দিনে দেশপ্রেমিক ও গণতন্ত্রকামী মানুষের কণ্ঠে ঐক্যের বার্তা তুলে ধরে বলেন, ‘দিল্লি নয়, পিণ্ডি নয়, নয় অন্য কোনো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ।’&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>পুতিনের কাছে খামেনির ‘গোপন’ বার্তা পৌঁছে দিলেন ইরানের নিরাপত্তাপ্রধান </title>
		<link>https://epaper.kalerdiganta.com/11164/khamenei-secret-message-putin-iran-security-chief-mohsen-rezaei</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৬]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 07 Nov 2026 11:24:47 +0600</pubDate>
		<category>কূটনীতি</category>
		<guid isPermaLink="true">https://epaper.kalerdiganta.com/11164/khamenei-secret-message-putin-iran-security-chief-mohsen-rezaei</guid>
		<description> রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির চিঠি পৌঁছে দিয়েছেন নিরাপত্তাপ্রধান মোহসেন রেজায়ি। আলোচনায় ছিল যুদ্ধ বন্ধ, </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;ইরানের নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান মোহসেন রেজায়ির সঙ্গে বৈঠক করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) মস্কোর ক্রেমলিনে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি, ইরানকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান সংঘাত এবং যুদ্ধ বন্ধে রাশিয়ার সমর্থন নিয়ে আলোচনা হয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম প্রেস টিভির তথ্য অনুযায়ী, বৈঠকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির একটি চিঠি পুতিনের হাতে তুলে দেন রেজায়ি। তবে চিঠিতে কী বার্তা দেওয়া হয়েছে, তা প্রকাশ করেননি তিনি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বৈঠকের পর রেজায়ি জানান, পুতিনের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক বিষয়, যুদ্ধ-পরবর্তী পরিস্থিতি এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;জ্বালানি খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়টিও বৈঠকে গুরুত্ব পেয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে রাশিয়া থেকে ইরানে গ্যাসের পাইপলাইন নির্মাণের প্রস্তাব। এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে ইরানের গ্যাসসংকট মোকাবিলার পাশাপাশি প্রতিবেশী দেশগুলোতে রাশিয়ার গ্যাস রপ্তানির সুযোগ তৈরি হতে পারে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;রেজায়ি বলেন, খামেনি তাঁকে যত দ্রুত সম্ভব পুতিনের কাছে বার্তাটি পৌঁছে দিতে নির্দেশ দিয়েছিলেন। প্রায় এক মাস আগে তাঁর মস্কো সফরের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তবে ‘অঞ্চলের সামরিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রতিদিনের আলোচনা’র কারণে সফর পিছিয়ে যায়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;গত বুধবার এক লিখিত বিবৃতিতে খামেনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে আত্মসমর্পণের সামান্যতম মনোভাবও ইরানের থাকা উচিত নয়। চূড়ান্ত প্রতিরোধক্ষমতা অর্জনের লক্ষ্যে দেশটিকে আরও শক্তিশালী করার আহ্বানও জানান তিনি।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;&lt;br&gt;&lt;/h2&gt;&lt;h2&gt;যুদ্ধ বন্ধে ইরানের সাত শর্ত&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;পুতিনের সঙ্গে রেজায়ির বৈঠকের সময় ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ বন্ধে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করছিল কাতার। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানে আবারও হামলা চালানো হতে পারে, এমন আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;গত মঙ্গলবারের নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টি কংগ্রেসের দুই কক্ষ—প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটের নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে। ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের কারণে নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের প্রভাবেই পণ্যের দাম বেড়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;যুদ্ধ বন্ধের কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় কয়েকটি বিষয় গুরুত্ব পাচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির ভবিষ্যৎ অবস্থান, ইরানের বন্দরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ এবং তেহরানের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা। পাশাপাশি ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরুর বিষয়টিও আলোচনায় রয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বৃহস্পতিবার রেজায়ি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র তাদের সাতটি দাবি মেনে না নেওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া কিংবা যুদ্ধ বন্ধের বিষয়ে ওয়াশিংটনের সঙ্গে কোনো আলোচনায় বসবে না তেহরান।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তিনি বলেন, ‘কূটনীতির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে আমরা সাতটি শর্ত দিয়েছি। তারা এগুলো মেনে না নেওয়া পর্যন্ত আমরা হরমুজ প্রণালি খুলব না, আলোচনাতেও বসব না।’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;রেজায়ি আরও জানান, যুদ্ধ বন্ধে সহায়তা করতে রাশিয়া পুরোপুরি প্রস্তুত বলে তাঁকে আশ্বস্ত করেছেন পুতিন। গত মাসে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে বৈঠকেও একই লক্ষ্য অর্জনে রাশিয়ার পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতার কথা বলেছিলেন পুতিন।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;&lt;br&gt;&lt;/h2&gt;&lt;h2&gt;আঞ্চলিক নিরাপত্তায় বাইরের হস্তক্ষেপ চায় না ইরান&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;অক্টোবরের শেষ দিকে তেহরানে ইরান, সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে অনুষ্ঠিত একটি বৈঠকের বিষয়েও পুতিনকে জানিয়েছেন রেজায়ি। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, রুশ প্রেসিডেন্ট ওই বৈঠককে স্বাগত জানিয়েছেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;রেজায়ি বলেন, ‘আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার স্বার্থে আঞ্চলিক ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার বিষয়ে আমরা আমাদের চীনা বন্ধুদের সঙ্গে একমত। এ ক্ষেত্রে বাইরের দেশগুলোর হস্তক্ষেপ করা উচিত নয়।’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা তাসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মস্কোর সিনেট প্যালেসে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। তবে এ বিষয়ে ক্রেমলিন তাৎক্ষণিকভাবে কোনো বিবৃতি দেয়নি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি কুয়েত, সৌদি আরব, ওমান, কাতার, তুরস্ক ও জর্ডানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, এসব আলোচনায় আঞ্চলিক পরিস্থিতি ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় চলমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টা গুরুত্ব পেয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;&lt;br&gt;&lt;/h2&gt;&lt;h2&gt;রাশিয়া-ইরান সামরিক সহযোগিতা&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার মধ্যে থাকা ইরান ও রাশিয়া সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কূটনৈতিক ও সামরিক সম্পর্ক জোরদার করেছে। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে দেশ দুটি সমন্বিত কৌশলগত অংশীদারত্ব চুক্তি স্বাক্ষর করে। বাণিজ্য, সামরিক সহযোগিতা, বিজ্ঞান, সংস্কৃতি ও শিক্ষাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর কথা রয়েছে এতে। একই বছরের অক্টোবরে চুক্তিটি কার্যকর হয়। তবে চুক্তিতে পারস্পরিক প্রতিরক্ষার কোনো ধারা নেই।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এদিকে গত শনিবার ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মোহাম্মদ আকরামিনিয়া জানান, রাশিয়ার কাছ থেকে কেনা এসইউ-৩৫ যুদ্ধবিমান পাওয়ার আশা করছে তেহরান। যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর বিমানগুলো সরবরাহ করা হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ব্যাংক কেলেঙ্কারিতে ক্ষমতাচ্যুত পেনা, প্যারাগুয়ের নতুন প্রেসিডেন্ট পেদ্রো আলিয়ানা </title>
		<link>https://epaper.kalerdiganta.com/11163/paraguay-president-santiago-pena-removed-pedro-alliana</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৬]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 07 Nov 2026 11:22:22 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="true">https://epaper.kalerdiganta.com/11163/paraguay-president-santiago-pena-removed-pedro-alliana</guid>
		<description> উয়েনো ব্যাংকের আর্থিক কেলেঙ্কারির জেরে অভিশংসিত হয়েছেন প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্ট সান্তিয়াগো পেনা। নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন পেদ্রো আলিয়ানা। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;ব্যাংকিং কেলেঙ্কারির জেরে অভিশংসিত হয়ে ক্ষমতা হারিয়েছেন প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্ট সান্তিয়াগো পেনা। তাঁর স্থলাভিষিক্ত হয়ে দেশটির নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন ৫২ বছর বয়সী রক্ষণশীল রাজনীতিক পেদ্রো আলিয়ানা।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;গতকাল শুক্রবার শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে প্যারাগুয়ের ৫৩তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেন আলিয়ানা। একই দিনে পেনার ক্ষমতার অবসান ঘটে। দেশটির ৪৫ সদস্যের সিনেটের মধ্যে ৪৪ জন তাঁকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার পক্ষে ভোট দেন। একজন ভোটদানে বিরত থাকেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;অভিশংসনের পর আস্থার অপব্যবহারসহ কয়েকটি অপরাধের সন্দেহে পেনাকে গৃহবন্দী রাখার নির্দেশ দিয়েছেন সরকারি কৌঁসুলিরা।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;&lt;br&gt;&lt;/h2&gt;&lt;h2&gt;উয়েনো ব্যাংকের পতন ঘিরে সংকট&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;এ সপ্তাহে প্যারাগুয়ের প্রভাবশালী ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান উয়েনো ব্যাংকের আকস্মিক পতনের সঙ্গে নাম জড়িয়ে পড়ে পেনার। ব্যাংকটির কার্যক্রমের ওপর সরকারি সংস্থাগুলোর যথাযথ নজরদারি ছিল কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। পাশাপাশি ব্যাংকটির সঙ্গে পেনার ব্যক্তিগত স্বার্থের সংঘাত ছিল কি না, তা নিয়েও সন্দেহ দেখা দিয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;গত মঙ্গলবার সকালে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায়, উয়েনো ব্যাংক আইন অনুযায়ী নির্ধারিত আর্থিক সক্ষমতার মানদণ্ড পূরণে ব্যর্থ হয়েছে। অর্থাৎ ব্যাংকটির ঋণ ও অন্যান্য বিনিয়োগের বিপরীতে পর্যাপ্ত জামানত ছিল না।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এরপর ব্যাংকটির নিয়ন্ত্রণ নেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে উয়েনোর অবশিষ্ট সম্পদ অন্য ব্যাংকগুলোর কাছে হস্তান্তর করা হয়। তবে সংকটের কারণে ব্যাংকটির লাখ লাখ গ্রাহক নিজেদের হিসাবের টাকা ও পেনশনের অর্থ ব্যবহারের সুযোগ হারান।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;প্রায় ৩০ লাখ গ্রাহক নিয়ে উয়েনো ব্যাংক ছিল প্যারাগুয়ের প্রাপ্তবয়স্ক জনগোষ্ঠীর প্রায় দুই-তৃতীয়াংশের ব্যাংক। প্রতিষ্ঠানটিতে পেনশনসহ সরকারের বিভিন্ন তহবিলের অর্থও জমা ছিল। চলতি সপ্তাহের শুরুতে ব্যাংকটি দেউলিয়া ঘোষণার প্রক্রিয়া শুরু করে। এরপর থেকে অনেক গ্রাহক তাঁদের ব্যাংক হিসাবের অর্থ তুলতে পারছেন না।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;&lt;br&gt;&lt;/h2&gt;&lt;h2&gt;পেনার বিদায়, কারভালোর বিরুদ্ধেও পরোয়ানা&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;গতকাল শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে পেনা লেখেন, ‘আমি কৃতজ্ঞতা নিয়ে বিদায় নিচ্ছি। যাঁরা এখনো উত্তর পাওয়ার অপেক্ষায় আছেন, তাঁদের কষ্টের বিষয়টি আমি পুরোপুরি উপলব্ধি করছি।’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এদিকে প্যারাগুয়ের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক প্রধান কার্লোস কারভালোর বিরুদ্ধেও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। উয়েনো ব্যাংকের ওপর যথাযথ নজরদারি করতে ব্যর্থ হওয়ার অভিযোগ রয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিরুদ্ধে। গত সপ্তাহে পদত্যাগ করেন কারভালো।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কারণে উয়েনো ব্যাংক জবাবদিহি এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সরকারি কৌঁসুলিরা। দেশটির সরকারি পেনশন তহবিলের প্রায় ৩৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার এ ব্যাংকে বিনিয়োগ করা হয়েছিল।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৪৭ বছর বয়সী সান্তিয়াগো পেনা ২০২৩ সালের আগস্টে প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নিয়েছিলেন।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>অবিবাহিতদের জন্য বিনা খরচে ফিনল্যান্ড ভ্রমণের সুযোগ, আবেদন শেষ ১০ নভেম্বর </title>
		<link>https://epaper.kalerdiganta.com/11162/free-finland-trip-for-singles-2027-application</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৬]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 07 Nov 2026 11:20:18 +0600</pubDate>
		<category>ভ্রমণ</category>
		<guid isPermaLink="true">https://epaper.kalerdiganta.com/11162/free-finland-trip-for-singles-2027-application</guid>
		<description> অবিবাহিতদের জন্য চার দিনের বিনা খরচে ফিনল্যান্ড ভ্রমণের সুযোগ দিচ্ছে Visit Finland। ১৬ জন নির্বাচিত হবেন। আবেদনের শেষ সময় ১০ নভেম্বর ২০২৬। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;নতুন দেশ ঘুরে দেখার পাশাপাশি বিমানভাড়া, হোটেলে থাকা, খাবার ও ভ্রমণের নির্ধারিত সব খরচ বহনের সুযোগ দিচ্ছে ইউরোপের দেশ ফিনল্যান্ড। দেশটির জাতীয় পর্যটন সংস্থা ‘ভিজিট ফিনল্যান্ড’ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ১৬ জন অবিবাহিত ব্যক্তিকে চার দিনের জন্য বিনা খরচে ফিনল্যান্ড ভ্রমণের আমন্ত্রণ জানিয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচিত ব্যক্তিরা ফিনল্যান্ডে গিয়ে স্থানীয় মানুষের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার পাশাপাশি অংশ নেবেন বিশেষ নৈশভোজ ও সাংস্কৃতিক আয়োজনে। ভ্রমণের আসা-যাওয়ার বিমান টিকিট, ব্যক্তিগত কক্ষসহ হোটেলে থাকা, খাবার এবং নির্ধারিত কার্যক্রমের খরচ বহন করবে আয়োজকেরা।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;&lt;br&gt;&lt;/h2&gt;&lt;h2&gt;কেন এই আয়োজন?&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;‘ফিনিশ ডিনার ডেট’ নামের এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য ফিনল্যান্ডের খাবার ও সংস্কৃতিকে আন্তর্জাতিক পর্যটকদের কাছে তুলে ধরা। টানা নয় বছর বিশ্বের সবচেয়ে সুখী দেশের স্বীকৃতি পাওয়া ফিনল্যান্ডের খাবার এখনো আন্তর্জাতিক অঙ্গনে খুব বেশি পরিচিত নয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;গত ২০ অক্টোবর এ উদ্যোগের ঘোষণা দেওয়া হয়। বিজনেস ফিনল্যান্ডের আন্তর্জাতিক বিপণন বিভাগের জ্যেষ্ঠ পরিচালক হেলি জিমেনেজ জানান, এবার ভ্রমণকারীদের জন্য নতুন ধরনের অভিজ্ঞতার আয়োজন করা হয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;&lt;br&gt;&lt;/h2&gt;&lt;h2&gt;আয়োজনের পেছনের গল্প&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;ফিনল্যান্ডে ‘সিঙ্কুকোরি’ নামে একটি জনপ্রিয় ডেটিং প্রবণতা রয়েছে। এর অর্থ ‘সিঙ্গেল ঝুড়ি’। দেশটির কিছু সুপারমার্কেটে অবিবাহিত ব্যক্তিরা নিজেদের পরিচয় জানান দিতে গোলাপি রঙের শপিং বাস্কেট ব্যবহার করেন। এর মাধ্যমে তাঁরা বোঝান, তাঁরা সঙ্গী খুঁজছেন এবং নতুন মানুষের সঙ্গে পরিচিত হতে আগ্রহী।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই প্রবণতা আলোচনায় আসার পর সেটিকে সুপারমার্কেটের বাইরেও ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে ফিনল্যান্ডের জাতীয় পর্যটন সংস্থা।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;&lt;br&gt;&lt;/h2&gt;&lt;h2&gt;কী কী সুযোগ থাকছে?&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;২০২৭ সালের ৯ থেকে ১৯ ফেব্রুয়ারির মধ্যে চার দিনের এই ভ্রমণ আয়োজন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচিত ১৬ জনের মধ্যে আটজন যাবেন ফিনল্যান্ডের রাজধানী হেলসিংকিতে এবং বাকি আটজন যাবেন লেকল্যান্ড অঞ্চলের শহর তাম্পেরেতে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আয়োজনের অন্যতম আকর্ষণ বিশেষ নৈশভোজ। প্রতিটি শহরে আটজন আন্তর্জাতিক অতিথির সঙ্গে যোগ দেবেন স্থানীয় দুজন অবিবাহিত ফিনিশ নাগরিক। তাঁদের জন্য দেশটির খ্যাতনামা শেফদের তৈরি বিশেষ খাবারের ব্যবস্থা থাকবে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;হেলসিংকির নৈশভোজের মেনু তৈরি করবেন ক্যাফে সাভোয়ার প্রধান শেফ অ্যাডেলে কিন্নুনেন। অন্যদিকে তাম্পেরের খাবারের মেনু তৈরি করবেন রেস্তোরাঁ ‘গোস্তা’র কর্ণধার হেনরি তিক্কানেন।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;&lt;br&gt;&lt;/h2&gt;&lt;h2&gt;থাকছে কি ব্লাইন্ড ডেটের সুযোগ?&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;আয়োজনটির নাম ‘ডিনার ডেট’ হলেও এখানে কোনো ম্যাচমেকিং বা জুটি তৈরি করে দেওয়ার ব্যবস্থা নেই। নৈশভোজগুলো মূলত দলগত অভিজ্ঞতা হিসেবে সাজানো হয়েছে, একান্ত ডেট হিসেবে নয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;অংশগ্রহণকারীরা নিজেদের পছন্দমতো শহর নির্বাচন করতে পারবেন না। আয়োজকেরা তাঁদের হেলসিংকি অথবা তাম্পেরেতে পাঠাবেন। ভ্রমণে যাওয়ার নিশ্চয়তা পাওয়ার পরই জানা যাবে কে কোন শহরে যাচ্ছেন। তাই এই আয়োজন থেকে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হওয়ার কোনো নিশ্চয়তা নেই।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;&lt;br&gt;&lt;/h2&gt;&lt;h2&gt;কারা আবেদন করতে পারবেন?&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;বিশ্বের যেকোনো দেশের ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সী অবিবাহিত ব্যক্তিরা আবেদন করতে পারবেন। তবে ফিনল্যান্ডের নাগরিক এবং দেশটিতে বসবাসকারীরা এই সুযোগের আওতাভুক্ত নন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আবেদন করতে হলে প্রথমে ইংরেজিতে একটি ভিডিও তৈরি করতে হবে। ভিডিওতে একটি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে—‘ডিনার ডেটে আপনি কী খাবার পরিবেশন করবেন এবং কেন?’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ভিডিওটি ইনস্টাগ্রাম, টিকটক অথবা ইউটিউবে প্রকাশ করতে হবে। সঙ্গে ব্যবহার করতে হবে &lt;strong&gt;#FinnishDinnerDate&lt;/strong&gt; হ্যাশট্যাগ এবং ভিজিট ফিনল্যান্ডের সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্ট ট্যাগ করতে হবে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ইনস্টাগ্রাম ও টিকটকে ভিডিওটি পাবলিক রাখতে হবে। তবে ইউটিউবে ভিডিও ‘আনলিস্টেড’ হিসেবে আপলোড করা যাবে। সে ক্ষেত্রে লিংক থাকা ব্যক্তিরাই ভিডিওটি দেখতে পারবেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ভিডিও প্রকাশের পর ভিজিট ফিনল্যান্ডের অফিশিয়াল আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে এবং সেখানে ভিডিওর লিংক যুক্ত করতে হবে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আবেদনকারীদের ভিডিও মূল্যায়ন করবে একটি বিচারক প্যানেল। ভিডিওর সৃজনশীলতা, নিজস্বতা এবং প্রশ্নের উত্তরে ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও ভাবনা তুলে ধরার ধরন বিবেচনায় নেওয়া হবে। বিভিন্ন দেশ, বয়স ও সামাজিক পটভূমির মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে চান আয়োজকেরা। তাই আবেদনকারীদের নিজেদের ধারণ করা ভিডিও ও নিজস্ব অডিও ব্যবহারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;&lt;br&gt;&lt;/h2&gt;&lt;h2&gt;আবেদনের শেষ সময়&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;আবেদনের শেষ সময় ১০ নভেম্বর ২০২৬, ফিনল্যান্ডের স্থানীয় সময় রাত ১১টা ৫৯ মিনিট। বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী, একই দিন রাত ৩টা ৫৯ মিনিটের মধ্যে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;নির্বাচিত ১৬ জনের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে যোগাযোগ করা হবে। পাশাপাশি ১ ডিসেম্বর ভিজিট ফিনল্যান্ডের ইনস্টাগ্রাম ও টিকটক অ্যাকাউন্টে বিজয়ীদের নাম প্রকাশ করা হবে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;নির্বাচিত ব্যক্তিদের জন্য রয়েছে একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত। বিজয়ী ঘোষণার পর ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সাড়া না দিলে আয়োজকেরা তাঁর পরিবর্তে অন্য কাউকে নির্বাচিত করতে পারবেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বিস্তারিত নিয়মাবলি ও আবেদনপ্রক্রিয়া জানতে ভিজিট ফিনল্যান্ডের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট &lt;strong&gt;visitfinland.com&lt;/strong&gt; ঘুরে দেখা যেতে পারে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>বিয়ের প্রস্তাবে পাত্রীর ছবি আদান-প্রদান: কতটুকু বৈধ? </title>
		<link>https://epaper.kalerdiganta.com/11161/islamic-marriage-proposal-bride-photo-sharing</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১২]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 07 Nov 2026 11:13:12 +0600</pubDate>
		<category>ইসলামিক</category>
		<guid isPermaLink="true">https://epaper.kalerdiganta.com/11161/islamic-marriage-proposal-bride-photo-sharing</guid>
		<description> পাত্র ব্যতীত পরিবাবের অন্য কোনো গায়রে মাহরাম পুরুষ, আত্মীয় বা বন্ধুবান্ধবদের সেই ছবি দেখানো জায়েয নয়। কারণ তারা সকলেই পাত্রীর জন্য গায়রে মাহরাম। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;সংগৃহীত : খাইরুল ইসলাম&lt;/span&gt;&lt;br&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;হানাফি ফিকহ ফেসবুক গ্রুপ থেকে &lt;/span&gt;
&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;বর্তমানে বিয়ের বায়োডাটার সঙ্গে পাত্রীর ছবি সংযুক্ত করার প্রচলন ব্যাপকভাবে বেড়েছে। তবে এ ক্ষেত্রে পর্দা, হায়া ও শরয়ী সীমারেখার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন।&lt;/span&gt;
&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;যদি পাত্রপক্ষ বিশেষভাবে পাত্রীর খোলা মুখের বা পর্দা ছাড়া ছবি দেখতে চায়, তাহলে শুধু পাত্রকে দেখানোর উদ্দেশ্যে সীমিতভাবে সেই ছবি দেখানোর অবকাশ রয়েছে। কারণ শরীয়তে বিয়ের উদ্দেশ্যে পাত্রের জন্য পাত্রীকে দেখার অনুমতি রয়েছে। তবে এ অনুমতি প্রয়োজন ও সীমারেখার মধ্যে সীমাবদ্ধ।&lt;/span&gt;
&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;এ ক্ষেত্রে কয়েকটি বিষয় বিশেষভাবে খেয়াল রাখা জরুরি—&lt;/span&gt;
&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;• প্রথমত, পাত্র নিজে ছবি দেখতে পারবে: কিন্তু পরিবাবের অন্য কোনো গায়রে মাহরাম পুরুষ, আত্মীয় বা বন্ধুবান্ধবদের সেই ছবি দেখানো জায়েয নয়। কারণ তারা সকলেই পাত্রীর জন্য গায়রে মাহরাম।&lt;/span&gt;
&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;• দ্বিতীয়ত, যদি প্রবল আশঙ্কা থাকে যে, পাত্র ছবি দেখার পর তা অন্যদের দেখাবে, সংরক্ষণ করবে বা অপব্যবহার করবে, তাহলে এমন পাত্রপক্ষকে ছবি দেওয়া বৈধ হবে না। কারণ এতে পর্দার বিধান লঙ্ঘিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।&lt;/span&gt;
&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;• তৃতীয়ত, বিয়ের আলোচনা চূড়ান্ত না হলে বা কোনো কারণে বিয়ে ভেঙে গেলে ছবির অপব্যবহারের ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়। তাই যদি আশঙ্কা থাকে যে, পাত্র পরে সেই ছবি নিজের কাছে রেখে দেবে, বারবার দেখবে বা অন্যকে দেখাবে, তাহলে শুরু থেকেই ছবি দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।&lt;/span&gt;
&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;• চতুর্থত, যদি পাত্র ও তার পরিবার দ্বীনদার, আমানতদার ও শরয়ী সীমারেখার ব্যাপারে সচেতন হন এবং তাদের ব্যাপারে জোরালো সুধারণা থাকে, তাহলে সীমিতভাবে ছবি দেখানোর অবকাশ আছে। তবে সে ক্ষেত্রেও তাদের কাছ থেকে এ মর্মে প্রতিশ্রুতি নেওয়া উচিত যে, ছবি অন্য কাউকে দেখানো হবে না এবং দেখার পর তা ডিলিট বা মুছে ফেলা হবে।&lt;/span&gt;
&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;সবচেয়ে নিরাপদ পদ্ধতি হলো-সরাসরি সাক্ষাতের শরয়ী ব্যবস্থা করা অথবা প্রয়োজনে শুধু পাত্রকে সীমিতভাবে ছবি দেখিয়ে পরে তা ফিরিয়ে নেওয়া বা মুছে ফেলা। কারণ ছবি একবার ছড়িয়ে পড়লে তার অপব্যবহার ঠেকানো অনেক সময় কঠিন হয়ে যায়।&lt;/span&gt;
&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;অতএব, এ বিষয়ে আবেগ বা সামাজিক প্রচলনের অনুসরণ নয়; বরং পর্দা, হায়া ও দ্বীনি দায়িত্ববোধকে অগ্রাধিকার দিয়ে সতর্ক ও দায়িত্বশীল পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত।&lt;/span&gt;
&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;বই: সতীত্ব ও পর্দা মুসলিম নারীর অহংকার, ২৭৫ পৃ.&lt;/span&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>তালিবে ইলমদের প্রথম দায়িত্ব দরসিয়াত, যে বিষয়য়গুলো গুরুত্বপূর্ণ </title>
		<link>https://epaper.kalerdiganta.com/11160/talibe-ilm-darsiyat-islamic-education</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১২]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 07 Nov 2026 11:01:45 +0600</pubDate>
		<category>ধর্ম</category>
		<guid isPermaLink="true">https://epaper.kalerdiganta.com/11160/talibe-ilm-darsiyat-islamic-education</guid>
		<description> এটি একটি স্বীকৃত কথা যে, দরসী কিতাব ইসতি‘দাদ তৈরির মূল ভিত্তি এবং উস্তায থেকে ইলম হাসিলের প্রধান মাধ্যম দরস। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;সংগৃহীত: &lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;মাওলানা মুহাম্মাদ আব্দুল মালেক&lt;/span&gt;&lt;br&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;(মাসিক আল কাউসার ওয়েবসাইট থেকে) &lt;/span&gt;
&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;الحمد لله وسلام على عباده الذين اصطفى، أما بعد!&lt;/span&gt;&lt;br&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;এটি একটি স্বীকৃত কথা যে, দরসী কিতাব ইসতি‘দাদ তৈরির মূল ভিত্তি এবং উস্তায থেকে ইলম হাসিলের প্রধান মাধ্যম দরস। সেজন্য দরস, দরসী কিতাব ও দরস সংক্রান্ত যাবতীয় কাজই তালিবে ইলমের ইলমী ব্যস্ততার প্রধান উপকরণ। এগুলোর প্রতি যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া এবং এগুলোর হক আদায় করা তালিবে ইলমের প্রধান দায়িত্ব।&lt;/span&gt;
&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;ইসতি‘দাদের অনেক স্তর। একদম প্রাথমিক স্তরগুলোর মধ্যে একটি হলো, ভাষাগত যোগ্যতা হাসিল করা। আরেকটি হলো, ইলমী কিতাবগুলোর অর্থ-মর্ম সঠিকভাবে বোঝা, এরপর সেটাকে জবানে ও কলমে নিজের ভাষায় যথাযথভাবে প্রকাশ করতে পারা। এগুলো ইলমী জিন্দেগির প্রধান শর্ত। এগুলো ছাড়া ইলমের ময়দানে এক কদমও চলা সম্ভব নয়।&lt;/span&gt;
&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;বলার অপেক্ষা রাখে না, এসব যোগ্যতা হাসিলের জন্যই দরসের ইনতিযাম। তাই তালিবে ইলমের জিন্দেগীতে দরসিয়াতের গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি। দরসিয়াতের বিষয়ে যে কোনো ধরনের শিথিলতা ও উদাসীনতা মারাত্মক অন্যায়। এই উদাসীনতা ও শিথিলতা তালিবে ইলমের ইলমী জিন্দেগীকে বরবাদ করে দেয়।&lt;/span&gt;
&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;একটি গুরুত্বপূর্ণ উসূল হলো—&lt;/span&gt;&lt;br&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;ثَبِّت العَرْشَ، ثُمَّ انْقُشْ.&lt;/span&gt;&lt;br&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;‘প্রথমে ভিত তৈরি করো, এরপর নকশা করো।’&lt;/span&gt;&lt;br&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;তালিবে ইলমের জিন্দেগীতেও এই উসূল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তার প্রথম দায়িত্ব হলো, ইলমী জিন্দেগীর ভিত তৈরি করা। ইসতি‘দাদের যে প্রাথমিক দুইটি মারহালা বলা হলো, প্রথমে সেগুলো হাসিলের চেষ্টা করা।&lt;/span&gt;
&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;এসো আরবী শিখি, তাইসীর থেকে কাফিয়া— এ জামাতগুলোর মূল উদ্দেশ্য ভাষাগত যোগ্যতা অর্জন করা। অর্থাৎ কিতাবের ইবারত শুদ্ধভাবে অনায়াসে পড়তে পারা, নাহবী তারকীব বোঝা, শব্দের ছরফী রূপ ও লুগাবী মাফহুম বোঝা এবং আরবী ভাষার সাধারণ যে কোনো কিতাব পড়ে বুঝতে পারা। সেজন্য খেয়াল রাখতে হবে,&amp;nbsp; হেদায়াতুন নাহু, কাফিয়া জামাত পড়তে পড়তে যেন এই ন্যূনতম যোগ্যতাটুকু হাসিল হয়ে যায়। কেউ যদি কাফিয়া পর্যন্ত প্রত্যেক জামাতের দরসী কিতাবগুলো উস্তাযের নির্দেশনা মেনে মনোযোগ সহকারে তামরীন ও ইজরার সঙ্গে অধ্যয়ন করে, ইনশাআল্লাহ তার প্রথম মারহালার ইসতি‘দাদ তৈরি হয়ে যাবে।&lt;/span&gt;&lt;br&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;আর কানয-শরহে বেকায়া থেকে দাওরায়ে হাদীস— এ জামাতগুলো মূলত ইলমী ও ফন্নী ইসতি‘দাদ তৈরি করার জন্য এবং ইলমী কিতাবের অর্থ-মর্ম, উসলূব ও তা‘বীর যথাযথভাবে বোঝার যোগ্যতা হাসিলের মেহনতের জন্য। অর্থাৎ কানয, আলবাহরুর রায়েক, হিদায়া, ফাতহুল কাদীর, তাফসীরে ইবনে কাসীর, তাফসীরে কুরতুবী, রূহুল মাআনী, ফায়যুল বারী, উমদাতুল কারী, ফাতহুল বারী, মাআরিফুস সুনান বা এ ধরনের যেকোনো ইলমী কিতাব যেন পড়ে বুঝতে পারে। মুশকিল জায়গাগুলোতে কেন ইশকাল হচ্ছে তা যেন অনুধাবন করতে পারে। তার মধ্যে যেন ভুল বুঝে ‘ইনশিরাহ’ হয়ে যাওয়ার রোগ না থাকে; অর্থাৎ কোনো ভুল অর্থ যেহেনে আসলে সেটা গ্রহণ করবে না, বরং সঠিক মর্মটা বোঝার চেষ্টা করবে। ইসতি‘দাদের এই মারহালার মেহনত কানয—শরহে বেকায়া থেকে শুরু করে দেওয়া উচিত।&lt;/span&gt;
&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;উদাহরণস্বরূপ শরহে বেকায়ার খুতবায় আছে—&lt;/span&gt;&lt;br&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;&amp;nbsp;...لِتُغَيَّرَ النُّسَخُ الْمَكْتُوبَةُ إلَى هذا النَّمَط.&lt;/span&gt;&lt;br&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;হিদায়াতে ‘নাওয়াকিযুল উযূ’র বহসে আছে—&lt;/span&gt;&lt;br&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;ولأن خروجَ النجاسةِ مُؤثِّرٌ في زوالِ الطهارة، وهذا القدرُ في الأصلِ معقولٌ، والاقتصارُ على الأعضاءِ الأربعةِ غيرُ معقولٍ، لكنه يتعدّى ضرورةَ تعدِّي الأوّلِ.&lt;/span&gt;&lt;br&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;তালিবে ইলমের কর্তব্য— যখন সে এ ধরনের ইবারত পড়বে, সে না বুঝে অগ্রসর হবে না। অনেক ছাত্র না বুঝেই সামনে চলে যায়। এরকম দায়সারাভাবে পড়লে কখনো ফাহম হাসিল হবে না।&lt;/span&gt;&lt;br&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;হিদায়া সালেসের ‘ফাসলুন ফী আহকামিহী’-এর প্রথম মাসআলা ও এই ফসলেরই শেষ কয়েকটি মাসআলা—&lt;/span&gt;&lt;br&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;ومن اشترى جارية بيعا فاسدا...&lt;/span&gt;&lt;br&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;-সহ এ ধরনের বেশ কিছু জায়গা আছে, যেগুলোর শুধু শাব্দিক অর্থ জেনেই অধিকাংশ তালিবে ইলম তুষ্ট ও পরিতুষ্ট হয়ে যায় এবং মনে করে, বুঝে গেছে ও গভীর পর্যন্ত পৌঁছে গেছে।&lt;/span&gt;
&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;মোটকথা, কানয ও শরহে বেকায়ার জামাত থেকেই ইলমী ইসতি‘দাদ তৈরির&amp;nbsp; অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।&lt;/span&gt;&lt;br&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;কিন্তু সমস্যা হলো, আজকাল অনেক তালিবে ইলম ‘কিতাব বোঝা’ কাকে বলে— সেটাই বোঝে না। তারা অসম্পূর্ণ বুঝকে পূর্ণ বুঝ মনে করে। অস্পষ্ট বুঝকে স্পষ্ট ও স্বচ্ছ বুঝ মনে করে। এমনকি গলদ বুঝকেও বুঝ মনে করে। মনে রাখবেন, শুধু তারকীব বোঝা বা শাব্দিক তরজমা বোঝাকে কিতাব বোঝা বলে না। কিতাব বোঝার সঠিক অর্থ হলো, ইবারত বিশুদ্ধভাবে পড়তে পারা, নাহবী তারকীব বোঝা, আলফাযের ছরফী রূপ ও লুগাবি মাফহুম বুঝতে পারা। অতঃপর ইবারত থেকেই তার অর্থ-মর্ম এবং আলোচিত বিষয়ের সমাধান বুঝতে পারা। কোনো আরবী ইলমী শরহের সাহায্যে এই বুঝ অর্জন হওয়া দূষণীয় নয়। এমনকি প্রয়োজনে কারও সঙ্গে মুযাকারা করে যদি মতলব ও মাফহুম ইবারতের উপর মুনতাবিক করে নেওয়া যায়, সেটাও কিতাব বোঝা বলে গণ্য।&amp;nbsp; মেহনত অব্যাহত থাকলে আশা করা যায়, একপর্যায়ে তা ইসতি‘দাদে পরিণত হবে ইনশাআল্লাহ। কিন্তু শুধু দরসী তাকরীর শুনে বা কোনো শারহের সাহায্য নিয়ে মতলব ও মাফহুম বা তার খোলাসা অনুমান করতে পারলেও যদি এবারতের সাথে মিলিয়ে নিতে না পারে তাহলে তা কিতাবি ইসতি‘দাদের কোনো স্তরেই পড়ে না। এভাবে পড়ার দ্বারা ইসতি‘দাদ হাসিল হয় না। যিলকদ ১৪৩৩ হি. (অক্টোবর ২০১২ ঈ.) সংখ্যায় এ বিভাগে ‘তলাবায়ে কেরাম! কিতাব বুঝে পড়ুন’ শিরোনামে একটি লেখা প্রকাশিত হয়েছে। আগ্রহীগণ সেটি পড়তে পারেন। সেখানে আরও উদাহরণসহ বিষয়টি আলোচনা করা হয়েছে।&lt;/span&gt;&lt;br&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;যাহোক এখানে আমার উদ্দেশ্য হলো, তালিবে ইলমদের মেহনতের মূল ও প্রথম ক্ষেত্র কোনটি তা দেখানো। উপরের আলোচনা থেকে বোঝা গেল, মৌলিক ইসতি‘দাদ হাসিলের প্রধান মাধ্যম হল দরসী কিতাব। এটাই ইসতি‘দাদের মূল ভিত্তি। অতএব দরস ও দরস সংক্রান্ত যাবতীয় কাজকর্মের পেছনে মেহনত করা তালিবে ইলমদের প্রথম ও প্রধান দায়িত্ব।&lt;/span&gt;&lt;br&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;কিন্তু অধিকাংশ তালিবে ইলমের অবস্থা হলো, তারা ভিত তৈরির ব্যাপারে চরম উদাসীন। অনেকে ইবতিদায়ী জামাতগুলোতেই উদাসীন থাকে; ফলে তাদের ইলমী জিন্দেগী অঙ্কুরেই বিনষ্ট হয়ে যায়। আর অনেকে ইসতি‘দাদের দ্বিতীয় মারহালা, অর্থাৎ ইলমী কিতাবসমূহ বোঝার মারহালায় এসে উদাসীন হয়ে যায়। ফলে তাদের আর ইলমী কিতাব বোঝার যোগ্যতা হয় না; বরং অলসতা ও উদাসীনতার কারণে প্রথম মারহালার ইসতি‘দাদও দুর্বল হয়ে যায়। এই উদাসীনতার বিভিন্ন কারণ রয়েছে। এক হলো, ইলমের মহব্বত কমে যাওয়া, ইনহিমাক না থাকা ইত্যাদি। উদাসীনতার আরেকটা কারণ আছে, যেটা নেক সুরতে ধোঁকা। সেজন্য অনেকে তা ধরতে পারে না। সেটা হলো, ইযাফী ও খারেজী মুতালাআর নামে দরসী কিতাবের বিষয়ে অবহেলা করা; ফলে মৌলিক ইসতি‘দাদ কাঁচা থেকে যায়।&lt;/span&gt;&lt;br&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;একজন হিদায়া জামাতে পড়ছে। হঠাৎ মনে হলো, তারীখে ইসলামী সম্পর্কে তার জানা দরকার। ব্যস, হিদায়ার মুতালাআ, তাকরার ও মুযাকারা রেখে সে ‘তারীখে উম্মতে মুসলিমা’ পড়া শুরু করল! আরেকজনের মনে হলো, আরবী বা বাংলা সাহিত্যে মাহের হওয়া দরকার। সে দরসের পড়া রেখে সাহিত্য নিয়ে ব্যস্ত হয়ে গেল। বছর শেষে দেখা যায়, মৌলিক ইসতি‘দাদে সে একেবারে কাঁচা।&lt;/span&gt;&lt;br&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;এটা ইযাফী মুতালাআর গলত ব্যবহার। মনে রাখবেন, ইযাফী মুতালাআর দ্বারা মালূমাত হাসিল হয়; তবে ইসতি‘দাদ তৈরি হয় দরসিয়াতের দ্বারাই। কয়েক সংখ্যা আগেও এ বিভাগে ইযাফী মুতালাআ বিষয়ে প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। সেখানেও অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। কারণ জরুরি ও উপকারী কাজও যদি বে-উসূলীর সঙ্গে করা হয়, সেটা ক্ষতির কারণ হয়ে যায়।&lt;/span&gt;&lt;br&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;সেজন্য তালিবে ইলমের প্রথম ও প্রধান দায়িত্ব দরসিয়াতের বিষয়ে যত্নবান হওয়া। অর্থাৎ—&lt;/span&gt;
&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;১. নিয়মতান্ত্রিকভাবে সামনের সবক মুতালাআ করা।&lt;/span&gt;&lt;br&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;২. দরসে নিয়মিত উপস্থিত থাকা এবং উস্তাযের তাকরীর মনোযোগ সহকারে শোনা ও পাঠ্যাংশ ভালোভাবে বুঝে নেওয়া।&lt;/span&gt;&lt;br&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;৩. দরসের পর তাকরার ও মুযাকারার মাধ্যমে বিষয়টি ভালোভাবে আত্মস্থ করা।&lt;/span&gt;&lt;br&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;৪. উস্তাযে মুহতারামের দেওয়া কাজগুলো যত্নসহকারে করা।&lt;/span&gt;&lt;br&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;৫. তামরীন ও ইজরার প্রতি অধিক গুরুত্ব দেওয়া। উদাহরণস্বরূপ ‘আততারীক ইলাল আরাবিয়া’র সঙ্গে ‘আততামরীনুল কিতাবী’-এর তামরীনগুলো যথাযথভাবে করা। নাহু-ছরফের যেসব বহস ও কায়েদা পড়া হয়েছে সেগুলো নিজে নিজে তামরীন করার চেষ্টা করা। কুরআন মাজীদ তিলাওয়াতের সময় সেগুলো ইজরা করা।&lt;/span&gt;&lt;br&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;৬. মুসান্নিফীনে কেরামের উসলূবে আরয এবং তাঁদের ইলমী তা‘বীরাতের সাথে উন্স পয়দা করার চেষ্টা করা।&lt;/span&gt;&lt;br&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;৭. কিতাবের কিছু গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার খোলাসা নিজের ভাষায় লিখে উস্তাযকে দেখানো।&lt;/span&gt;&lt;br&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;৮. উস্তাযের তত্ত্বাবধানে মুআবিনে নেসাব হিসেবে নির্বাচিত সামান্য কিছু শুরূহ-হাওয়াশী বা কিতাব মুতালাআ করা এবং সেখানকার কিছু বহস উস্তাযকে শুনিয়ে নিজের বুঝ যাচাই করা এবং উস্তায যে সমস্যা ও দুর্বলতাগুলো ধরিয়ে দেবেন সেগুলো দূর করার চেষ্টা করা।&lt;/span&gt;&lt;br&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;৯. আসাতিযায়ে কেরামের কাছে থেকে আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাআহর মাসলাক ভালোভাবে বুঝে নেওয়া এবং আকাবির ও আসলাফের যওক ও মেযাজ বোঝার চেষ্টা করা।&lt;/span&gt;&lt;br&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;১০. আদব, আখলাক ও আফকারের এসলাহের চেষ্টা করা।&lt;/span&gt;&lt;br&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;এগুলো তালিবে ইলমের প্রধান ইলমী ও আমলী কাজ। সবর ও ইসতিকামাতের সঙ্গে এ কাজগুলো করতে থাকলে ইনশাআল্লাহ একসময় ইসতি‘দাদের এ স্তরটি পাকা হয়ে যাবে। আল্লাহ তাআলা তাওফিক দান করুন— আমিন।&lt;/span&gt;&lt;br&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>সরকারি ছুটির দিনেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে হবে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের </title>
		<link>https://epaper.kalerdiganta.com/11159/teachers-students-attend-educational-institutions-november-7</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৮]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 07 Nov 2026 07:07:11 +0600</pubDate>
		<category>শিক্ষা</category>
		<guid isPermaLink="true">https://epaper.kalerdiganta.com/11159/teachers-students-attend-educational-institutions-november-7</guid>
		<description> ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে সরকারি ছুটির দিনেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আলোচনা সভা, রচনা প্রতিযোগিতা ও জাতীয় পতাকা উত্তোলনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;সরকারি ছুটির দিন হলেও ৭ নভেম্বর দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিশেষ কর্মসূচি পালনের নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা প্রশাসন। জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে আলোচনা সভা ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করতে বলা হয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের নির্দেশনার আলোকে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) এ কর্মসূচি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে। এ উপলক্ষে ৩ নভেম্বর সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য নির্দেশনা জারি করা হয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;নির্দেশনায় দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আলোচনা সভা এবং রচনা প্রতিযোগিতা আয়োজনের কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি জাতীয় পতাকা উত্তোলনের জন্যও পৃথক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এর আগে ২৮ অক্টোবর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রস্তুতিমূলক সভায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালনের কর্মসূচি চূড়ান্ত করা হয়। ওই সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;উল্লেখ্য, ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। তবে দিবসটি উপলক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্ধারিত কর্মসূচি পালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কাছে দিবসটির ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও তাৎপর্য তুলে ধরার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>মুসলিমবান্ধব পর্যটনের বৈশ্বিক গন্তব্য হতে চায় মালয়েশিয়ার পাহাং </title>
		<link>https://epaper.kalerdiganta.com/11158/pahang-aims-to-be-global-muslim-friendly-tourism-destination</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৮]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 07 Nov 2026 07:00:48 +0600</pubDate>
		<category>ভ্রমণ</category>
		<guid isPermaLink="true">https://epaper.kalerdiganta.com/11158/pahang-aims-to-be-global-muslim-friendly-tourism-destination</guid>
		<description> মালয়েশিয়ার পাহাং মুসলিমবান্ধব পর্যটনের বৈশ্বিক গন্তব্য হতে চায়। হালাল খাবার, নামাজের সুবিধা ও পরিবারবান্ধব পর্যটনসেবা সম্প্রসারণে নেওয়া হচ্ছে নানা উদ্যোগ। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;বিশ্বের মুসলিম পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে মুসলিমবান্ধব পর্যটনের আন্তর্জাতিক গন্তব্য হিসেবে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করতে চায় মালয়েশিয়ার পাহাং রাজ্য। হালাল খাবার, নামাজের সুবিধা, পরিবারবান্ধব আবাসন এবং ইসলামি ঐতিহ্যভিত্তিক পর্যটনসেবা সম্প্রসারণের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পর্যটনবাজারে নিজেদের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করতে চায় রাজ্য কর্তৃপক্ষ।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এ লক্ষ্যে ৫ ও ৬ নভেম্বর মালয়েশিয়ার কুয়ানতান শহরের জেনিথ হোটেলে অনুষ্ঠিত হয়েছে পঞ্চম বিশ্ব ইসলামিক পর্যটন সম্মেলন ২০২৬। মালয়েশিয়ার পর্যটন, শিল্প ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের অধীন ইসলামিক ট্যুরিজম সেন্টার আয়োজিত এ সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক আয়োজক ছিল পাহাং রাজ্য সরকার। এতে বিশ্বের ৩৫টিরও বেশি দেশ থেকে দেড় শতাধিক আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি, পর্যটন বিশেষজ্ঞ, নীতিনির্ধারক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&#039;সীমান্তের গণ্ডি পেরিয়ে বিশ্বাস ও পরিবার&#039; প্রতিপাদ্যে আয়োজিত সম্মেলনে বৈশ্বিক মুসলিম পর্যটনশিল্পের ভবিষ্যৎ, নতুন বাজার সৃষ্টি, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং পর্যটনসেবার মান উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হয়। সম্মেলনে মোট ১৩টি আলোচ্য ধারায় পর্যটন খাতের বিভিন্ন সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ তুলে ধরা হয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মুসলিম পর্যটকদের ভ্রমণ আরও স্বাচ্ছন্দ্যময় করতে হালাল খাবার, নামাজের উপযুক্ত স্থান, মুসলিমবান্ধব হোটেল এবং পরিবারকেন্দ্রিক পর্যটনসেবা সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি ইসলামি ঐতিহ্য, স্থানীয় সংস্কৃতি এবং পর্যটনসংশ্লিষ্ট নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়েও আলোচনা হয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সম্মেলনে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়াতে কয়েকটি কৌশলগত সমঝোতা স্মারক বিনিময় করা হয়। এর মধ্যে পাহাংয়ের জেন্টিং হাইল্যান্ডসে মুসলিমবান্ধব পর্যটনব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং কিংস পার্ককে আন্তর্জাতিক পর্যটন গন্তব্য হিসেবে পরিচিত করার উদ্যোগ রয়েছে। এ ছাড়া কানাডা ও চীনের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ডিজিটাল প্রচারণা, পর্যটনসেবার স্বীকৃতি এবং দক্ষতা উন্নয়ন নিয়েও সহযোগিতার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সম্মেলনের পাশাপাশি ৬ থেকে ৮ নভেম্বর কুয়ানতানের সুলতান আহমদ শাহ আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হচ্ছে পর্যটন মেলা। চারটি হলে ১২৩টি প্রদর্শনী স্টলের মাধ্যমে বিভিন্ন পর্যটনপণ্য, সেবা ও ভ্রমণ অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হচ্ছে। এতে স্থানীয় উদ্যোক্তা, ব্যবসায়ী এবং আন্তর্জাতিক পর্যটনসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে যোগাযোগ ও ব্যবসায়িক সহযোগিতার সুযোগ তৈরি হচ্ছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে সমৃদ্ধ পাহাং মালয়েশিয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন অঞ্চল। এখানকার তামান নেগারার প্রাচীন বনাঞ্চল, চেরাটিংয়ের সমুদ্রসৈকত, ক্যামেরন হাইল্যান্ডসের পাহাড়ি সৌন্দর্য এবং ফ্রেজারস হিল পর্যটকদের কাছে বিশেষ আকর্ষণীয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এদিকে, ইস্ট কোস্ট রেল লিংক প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে মালয়েশিয়ার পূর্ব উপকূলীয় অঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থা আরও উন্নত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এতে পাহাংয়ের বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রে যাতায়াত সহজ হবে এবং স্থানীয় পর্যটন ব্যবসায় নতুন সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বিশ্বজুড়ে মুসলিম পর্যটকদের সংখ্যা ও ভ্রমণ চাহিদা বাড়ার প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন দেশ এ খাতে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করার চেষ্টা করছে। মালয়েশিয়াও দীর্ঘদিন ধরে হালাল পর্যটন ও মুসলিমবান্ধব আতিথেয়তা খাতে আন্তর্জাতিক পরিচিতি তৈরি করেছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;পাহাংয়ের এই উদ্যোগ সফল হলে পর্যটন খাতে নতুন বিনিয়োগ, স্থানীয় কর্মসংস্থান এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের ব্যবসা সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হতে পারে। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও মুসলিমবান্ধব পর্যটনসেবার সমন্বয়ে পাহাং ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক পর্যটন মানচিত্রে আরও গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান তৈরি করবে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>রংপুরের চরাঞ্চলে আন্তঃফসল চাষে বদলাচ্ছে কৃষকের ভাগ্য </title>
		<link>https://epaper.kalerdiganta.com/11157/rangpur-char-winter-crops-intercropping</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৪]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 06 Nov 2026 23:24:29 +0600</pubDate>
		<category>কৃষি ও প্রকৃতি</category>
		<guid isPermaLink="true">https://epaper.kalerdiganta.com/11157/rangpur-char-winter-crops-intercropping</guid>
		<description> রংপুর অঞ্চলের পাঁচ জেলায় ৮২ হাজার হেক্টরের বেশি চরাঞ্চলে বছরে প্রায় ৬ লাখ টন ফসল উৎপাদিত হচ্ছে। আন্তঃফসল চাষে বদলাচ্ছে কৃষকের জীবন। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;রংপুর কৃষি অঞ্চলের নদীতীরবর্তী ও চরাঞ্চলে আন্তঃফসল পদ্ধতিতে শীতকালীন ফসল চাষ শুরু করেছেন কৃষকেরা। বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর জেগে ওঠা চর ও শুকিয়ে যাওয়া নদীর তলদেশে বিভিন্ন ফসল উৎপাদনের মাধ্যমে জীবিকা বদলের স্বপ্ন দেখছেন তাঁরা। কৃষি কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, এই অঞ্চলের পাঁচ জেলায় ৮২ হাজার হেক্টরের বেশি চরাঞ্চলের জমিতে বছরে প্রায় ৬ লাখ টন ফসল উৎপাদিত হচ্ছে, যার বাজারমূল্য প্রায় ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা।&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) রংপুর অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ মো. সাইফুল ইসলাম বাসসকে জানান, রংপুর, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট ও নীলফামারী জেলার নদ-নদীবেষ্টিত চরাঞ্চলে প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ ফসল উৎপাদন করেন কৃষকেরা। জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব ও বন্যার ঝুঁকি সত্ত্বেও এসব এলাকায় বিষমুক্ত শীতকালীন ফসলের উৎপাদন স্থানীয় অর্থনীতিকে সচল রাখছে। পাশাপাশি উন্নতি হচ্ছে মানুষের জীবনযাত্রার মান।&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা, ধরলা, দুধকুমার, ঘাঘট, যমুনা ও করতোয়াসহ বিভিন্ন নদীর তীরবর্তী এলাকা, বালুচর এবং পলিযুক্ত নদীর তলদেশে চাষাবাদের প্রস্তুতি নিচ্ছেন কৃষকেরা। এসব জমিতে আলু, স্কোয়াশ, কুমড়া, শসা, বেগুন, কাঁচা মরিচ, পেঁয়াজ, রসুন, ভুট্টা, চিনাবাদাম, তিল, তামাক, কলা, বিভিন্ন ধরনের ডাল ও তরমুজসহ নানা ফসল চাষ করা হয়।&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;সাইফুল ইসলাম বলেন, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে এসব বালুকাময় জমিতে শীতকালীন ফসলের বীজ বপন শুরু হবে। ডিসেম্বরের শেষ দিকে ফসল তোলা শুরু হবে। বর্ষা মৌসুম শুরুর আগেই, অর্থাৎ আগামী বছরের মে মাসের মধ্যে ফসল উৎপাদনের পুরো প্রক্রিয়া শেষ হবে।&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;ইন্টারন্যাশনাল মেজ অ্যান্ড হুইট ইমপ্রুভমেন্ট সেন্টার, বাংলাদেশের ‘রূপান্তর’ প্রকল্পের পরামর্শক কৃষিবিদ ড. মো. মামুনুর রশীদ বলেন, চরাঞ্চলে ফসল চাষ এখন লাভজনক উদ্যোগে পরিণত হয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবের মধ্যেও এ চাষাবাদ অনেক মানুষের জীবিকায় ইতিবাচক পরিবর্তন এনেছে।&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;তিনি জানান, রংপুর অঞ্চলের পাঁচ জেলার চরগ্রাম ও নদীতীরবর্তী এলাকার কৃষকেরা আন্তঃফসল পদ্ধতিতে বিভিন্ন শীতকালীন ফসল উৎপাদন করছেন। ব্রহ্মপুত্র, ধরলা ও তিস্তাসহ বিভিন্ন নদীর বালুচর এবং শুকিয়ে যাওয়া নদীর তলদেশে আলু, কুমড়া, পেঁয়াজ, রসুন, কাঁচা মরিচ, সরিষা, ডাল ও নানা ধরনের শাকসবজি চাষ হচ্ছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সরকারি সহায়তায় অনেক চরাঞ্চলের পরিবার বিভিন্ন ফসল চাষ করে স্বাবলম্বী হয়েছে।&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার চর মহিপুর গ্রামের নূর ইসলাম, গোলাম মোস্তফা, কবিজা খাতুন ও মোরশেদা বেগম জানান, তাঁরা তিস্তা নদীর অববাহিকার চরাঞ্চলে শীতকালীন ফসলের বীজ বপনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;কাউনিয়া উপজেলার চর তালুক শাহবাজ গ্রামের বকতার আলী ও মোমেনা বেগম এবং ঢুষমারা চরের আব্দুল মালেক জানান, গত বছর ভালো মুনাফা পাওয়ায় এবারও তাঁরা চরাঞ্চলে মিষ্টি কুমড়ার বীজ রোপণ করছেন।&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;অন্যদিকে, কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার চর ডেবরিখোলা জানকারচৈড় গ্রামের আবু সাদ্দাম, আব্দুল হামিদ ও সাজেদুল ইসলাম জানিয়েছেন, এ মৌসুমে শীতকালীন বিভিন্ন ফসলের বীজ বপনের জন্য তাঁরা জমি প্রস্তুত করেছেন। আগের বছরগুলোর মতো এবারও ভালো ফলনের আশা করছেন তাঁরা।&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>৪৫তম বিসিএসে গেজেট বঞ্চিতদের পুনরায় যাচাই শুরু, সিদ্ধান্ত চলতি মাসে </title>
		<link>https://epaper.kalerdiganta.com/11156/45th-bcs-candidates-reverification-decision</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১৭]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 06 Nov 2026 23:03:32 +0600</pubDate>
		<category>চাকুরী</category>
		<guid isPermaLink="true">https://epaper.kalerdiganta.com/11156/45th-bcs-candidates-reverification-decision</guid>
		<description> ৪৫তম বিসিএসে গেজেট থেকে বাদ পড়া ১০৫ প্রার্থীর বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করছে সরকার। চলতি মাসে পুনরায় যাচাইয়ের বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসতে পারে। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;div&gt;&lt;/div&gt;&lt;/p&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;p&gt;৪৫তম বিসিএসে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) চূড়ান্ত সুপারিশ পাওয়া ১ হাজার ৮০৭ জন প্রার্থীর মধ্যে গেজেটে স্থান পেয়েছেন ১ হাজার ৭০২ জন। ফলে সব ধাপে সফলভাবে উত্তীর্ণ হওয়ার পরও ১০৫ জন প্রার্থী চূড়ান্ত নিয়োগের প্রজ্ঞাপন থেকে বাদ পড়েছেন। তাঁদের নিয়োগের বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করছে সরকার। এ বিষয়ে পুনরায় যাচাই কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং চলতি মাসে সিদ্ধান্ত আসতে পারে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সম্প্রতি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বাদ পড়া ১০৫ জন প্রার্থীর বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য ও কারণ জানিয়েছে। এর মধ্যে ৪৯ জন প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও আইনি নথি নির্ধারিত সময়ে জমা দেননি। অন্যদিকে, প্রয়োজনীয় সব নথি সঠিক থাকা সত্ত্বেও পুলিশ ভেরিফিকেশনসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক কারণে বাকি ৫৬ জন নিয়োগ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। এসব প্রার্থীর বিষয়টি নতুন করে পর্যালোচনা করা হচ্ছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;২০২২ সালের ৩০ নভেম্বর ৪৫তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এতে আবেদন করেন ৩ লাখ ৪৬ হাজার প্রার্থী। ২০২৩ সালের ১৯ মে প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় এবং ৬ জুন প্রকাশিত ফলাফলে উত্তীর্ণ হন ১২ হাজার ৭৮৯ জন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;২০২৪ সালের জানুয়ারিতে লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর ২০২৫ সালের জুলাইয়ে শুরু হয় মৌখিক পরীক্ষা। দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে ২০২৫ সালের ২৭ নভেম্বর পিএসসি ১ হাজার ৮০৭ জনকে বিভিন্ন ক্যাডার পদে নিয়োগের জন্য চূড়ান্ত সুপারিশ করে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;চূড়ান্ত সুপারিশের প্রায় ১১ মাস পর ২০২৬ সালের ১৪ অক্টোবর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ১ হাজার ৭০২ জনের নিয়োগের গেজেট প্রকাশ করে। তিনটি ভিন্ন সরকারের রাজনৈতিক পর্ব অতিক্রম করে প্রায় চার বছর পর সম্পন্ন হয় ৪৫তম বিসিএসের নিয়োগপ্রক্রিয়া। তবে সুপারিশ পাওয়ার পরও বাদ পড়া ১০৫ প্রার্থীর নিয়োগ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। এখন তাঁদের পুনরায় যাচাই শেষে সরকারের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন সংশ্লিষ্ট প্রার্থীরা।&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাতে যেসব খাবার এড়িয়ে চলবেন </title>
		<link>https://epaper.kalerdiganta.com/11155/high-blood-pressure-foods-to-avoid-at-night</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১৭]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 06 Nov 2026 22:58:45 +0600</pubDate>
		<category>জীবনযাপন</category>
		<guid isPermaLink="true">https://epaper.kalerdiganta.com/11155/high-blood-pressure-foods-to-avoid-at-night</guid>
		<description> উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাতে অতিরিক্ত লবণ, ভাজাপোড়া ও বেশি কার্বোহাইড্রেটযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন। জেনে নিন স্বাস্থ্যকর খাবারের তালিকা। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;div&gt;&lt;/div&gt;&lt;/p&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;p&gt;উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপ্রেশার নিয়ন্ত্রণে রাখতে খাদ্যাভ্যাস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিশেষ করে রাতের খাবারে অতিরিক্ত লবণ, চর্বি ও কার্বোহাইড্রেটযুক্ত খাবার খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা প্রয়োজন। কিছু খাবার নিয়মিত বেশি পরিমাণে খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ কঠিন হতে পারে। তাই রাতে খাবারের তালিকা তৈরির সময় কয়েকটি বিষয় খেয়াল রাখা জরুরি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;রাতে যেসব খাবার এড়িয়ে চলবেন&lt;/p&gt;&lt;p&gt;1. অতিরিক্ত লবণযুক্ত খাবার&lt;/p&gt;&lt;p&gt;অতিরিক্ত লবণ বা সোডিয়াম গ্রহণ রক্তচাপ বাড়াতে পারে। তাই রাতে আচার, চিপস, ভাজা বাদাম এবং বিভিন্ন প্রক্রিয়াজাত খাবার এড়িয়ে চলা ভালো। এসব খাবারে সোডিয়ামের পরিমাণ বেশি থাকতে পারে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;2. ভাজাপোড়া ও চর্বিযুক্ত খাবার&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ফ্রাইড চিকেন, পুরি, পরোটা এবং গরুর চর্বিযুক্ত মাংসে অতিরিক্ত চর্বি ও স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকতে পারে। এসব খাবার নিয়মিত বেশি পরিমাণে খেলে হৃদ্‌স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। তাই উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ভাজাপোড়া ও চর্বিযুক্ত খাবার সীমিত রাখা জরুরি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;3. অতিরিক্ত ভাত ও কার্বোহাইড্রেট&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;রাতে প্রয়োজনের তুলনায় বেশি ভাত বা মিষ্টিজাতীয় খাবার খেলে শরীরে অতিরিক্ত ক্যালরি জমতে পারে। দীর্ঘদিন এমন খাদ্যাভ্যাস চলতে থাকলে ওজন বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে, যা উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণকে আরও কঠিন করতে পারে। তাই পরিমিত পরিমাণে খাবার খাওয়া উচিত।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;রাতে কী খাবেন?&lt;/p&gt;&lt;p&gt;উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে রাতের খাবারে লবণ কম দিয়ে রান্না করা সবজি রাখতে পারেন। পাশাপাশি শসা, টমেটো ও গাজরের সালাদ, ডাল, মাছ বা চামড়াবিহীন মুরগির মাংস খাওয়া যেতে পারে। ভাতের ক্ষেত্রে পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং চাইলে ব্রাউন রাইস বেছে নেওয়া যেতে পারে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সুষম খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত শরীরচর্চা এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ গ্রহণ উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক। শুধু রাতের খাবার পরিবর্তন করলেই রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে আসবে, এমন ধারণা ঠিক নয়।&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>দেশে পৃথক অ্যান্ডোক্রাইন ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার আহ্বান স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর </title>
		<link>https://epaper.kalerdiganta.com/11154/endocrine-institute-bangladesh-health-minister</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১৭]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 06 Nov 2026 22:54:03 +0600</pubDate>
		<category>স্বাস্থ্য</category>
		<guid isPermaLink="true">https://epaper.kalerdiganta.com/11154/endocrine-institute-bangladesh-health-minister</guid>
		<description> দেশে পৃথক অ্যান্ডোক্রাইন ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। চিকিৎসা ও গবেষণার উন্নয়নে উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানান তিনি। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;div&gt;&lt;/div&gt;&lt;/p&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;p&gt;দেশে অ্যান্ডোক্রাইনোলজির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে একটি জাতীয় ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিতে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। তাঁর মতে, ডায়াবেটিস, থাইরয়েড ও অন্যান্য হরমোনজনিত রোগের চিকিৎসা এবং গবেষণার উন্নয়নে এ ধরনের বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান প্রয়োজন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে নবম আন্তর্জাতিক অ্যান্ডোক্রাইন কনফারেন্সে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশে বিভিন্ন রোগের চিকিৎসার জন্য অনেক বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠলেও অ্যান্ডোক্রাইনোলজির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে এখনো কোনো জাতীয় ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠিত হয়নি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এ বিষয়ে সুপরিকল্পিতভাবে অ্যাডভোকেসি শুরু করতে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সাধারণ মানুষের চিকিৎসাসেবা ও গবেষণার স্বার্থে সরকার ইতিবাচক পদক্ষেপ নেবে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ড. মুহিত বলেন, বারডেম, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজের মতো শীর্ষ প্রতিষ্ঠানগুলোতে অ্যান্ডোক্রাইনোলজি নিয়ে ব্যাপক কাজ হচ্ছে। দেশে বিপুলসংখ্যক মানুষ ডায়াবেটিস, থাইরয়েডসহ বিভিন্ন হরমোনজনিত জটিলতায় ভুগছেন। তাই এ বিষয়ের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে একটি পূর্ণাঙ্গ ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব তৈরি করা প্রয়োজন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;স্বাস্থ্য খাতের পরিবেশ নিয়েও বক্তব্য দেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, অতীতের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে স্বাস্থ্য খাতসহ নানা ক্ষেত্রে বিভক্তি এবং মানুষকে অসম্মান করার সংস্কৃতি তৈরি হতে দেখা গেছে। প্রধানমন্ত্রী সেই পরিস্থিতি ভেঙে দেশকে ঐক্যবদ্ধ করার চেষ্টা করছেন। এ ধরনের ইতিবাচক চর্চা সমাজ ও স্বাস্থ্য খাতকে এগিয়ে নেবে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তরুণ চিকিৎসকদের গবেষণায় মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে ড. মুহিত বলেন, হিউম্যান ফিজিওলজি ও প্যাথোলজির বড় ক্ষেত্রজুড়ে রয়েছে ডায়াবেটিস, থাইরয়েড ও স্থূলতার মতো বিষয়। এসব বিষয়ে তরুণ চিকিৎসকদের বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে গবেষণা করা প্রয়োজন। তরুণ গবেষকেরা আন্তর্জাতিক গবেষকদের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করে আন্তর্জাতিক মানের জার্নালে দেশের উপাত্ত ও গবেষণা প্রকাশ করবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;অনুষ্ঠানে সোসাইটির সভাপতি ড. ফারিয়া আফসানার সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন সংগঠনের চিফ পেট্রোন ফারুক পাঠান, ডা. নাসির উদ্দিন আহমেদ এবং রিসার্চ সেক্রেটারি ডা. নাজমা আক্তার।&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>খেলার মাঠের অভাবে ভোগান্তিতে লক্ষাধিক মানুষ </title>
		<link>https://epaper.kalerdiganta.com/11153/sheorapara-tejgaon-airport-playground-demand-2026</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 06 Nov 2026 22:46:46 +0600</pubDate>
		<category>খেলাধুলা</category>
		<guid isPermaLink="true">https://epaper.kalerdiganta.com/11153/sheorapara-tejgaon-airport-playground-demand-2026</guid>
		<description> খেলার মাঠের অভাবে ভোগান্তিতে থাকা রাজধানীর শেওড়াপাড়া ও ইব্রাহিমপুর এলাকার লক্ষাধিক মানুষের জন্য তেজগাঁও পুরোনো বিমানবন্দরের অব্যবহৃত অংশ উন্মুক্ত করার দাবি জানি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;রাজধানীর পূর্ব ও পশ্চিম শেওড়াপাড়া, ইব্রাহিমপুর, পাকের মাথাসহ আশপাশের এলাকায় লক্ষাধিক মানুষের বসবাস। অথচ এসব এলাকার শিশু-কিশোরদের খেলাধুলা এবং সাধারণ মানুষের হাঁটাচলা ও শরীরচর্চার জন্য পর্যাপ্ত মাঠ নেই। এ অবস্থায় তেজগাঁও পুরোনো বিমানবন্দরের শেওড়াপাড়া-সংলগ্ন অব্যবহৃত অংশ জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রায় ১০-১২ বছর আগেও এই বিস্তীর্ণ জায়গায় হাজার হাজার শিশু-কিশোর খেলাধুলা করত। পাশাপাশি বয়স্ক মানুষ ও ডায়াবেটিসের রোগীরা সকাল-বিকেল হাঁটাহাঁটি ও শরীরচর্চা করতেন। কিন্তু বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে জায়গাটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। এরপর আর সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত করা হয়নি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এলাকাবাসীর দাবি, তেজগাঁও পুরোনো বিমানবন্দর এখন আর বাণিজ্যিক বিমানবন্দর হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। স্বাধীনতা দিবস ও বিজয় দিবসের মতো বিশেষ উপলক্ষে বিমানবন্দরের বিজয় সরণি-সংলগ্ন অংশে বিমানবাহিনীর কার্যক্রম পরিচালিত হলেও শেওড়াপাড়া-সংলগ্ন বিশাল অংশটি কার্যত অব্যবহৃত অবস্থায় দেয়াল দিয়ে ঘিরে রাখা হয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এদিকে খেলার মাঠ না থাকায় এলাকার শিশুরা বাধ্য হয়ে বাসাবাড়ির ছাদ, ব্যস্ত সড়ক ও অলিগলিতে খেলাধুলা করছে। এতে দুর্ঘটনার ঝুঁকির পাশাপাশি তাদের স্বাভাবিক শারীরিক ও মানসিক বিকাশও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এ অবস্থায় সরকারের কাছে এলাকাবাসীর আবেদন, বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর সঙ্গে আলোচনা করে শেওড়াপাড়া-সংলগ্ন অব্যবহৃত অংশের উপযুক্ত জায়গা নির্ধারণ করে সেখানে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তারক্ষী, সীমানা ও নির্দিষ্ট সময়সূচির ব্যবস্থা করে খেলার মাঠ ও হাঁটার জায়গা হিসেবে উন্মুক্ত করা হোক।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তাঁদের মতে, রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা বজায় রেখেই এমন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা সম্ভব হলে এলাকার বিপুলসংখ্যক শিশু-কিশোর, প্রবীণ ও সাধারণ মানুষ উপকৃত হবেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, দীর্ঘদিন ধরে দেয়ালবন্দি থাকা এই বিশাল খোলা জায়গার অন্তত একটি অংশ জনকল্যাণে ব্যবহারের উদ্যোগ নেবে সরকার।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>বাংলাদেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্র হতে দেওয়া যাবে না: প্রধানমন্ত্রী </title>
		<link>https://epaper.kalerdiganta.com/11150/tarique-rahman-november-7-national-unity</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৪]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 06 Nov 2026 22:18:17 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="true">https://epaper.kalerdiganta.com/11150/tarique-rahman-november-7-national-unity</guid>
		<description> ৭ নভেম্বরের অঙ্গীকার হিসেবে বাংলাদেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত হতে না দেওয়া এবং জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ভবিষ্যতে যেন কেউ বাংলাদেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করতে না পারে এবং জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নিতে না পারে, সেটিই ৭ নভেম্বরের প্রধান অঙ্গীকার হওয়া উচিত। এ অঙ্গীকার বাস্তবায়নে জাতীয় ঐক্যের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। আগামীকাল ৭ নভেম্বর দিবসটি উদযাপিত হবে। এ উপলক্ষে জাতীয়ভাবে গৃহীত সব কর্মসূচির সাফল্য কামনা করেন তিনি।&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;বাণীতে তারেক রহমান বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল। ওই দিন সিপাহি-জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র রুখে দিয়েছিল।&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;তিনি বলেন, যারা বাংলাদেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করতে, জনগণের গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক অধিকার হরণ করে একদলীয় স্বৈরাচারী শাসন প্রতিষ্ঠা করতে এবং সেনাবাহিনীর গৌরব ক্ষুণ্ন করতে চেয়েছিল, ৭ নভেম্বরের বিপ্লবের মধ্য দিয়ে তাদের পরাজয় ঘটেছিল।&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের ইতিহাস ও অতীতের ঘটনাগুলো থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতের পথ তৈরি করতে হবে। ইতিহাসচর্চায় সারাক্ষণ নিমগ্ন থাকা যেমন সমীচীন নয়, তেমনি ইতিহাস থেকে শিক্ষা না নেওয়াও ভুল।&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;তারেক রহমানের ভাষ্য, দীর্ঘ ষড়যন্ত্রের ধারাবাহিকতায় ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর পরাজিত শক্তি পরে মহাজোটের নামে একজোট হয়ে দেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করেছিল। তার অভিযোগ, বিডিআর পিলখানায় পরিকল্পিত সেনা হত্যাযজ্ঞের মাধ্যমে সেনাবাহিনীর মর্যাদা ক্ষুণ্ন করা হয় এবং জনগণের ভোটাধিকার ও গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক অধিকার কেড়ে নিয়ে ফ্যাসিবাদী শাসন প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। হাজারো শহিদের আত্মত্যাগ এবং ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে দেড় দশকের বেশি সময় পর দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের যুদ্ধ ছিল স্বাধীনতা অর্জনের, আর ২০২৪ সাল ছিল দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের মতো ২০২৪ সালেও দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সর্বস্তরের মানুষ রাজপথে নেমে এসেছিল।&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;বাণীতে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশের আর্থসামাজিক, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতায় জাতীয় ঐক্য বজায় রাখতে ৭ নভেম্বরের সিপাহি-জনতার বিপ্লবের চেতনা ধারণ করতে হবে। ১৯৭১, ১৯৭৫, ১৯৯০ ও ২০২৪ সালের আন্দোলন ও অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা ছিল জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং একটি স্বনির্ভর, নিরাপদ ও কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গঠন।&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;বাণীর শেষাংশে তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ববিরোধী ষড়যন্ত্র নস্যাৎ এবং জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষায় দেশপ্রেমিক মানুষের অঙ্গীকার হওয়া উচিত—‘দিল্লি নয়, পিণ্ডি নয়, নয় অন্য কোনো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’। ৭ নভেম্বরের বৈপ্লবিক চেতনা দেশের ভবিষ্যৎ নির্মাণে প্রেরণা জোগাবে বলেও প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী।&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ঝালকাঠিতে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির নতুন কমিটি ঘোষণা </title>
		<link>https://epaper.kalerdiganta.com/11149/jhalokathi-red-crescent-society-new-committee-2026</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 06 Nov 2026 22:12:32 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="true">https://epaper.kalerdiganta.com/11149/jhalokathi-red-crescent-society-new-committee-2026</guid>
		<description> বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি ঝালকাঠি ইউনিটের ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত হয়েছে। এতে চেয়ারম্যান হয়েছেন অ্যাডভোকেট মো. শাহাদাত হোসেন এবং সাধ </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;৬ নভেম্বর ২৬ শুক্রবার বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি ঝালকাঠি ইউনিটের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত হয়েছে। ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের এই কমিটিতে পদাধিকার বলে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান।&amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;অ্যাডভোকেট মো. শাহাদাত হোসেন চেয়ারম্যান এবং বিএনপির নেতা আনিসুর রহমান তাপু বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আজ বিকেলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার অ্যাডভোকেট মোঃ:নাসিমুল হাসান আনুষ্ঠানিকভাবে নবনির্বাচিতদের নাম ঘোষণা করেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, নির্ধারিত তফসিলে ভাইস চেয়ারম্যান ও সাধারণ সম্পাদকসহ মোট ৭টি পদের বিপরীতে ৯ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন।&amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; এর মধ্যে যাচাই-বাছাইয়ে ভাইস চেয়ারম্যান পদের একজন এবং নির্বাহী সদস্য পদের একজনের মনোনয়নপত্রে ত্রুটি থাকায় তা বাতিল করা হয়। এরপর গত ৩ নভেম্বর নির্ধারিত প্রত্যাহারের দিনে কোনো প্রার্থীই তাঁদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেননি। প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার সব পদেই প্রার্থীদের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী ঘোষণা করেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;কমিটির অন্যান্য পদে যারা নির্বাচিত হয়েছেন:&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সহ-সভাপতি (ভাইস চেয়ারম্যান): আলী আসগর ফকির।&amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; নির্বাহী সদস্যবৃন্দ:&lt;/p&gt;&lt;p&gt;(১)মোঃ:মিজানুর রহমান&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;(২)মোঃ:সৈয়দ জিয়াউল ইসলাম জুবায়ের&lt;/p&gt;&lt;p&gt;(৩)মোঃ:আনিসুজ্জামান চপল&lt;/p&gt;&lt;p&gt;(৪)অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মুবিন&lt;/p&gt;&lt;p&gt;(৫)মোঃ:এনামুল হক সাজু।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>হাদির বিচারের দাবিতে চবিতে ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ ও শহীদ মিনারে সাংস্কৃতিক আড্ডা অনুষ্ঠিত </title>
		<link>https://epaper.kalerdiganta.com/11148/cu-march-for-insaf-hadi-justice-2026</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 06 Nov 2026 21:58:44 +0600</pubDate>
		<category>শিক্ষা</category>
		<guid isPermaLink="true">https://epaper.kalerdiganta.com/11148/cu-march-for-insaf-hadi-justice-2026</guid>
		<description> শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদি হত্যার বিচার ও জুলাইয়ের শহীদদের স্মৃতির প্রতি সংহতি জানিয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ ও সাংস্কৃতিক আড্ডা অনুষ্ঠিত হয়েছে। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;শহীদ হাদির হত্যার বিচারের দাবিতে চট্টগ্রাম&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ কর্মসূচি ও সাংস্কৃতিক আড্ডা অনুষ্ঠিত হয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার চত্বরে সাংস্কৃতিক আড্ডার আয়োজন করা হয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;‘Justice for Hadi’, ‘March for Insaaf’ ও ‘Justice for July’—এই স্লোগানগুলো সামনে রেখে আয়োজিত কর্মসূচিতে হাদির হত্যার বিচার এবং জুলাইয়ের শহীদদের স্মৃতির প্রতি সংহতি প্রকাশের বিষয়টি তুলে ধরা হয়।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ইরানে হামলা হলে তেলের দাম ১৫০ ডলার ছাড়ানোর হুঁশিয়ারি </title>
		<link>https://epaper.kalerdiganta.com/11147/iran-attack-oil-price-150-dollars-warning</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৪]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 06 Nov 2026 21:58:08 +0600</pubDate>
		<category>অর্থনীতি</category>
		<guid isPermaLink="true">https://epaper.kalerdiganta.com/11147/iran-attack-oil-price-150-dollars-warning</guid>
		<description> যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল নতুন করে ইরানে হামলা চালালে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১৫০ ডলার ছাড়াতে পারে বলে সতর্ক করেছেন ইরানি সংসদ সদস্য। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল নতুন করে ইরানে হামলা চালালে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১৫০ ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে সতর্ক করেছেন ইরানের সংসদ সদস্য হোসেইনালি হাজি দেলিগানি। তাঁর দাবি, ইরানের পাল্টা হামলার পরিধি শুধু মধ্যপ্রাচ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা ইউরোপ পর্যন্ত বিস্তৃত হতে পারে।&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;শুক্রবার (৬ নভেম্বর) আলজাজিরা ইরানের সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ এজেন্সির বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে।&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;তাসনিমকে দেওয়া বক্তব্যে হোসেইনালি হাজি দেলিগানি বলেন, নতুন করে হামলা হলে ইরানের পাল্টা আঘাতের লক্ষ্য ও পরিধি নির্দিষ্ট কোনো ভৌগোলিক সীমার মধ্যে থাকবে না। এর ফলে জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১৫০ ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে।&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;তিনি আরও বলেন, ইরানের প্রতিক্রিয়া হবে ব্যাপক, বহুগুণ শক্তিশালী ও কৌশলগত। হামলার স্থান বা ভৌগোলিক অবস্থান বিবেচনা না করেই এই জবাব দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধেরও সমালোচনা করেন এই সংসদ সদস্য। তিনি একে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের একটি ধরন হিসেবে অভিহিত করেন। তাঁর ভাষ্য, উপযুক্ত সময়ে ইরানি বাহিনী এ অবরোধের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে।&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;তবে তেলের দাম ১৫০ ডলার ছাড়ানোর বিষয়টি ইরানি সংসদ সদস্যের সতর্কবার্তা; এটি আন্তর্জাতিক বাজারের নিশ্চিত পূর্বাভাস নয়।&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>তাহসিফের মৃত্যুতে রিমান্ডে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিলেন দিশা </title>
		<link>https://epaper.kalerdiganta.com/11146/tahsif-death-disha-remand-investigation</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৪]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 06 Nov 2026 21:54:58 +0600</pubDate>
		<category>আইন আদালত</category>
		<guid isPermaLink="true">https://epaper.kalerdiganta.com/11146/tahsif-death-disha-remand-investigation</guid>
		<description> তাহসিফ সাউরির মৃত্যুর ঘটনায় বান্ধবী দিশাকে দ্বিতীয় দফায় সাত দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়ার দাবি তদন্ত কর্মকর </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;বিমান বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা কে এম তাহসিফ সাউরির মৃত্যুর ঘটনায় করা হত্যা মামলায় গ্রেফতার তার বান্ধবী জেরিকা তাসনিম দিশাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। দ্বিতীয় দফায় সাত দিনের রিমান্ড শেষে শুক্রবার (৬ নভেম্বর) তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়। জিজ্ঞাসাবাদে দিশা মামলার ঘটনা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন বলে তদন্ত কর্মকর্তা আদালতকে জানিয়েছেন।&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;এদিন রিমান্ড শেষে দিশাকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নৌ পুলিশের টঙ্গী ফাঁড়ির পরিদর্শক ফিরোজ উদ্দিন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই সাইফুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। শুনানিতে আসামিপক্ষ থেকে কোনো জামিন আবেদন করা হয়নি।&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনে বলা হয়, জিজ্ঞাসাবাদে দিশা মামলার ঘটনা সম্পর্কে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। তদন্তের স্বার্থে সেসব তথ্য গোপন রেখে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। তবে একাধিক প্রশ্নের উত্তর তিনি এড়িয়ে গেছেন এবং নীরবতা পালন করেছেন বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়।&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;এতে আরও বলা হয়, মামলার আরেক সন্দিগ্ধ আসামি আহমেদ শাহরিয়ার রেজা দীপও পুলিশ হেফাজতে রিমান্ডে রয়েছেন। দিশা ও দীপের দেওয়া বক্তব্যের মধ্যে মিল-অমিল যাচাই করতে তাঁদের বক্তব্য পরস্পরের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা প্রয়োজন। নিহত তাহসিফের মোবাইল ফোনের কললিস্ট পর্যালোচনায় জেরিকার সঙ্গে একাধিকবার কথা বলার তথ্য পাওয়া গেছে বলেও তদন্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন। প্রাথমিক তদন্তে এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে দিশার সংশ্লিষ্টতার তথ্যপ্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে বলে আবেদনে দাবি করা হয়েছে।&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;তদন্ত কর্মকর্তা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, জামিনে মুক্তি পেলে দিশা পলাতক হয়ে তদন্তে বিঘ্ন ঘটাতে পারেন। মামলার রহস্য উদ্ঘাটন ও সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে প্রয়োজনে তাঁকে আবারও রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন হতে পারে। এ কারণে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাঁকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করা হয়।&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;এর আগে গত ৩১ অক্টোবর রাত ২টার দিকে রাজধানীর কাফরুল এলাকা থেকে দিশাকে গ্রেফতার করা হয়। পরদিন ১ নভেম্বর আদালত তাঁর চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। পরে ৪ নভেম্বর আরও তিন দিনের রিমান্ড দেওয়া হয়।&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;মামলার বিবরণ অনুযায়ী, গত ২৭ অক্টোবর সন্ধ্যায় বন্ধু দীপের ডাকে বাসা থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন তাহসিফ। পরদিন বিকেলে তুরাগ নদের রাজাবাড়ী ঘাট এলাকা থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে নৌ পুলিশ।&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;তাহসিফের মৃত্যুর ঘটনায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে ৩০ অক্টোবর রাতে রাজধানীর উত্তরখান থানায় হত্যা মামলা করেন তাঁর বাবা কে এম এনায়েতুল করিম। পরে এ মামলায় দীপ ও দিশাকে সন্দিগ্ধ আসামি হিসেবে গ্রেফতার দেখায় পুলিশ।&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ে আরও দুটি বিষয় চালু </title>
		<link>https://epaper.kalerdiganta.com/11145/naogaon-university-two-new-departments</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৩]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 06 Nov 2026 21:53:12 +0600</pubDate>
		<category>শিক্ষা</category>
		<guid isPermaLink="true">https://epaper.kalerdiganta.com/11145/naogaon-university-two-new-departments</guid>
		<description> নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে ইংরেজি ও কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে শিক্ষা কার্যক্রম চালুর অনুমোদন দিয়েছে ইউজিসি। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন করে আরও দুটি বিভাগে শিক্ষা কার্যক্রম শুরুর অনুমোদন পেয়েছে।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;অনুমোদনপ্রাপ্ত দুটি বিষয় হলো-কলা অনুষদের অধীনে ইংরেজি বিভাগ এবং বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের অধীনে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মোহাম্মদ হাছানাত আলী জানান, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের ইন্সপেকশন ও মনিটরিং শাখা থেকে গতকাল বুধবার এই অনুমোদন পাওয়া গেছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ম্যানেজমেন্ট অনুবিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক ড. মো. মহিবুল আহসান স্বাক্ষরিত পত্র মোতাবেক এই অনুমোদন প্রদান করা হয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;অনুমোদন লাভের যে সব শর্ত দেওয়া হয়েছে সেগুলো হচ্ছে-নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০২৩ অনুযায়ী শিক্ষার্থী ভর্তি ও একাডমিক কার্যক্রম চালু, স্নাতক পর্যায়ে প্রতি শিক্ষাবর্ষে প্রতিটি বিভাগে সর্বোচ্চ ৪০ জন শিক্ষার্থী ভর্তি করতে হবে।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ইংরেজি এবং কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের কারিকুলাম প্রস্তুত করে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিতে হবে।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;লাইব্রেরিতে বিষয় সংশ্লিষ্ট পর্যাপ্ত বই ও জার্নালের ব্যবস্থা করতে হবে এবং ভবনের জরুরী নির্গমণ সুবিধা, জরুরী চিকিৎসা সহায়তা ও বিশুদ্ধ খাবার পানি সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হাছানাত আলী বাসসকে বলেছেন, ইতোমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন বিভাগ দ&#039;টি অনুমোদন প্রদান করতে যে শর্তসমূহ আরোপ করেছে তা পূরণের জন্য সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;অপরদিকে, নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক কর্মকর্তাদের যাতায়াতের জন্য একটি মাইক্রোবাস এবং শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের জন্য একটি বড় বাস ভাড়া করার অর্থ বরাদ্দসহ অনুমতি প্রদান করা হয়েছে।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;উপাচার্য ড. মোহাম্মদ হাছানাত আলী জানান, মাইক্রোবাস এবং বড় বাস ভাড়া নেওয়ার জন্য ইতোমধ্যে টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এ দুটি বিভাগে পাঠ্যক্রম চালু হলে নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট বিভাগের সংখ্যা দাঁড়াবে ৪টি। আগে থেকেই হিসাব বিজ্ঞান এবং  আইন বিভাগে পাঠদান চলমান রয়েছে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় ইরান-আমিরাত পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের ফোনালাপ </title>
		<link>https://epaper.kalerdiganta.com/11144/iran-uae-foreign-ministers-phone-talks</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৩]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 06 Nov 2026 21:49:48 +0600</pubDate>
		<category>ইসলামী বিশ্ব</category>
		<guid isPermaLink="true">https://epaper.kalerdiganta.com/11144/iran-uae-foreign-ministers-phone-talks</guid>
		<description> আঞ্চলিক পরিস্থিতি ও নিরাপত্তা নিয়ে ইরান ও আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের ফোনালাপ হয়েছে। উত্তেজনা প্রশমন ও কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদারে গুরুত্ব দিয়েছেন তাঁরা। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা নিয়ে আলোচনা ইরান-আমিরাত পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি, আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা নিয়ে আলোচনা করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ আবদুল্লাহ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সন্ধ্যায় তাঁদের মধ্যে টেলিফোনে এ আলোচনা হয়। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানায়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ফোনালাপে দুই দেশের মন্ত্রীরা মধ্যপ্রাচ্যের সর্বশেষ পরিস্থিতি, আঞ্চলিক উত্তেজনা এবং চলমান কূটনৈতিক উদ্যোগ নিয়ে মতবিনিময় করেন। বিশেষ করে অঞ্চলে চলমান অস্থিরতা প্রশমন এবং শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার উপায় নিয়ে আলোচনা হয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এ সময় আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ আবদুল্লাহ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা জোরদারে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি উত্তেজনা কমাতে সংলাপ ও কূটনৈতিক উদ্যোগ এগিয়ে নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথাও উঠে আসে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;



&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যে নানা রাজনৈতিক ও নিরাপত্তাগত উত্তেজনার মধ্যে ইরান ও আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের এই ফোনালাপকে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>স্পেনে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনার পর তদন্তে ইইউ </title>
		<link>https://epaper.kalerdiganta.com/11143/spain-train-crash-eu-fraud-investigation</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৩]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 06 Nov 2026 21:39:39 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="true">https://epaper.kalerdiganta.com/11143/spain-train-crash-eu-fraud-investigation</guid>
		<description> স্পেনে ট্রেন দুর্ঘটনায় ৬৯ জন নিহত হওয়ার পর মাদ্রিদ–সেভিয়া রেলপথ সংস্কারে ইউরোপীয় তহবিলের সম্ভাব্য অপব্যবহারের তদন্ত শুরু করেছে ইইউ। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;চলতি বছরে ভয়াবহ দুটি ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনার পর স্পেনের রেল খাতে অর্থায়ন সংক্রান্ত সম্ভাব্য জালিয়াতির তদন্ত নেমেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) ইউরোপীয় পাবলিক প্রসিকিউটর অফিস জানিয়েছে, জানুয়ারিতে আন্দালুসিয়া প্রদেশে ট্রেন দুর্ঘটনায় ৪৬ জনের মৃত্যুর ঘটনার জেরে রেললাইনের এই একই অংশে একটি তদন্ত শুরু হয়েছিল।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;প্রসিকিউটরদের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অক্টোবরে মাদ্রিদ-সেভিলে উচ্চ-গতির রেললাইনটির অর্থায়নে সম্ভাব্য জালিয়াতির তদন্তের অংশ হিসেবে তারা স্পেনের রেল অবকাঠামো ব্যবস্থাপনা সংস্থা, রেল নিরাপত্তা সংস্থা এবং অডিট আদালতের সদর দপ্তরে অনুসন্ধান কার্যক্রম পরিচালনা করছে। মাদ্রিদ-সেভিল উচ্চ-গতির রেললাইনে অক্টোবরে ঘটে যাওয়া দুর্ঘটনাটি এই শতাব্দীতে ইউরোপের অন্যতম ভয়াবহ রেল বিপর্যয়। এ ঘটনায় অন্তত ৬৯ জনের মৃত্যু হয়। এই ঘটনাটি নভেম্বরে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া স্পেনের সাধারণ নির্বাচনের গুরুত্বকেও ম্লান করে দিয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, মাদ্রিদ-সেভিল উচ্চ-গতির রেললাইনে নিরাপত্তা, সিগন্যালিং ও যোগাযোগ ব্যবস্থা সংস্কার এবং উন্নয়নের জন্য বরাদ্দকৃত ইউরোপীয় ইউনিয়নের তহবিলে সম্ভাব্য জালিয়াতির বিষয়ে তদন্ত শুরুর প্রেক্ষিতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। জনগণের ব্যাপক আগ্রহের কথা বিবেচনা করেই এই বিশেষ বিষয়টি নিশ্চিত করা হচ্ছে। তবে এই পর্যায়ে আর কোনো বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হবে না।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;স্পেনের ‘কোর্ট অফ অডিট’ নিশ্চিত করেছে, ইউরোপীয় প্রসিকিউটরদের অনুরোধে স্প্যানিশ পুলিশ কর্মকর্তারা এডিআইএফ-এর কার্যালয়ে তল্লাশি চালাচ্ছেন। এই জালিয়াতি সংক্রান্ত তদন্তের পাশাপাশি দুর্ঘটনাটি কীভাবে ঘটল তা উদঘাটনের জন্য স্পেনের একটি আদালতে পৃথক আরেকটি তদন্তও চলছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;স্থানীয় সময় বুধবার (২৮ অক্টোবর) স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদ থেকে সেভিলগামী রেলপথে একই অভিমুখে যাওয়ার সময় দ্রুতগামী একটি ট্রেন দাঁড়িয়ে থাকা অন্য একটি ট্রেনের পেছনের অংশে ধাক্কা দেয়। এতে বেশ কয়েকটি বগি লাইনচ্যুত হয়ে পড়ে। এ ঘটনায় দেশটির প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ এবং পরিবহন মন্ত্রী অস্কার পুয়েন্তে পদত্যাগ করেন। এদিকে কর্মপরিবেশের অবনতি এবং নিম্নমানের ব্যবস্থা ব্যবহারের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ট্রেন চালকদের ইউনিয়ন ‘সেমাফ’ দুই দিনের ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিএম কলেজে বাঁধনের ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত </title>
		<link>https://epaper.kalerdiganta.com/11142/bm-college-badhan-29th-anniversary-2026</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 06 Nov 2026 21:28:26 +0600</pubDate>
		<category>শিক্ষা</category>
		<guid isPermaLink="true">https://epaper.kalerdiganta.com/11142/bm-college-badhan-29th-anniversary-2026</guid>
		<description> বরিশালের সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজে বর্ণাঢ্য আয়োজনে স্বেচ্ছায় রক্তদাতাদের সংগঠন বাঁধনের ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত হয়েছে। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;“একের রক্ত অন্যের জীবন, রক্তই হোক আত্মার বাঁধন”—এই স্লোগানকে সামনে রেখে বরিশালের সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজে বর্ণাঢ্য আয়োজনে&amp;nbsp; বাঁধন (স্বেচ্ছায় রক্তদাতাদের সংগঠন) এর ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;২৪ অক্টোবর স্বেচ্ছায় রক্তদাতাদের সংগঠন বাঁধনের ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ৫ ও ৬ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে বাঁধন, সরকারি ব্রজমোহন কলেজ ইউনিটের উদ্যোগে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়। কর্মসূচির প্রথম দিন ৫ নভেম্বর বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় কার্যক্রমের আয়োজন করা হয়। এদিন ৫২ জনের রক্তের গ্রুপ নির্ণয় করা হয়। পাশাপাশি স্বেচ্ছায় রক্তদানে আগ্রহী করে তুলতে এবং রক্তদানের বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে প্রচারণা চালানো হয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;পরদিন ৬ নভেম্বর সকাল ১১টায় আনন্দ র‍্যালির মধ্য দিয়ে মূল আয়োজন শুরু হয়। পরে আলোচনা সভা, কেক কাটা এবং বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে বাঁধন কার্যালয় প্রাঙ্গণে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ ও ফুলের গাছ রোপণ করা হয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৬ নভেম্বর আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সরকারি ব্রজমোহন কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রফেসর কাজী জাবের আহমেদ। সভায় সভাপতিত্ব করেন বাঁধন, সরকারি ব্রজমোহন কলেজ ইউনিটের সভাপতি মোঃ অনিক মোল্লা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সমাজকর্ম বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. মোঃ জাহাঙ্গীর কবির, সহকারী অধ্যাপক মোঃ জহিরুল ইসলাম, বাঁধন সরকারি ব্রজমোহন কলেজ ইউনিটের উপদেষ্টা লিমন কৃষ্ণ সাহা (কানু), বিএম কলেজ ইউনিটের জোনাল প্রতিনিধি ও কেন্দ্রীয় পরিষদের কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি মোঃ আল মাহমুদসহ সংগঠনের উপদেষ্টামণ্ডলী, কর্মীবৃন্দ, শুভানুধ্যায়ী ও আমন্ত্রিত অতিথিরা।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর কাজী জাবের আহমেদ স্বেচ্ছায় রক্তদানকে একটি মহৎ মানবিক কাজ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি মানুষের বিপদে পাশে দাঁড়ানোর মানসিকতা তরুণদের মধ্যে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বাঁধনের দীর্ঘদিনের মানবিক কার্যক্রমের প্রশংসা করে তিনি এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আলোচনা সভায় উপস্থিত অন্যান্য বক্তারা বলেন, স্বেচ্ছায় রক্তদান শুধু একজন মানুষের জীবন বাঁচানোর মাধ্যম নয়, এটি মানবিকতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতারও বহিঃপ্রকাশ। তরুণ সমাজকে এ ধরনের মানবিক কাজে আরও বেশি সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান তাঁরা। পাশাপাশি বাঁধনের দীর্ঘদিনের স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রমের প্রশংসা করেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সভাপতির বক্তব্যে মোঃ অনিক মোল্লা সংগঠনের কার্যক্রম এগিয়ে নিতে কর্মীদের ঐক্য, আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও সহযোগিতার মাধ্যমে বাঁধনের মানবিক কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আনন্দঘন পরিবেশে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন শেষে সংগঠনের পক্ষ থেকে ভবিষ্যতেও স্বেচ্ছায় রক্তদান কার্যক্রম অব্যাহত রাখা এবং তরুণদের মানবিক কাজে উদ্বুদ্ধ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ফরমালিন এড়িয়ে নিরাপদ ফল কেনায় সতর্ক থাকুন </title>
		<link>https://epaper.kalerdiganta.com/11141/formalin-in-fruits-food-safety</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১২]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 06 Nov 2026 19:49:41 +0600</pubDate>
		<category>স্বাস্থ্য</category>
		<guid isPermaLink="true">https://epaper.kalerdiganta.com/11141/formalin-in-fruits-food-safety</guid>
		<description> সন্দেহজনক ফলের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা এবং প্রয়োজন হলে পরীক্ষার ব্যবস্থা করা উচিত। নিজের ও পরিবারের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নিরাপদ খাদ্য নির্বাচন এবং স </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;ফল স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী হলেও তাতে ক্ষতিকর রাসায়নিক মেশানো হলে তা স্বাস্থ্যের জন্য বিপদের কারণ হতে পারে। বিশেষ করে ফল সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে ফরমালিন ব্যবহার করা হলে তা মানুষের শরীরে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে। ফরমালিন মূলত ফরমালডিহাইডের জলীয় দ্রবণ। খাবারের মাধ্যমে এই রাসায়নিক শরীরে প্রবেশ করলে তা স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ফরমালডিহাইড গ্রহণের ফলে পাকস্থলীতে জ্বালাপোড়া, প্রদাহ এবং ক্ষত সৃষ্টি হতে পারে। এর সংস্পর্শে পেটব্যথা, বমি ও ডায়রিয়ার মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে। অতিরিক্ত মাত্রায় শরীরে প্রবেশ করলে কিডনির কার্যকারিতায় জটিলতা দেখা দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;

&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ফল কেনার সময় বিশ্বস্ত বিক্রেতাকে অগ্রাধিকার দেওয়া এবং খাওয়ার আগে পরিষ্কার প্রবাহমান পানিতে ভালোভাবে ধুয়ে নেওয়া জরুরি। তবে শুধু ফলের রং, গন্ধ বা বাহ্যিক অবস্থা দেখে ফরমালিনের উপস্থিতি নিশ্চিত করা যায় না। এ ছাড়া ধুয়ে ফেললেই রাসায়নিক দূর হবে, এমন নিশ্চয়তাও নেই। সন্দেহজনক ফলের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা এবং প্রয়োজন হলে পরীক্ষার ব্যবস্থা করা উচিত। নিজের ও পরিবারের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নিরাপদ খাদ্য নির্বাচন এবং সচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>বিনামূল্যে ২ লাখ টাকার আইটি প্রশিক্ষণ, আবেদন ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত </title>
		<link>https://epaper.kalerdiganta.com/11140/free-it-training-isdb-bisew-scholarship-2026</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১৮]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 06 Nov 2026 15:17:53 +0600</pubDate>
		<category>মানব সম্পদ</category>
		<guid isPermaLink="true">https://epaper.kalerdiganta.com/11140/free-it-training-isdb-bisew-scholarship-2026</guid>
		<description> আইএসডিবি-বিআইএসইডব্লিউর আইটি স্কলারশিপ প্রোগ্রামের ৭৫তম রাউন্ডে বিনামূল্যে প্রায় ২ লাখ টাকার প্রশিক্ষণ ও চাকরির সুযোগ। আবেদন শেষ ১৫ ডিসেম্বর ২০২৬। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;স্নাতক ও ডিপ্লোমাধারীদের জন্য আইএসডিবি-বিআইএসইডব্লিউর ৭৫তম রাউন্ডে আবেদন শুরু, সুযোগ পাবেন সর্বোচ্চ ৩০ বছর বয়সীরা।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ক্যারিয়ার গড়তে আগ্রহী তরুণদের জন্য বিনা খরচে প্রশিক্ষণের সুযোগ দিচ্ছে ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক-বাংলাদেশ ইসলামিক সলিডারিটি এডুকেশন ওয়াক্ফ (আইএসডিবি-বিআইএসইডব্লিউ)। প্রতিষ্ঠানটির আইটি স্কলারশিপ প্রোগ্রামের ৭৫তম রাউন্ডে ভর্তির আবেদন নেওয়া হচ্ছে। এ কর্মসূচিতে নির্বাচিত প্রার্থীরা প্রায় ২ লাখ টাকা বাজারমূল্যের প্রশিক্ষণ পাবেন বিনামূল্যে। প্রশিক্ষণ শেষে সফল শিক্ষার্থীদের চাকরি পেতেও সহায়তা করবে প্রতিষ্ঠানটি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মূলত নন-আইটি বিষয়ে পড়াশোনা করা স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারীদের প্রযুক্তি খাতে কাজের উপযোগী করে গড়ে তুলতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চাকরির বাজারের চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন বিষয়ে আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;প্রতিষ্ঠানটির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এ কর্মসূচিতে প্রশিক্ষণ নেওয়া শিক্ষার্থীদের ৯২ শতাংশ দেশে ও বিদেশে কর্মরত রয়েছেন। গত ১৯ বছরে এ প্রোগ্রামের মাধ্যমে ১৮ হাজার ৯৬৩ জন আইটি পেশাজীবী তৈরি হয়েছেন। বর্তমানে তারা দেশ-বিদেশের ৩ হাজার ২৫৪টির বেশি প্রতিষ্ঠানে কাজ করছেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-weight: bolder;&quot;&gt;প্রশিক্ষণে যেসব সুবিধা মিলবে:&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-weight: bolder;&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এ কর্মসূচিতে অংশ নিতে কোনো কোর্স ফি দিতে হবে না। প্রায় ২ লাখ টাকা সমমূল্যের প্রশিক্ষণ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দেওয়া হবে। কোর্স সফলভাবে শেষ করা শিক্ষার্থীদের চাকরি খুঁজে পেতে সহায়তা করবে প্রতিষ্ঠানের প্লেসমেন্ট সেল।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-weight: bolder;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;আবেদনের যোগ্যতা ও শর্ত&lt;/font&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-weight: bolder;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;/font&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আবেদনের শেষ তারিখে প্রার্থীর বয়স সর্বোচ্চ ৩০ বছর হতে হবে। আইটি স্কলারশিপ প্রোগ্রামের আগের কোনো রাউন্ডে কোনো কোর্সে অংশ নিয়ে থাকলে নতুন করে আবেদনের সুযোগ নেই। চার বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য নির্ধারিত প্রশিক্ষণগুলো শুধু ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-weight: bolder;&quot;&gt;স্নাতক ও সমমান ডিগ্রিধারীদের জন্য কোর্সে থাকবে :&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-weight: bolder;&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;1. স্প্রিং বুট, অ্যান্ড্রয়েড ও ফ্লাটার দিয়ে ওয়েব এবং মোবাইল অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;2. লারাভেল, রিঅ্যাক্ট, ভিউ.জেএস ও ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;3. এএসপি.নেট, অ্যাঙ্গুলার ও রিঅ্যাক্ট দিয়ে ক্রস-প্ল্যাটফর্ম অ্যাপ তৈরি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;4. ওরাকল ডেটাবেজ অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;5. নেটওয়ার্ক সলিউশন ও সিস্টেম অ্যাডমিনিস্ট্রেশন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;6. গ্রাফিকস, অ্যানিমেশন ও ভিডিও এডিটিং।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-weight: bolder;&quot;&gt;চার বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য কোর্স&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-weight: bolder;&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;1. আর্কিটেকচারাল ও সিভিল ক্যাড।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;2. লারাভেল ও রিঅ্যাক্ট দিয়ে ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;3. নেটওয়ার্ক সিস্টেম অ্যাডমিনিস্ট্রেশন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;4. গ্রাফিকস, ভিডিও এডিটিং ও মোশন গ্রাফিকস।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;5. এএসপি.নেট দিয়ে ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;6. ওরাকল অ্যাপেক্স দিয়ে ক্লাউড কম্পিউটিং।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;7. থ্রি-ডি ভিজুয়ালাইজেশন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-weight: bolder;&quot;&gt;আবেদন করবেন যেভাবে:&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-weight: bolder;&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আগ্রহী প্রার্থীদের অনলাইনে আবেদন করতে হবে। আবেদন ও নিবন্ধনের জন্য আইএসডিবি-বিআইএসইডব্লিউর নির্ধারিত পোর্টাল &lt;a href=&quot;https://apply.isdb-bisew.info/?utm_source=chatgpt.com&quot;&gt;apply.isdb-bisew.info&lt;/a&gt; ভিজিট করতে হবে। প্রশিক্ষণের বিষয়, যোগ্যতা ও আবেদনপ্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্যও সেখানে পাওয়া যাবে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;/p&gt;&lt;div&gt;&lt;/div&gt;&lt;p&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আবেদনের শেষ সময় ১৫ ডিসেম্বর ২০২৬। আগ্রহীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>শীতের সবজিতে দাম কমলেও চড়া মাছ-মাংসের বাজার </title>
		<link>https://epaper.kalerdiganta.com/11139/winter-vegetable-prices-fall-but-fish-meat-remain-costly</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১৮]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 06 Nov 2026 14:55:20 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="true">https://epaper.kalerdiganta.com/11139/winter-vegetable-prices-fall-but-fish-meat-remain-costly</guid>
		<description> রাজধানীর বাজারে আগাম শীতের সবজির সরবরাহ বাড়ায় কিছু পণ্যের দাম কমেছে। তবে মাছ-মাংসের বাজারে এখনো দামের তেমন পরিবর্তন নেই। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;রাজধানীর বাজারে আসতে শুরু করেছে শীতের আগাম সবজি। সরবরাহ বাড়ায় শিম, ফুলকপি, বাঁধাকপি ও মুলার মতো মৌসুমি পণ্যের দাম কিছুটা কমেছে। তবে সবজির বাজারে স্বস্তি এখনো সীমিত। কয়েকটি সবজি বিক্রি হচ্ছে বেশ চড়া দামে। অন্যদিকে মাছ ও মাংসের দাম আগের সপ্তাহের মতোই থাকায় নিম্ন ও মধ্যম আয়ের ক্রেতাদের বাজার খরচে বিশেষ পরিবর্তন আসেনি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;শুক্রবার (৬ নভেম্বর) রাজধানীর মালিবাগ, মুগদা ও রামপুরা এলাকার বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র পাওয়া গেছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বাজারগুলোতে প্রতি কেজি শিম বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৮০ টাকা। আকার অনুযায়ী ফুলকপি ৪০ থেকে ৫০ টাকা এবং বাঁধাকপি ৫০ থেকে ৬০ টাকা পিস। মুলার দাম কেজিতে ৪০ থেকে ৬০ টাকা। ধুন্দল, ঝিঙা ও মেটে আলু বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা কেজি দরে। সাধারণ বেগুনের দাম জাত ও আকারভেদে ৪০ থেকে ৭০ টাকা।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তবে গোল বেগুনের কেজি কিনতে ক্রেতাদের খরচ করতে হচ্ছে ১২০ টাকা। একই দামে বিক্রি হচ্ছে টমেটো ও কাঁচামরিচ। গাজরের কেজি ১৪০ টাকা। দেশি শসা ৮০ টাকা এবং হাইব্রিড শসা ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া ঢ্যাঁড়শ ও কচুমুখি ৫০ থেকে ৬০ টাকা, বরবটি, করলা ও কাঁকরোল ৬০ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে। প্রতি পিস লাউয়ের দাম ৪০ থেকে ৫০ টাকা। পেঁপে ৩০ টাকা, মিষ্টিকুমড়া ৩০ থেকে ৪০ টাকা এবং আলু ২৫ থেকে ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মুগদা বাসার টাওয়ার বাজারের বিক্রেতা মো. ইমন মিয়া বলেন, কয়েক দিন ধরে শীতের সবজির সরবরাহ বাড়ছে। এ কারণে কিছু পণ্যের দাম আগের তুলনায় কমেছে। সরবরাহ আরও বাড়লে দাম কমার সম্ভাবনা রয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;রামপুরা বাজারের বিক্রেতা কামরুল ভূঁইয়া জানান, নতুন সবজি বাজারে আসায় ফুলকপি ও বাঁধাকপির দামও কিছুটা কমেছে। আকার অনুযায়ী প্রতিটি ৪০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কেজি হিসেবে এসব সবজির দাম প্রায় ৬০ টাকা।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মালিবাগ বাজারে কেনাকাটা করতে আসা বেসরকারি চাকরিজীবী খন্দকার ওবায়দুল্লাহ বলেন, এ সপ্তাহে বাজারে নতুন নতুন সবজি পাওয়া যাচ্ছে। কয়েকটির দাম আগের তুলনায় কমলেও কিছু সবজির দাম এখনো অনেক বেশি। মাছ-মাংসের বাজারেও কোনো স্বস্তি নেই।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সবজির তুলনায় মাছের বাজারে দামের পরিবর্তন আরও কম। আগের সপ্তাহের কাছাকাছি দামে বিক্রি হচ্ছে অধিকাংশ মাছ। বাজারে প্রতি কেজি রুই ২৮০ থেকে ৩৮০ টাকা, বড় তেলাপিয়া ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, সিলভার কার্প ও গ্রাস কার্প ১৮০ থেকে ২০০ টাকা এবং পাঙাশ ১৬০ থেকে ২৫০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। কাতলা বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৩৮০ টাকা, চাষের কই ২০০ থেকে ২২০ টাকা এবং পাবদা ৩৮০ থেকে ৪২০ টাকা কেজি দরে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ইলিশের দাম তুলনামূলক বেশি। আকার ও মান অনুযায়ী প্রতি কেজি ইলিশের দাম ৮০০ থেকে ২ হাজার ৩০০ টাকা। বড় আকারের কিছু ইলিশের দাম বাজারভেদে ২ হাজার ৬০০ টাকা পর্যন্ত উঠেছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মাংসের বাজারেও ক্রেতাদের জন্য স্বস্তির খবর নেই। প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৭০ থেকে ১৯০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ২৪০ থেকে ৩৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংসের দাম ৮০০ থেকে ৮৫০ টাকা এবং খাসির মাংস ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ২৫০ টাকা কেজি। আগের সপ্তাহের তুলনায় এসব পণ্যের দামে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয়নি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এদিকে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) ৫ নভেম্বর প্রকাশিত খুচরা বাজারদরের প্রতিবেদনেও নিত্যপণ্যের দামে মিশ্র প্রবণতা উঠে এসেছে। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, এক সপ্তাহের ব্যবধানে দেশি পেঁয়াজ, কাঁচামরিচ, বেগুন, ফার্মের ডিম, ছোলা, সুগন্ধি পোলাও চাল ও আমদানি করা আদার দাম কমেছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;অন্যদিকে প্যাকেট ময়দা, খোলা পাম তেল ও চিনির দাম কিছুটা বেড়েছে। তবে অধিকাংশ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম আগের সপ্তাহের পর্যায়েই রয়েছে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>বাবুনগর মাদরাসার মহাসম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী </title>
		<link>https://epaper.kalerdiganta.com/11138/home-minister-to-join-babunagar-madrasa-conference</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১৮]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 06 Nov 2026 14:43:53 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="true">https://epaper.kalerdiganta.com/11138/home-minister-to-join-babunagar-madrasa-conference</guid>
		<description> চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির বাবুনগর মাদরাসার ১০৪তম বার্ষিক দ্বীনি মহাসম্মেলনে যোগ দিতে যাচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং মাদরাসার ১০৪তম বার্ষিক দ্বীনি মহাসম্মেলনে অংশ নিতে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি যাচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে অবস্থিত আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদরাসায় আজ শুক্রবার যাচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। সেখানে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সাক্ষাতের পাশাপাশি জুমার নামাজ আদায় করবেন তিনি। পরে মাদরাসার বার্ষিক দ্বীনি মহাসম্মেলনে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। মাদরাসা কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;প্রতিষ্ঠানটির সূত্র জানায়, দুই দিনব্যাপী সম্মেলনের আজ শেষ দিন। আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সভাপতিত্বে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আরও কয়েকজন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সংসদ সদস্যের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;অতিথিদের তালিকায় রয়েছেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শামীম কায়সার লিংকন, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, চট্টগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য সরওয়ার আলমগীর, চট্টগ্রাম-৬ আসনের সংসদ সদস্য গিয়াস উদ্দীন কাদের চৌধুরী এবং চট্টগ্রাম-৭ আসনের সংসদ সদস্য হুম্মাম কাদের চৌধুরী।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এ ছাড়া সম্মেলনে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় পর্যায়ের নেতারা, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের বিশিষ্ট আলেম-ওলামা এবং ইসলামী চিন্তাবিদদের অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এর আগে বৃহস্পতিবার ফজরের নামাজের পর মাদরাসা প্রাঙ্গণে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মেলনের কার্যক্রম শুরু হয়।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>শ্রমিক আন্দোলন ঘিরে আওয়ামী লীগ-সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে অরাজকতার অভিযোগ রিজভীর </title>
		<link>https://epaper.kalerdiganta.com/11137/rizvi-alleges-awami-league-linked-factory-owners-involved-in-worker-unrest</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১৮]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 06 Nov 2026 14:38:19 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="true">https://epaper.kalerdiganta.com/11137/rizvi-alleges-awami-league-linked-factory-owners-involved-in-worker-unrest</guid>
		<description> পোশাকশ্রমিকদের অসন্তোষ ঘিরে রাজনৈতিক উসকানি ও অস্থিতিশীলতা তৈরির অভিযোগ করেছেন বিএনপির নেতা রুহুল কবির রিজভী। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;পোশাকশিল্পের শ্রমিক অসন্তোষকে কেন্দ্র করে দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী। তাঁর দাবি, প্রতিবেশী একটি দেশ থেকে আন্দোলনে উসকানি দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কিছু কারখানার মালিকও এ ধরনের কর্মকাণ্ডে ভূমিকা রাখছেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন তিনি। জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের কর্মসূচি উপলক্ষে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;রিজভীর অভিযোগ, শ্রমিকদের দাবিদাওয়ার আড়ালে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের মাধ্যমে রাজনৈতিক পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চলছে। এ ছাড়া শ্রমিক আন্দোলনের প্রতি বিরোধী দলের সংহতি প্রকাশের বিষয়টিকে তিনি ফ্যাসিবাদের সঙ্গে তাদের গোপন যোগাযোগের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তিনি বলেন, শ্রমিকদের আন্দোলন ঘিরে যে সংকট তৈরি হয়েছিল, তার সমাধান হয়েছে। এরপরও পরিস্থিতি উত্তপ্ত রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। এ ধরনের তৎপরতার মাধ্যমে কেউ রাজনৈতিক সুবিধা নিতে পারবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার ও জনগণ প্রস্তুত রয়েছে বলে জানান বিএনপির এই নেতা। তাঁর ভাষ্য, কোনো পক্ষ অরাজকতা তৈরির চেষ্টা করলে জনগণই তা প্রতিহত করবে। ৭ নভেম্বরের কর্মসূচির নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগের কারণ নেই বলে মন্তব্য করেন তিনি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এদিকে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে সাত দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি। এর অংশ হিসেবে শনিবার (৭ নভেম্বর) রাজধানীসহ দেশের অধিকাংশ জেলা ও মহানগরে শোভাযাত্রা আয়োজনের কথা জানান রিজভী।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তিনি আরও জানান, শনিবার সকাল সাড়ে ৮টায় শেরেবাংলা নগরে জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পরে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে শোভাযাত্রার উদ্বোধন করবেন তিনি।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>নাসিরনগরের ধরমন্ডলে মোবাইলে উচ্চস্বরে গান বাজানোকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ </title>
		<link>https://epaper.kalerdiganta.com/11136/nasirnagar-dharmondol-clash-2026</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 06 Nov 2026 12:17:40 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="true">https://epaper.kalerdiganta.com/11136/nasirnagar-dharmondol-clash-2026</guid>
		<description> ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে মোবাইলে উচ্চস্বরে গান বাজানো নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ২০ থেকে ৩০ জন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়ে </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;‎ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার ধরমন্ডল গ্রামে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মোবাইল ফোনে উচ্চস্বরে গান বাজানো নিয়ে শুরু হওয়া কথা-কাটাকাটি এক পর্যায়ে ভয়াবহ সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;‎&lt;/p&gt;&lt;p&gt;‎ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকালে&amp;nbsp; নাসিরনগর উপজেলার ধরমন্ডল গ্রামের ০৪ নং ওয়ার্ডে। সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;‎&lt;/p&gt;&lt;p&gt;‎পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিকালে ধরমন্ডল গ্রামের ইয়াসিন প্রতিবেশীর বাড়ির সামনে দিয়ে মোবাইল ফোনের লাউডস্পিকারে উচ্চস্বরে গান বাজিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় প্রতিবেশী বাবলা তাকে গান বাজাতে বাধা দেন। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে প্রথমে কথা-কাটাকাটি হয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;‎&lt;/p&gt;&lt;p&gt;‎কথা-কাটাকাটি একপর্যায়ে হাতাহাতিতে গড়ায়। পরে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। প্রায় ঘণ্টাব্যাপী চলা এই সংঘর্ষে গ্রামের সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;‎&lt;/p&gt;&lt;p&gt;‎সংঘর্ষে দুই পক্ষের অন্তত ২০/৩০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে। আহতদের নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। গুরুতর আহত কয়েকজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;স্থানীয় চেয়ারম্যান মোঃ শফিকুল ইসলাম উত্তপ্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে পৌঁছে উভয় পক্ষের মধ্যে মিমাংসা চেষ্টা করেন এবং এক পর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে বলে জানা যায়।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;‎&lt;/p&gt;&lt;p&gt;‎নাসিরনগর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাহবুব আলম জানান, _“মোবাইল ফোনের লাউডস্পিকারে উচ্চস্বরে গান বাজানোকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে, যাতে আর কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;‎&lt;/p&gt;&lt;p&gt;‎স্থানীয়রা জানান, সামান্য একটি বিষয় নিয়ে এমন সংঘর্ষ সত্যিই দুঃখজনক। গ্রামের শান্ত পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। তারা উভয় পক্ষকে ধৈর্য ধারণ করে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এমন ঘটনা এড়াতে গ্রামে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রশাসনের কঠোর নজরদারির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;‎&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>মেসেঞ্জারে নির্দিষ্ট সময় পর হারিয়ে যায় মেসেজ এডিটের সুযোগ </title>
		<link>https://epaper.kalerdiganta.com/11135/messenger-message-edit-option</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১২]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 06 Nov 2026 08:49:36 +0600</pubDate>
		<category>তথ্যপ্রযুক্তি</category>
		<guid isPermaLink="true">https://epaper.kalerdiganta.com/11135/messenger-message-edit-option</guid>
		<description> মেসেজ এডিট করতে সংশ্লিষ্ট চ্যাটে গিয়ে নিজের পাঠানো বার্তাটির ওপর কিছুক্ষণ চেপে ধরতে হয়। এরপর প্রদর্শিত অপশন থেকে ‘Edit’ নির্বাচন করে প্রয়োজনীয় সংশোধন করা যায়। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;বর্তমানে ব্যক্তিগত ও পেশাগত যোগাযোগের অন্যতম জনপ্রিয় মাধ্যম মেসেঞ্জার। প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ এই প্ল্যাটফর্মে প্রয়োজনীয় তথ্য, ছবি, লিংক ও বিভিন্ন বার্তা আদানপ্রদান করেন। তবে দ্রুত বার্তা পাঠাতে গিয়ে অনেক সময় বানান ভুল, বাক্যের অসংগতি কিংবা ভুল তথ্য চলে যায়। এমন পরিস্থিতিতে বার্তা মুছে নতুন করে পাঠানোর পরিবর্তে মেসেজ এডিট করার সুবিধা ব্যবহারকারীদের জন্য বেশ কার্যকর।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মেসেঞ্জারে পাঠানো বার্তা সম্পাদনার এই সুবিধার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা নিজেদের ভুল সংশোধন করতে পারেন। বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ কোনো তথ্য, ঠিকানা, সময়সূচি কিংবা কাজের নির্দেশনা পাঠানোর ক্ষেত্রে ছোট একটি ভুলও বিভ্রান্তির কারণ হতে পারে। এডিট অপশন থাকায় পুরো বার্তা মুছে না ফেলেই প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনা সম্ভব। এতে কথোপকথনের ধারাবাহিকতাও বজায় থাকে এবং অপ্রয়োজনীয়ভাবে একাধিক বার্তা পাঠানোর প্রয়োজন হয় না।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তবে মেসেঞ্জারে মেসেজ এডিট করার সুযোগ সব সময় পাওয়া যায় না। মেটার নিয়ম অনুযায়ী, পাঠানো বার্তা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ পাঁচবার সম্পাদনা করা যায়। সময়সীমা পার হয়ে গেলে অথবা সম্পাদনার সর্বোচ্চ সীমা শেষ হলে এডিট অপশন আর দেখা যায় না।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মেসেজ এডিট করতে সংশ্লিষ্ট চ্যাটে গিয়ে নিজের পাঠানো বার্তাটির ওপর কিছুক্ষণ চেপে ধরতে হয়। এরপর প্রদর্শিত অপশন থেকে ‘Edit’ নির্বাচন করে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন করে সংরক্ষণ করতে হয়। সম্পাদিত বার্তাটি চ্যাটে আলাদাভাবে চিহ্নিত থাকে। ফলে অপর পক্ষও বুঝতে পারেন যে বার্তাটিতে পরিবর্তন আনা হয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;



&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তাই মেসেঞ্জারে কোনো গুরুত্বপূর্ণ বার্তা পাঠানোর পর ভুল চোখে পড়লে দ্রুত এডিট অপশন ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে বার্তা পাঠানোর আগে একবার যাচাই করে নেওয়া এবং প্রয়োজনীয় তথ্য সঠিকভাবে উপস্থাপন করাই সবচেয়ে ভালো অভ্যাস।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ধনিয়াপাতা: খাবারের স্বাদ ও সুগন্ধ বাড়ানোর পরিচিত উপাদান </title>
		<link>https://epaper.kalerdiganta.com/11134/coriander-leaves-flavor-nutrition-benefits</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১২]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 06 Nov 2026 08:15:12 +0600</pubDate>
		<category>স্বাস্থ্য</category>
		<guid isPermaLink="true">https://epaper.kalerdiganta.com/11134/coriander-leaves-flavor-nutrition-benefits</guid>
		<description> খাবারে ধনিয়াপাতা ব্যবহারের আগে পরিষ্কার পানিতে ভালোভাবে ধুয়ে নেওয়া জরুরি। এতে পাতায় লেগে থাকা মাটি, ধুলাবালি ও অন্যান্য ময়লা দূর হয়। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;রান্নায় স্বাদ ও সুগন্ধ বাড়াতে ধনিয়াপাতার ব্যবহার বেশ পরিচিত। ভর্তা, সালাদ, চাটনি, ডাল, সবজি কিংবা মাংসের পদে ধনিয়াপাতা যোগ করলে খাবারে আসে আলাদা ঘ্রাণ ও স্বাদের বৈচিত্র্য। বিশেষ করে রান্নার শেষ পর্যায়ে কুচি করা ধনিয়াপাতা ছড়িয়ে দিলে খাবারের স্বাদ ও পরিবেশনে নতুন মাত্রা যোগ হয়। এ কারণে অনেকের রান্নাঘরেই নিয়মিত ব্যবহৃত হয় এই পাতা।&lt;/span&gt;
&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;ধনিয়াপাতা শুধু খাবারের স্বাদ বাড়াতেই নয়, পুষ্টিগুণের দিক থেকেও উপকারী। এতে ভিটামিন কে, ভিটামিন এ, ভিটামিন সি এবং বিভিন্ন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান রয়েছে। এসব পুষ্টি উপাদান শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্রমে ভূমিকা রাখে। তবে ধনিয়াপাতা সাধারণত অল্প পরিমাণে খাওয়া হয়, তাই একে কোনো পুষ্টির প্রধান উৎস হিসেবে বিবেচনা করা ঠিক নয়।&lt;/span&gt;
&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;খাবারে ধনিয়াপাতা ব্যবহারের আগে পরিষ্কার পানিতে ভালোভাবে ধুয়ে নেওয়া জরুরি। এতে পাতায় লেগে থাকা মাটি, ধুলাবালি ও অন্যান্য ময়লা দূর হয়। সালাদ, চাটনি কিংবা রান্নার সাজসজ্জায় কাঁচা ধনিয়াপাতা ব্যবহার করা যায়। পরিমিত পরিমাণে এই পরিচিত উপাদানটি দৈনন্দিন খাবারে স্বাদ, সুগন্ধ যোগ করতে পারে।&lt;/span&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>এআই নিয়ে অনুশোচনায় প্রযুক্তির পথিকৃৎ, বড় বিপর্যয়ের আশঙ্কা </title>
		<link>https://epaper.kalerdiganta.com/11133/geoffrey-hinton-ai-risk-global-disaster</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৮]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 06 Nov 2026 08:10:15 +0600</pubDate>
		<category>তথ্যপ্রযুক্তি</category>
		<guid isPermaLink="true">https://epaper.kalerdiganta.com/11133/geoffrey-hinton-ai-risk-global-disaster</guid>
		<description> কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এআইয়ের অন্যতম পথিকৃৎ জিওফ্রে হিন্টন। তাঁর আশঙ্কা, এআইয়ের অগ্রগতি বিশ্বজুড়ে বড় বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) একসময় মানুষের চেয়েও বেশি বুদ্ধিমান হয়ে উঠতে পারে এবং নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়ে বিশ্বজুড়ে বড় বিপর্যয় সৃষ্টি করতে পারে—এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন এআই প্রযুক্তির অন্যতম পথিকৃৎ জিওফ্রে হিন্টন। প্রযুক্তিটির বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার পর এখন এর সম্ভাব্য ঝুঁকি নিয়ে অনুশোচনা ও উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন তিনি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সম্প্রতি ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হিন্টন বলেন, হয়তো এ নতুন প্রযুক্তি ছাড়া পৃথিবী আরও ভালো থাকত। এআইয়ের দ্রুত অগ্রগতি এবং ভবিষ্যতে এর সম্ভাব্য নেতিবাচক প্রভাব নিয়েও নিজের উদ্বেগ তুলে ধরেন তিনি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;হিন্টনের আশঙ্কা, আগামী এক থেকে দুই বছরের মধ্যে এআই এমন সক্ষমতা অর্জন করতে পারে, যা ব্যবহার করে বড় ধরনের সাইবার হামলা চালানো সম্ভব হবে। এর ফলে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক ব্যবস্থা কিংবা বিদ্যুৎ সরবরাহব্যবস্থা অচল হয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;‘গডফাদার অব এআই’ হিসেবে পরিচিত জিওফ্রে হিন্টন কৃত্রিম নিউরাল নেটওয়ার্ক ও মেশিন লার্নিংয়ের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। ২০২৪ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পান তিনি। এআইয়ের ঝুঁকি নিয়ে স্বাধীনভাবে কথা বলার সুযোগ তৈরি করতে ২০২৩ সালে গুগল ছাড়েন এই বিজ্ঞানী।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তাঁর মতে, এআইয়ের ঝুঁকি শুধু সাইবার হামলার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। ভবিষ্যতে এই প্রযুক্তি মানুষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে, যা সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয়। পাশাপাশি কর্মসংস্থান কমে যাওয়া, ভুয়া তথ্যের বিস্তার এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে এআইয়ের অপব্যবহারের আশঙ্কাও রয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তবে এআইয়ের ইতিবাচক সম্ভাবনাও অস্বীকার করছেন না হিন্টন। তাঁর মতে, চিকিৎসা, শিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে। তবে এর নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিত করতে কঠোর নিরাপত্তা পরীক্ষা, সরকারি নজরদারি এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা প্রয়োজন।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>মেধাবীদের বিদেশমুখী হওয়ার দায় রাষ্ট্রেরও: শায়খ আহমাদুল্লাহ </title>
		<link>https://epaper.kalerdiganta.com/11132/ahmadullah-brain-drain-bangladesh</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১৭]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 05 Nov 2026 22:19:02 +0600</pubDate>
		<category>ধর্ম</category>
		<guid isPermaLink="true">https://epaper.kalerdiganta.com/11132/ahmadullah-brain-drain-bangladesh</guid>
		<description> মেধাবীদের বিদেশমুখী হওয়ার পেছনে রাষ্ট্র ও সমাজের ব্যর্থতাও দায়ী বলে মন্তব্য করেছেন শায়খ আহমাদুল্লাহ। মেধার মূল্যায়ন ও কর্মসংস্থানে গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;div&gt;&lt;/div&gt;&lt;/p&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;p&gt;মেধাবী তরুণদের বিদেশে স্থায়ী হওয়ার প্রবণতা রোধে দেশে মেধার যথাযথ মূল্যায়ন, গবেষণায় বরাদ্দ বৃদ্ধি এবং যোগ্যতার ভিত্তিতে কর্মসংস্থানের সুযোগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন বিশিষ্ট ইসলামি আলোচক ও দাঈ শায়খ আহমাদুল্লাহ। তাঁর মতে, দুর্নীতি, অনিয়ম, নিরাপত্তাহীনতা ও যোগ্যতার মূল্যায়ন না হওয়ার কারণে মেধাবী তরুণদের মধ্যে দেশ ছাড়ার প্রবণতা বাড়ছে। এ পরিস্থিতির দায় শুধু তরুণদের ওপর চাপিয়ে না দিয়ে রাষ্ট্র ও সমাজের ব্যর্থতাও বিবেচনায় নিতে হবে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span&gt;বুধবার (৪ নভেম্বর) সন্ধ্যায় নিজের ফেসবুক পোস্টে এসব কথা বলেন তিনি। পোস্টে বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য যাওয়া তরুণদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং দেশ ছাড়ার প্রবণতা নিয়ে নিজের পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন শায়খ আহমাদুল্লাহ।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span&gt;&lt;br&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span&gt;এক তরুণের স্টুডেন্ট ভিসা পাওয়ার পর বাঁধভাঙা উল্লাসের ঘটনা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ওই আনন্দের কারণ তাঁকে নতুন এক সমাজজিজ্ঞাসার সামনে দাঁড় করিয়েছে। তরুণটির উচ্ছ্বাস কি উচ্চতর গবেষণার মাধ্যমে দেশ ও জাতিকে সমৃদ্ধ করার সুযোগ পাওয়ার আনন্দ, নাকি উন্নত জীবনের হাতছানি এবং বিদেশে স্থায়ী হওয়ার পথ খুলে যাওয়ার উচ্ছ্বাস, সেই প্রশ্ন তোলেন তিনি।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span&gt;শায়খ আহমাদুল্লাহর ভাষ্য, উন্নত দেশগুলোতে উচ্চশিক্ষার সুযোগের পাশাপাশি পড়াশোনা শেষে কাজের অনুমতি ও স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ থাকায় অনেক তরুণ বিদেশমুখী হচ্ছেন। এসব দেশের জনসংখ্যা ও জন্মহারসংক্রান্ত সংকটের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, দক্ষ কর্মী ও তরুণ জনশক্তির চাহিদা পূরণে বিভিন্ন দেশ থেকে মেধাবী শিক্ষার্থীদের আকৃষ্ট করা হচ্ছে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span&gt;&lt;br&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span&gt;বিদেশে উচ্চশিক্ষার বিরোধিতা না করলেও পড়াশোনা শেষে দেশের প্রতি দায়বদ্ধতার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আহ্বান জানান তিনি। তাঁর মতে, দেশের মানুষের অর্থে শিক্ষার ভিত্তি গড়ে ওঠার পর শুধু উন্নত জীবনের আকাঙ্ক্ষায় বিদেশে স্থায়ী হয়ে দেশের মেধা অন্য দেশের উন্নয়নে ব্যয় হওয়া কাম্য নয়।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span&gt;তরুণদের দেশ ছাড়ার প্রবণতার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি দেশের কর্মসংস্থান, শিক্ষা ও সামগ্রিক পরিবেশের নানা সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরেন। শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, স্বাধীনতার অর্ধশতাব্দী পরও দেশকে দুর্নীতিমুক্ত, স্থিতিশীল ও বাসযোগ্য করে গড়ে তোলা সম্ভব হয়নি। এখানে মেধার যথাযথ মূল্যায়ন হয় না। ঘুষ ও সুপারিশ ছাড়া চাকরি পাওয়া কঠিন। বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিরাপত্তাহীনতা ও অস্থিরতাও রয়েছে। ফলে মেধাবী তরুণদের কাছে দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে স্বপ্ন দেখা কঠিন হয়ে পড়ছে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span&gt;&lt;br&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span&gt;তবে এসব প্রতিকূলতার মধ্যেও তরুণদের দেশ গড়ার কাজে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। তাঁর প্রশ্ন, সবাই যদি নিরুপদ্রব জীবনের আশায় বিদেশে পাড়ি জমান, তাহলে দেশের পরিবর্তন ঘটাবে কে? তরুণদের সামনে ত্যাগ ও আদর্শের কোনো বড় লক্ষ্য না থাকাকেও তিনি দেশ ছাড়ার প্রবণতার অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span&gt;মেধা পাচার রোধে কয়েকটি পদক্ষেপের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন শায়খ আহমাদুল্লাহ। এর মধ্যে রয়েছে মেধার যথাযথ মূল্যায়ন, সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে গবেষণা খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি, যোগ্যতার ভিত্তিতে কর্মসংস্থানের সুযোগ নিশ্চিত করা এবং প্রাথমিক শিক্ষা থেকেই ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধের চর্চা জোরদার করা।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span&gt;&lt;br&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span&gt;পোস্টের শেষাংশে তিনি বলেন, একটি দেশের উন্নতি অনেকাংশেই নির্ভর করে তরুণদের মেধা ও দক্ষতার ওপর। সেই মেধা যদি দেশের বাইরে চলে যায় এবং অন্য দেশের উন্নয়নে ব্যবহৃত হয়, তাহলে নিজ দেশের অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হয়। তাই মেধা পাচার রোধে রাষ্ট্র, সমাজ ও ব্যক্তিপর্যায়ে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।&lt;br&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>আইজেনকোটকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সমর্থন আরব জোটের, চাপে নেতানিয়াহু </title>
		<link>https://epaper.kalerdiganta.com/11131/eisenkot-israel-prime-minister-arab-alliance</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১৭]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 05 Nov 2026 22:14:28 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="true">https://epaper.kalerdiganta.com/11131/eisenkot-israel-prime-minister-arab-alliance</guid>
		<description> ইসরাইল নির্বাচন, গাদি আইজেনকোট, জয়েন্ট লিস্ট, নেতানিয়াহু, ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী, সরকার গঠন, Gadi Eisenkot, Joint List, Benjamin Netanyahu, Israel Election </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;div&gt;&lt;/div&gt;&lt;/p&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;p&gt;ইসরাইলের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বিরোধী দলীয় নেতা গাদি আইজেনকোটকে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে আরব নেতৃত্বাধীন রাজনৈতিক জোট জয়েন্ট লিস্ট। গত সপ্তাহের সাধারণ নির্বাচনের পর সরকার গঠনের প্রক্রিয়ায় আইজেনকোটের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে জোটটি। এতে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক অবস্থান আরও চাপে পড়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span&gt;বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) এক বিবৃতিতে জয়েন্ট লিস্ট জানায়, নতুন সরকার গঠনের দায়িত্ব আইজেনকোটকে দেওয়ার সুপারিশ করবে তারা। এ বিষয়ে নিজেদের সিদ্ধান্ত একই দিন সন্ধ্যায় দেশটির প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজোগের কাছে জানানো হবে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span&gt;গত সপ্তাহের সাধারণ নির্বাচনে ইসরাইলের ১২০ আসনের পার্লামেন্টে আরব নেতৃত্বাধীন দলগুলো রেকর্ড ১৯টি আসন পেয়েছে। ফলে নতুন সরকার গঠনের ক্ষেত্রে তাদের রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের সুযোগ তৈরি হয়েছে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span&gt;&lt;br&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span&gt;জয়েন্ট লিস্টের সমর্থন পাওয়ায় পরবর্তী পার্লামেন্টে আইজেনকোটের পক্ষে সমর্থন জানানো আইনপ্রণেতার সংখ্যা বেড়ে ৬৭ জনে দাঁড়াবে। যা পার্লামেন্টের সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজনীয় ৬১ আসনের চেয়ে বেশি। এর আগে থেকেই প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর তুলনায় বেশি আইনপ্রণেতার সমর্থন পেয়েছিলেন আইজেনকোট। তবে তাকে সমর্থন দেওয়া সব আইনপ্রণেতা শেষ পর্যন্ত তার নেতৃত্বাধীন জোট সরকারে যোগ দেবেন কি না, তা নিশ্চিত নয়।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span&gt;জয়েন্ট লিস্ট জানিয়েছে, নেতানিয়াহু ও তার সরকারকে পুনরায় ক্ষমতায় আসা থেকে ঠেকানোর জনদাবির পরিপ্রেক্ষিতে জোটের তিনটি অংশ সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span&gt;&lt;br&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span&gt;বিবৃতিতে আরও বলা হয়, নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক অবস্থানের বিরোধিতা এবং আরব নাগরিকদের বিরুদ্ধে উসকানি ও তাদের রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের বৈধতা খর্বের প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বিরোধী জোটের অবস্থান এখনো যথেষ্ট স্পষ্ট নয়। তা সত্ত্বেও আইজেনকোটকে সমর্থন দেওয়াকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে জয়েন্ট লিস্ট।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span&gt;জোটটির মতে, নেতানিয়াহুর তুলনায় আইজেনকোটের পক্ষে সমর্থনের ব্যবধান আরও বাড়ানো গেলে সরকার পরিবর্তনের সম্ভাবনা জোরালো হবে। একই সঙ্গে নেতানিয়াহুকে ক্ষমতায় রেখে জাতীয় ঐক্যের সরকার গঠনের সম্ভাবনাও কমে আসবে।&lt;br&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>স্মার্টফোনে অতিরিক্ত সময় নয়, পরিবারের জন্যও রাখুন সময় </title>
		<link>https://epaper.kalerdiganta.com/11130/smartphone-use-family-time</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১২]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 05 Nov 2026 19:49:35 +0600</pubDate>
		<category>জীবনযাপন</category>
		<guid isPermaLink="true">https://epaper.kalerdiganta.com/11130/smartphone-use-family-time</guid>
		<description> জরুরি কাজ ছাড়া নির্দিষ্ট কিছু সময় ফোন দূরে রেখে পরিবারের জন্য সময় বরাদ্দ করলে সম্পর্কের আন্তরিকতা বজায় রাখতে সহায়ক হতে পারে। প্রযুক্তির সুবিধা গ্রহণের পাশাপাশি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;স্মার্টফোনের অতিরিক্ত ব্যবহারে অনেকেই পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সময় কাটানোর বিষয়টি উপেক্ষা করছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ভিডিও দেখা কিংবা অনলাইন বিনোদনে দীর্ঘ সময় ব্যয় করতে গিয়ে পরিবারের সঙ্গে কথা বলা, একসঙ্গে খাওয়া বা দৈনন্দিন গল্প ভাগ করে নেওয়ার সুযোগ কমে যাচ্ছে। অথচ পারিবারিক সম্পর্ক সুন্দর ও দৃঢ় রাখতে একে অপরকে সময় দেওয়া এবং মনোযোগ দিয়ে কথা শোনা গুরুত্বপূর্ণ।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;প্রযুক্তির ব্যবহার দৈনন্দিন জীবনের প্রয়োজনীয় অংশ হলেও এর ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সম্পর্কে দূরত্ব তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে পরিবারের সদস্যরা একসঙ্গে থাকার সময়ও যদি প্রত্যেকে নিজের ফোনে ব্যস্ত থাকেন, তাহলে পারস্পরিক যোগাযোগ ও আন্তরিকতা কমে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। শিশুদের ক্ষেত্রেও পরিবারের সঙ্গে সরাসরি সময় কাটানো, গল্প করা ও বিভিন্ন কাজে অংশ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;

&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তাই পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর ক্ষেত্রে অপ্রয়োজনীয় ফোন ব্যবহার সীমিত রাখা যেতে পারে। একসঙ্গে খাবার খাওয়া, গল্প করা, ঘুরতে যাওয়া কিংবা পরিবারের সদস্যদের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনার অভ্যাস গড়ে তোলা প্রয়োজন। জরুরি কাজ ছাড়া নির্দিষ্ট কিছু সময় ফোন দূরে রেখে পরিবারের জন্য সময় বরাদ্দ করলে সম্পর্কের আন্তরিকতা বজায় রাখতে সহায়ক হতে পারে। প্রযুক্তির সুবিধা গ্রহণের পাশাপাশি বাস্তব জীবনের সম্পর্কগুলোকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া জরুরি।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>পলাতক অপশক্তি দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে: মীর হেলাল </title>
		<link>https://epaper.kalerdiganta.com/11129/mir-helal-political-instability-bangladesh</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১৩]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 05 Nov 2026 16:56:25 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="true">https://epaper.kalerdiganta.com/11129/mir-helal-political-instability-bangladesh</guid>
		<description> দেশের অস্থিরতার পেছনে পলাতক অপশক্তির ভূমিকা রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেছেন, গাজীপুরসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় অস্থিরতা সৃষ্টির পেছনে পলাতক অপশক্তির ভূমিকা রয়েছে। সরকার ইতোমধ্যে তাদের চিহ্নিত করেছে। পোশাকশিল্পের অস্থিরতাকে শ্রমিক আন্দোলন হিসেবে উপস্থাপন করে কিছু গণমাধ্যম পরিস্থিতি উসকে দেওয়ার চেষ্টা করছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকালে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের জুলাই বিপ্লব হলে বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের (সিএমইউজে) যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মীর হেলাল বলেন, দেশের স্থিতিশীলতা রক্ষায় গণমাধ্যমের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। উদ্দেশ্যমূলক সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে অস্থিতিশীলতা উসকে দেওয়া হলে পুরো দেশ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমও ক্ষতির মুখে পড়বে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার প্রধান সম্পাদক ও বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী এবং বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আবদুল বাছির জামাল।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;কাদের গনি চৌধুরী বলেন, দাসত্বের সাংবাদিকতাকে মানুষ ঘৃণা করে। এ ধরনের সাংবাদিকতার কারণেই ফ্যাসিবাদী শাসন দীর্ঘায়িত হয়েছে। তিনি অপসাংবাদিকতার প্রভাব কমাতে প্রকৃত সাংবাদিকদের তালিকা তৈরিতে সরকারের উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মোহাম্মদ আবদুল বাছির জামাল বলেন, পেশাদার ও অসচ্ছল সাংবাদিকদের কল্যাণে বর্তমান সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। ৬৫ বছরের বেশি বয়সী অসচ্ছল সাংবাদিকদের জন্য মাসিক ভাতা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের অনুদান ২৫ কোটি টাকায় উন্নীত করতে অর্থ মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। অসুস্থ সাংবাদিকদের চিকিৎসায় তাৎক্ষণিক সহায়তাও দেওয়া হচ্ছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার সভাপতিত্বে সভায় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন ও চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের নেতারা বক্তব্য দেন। পরে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি ও বান্দরবানের ২০ জন অসচ্ছল ও অসুস্থ সাংবাদিকের মধ্যে সহযোগিতার চেক বিতরণ করা হয়।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>মৌখিক কুইজ ও পুরস্কার প্রদান শিশুদের পড়াশোনায় আগ্রহ বাড়াতে পারে </title>
		<link>https://epaper.kalerdiganta.com/11128/classroom-quiz-rewards-student-engagement</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১২]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 05 Nov 2026 15:41:13 +0600</pubDate>
		<category>শিক্ষা</category>
		<guid isPermaLink="true">https://epaper.kalerdiganta.com/11128/classroom-quiz-rewards-student-engagement</guid>
		<description> তবে পুরস্কারকে শেখার একমাত্র প্রেরণা হিসেবে ব্যবহার করা উচিত নয়। বরং শিশুদের মধ্যে জানার আগ্রহ, আত্মবিশ্বাস ও শেখার আনন্দ তৈরি করাকে গুরুত্ব দিতে হবে। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;শ্রেণিকক্ষে তাৎক্ষণিক মৌখিক কুইজ ও ছোট উপহার প্রদানের মাধ্যমে শিশুদের পড়াশোনায় আগ্রহ বাড়ানো যেতে পারে। পাঠদানের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের ছোট ছোট প্রশ্ন করা এবং সঠিক উত্তরের জন্য পুরস্কৃত করা তাদের শেখার প্রতি উৎসাহিত করতে পারে। এ ধরনের কার্যক্রমে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ বাড়ার পাশাপাশি শিক্ষকও তাদের শেখার অগ্রগতি যাচাইয়ের সুযোগ পান।&lt;/span&gt;
&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;পাঠের মাঝখানে কিংবা শেষে শিক্ষক সদ্য পড়ানো বিষয় থেকে সহজ ও সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন করতে পারেন। এতে শিক্ষার্থীরা নিজেদের বোঝাপড়া যাচাই করতে পারে এবং কোনো বিষয় বুঝতে অসুবিধা হলে তাৎক্ষণিকভাবে শিক্ষকের সহায়তা পায়। একই সঙ্গে প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে শ্রেণিকক্ষে একঘেয়েমি কমিয়ে পাঠদানকে আরও অংশগ্রহণমূলক করা সম্ভব।&lt;/span&gt;
&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;ছোট ছোট কুইজকে শেখা বিষয় দীর্ঘদিন মনে রাখা এবং শিক্ষার্থীদের অগ্রগতি যাচাইয়ের কার্যকর পদ্ধতি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। নিয়মিত প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের দুর্বলতা ও ভুল ধারণা শনাক্ত করাও সহজ হয়। ফলে শিক্ষক প্রয়োজন অনুযায়ী পাঠদানের পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনতে পারেন।&lt;/span&gt;
&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;অন্যদিকে, শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে ছোট উপহার কিংবা প্রশংসাসূচক বক্তব্য ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে শুধু সঠিক উত্তর দেওয়ার জন্য নয়, বরং প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার চেষ্টা, নিয়মিত অংশগ্রহণ ও আগের তুলনায় উন্নতির জন্যও শিক্ষার্থীদের প্রশংসা করা প্রয়োজন।&lt;/span&gt;
&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;তবে পুরস্কারকে শেখার একমাত্র প্রেরণা হিসেবে ব্যবহার করা উচিত নয়। বরং শিশুদের মধ্যে জানার আগ্রহ, আত্মবিশ্বাস ও শেখার আনন্দ তৈরি করাকে গুরুত্ব দিতে হবে। বয়স ও শ্রেণি উপযোগী প্রশ্ন, ইতিবাচক পরিবেশ এবং উৎসাহমূলক মূল্যায়নের সমন্বয়ে শ্রেণিকক্ষের পাঠদান আরও প্রাণবন্ত ও কার্যকর হতে পারে।&lt;/span&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>পর্যাপ্ত পানি পান না করলে বাড়তে পারে কোষ্ঠকাঠিন্যের ঝুঁকি </title>
		<link>https://epaper.kalerdiganta.com/11127/low-water-intake-constipation-risk</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১২]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 05 Nov 2026 15:30:21 +0600</pubDate>
		<category>স্বাস্থ্য</category>
		<guid isPermaLink="true">https://epaper.kalerdiganta.com/11127/low-water-intake-constipation-risk</guid>
		<description> কোষ্ঠকাঠিন্যের পেছনে শুধু পানির ঘাটতিই দায়ী নয়। খাদ্যতালিকায় আঁশের অভাব, শারীরিক পরিশ্রম কম করা এবং কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও কখনো কখনো এ সমস্যার কারণ হতে </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান না করলে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে, যা কোষ্ঠকাঠিন্যের অন্যতম কারণ। শরীরে তরলের ঘাটতি হলে মল শক্ত ও শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। ফলে মলত্যাগে অসুবিধা এবং পেট ফাঁপার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই হজমের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতে পর্যাপ্ত পানি ও অন্যান্য তরল পান করা গুরুত্বপূর্ণ।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;পর্যাপ্ত পানি ও অন্যান্য তরল পান করলে খাদ্য থেকে পাওয়া আঁশ ভালোভাবে কাজ করতে পারে। এতে মল তুলনামূলক নরম হয় এবং সহজে বের হতে সাহায্য করে। একই সঙ্গে শরীরে পানিশূন্যতা এড়াতেও পর্যাপ্ত তরল গ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ।&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;কোষ্ঠকাঠিন্যের পেছনে শুধু পানির ঘাটতিই দায়ী নয়। খাদ্যতালিকায় আঁশের অভাব, শারীরিক পরিশ্রম কম করা এবং কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও কখনো কখনো এ সমস্যার কারণ হতে পারে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;কতটুকু পানি পান করা প্রয়োজন, তা সবার জন্য এক নয়। বয়স, শারীরিক পরিশ্রম, আবহাওয়া ও স্বাস্থ্যের অবস্থার ওপর দৈনিক তরলের চাহিদা নির্ভর করে। তাই নির্দিষ্ট পরিমাণ পানি সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য নয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;





&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>সালামের জবাবে বাড়িয়ে বলা, দলিল জেনে নিন </title>
		<link>https://epaper.kalerdiganta.com/11126/salam-reply-islamic-guidelines</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১২]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 05 Nov 2026 15:20:20 +0600</pubDate>
		<category>ইসলামিক</category>
		<guid isPermaLink="true">https://epaper.kalerdiganta.com/11126/salam-reply-islamic-guidelines</guid>
		<description> সালাম এক প্রকার দুআ। আমাদের উচিত, সালামদাতার জবাবে তার জন্য বাড়িয়ে দুআ করা। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;সংগৃহীত: মাসিক আল কাউসার&amp;nbsp; &lt;/span&gt;&lt;br&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;আবু রুশায়দ&lt;/span&gt;
&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;আল্লাহ তাআলা কুরআন কারীমে ইরশাদ করেন-&lt;/span&gt;&lt;br&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;وَ اِذَا حُيِّيْتُمْ بِتَحِيَّةٍ فَحَيُّوْا بِاَحْسَنَ مِنْهَاۤ اَوْ رُدُّوْهَا&amp;nbsp; اِنَّ اللهَ كَانَ عَلٰي كُلِّ شَيْءٍ حَسِيْبًا.&lt;/span&gt;&lt;br&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;যখন কেউ তোমাদেরকে সালাম করে, তখন তোমরা (তাকে) তদপেক্ষা উত্তমরূপে সালাম দিয়ো কিংবা (অন্ততপক্ষে) সেই শব্দেই তার জবাব দিয়ো। নিশ্চয়ই আল্লাহ সবকিছুর হিসাব রাখেন। -সূরা নিসা (৪) : ৮৬&lt;/span&gt;
&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;আল্লাহ তাআলা এ আয়াতে মুসলমানদেরকে বলছেন, কেউ তোমাদেরকে সালাম দিলে তোমরা তাকে এর চেয়ে উত্তম শব্দে সালাম দিয়ো। অতএব কেউ যদি-&lt;/span&gt;
&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;السَّلَامُ عَلَيْكُمْ&lt;/span&gt;&lt;br&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;-বলে সালাম দেয়, তাহলে উত্তরদাতার জন্য উত্তম হলো-&lt;/span&gt;
&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;وَعَلَيْكُمُ السَّلَامُ وَرَحْمَةُ اللهِ&lt;/span&gt;&lt;br&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;-বলে উত্তর দেওয়া।&lt;/span&gt;
&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;সালামদাতা যদি-&lt;/span&gt;&lt;br&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;السَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ الله&lt;/span&gt;&lt;br&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;-বলে, তাহলে উত্তরে-&lt;/span&gt;
&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;وَعَلَيْكُمُ السَّلَام وَرَحْمَةُ اللهِ وَبَرَكَاتُه&lt;/span&gt;&lt;br&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;-বলা। &lt;/span&gt;
&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;তবে শব্দ না বাড়ালেও অন্তত সালামদাতা যতটুকু বলে, ততটুকু শব্দে জবাব দিতে হবে।&lt;/span&gt;
&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;আর কেউ যদি-&lt;/span&gt;&lt;br&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;السَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللهِ وَبَرَكَاتُه&lt;/span&gt;&lt;br&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;-বলে সালাম দেয়, তাহলে তার উত্তরেও বলা হবে-&lt;/span&gt;
&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;وَعَلَيْكُمُ السَّلَام وَرَحْمَةُ اللهِ وَبَرَكَاتُه.&lt;/span&gt;
&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক হাদীসে ইরশাদ করেন, আল্লাহ তাআলা হযরত আদম আলাইহিস সালামকে সৃষ্টি করার পর বললেন-&lt;/span&gt;
&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;اذْهَبْ فَسَلِّمْ عَلَى أُولَئِكَ مِنَ المَلاَئِكَةِ، فَاسْتَمِعْ مَا يُحَيُّونَكَ، تَحِيَّتُكَ وَتَحِيَّةُ ذُرِّيَّتِكَ، فَقَالَ السَّلاَمُ عَلَيْكُمْ، فَقَالُوا السَّلاَمُ عَلَيْكَ وَرَحْمَةُ اللهِ، فَزَادُوهُ وَرَحْمَةُ اللهِ.&lt;/span&gt;&lt;br&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;তুমি গিয়ে ওই ফেরেশতাদেরকে সালাম দাও, দেখো তারা তোমাকে কীভাবে অভিবাদন জানায়। সেটাই হবে তোমার ও তোমার বংশধরদের অভিবাদন-রীতি। &lt;/span&gt;
&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;তিনি গিয়ে ফেরেশতাগণকে সালাম দিলেন-&lt;/span&gt;&lt;br&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;السَّلَامُ عَلَيْكُمْ.&lt;/span&gt;
&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;তখন ফেরেশতাগণ উত্তরে বললেন-&lt;/span&gt;&lt;br&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;السَّلَامُ عَلَيْكَ وَرَحْمَةُ الله.&lt;/span&gt;
&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;তারা وَرَحْمَةُ الله বাড়িয়ে বললেন। -সহীহ বুখারী, হাদীস ৩৩২৬, ৬২২৭; সহীহ মুসলিম, হাদীস ২৮৪১; জামে তিরমিযী, হাদীস ৩৩৬৮&lt;/span&gt;
&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বিভিন্ন হাদীসে বর্ণিত আছে, তিনি সাহাবায়ে কেরামের সালামের উত্তরে وَرَحْمَةُ الله বা وَبَرَكَاتُهه পর্যন্ত বাড়িয়ে বলতেন। দ্রষ্টব্য : সহীহ মুসলিম, হাদীস ২৪৭৩; জামে তিরমিযী, হাদীস ২৮১৪&lt;/span&gt;
&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;সালাম এক প্রকার দুআ। আমাদের উচিত, সালামদাতার জবাবে তার জন্য বাড়িয়ে দুআ করা।&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;br&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>দেশজুড়ে শুষ্ক আবহাওয়া, কমতে পারে তাপমাত্রা </title>
		<link>https://epaper.kalerdiganta.com/11125/bangladesh-dry-weather-temperature-may-fall-november-2026</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৬]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 05 Nov 2026 11:54:05 +0600</pubDate>
		<category>আবহাওয়া</category>
		<guid isPermaLink="true">https://epaper.kalerdiganta.com/11125/bangladesh-dry-weather-temperature-may-fall-november-2026</guid>
		<description> দেশের ওপর থেকে বৃষ্টির প্রভাব কমে আগামী কয়েক দিন শুষ্ক আবহাওয়া থাকতে পারে। আগামী দুদিন রাত ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;দেশের ওপর থেকে বৃষ্টির প্রভাব কমে আসায় আগামী কয়েক দিন সারাদেশে প্রধানত শুষ্ক আবহাওয়া বিরাজ করতে পারে। এ সময় আগামী দুদিন রাত ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আবহাওয়াবিদ মো. আব্দুল হামিদ মিয়া জানান, অন্ধ্রপ্রদেশ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত স্থল নিম্নচাপটি দুর্বল হয়ে সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে এটি লঘুচাপ হিসেবে একই অঞ্চলে অবস্থান করছে। এর বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগরে রয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তিনি জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এ সময় রাত ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায়ও সারাদেশে আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা থাকবে। এদিন রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমলেও দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;শনিবার (৭ নভেম্বর) একই ধরনের আবহাওয়া বিরাজ করতে পারে। সারাদেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;রোববার (৯ নভেম্বর) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এ সময় রাত ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সোমবার (১০ নভেম্বর) খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দেশের অন্যান্য এলাকায় আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা থাকলেও আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এদিন সারাদেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, বর্ধিত পাঁচ দিনের মধ্যে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির প্রবণতা কমতে পারে। এ সময়ের প্রথমার্ধে তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনাও রয়েছে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>পাকিস্তান প্রস্তাব ও ফজলুল হক: লাহোর প্রস্তাবের ইতিহাসে এক নতুন অনুসন্ধান </title>
		<link>https://epaper.kalerdiganta.com/11124/pakistan-prostab-o-fazlul-haq-amalendu-de</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৬]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 05 Nov 2026 11:48:17 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="true">https://epaper.kalerdiganta.com/11124/pakistan-prostab-o-fazlul-haq-amalendu-de</guid>
		<description> অমলেন্দু দের ‘পাকিস্তান প্রস্তাব ও ফজলুল হক’ গ্রন্থে লাহোর প্রস্তাবের রচয়িতা, ফজলুল হকের রাজনৈতিক ভূমিকা, প্রজা আন্দোলন ও দ্বিজাতিতত্ত্ব নিয়ে গবেষণামূলক আলোচনা। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;পাকিস্তান প্রস্তাবকে ঘিরে শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের রাজনৈতিক ভূমিকা এবং বাংলার রাজনীতির পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা করেছেন ইতিহাসবিদ অমলেন্দু দে তাঁর &lt;em&gt;পাকিস্তান প্রস্তাব ও ফজলুল হক&lt;/em&gt; গ্রন্থে। বইটিতে ফজলুল হকের রাজনৈতিক অবস্থান, প্রজা আন্দোলনের সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততা এবং হিন্দু-মুসলিম সম্পর্ক নিয়ে তাঁর বক্তব্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;গ্রন্থের শুরুতে ফজলুল হক সম্পর্কে প্রচলিত জীবনী ও বিভিন্ন আলোচনার পরিচয় তুলে ধরে লেখক এ বিষয়ে নতুন গবেষণার প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করেছেন। দায়িত্বশীল সরকার প্রতিষ্ঠা এবং হিন্দু-মুসলিম সম্পর্ক নিয়ে ফজলুল হকের বক্তব্যের মাধ্যমে তাঁর রাজনৈতিক চিন্তাভাবনা বোঝার চেষ্টা করেছেন তিনি। পাশাপাশি প্রজা আন্দোলনের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক এবং গ্রামবাংলার সাধারণ মানুষের স্বার্থের বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;লাহোর প্রস্তাব কে রচনা করেছিলেন—এই প্রশ্নটি বইটির একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এ নিয়ে একটি পৃথক অধ্যায়ে বিভিন্ন দাবির প্রেক্ষাপট পর্যালোচনা করা হয়েছে। ফজলুল হকের চিঠির বক্তব্যের পাশাপাশি ব্যক্তিগত পত্র ও পারিবারিক নথিপত্র বিবেচনায় নিয়ে লেখক তাঁর সংশয় তুলে ধরেছেন। প্রস্তাব উত্থাপন করা এবং প্রস্তাবের খসড়া রচনা করা—দুটি বিষয়কে এখানে পৃথকভাবে বিচার করা হয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বইটির সূচিতে ফজলুল হক ও জিন্নার বিরোধ, দ্বিজাতিতত্ত্বের বিরোধিতা এবং ভারতবাসীর হাতে ক্ষমতা অর্পণের দাবির মতো বিষয় নিয়ে পৃথক অধ্যায় রয়েছে। এসব আলোচনার মধ্য দিয়ে পাকিস্তান প্রস্তাবের ইতিহাস এবং ফজলুল হকের রাজনৈতিক ভূমিকা নতুনভাবে বোঝার সুযোগ তৈরি হয়েছে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>সাংবাদিক রাজীব ঘোষকে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়ার ঘটনায় ডিআরইউ ও ক্র্যাবের উদ্বেগ </title>
		<link>https://epaper.kalerdiganta.com/11123/journalist-rajib-ghosh-dib-office-dru-crab-concern</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৬]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 05 Nov 2026 11:43:04 +0600</pubDate>
		<category>গণমাধ্যম</category>
		<guid isPermaLink="true">https://epaper.kalerdiganta.com/11123/journalist-rajib-ghosh-dib-office-dru-crab-concern</guid>
		<description> ডিবিসি নিউজের বিশেষ প্রতিনিধি রাজীব ঘোষকে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়ার ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়েছে ডিআরইউ ও ক্র্যাব। তাঁর অবস্থান স্পষ্ট করা এবং আইনগত ভিত্তি না থাকলে মুক্তি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;ডিবিসি নিউজের বিশেষ প্রতিনিধি রাজীব ঘোষকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়েছে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) ও বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (ক্র্যাব)। তাঁর অবস্থান পরিবার ও সহকর্মীদের কাছে স্পষ্ট করার পাশাপাশি আইনগত ভিত্তি না থাকলে দ্রুত মুক্তি দেওয়ার দাবি জানিয়েছে সংগঠন দুটি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বুধবার রাতে পৃথক বিবৃতিতে এ উদ্বেগ ও দাবি জানানো হয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকন ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল বিবৃতিতে বলেন, একজন সাংবাদিককে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের ঘটনায় সাংবাদিক সমাজে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর যেকোনো পদক্ষেপ প্রচলিত আইন ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে নেওয়া উচিত। কোনো সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা আইনি প্রক্রিয়ায় নিষ্পত্তি করতে হবে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ডিআরইউ নেতারা আরও বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের পেশাগত অধিকার সুরক্ষায় এ ধরনের ঘটনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি। তাঁরা রাজীব ঘোষের অবস্থান অবিলম্বে তাঁর পরিবার ও সহকর্মীদের কাছে স্পষ্ট করার এবং আইনগত ভিত্তি না থাকলে তাঁকে দ্রুত মুক্তি দেওয়ার দাবি জানান।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;অন্যদিকে, ক্র্যাব সভাপতি মির্জা মেহেদী তমাল ও সাধারণ সম্পাদক এম এম বাদশাহ্ তাঁদের বিবৃতিতে একই দাবি জানান। দাবি মানা না হলে কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন তাঁরা।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;&lt;br&gt;&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;যেভাবে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয় রাজীবকে&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এর আগে বুধবার রাজধানীর মহাখালীতে ডিবিসি নিউজ কার্যালয় এলাকা থেকে প্রতিষ্ঠানটির সাবেক চেয়ারম্যান ও ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে আটক করে ডিবি পুলিশ। তাঁকে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়ার সময় একই প্রতিষ্ঠানের বিশেষ প্রতিনিধি রাজীব ঘোষকেও সঙ্গে নেওয়া হয়। তবে রাজীবকে কী কারণে নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ইকবাল সোবহান চৌধুরী বিকেলে অফিসে যাওয়ার পর একটি অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি হয়। খবর পেয়ে পরিস্থিতি এড়াতে তাঁকে ডিবি কার্যালয়ে আনা হয়েছে। তাঁর সঙ্গে আরও একজনকে আনা হয়েছে এবং তাঁদের সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ডিবিসি নিউজের অ্যাসাইনমেন্ট সম্পাদক মুক্তাদীর অনিক প্রথম আলোকে বলেন, ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে নিয়ে যাওয়ার সময় তাঁকে ডিবির গাড়িতে দেখেছেন। অন্যদিকে, রাজীব ঘোষকে নেওয়ার সময় ডিবি সদস্যরা জানিয়েছিলেন, তাঁকে চা খাওয়ার জন্য নেওয়া হচ্ছে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>র‍্যাম কী, কীভাবে কাজ করে এবং ডিভাইসের কার্যক্ষমতায় এর ভূমিকা </title>
		<link>https://epaper.kalerdiganta.com/11122/what-is-ram-how-it-works-and-its-role-in-device-performance</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১২]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 05 Nov 2026 10:51:59 +0600</pubDate>
		<category>তথ্যপ্রযুক্তি</category>
		<guid isPermaLink="true">https://epaper.kalerdiganta.com/11122/what-is-ram-how-it-works-and-its-role-in-device-performance</guid>
		<description> তবে শুধু র‍্যামের পরিমাণ বেশি হলেই কোনো ডিভাইস দ্রুতগতির হবে, এমন নয়। প্রসেসরের ক্ষমতা, স্টোরেজের ধরন ও গতি, র‍্যামের প্রযুক্তি এবং সফটওয়্যারের কার্যকারিতাও সাম </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;কম্পিউটার ও স্মার্টফোনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হার্ডওয়্যার উপাদান হলো র‍্যাম (RAM)। এর পূর্ণরূপ -Random Access Memory। ডিভাইসে কোনো সফটওয়্যার বা অ্যাপ চালু হলে সেটির প্রয়োজনীয় তথ্য ও নির্দেশনা সাময়িকভাবে র‍্যামে রাখা হয়। এতে প্রসেসর প্রয়োজনীয় তথ্য তুলনামূলক দ্রুত ব্যবহার করতে পারে। ফলে একসঙ্গে একাধিক কাজ পরিচালনা এবং বিভিন্ন অ্যাপ ব্যবহারের ক্ষেত্রে র‍্যাম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;র‍্যামের একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এটি অস্থায়ী বা Volatile Memory। তাই গুরুত্বপূর্ণ ফাইল, ছবি, ভিডিও কিংবা ডকুমেন্ট র‍্যামে নয়, হার্ডডিস্ক বা সলিড স্টেট ড্রাইভের (SSD) মতো স্থায়ী স্টোরেজে সংরক্ষণ করতে হয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;র‍্যাম ও স্টোরেজের কাজ এক নয়। স্টোরেজে অপারেটিং সিস্টেম, সফটওয়্যার ও ব্যবহারকারীর ফাইল দীর্ঘমেয়াদে সংরক্ষিত থাকে। অন্যদিকে র‍্যাম মূলত বর্তমানে চলমান কাজের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য ধরে রাখে। স্টোরেজ থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য র‍্যামে লোড করা হয়, যাতে প্রসেসর সেগুলো দ্রুত ব্যবহার করতে পারে। সাধারণত র‍্যামের তথ্য পড়া ও লেখার গতি স্টোরেজের তুলনায় বেশি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ডিভাইসে র‍্যামের পরিমাণ পর্যাপ্ত না হলে একসঙ্গে অনেক অ্যাপ চালানো, একাধিক ব্রাউজার ট্যাব খোলা কিংবা ভারী সফটওয়্যার ব্যবহারের সময় কর্মক্ষমতা কমে যেতে পারে। এ অবস্থায় অপারেটিং সিস্টেম সাময়িকভাবে স্টোরেজের একটি অংশ মেমোরি হিসেবে ব্যবহার করতে পারে। তবে স্টোরেজ র‍্যামের তুলনায় ধীর হওয়ায় এতে ডিভাইসের কাজের গতি কমে যেতে পারে। পর্যাপ্ত র‍্যাম থাকলে এ ধরনের চাপ কমাতে সহায়তা করে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;প্রযুক্তিগতভাবে র‍্যামের প্রধান দুটি ধরন হলো SRAM (Static Random Access Memory) এবং DRAM (Dynamic Random Access Memory)। SRAM সাধারণত প্রসেসরের ক্যাশ মেমোরিতে ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে DRAM কম্পিউটার ও বিভিন্ন ডিভাইসের প্রধান মেমোরি হিসেবে বহুল ব্যবহৃত। প্রচলিত আধুনিক কম্পিউটারে DDR-ভিত্তিক DRAM প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;




&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তবে শুধু র‍্যামের পরিমাণ বেশি হলেই কোনো ডিভাইস দ্রুতগতির হবে, এমন নয়। প্রসেসরের ক্ষমতা, স্টোরেজের ধরন ও গতি, র‍্যামের প্রযুক্তি এবং সফটওয়্যারের কার্যকারিতাও সামগ্রিক পারফরম্যান্সে প্রভাব ফেলে।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>জেনারল শিক্ষার্থীদের দ্বীন শিক্ষার জন্য আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগ </title>
		<link>https://epaper.kalerdiganta.com/11121/as-sunnah-foundation-initiative-for-islamic-education-of-general-students</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১২]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 05 Nov 2026 10:21:56 +0600</pubDate>
		<category>ধর্ম</category>
		<guid isPermaLink="true">https://epaper.kalerdiganta.com/11121/as-sunnah-foundation-initiative-for-islamic-education-of-general-students</guid>
		<description> শিক্ষার্থীদের অগ্রযাত্রা প্রমাণ করল—জেনারেল শিক্ষাব্যবস্থা থেকে এসেও সঠিক দিকনির্দেশনা, নিয়মতান্ত্রিক অধ্যয়ন ও আন্তরিক প্রচেষ্টা থাকলে অল্প সময়ে আরবি ভাষা ও ইসল </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;জেনারেল শিক্ষার্থীদের জন্য আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন দ্বীনি জ্ঞান অর্জনের সুযোগ করে দিয়েছে। সম্প্রতি এক ফেইসবুক পোস্টে আস সুন্নাহ ফাউন্ডেশন থেকে জানানো হয়:&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&amp;nbsp;জেনারেল শিক্ষাব্যবস্থা থেকে আসা একদল শিক্ষার্থী। মাত্র ছয় মাসের মাথায় তারা এখন কোনো অনুবাদের সাহায্য ছাড়াই সরাসরি আরবি থেকে কুরআনের আয়াতের অর্থ ও মর্ম বুঝতে পারছেন!&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বলছি, আস-সুন্নাহ দাওয়াহ অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের দুই বছর মেয়াদি ‘ডিপ্লোমা ইন দাওয়াহ অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ’ কোর্সের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের কথা।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এপ্রিল থেকে শুরু হয়েছে তাদের সরাসরি মুসহাফ দেখে ‘তরজমাতুল কুরআন’ পাঠদান। এরই মধ্যে তারা চার পারা কুরআনের অনুবাদ&amp;nbsp; সম্পন্ন করেছেন। বছর শেষে সাত পারা সম্পন্ন করার লক্ষ্যে এগিয়ে চলছে পাঠদান।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আগামী বছর তারা বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়ার ‘শরহে বেকায়া’ জামাতের স্তরে আরও ১০ পারা কুরআনের অনুবাদ পড়বেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;অথচ তাদের কেউই আগে কোনো মাদরাসায় প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনা করেননি। সরাসরি জেনারেল শিক্ষাব্যবস্থা থেকে এসে প্রথমে তারা আমাদের ছয় মাস মেয়াদি ‘সার্টিফিকেট কোর্স ইন ইসলামিক স্টাডিজ’ সম্পন্ন করেছেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এই কোর্সে তারা আরবি ভাষার মৌলিক জ্ঞান অর্জন করেছেন। বিশেষ করে নাহু ও সরফে এমন একটি ভিত্তি তৈরি করেছেন, যা প্রচলিত কওমি মাদরাসার ‘হেদায়াতুন্নাহ’ স্তরের সমমান।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এরপর আস-সুন্নাহ দাওয়াহ অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউট তাদের জন্য সাজিয়েছে দুই বছর মেয়াদি উচ্চতর ডিপ্লোমা প্রোগ্রাম।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এর উদ্দেশ্য, আরবি ভাষা ও ইসলাাম শাস্ত্রের গভীর জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে তাদের দক্ষ দাঈ হিসেবে গড়ে তোলা। পাঠ্যক্রমে রয়েছে নাহু, সরফ, ফিকহ, হাদিসসহ ইসলামি জ্ঞানের গুরুত্বপূর্ণ সব শাখা।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;শিক্ষার্থীদের অগ্রযাত্রা প্রমাণ করল—জেনারেল শিক্ষাব্যবস্থা থেকে এসেও সঠিক দিকনির্দেশনা, নিয়মতান্ত্রিক অধ্যয়ন ও আন্তরিক প্রচেষ্টা থাকলে অল্প সময়ে আরবি ভাষা ও ইসলামি জ্ঞানের গভীরে প্রবেশ করা সম্ভব।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আমাদের ‘ডিপ্লোমা ইন দাওয়াহ অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ’ কোর্স সেই লক্ষ্যেই এগিয়ে চলছে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>দীঘিনালা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে তীব্র শিক্ষক সংকট </title>
		<link>https://epaper.kalerdiganta.com/11120/dighinala-government-high-school-teacher-crisis</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 05 Nov 2026 09:20:00 +0600</pubDate>
		<category>শিক্ষা</category>
		<guid isPermaLink="true">https://epaper.kalerdiganta.com/11120/dighinala-government-high-school-teacher-crisis</guid>
		<description> খাগড়াছড়ির দীঘিনালা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে তীব্র শিক্ষক সংকট দেখা দিয়েছে। ২১টি পদের বিপরীতে মাত্র তিনজন শিক্ষক দিয়ে চলছে প্রায় ৪৮০ জন শিক্ষার্থীর পাঠদান। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;‎খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার দীঘিনালা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট দেখা দিয়েছে। ২১টি পদের বিপরীতে বর্তমানে মাত্র একজন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও দুজন সহকারী শিক্ষক দিয়ে চলছে পাঁচটি শ্রেণির প্রায় ৪৮০ জন শিক্ষার্থীর পাঠদান কার্যক্রম।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&amp;nbsp;শিক্ষক স্বল্পতার কারণে একদিকে যেমন বিঘ্নিত হচ্ছে স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম, অন্যদিকে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার ভবিষ্যৎ নিয়ে চরম উৎকণ্ঠায় পড়েছেন অভিভাবকরা। এই পরিস্থিতিতে একসঙ্গে একাধিক শ্রেণিতে পাঠদান অব্যাহত রাখা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, শিক্ষক সংকটের কারণে দীর্ঘদিন ধরে তাদের নিয়মিত ক্লাস হচ্ছে না।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&amp;nbsp;ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী অপূর্ব বড়ুয়া বলে, “বিদ্যালয়ে পর্যাপ্ত শিক্ষক না থাকায় আমাদের নিয়মিত পড়াশোনা ব্যাহত হচ্ছে। সরকারের কাছে আমাদের দ্রুত শিক্ষক নিয়োগের জোর দাবি জানাচ্ছি।”শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে দেখা দিয়েছে তীব্র অসন্তোষ। অভিভাবক লিপি দেওয়ান বলেন, “সরকারি বিদ্যালয়ে সন্তানকে ভর্তি করিয়েও আমরা পড়াশোনার মান নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি। এই পরিস্থিতি চলতে থাকলে অভিভাবক ও এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে ক্লাস বর্জনসহ কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।”&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক অনুপ কুমার দাশ সংকটের কথা স্বীকার করে জানান, ২১টি পদের মধ্যে মাত্র দুজন সহকারী শিক্ষক ও তাঁকে দিয়ে বিদ্যালয় চালাতে হচ্ছে। প্রশাসনিক কাজের পাশাপাশি নিজে ক্লাস নিয়েও হিমশিম খেতে হচ্ছে। এত কম শিক্ষক দিয়ে প্রায় ৪৮০ জন শিক্ষার্থীর পাঠদান সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এ বিষয়ে জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সুভাষ চন্দ্র শিকদার বলেন, “বিদ্যালয়টির শিক্ষক সংকটের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শূন্য পদগুলো দ্রুত পূরণের জন্য বিষয়টি সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। আশা করি, দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>নোবিপ্রবি মেডিকেল সেন্টারে টানা চার দিন পানি সরবরাহ বন্ধ, চরম ভোগান্তিতে সেবাপ্রার্থীরা </title>
		<link>https://epaper.kalerdiganta.com/11119/nstu-medical-center-water-crisis-2026</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 05 Nov 2026 09:07:28 +0600</pubDate>
		<category>শিক্ষা</category>
		<guid isPermaLink="true">https://epaper.kalerdiganta.com/11119/nstu-medical-center-water-crisis-2026</guid>
		<description> নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মুগ্ধ মেডিকেল সেন্টারে টানা চার দিন ধরে পানি সরবরাহ বন্ধ থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সেবাপ </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) শহিদ মুগ্ধ মেডিকেল সেন্টারে টানা চার দিন ধরে পানি সরবরাহ বন্ধ থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সেবাপ্রার্থীরা। শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ জরুরি চিকিৎসায় নিয়োজিত চিকিৎসক ও নার্সরা পানির অভাবে মারাত্মক দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, তিন তলা বিশিষ্ট মেডিকেল সেন্টারটির প্রতিটি তলার ওয়াশরুম ও টয়লেটে পানির সরবরাহ সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। জরুরি প্রয়োজনেও কেউ ওয়াশরুম ব্যবহার করতে পারছেন না। চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও দায়িত্বরত কর্মীদের জন্য পানির এই সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে। এছাড়া পুরো ভবনের ওয়াশরুম ও টয়লেটগুলোর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অবস্থাও বেশ নাজুক।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মেডিকেল সেন্টারের কর্মচারীরা জানান, গত ২৯ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) রাত থেকে পানি সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তরকে জানানো হলেও সপ্তাহান্তের ছুটির কারণে প্রশাসনিক প্রক্রিয়া বিলম্বিত হয়। পরবর্তীতে রোববার প্রাতিষ্ঠানিক চিঠির মাধ্যমে জানানো হলে মেকানিক এসে নষ্ট মোটরটি মেরামতের জন্য নিয়ে যান।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;জরুরি চিকিৎসাসেবার মতো একটি স্পর্শকাতর স্থানে টানা চার দিন পানি না থাকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সেখানে কর্মরত চিকিৎসক, নার্স ও চিকিৎসাসেবা নিতে আসা শিক্ষার্থীরা। বিশেষ করে ডিউটিরত নারী চিকিৎসক ও নার্সরা সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন। এছাড়া মেডিকেল সেন্টারের পাশে অবস্থিত ‘শান্তিনিকেতন’-এর বিভিন্ন টং দোকানে মেডিকেল ভবন থেকে অবৈধভাবে পানির সংযোগ দেওয়া হয়েছে। এর ফলে প্রায়শই মেডিকেল সেন্টারে পানির সংকট দেখা দেয় বলে অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মেরামত বিলম্বিত হওয়ার কারণ জানতে চাইলে পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) শান্ত মজুমদার বলেন, ‘আমাকে গত বৃহস্পতিবার জানানোর পর আমি লোক পাঠাই। তখন তারা জানায় লাইনে কোনো সমস্যা নেই, সমস্যাটি মোটরের কয়েলে। এরপর সেটি বৈদ্যুতিক মেকানিক গিয়ে চেক করে মেরামতের জন্য নিয়ে গেছেন বলে আমি জানি।’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;একই দপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী (ইলেক্ট্রিক্যাল) মো. আবু নাসের বলেন, ‘আমাকে গতকাল জানানোর পর সাথে সাথে আমি মেকানিক দিয়ে নষ্ট মোটরটি মেরামতের জন্য পাঠিয়েছি।’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী ইঞ্জিনিয়ার মো. জামাল হোসাইন বলেন, ‘সেলিম স্যার আমাকে ফোন দিয়ে রোববার জানানোর পর ওইদিনই মোটরটি খুলে মেরামতের জন্য পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আরও আগে অবগত হলে আরও দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেত।’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এ বিষয়ে প্রধান মেডিকেল অফিসার (প্রশাসন) ড. মোহাম্মদ সেলিম হোসাইন বলেন, ‘মোটরটি মেরামতের জন্য ইতিমধ্যে পাঠানো হয়েছে। আমরা জরুরি ভিত্তিতে মোটরটি দ্রুত মেরামতের জন্য ডিপিডি দপ্তরকে বলেছি।’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;চিঠির কারণে বিলম্ব হয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এটা হতে পারে। তাদের শুক্রবারই জানানো হয়েছিল, কিন্তু তারা এসে দেখে চলে যান। ছুটির দিন হওয়ায় মোটরটি বাইরে নিয়ে যাওয়ার অফিসিয়াল কাজ করা যায়নি। গতকাল তারা মোটরটি মেরামতের জন্য নিয়ে গেছেন।’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ওয়াশরুমের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ‘মেডিকেলে মাত্র একজন ক্লিনার আছেন। তিনি নারী এবং বয়স বেশি হওয়ায় কাজও একটু কম করতে পারেন। রেজিস্ট্রার অফিসের স্টেট শাখাকে অনেকবার একজন ফুলটাইম পুরুষ ক্লিনারের কথা বলেছি, কিন্তু তারা এখনো দেয়নি এবং প্রতিবার অপারগতা প্রকাশ করেছেন।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>নোবিপ্রবিতে জমকালো আয়োজনে শুরু ‘বিটিসি ও এমআইএস ডে ২০২৬’ </title>
		<link>https://epaper.kalerdiganta.com/11118/nstu-btc-and-mis-day-2026</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 05 Nov 2026 09:00:03 +0600</pubDate>
		<category>শিক্ষা</category>
		<guid isPermaLink="true">https://epaper.kalerdiganta.com/11118/nstu-btc-and-mis-day-2026</guid>
		<description> নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমস্ বিভাগের আয়োজনে দুই দিনব্যাপী ‘বিটিসি ও এমআইএস ডে ২০২৬’ শুরু হয়েছে। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমস্ বিভাগের আয়োজনে দুই দিনব্যাপী ‘বিটিসি ও এমআইএস ডে ২০২৬&#039; এর উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর ) বর্ণাঢ্য র্যালি ও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। নোবিপ্রবি বীরশ্রেষ্ঠ শহিদ মোহাম্মদ রুহুল আমিন অডিটোরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী বলেন, ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমস্ এমন একটি সমন্বিত ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ, বিশ্লেষণ ও যথাযথ ব্যবহারের মাধ্যমে কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণ সম্ভব হয়। আধুনিক ব্যাংকিং ব্যবস্থা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসহ প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই এমআইএসের গুরুত্ব অপরিসীম। বর্তমানে শুধু তথ্য সংগ্রহ করাই যথেষ্ট নয়, বরং তথ্যকে বিশ্লেষণ করে সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা অর্জন করতে হবে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;উপাচার্য আরও বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, বিগ ডেটা, ক্লাউড কম্পিউটিং ও ডিজিটাল অটোমেশনের এই সময়ে এমআইএসের জ্ঞান নতুন নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করছে। নোবিপ্রবির এমআইএস বিভাগের শিক্ষার্থীরাও তাদের অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে দেশের ডিজিটাল রূপান্তর, ব্যবসায়িক উদ্ভাবন এবং প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থাপনা উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে আশা করছি। বক্তব্যে এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, সৃজনশীলতা ও নতুন কিছু উদ্ভাবনে উৎসাহিত করবে বলে উল্লেখ করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. হাছান উদ্দীন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমস্ (এমআইএস) বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. জিয়াউল হক। এ সময় এমআইএস সহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;অনুষ্ঠানে কি-নোট স্পিকার হিসেবে রয়েছেন হালিমা গ্রুপের চেয়ারম্যান আবুল কালাম হাসান, কুমিল্লা বার্ডের উপ-পরিচালক অসীম কুমার সরকার ও থ্রাইভিং স্কিলস লিমিটেডের ফাউন্ডার এন্ড সিইও মো. আবদুল্লাহ আল মাহমুদ। বিশ্ববিদ্যালয়ের এমআইএস নেট এর উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানের স্পন্সর হিসেবে রয়েছে হালিমা গ্রুপ।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>পার্বতীপুরে রূপসা এক্সপ্রেস ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে স্কুলশিক্ষিকার মর্মান্তিক মৃত্যু </title>
		<link>https://epaper.kalerdiganta.com/11117/parbatipur-train-accident-school-teacher-death</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 05 Nov 2026 08:49:58 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="true">https://epaper.kalerdiganta.com/11117/parbatipur-train-accident-school-teacher-death</guid>
		<description> দিনাজপুরের পার্বতীপুরে রূপসা এক্সপ্রেস ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে রুনা লায়লা (৪৭) নামের এক স্কুলশিক্ষিকার মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;দিনাজপুরের পার্বতীপুরে রূপসা এক্সপ্রেস ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে রুনা লায়লা (৪৭) নামে এক স্কুলশিক্ষিকার মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বুধবার (৪ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পার্বতীপুর রেলওয়ে স্টেশনের উত্তরে গণকবর বস্তিসংলগ্ন রহমতনগর রেলওয়ে কলোনি এলাকায় পার্বতীপুর-সৈয়দপুর রেললাইনে এ ঘটনা ঘটে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;নিহত রুনা লায়লা সৈয়দপুরের আল-ফারুক স্কুলের বাংলা বিষয়ের শিক্ষিকা ছিলেন। ঘটনার দিন সকালে তিনি যথারীতি স্কুলে গিয়ে ক্লাসও নিয়েছিলেন। তাঁর স্বামী আব্দুল আউয়াল সৈয়দপুর ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের বাংলা বিভাগের শিক্ষক।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&amp;nbsp;স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকালে তাঁকে গুলপাড়া রেলগেট এলাকায় রেললাইনের পাশে বসে থাকতে দেখা যায়। এ সময় তাঁর অস্বাভাবিক গতিবিধি লক্ষ্য করে স্থানীয় কয়েকজন তাঁকে সেখান থেকে চলে যেতে বলেন। পরে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রূপসা এক্সপ্রেস ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে তাঁর মৃত্যু হয়। তবে কী কারণে তিনি এমন মর্মান্তিক ঘটনার শিকার হয়েছেন, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। তাঁর আকস্মিক মৃত্যুতে সহকর্মী, স্বজন ও স্থানীয়দের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এ বিষয়ে পার্বতীপুর রেলওয়ে থানার (জি আরপি) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহামুদুন নবী জানান, নিহত শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>এআইভিত্তিক সাইবার নিরাপত্তা নীতিমালা প্রণয়ন করছে বাংলাদেশ ব্যাংক </title>
		<link>https://epaper.kalerdiganta.com/11116/bangladesh-bank-to-introduce-ai-based-cybersecurity-policy</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৮]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 05 Nov 2026 08:41:24 +0600</pubDate>
		<category>তথ্যপ্রযুক্তি</category>
		<guid isPermaLink="true">https://epaper.kalerdiganta.com/11116/bangladesh-bank-to-introduce-ai-based-cybersecurity-policy</guid>
		<description> দেশের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সাইবার নিরাপত্তা জোরদারে এআইভিত্তিক নতুন নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ লক্ষ্যে গঠন করা হয়েছে বিশেষজ্ঞ </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;দেশের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সাইবার নিরাপত্তা জোরদারে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ লক্ষ্যে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, নতুন নীতিমালার মাধ্যমে সাইবার হামলা শনাক্ত, তথ্য সুরক্ষা এবং প্রযুক্তিগত ঝুঁকি মোকাবিলায় আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের নির্বাহী পরিচালক মুহাম্মদ জাকির হাসান জানান, নীতিমালা প্রণয়ন শেষে তফসিলি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হবে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিজিটাল লেনদেনের বিস্তারের সঙ্গে সাইবার হামলার ঝুঁকিও বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর নিরাপত্তাব্যবস্থা গড়ে তোলা আর্থিক খাতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ফিলিস্তিনের পাশে দাঁড়াতে মুসলিম বিশ্বের প্রতি তুরস্কের আহ্বান </title>
		<link>https://epaper.kalerdiganta.com/11115/turkey-calls-muslim-world-to-stand-with-palestine</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৮]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 05 Nov 2026 08:36:36 +0600</pubDate>
		<category>ইসলামী বিশ্ব</category>
		<guid isPermaLink="true">https://epaper.kalerdiganta.com/11115/turkey-calls-muslim-world-to-stand-with-palestine</guid>
		<description> ফিলিস্তিনের জনগণের অধিকার রক্ষা ও গাজায় মানবিক সংকট মোকাবিলায় মুসলিম বিশ্বকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তুরস্কের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেভদ </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;তিনি বলেন, ফিলিস্তিনের জনগণের ওপর নিপীড়নের বিরুদ্ধে ইসলামি বিশ্বকে দৃঢ় অবস্থান নিতে হবে। বিশেষ করে গাজার মানুষের পাশে দাঁড়াতে নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী বাস্তব পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বৈঠকে ফিলিস্তিনিদের সহায়তায় ওআইসির আল-কুদস কর্মসূচির অগ্রগতিও তুলে ধরেন তুরস্কের ভাইস প্রেসিডেন্ট। তিনি জানান, চলতি বছর ফিলিস্তিনিদের সহায়তায় নতুন করে ১০টি প্রকল্প চালু করা হয়েছে। এর আগে ২৮টি প্রকল্প সম্পন্ন হয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এ ছাড়া ইসলামি দেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। ওআইসিভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে আন্তবাণিজ্যের পরিমাণ মোট বাণিজ্যের ২৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যের কথাও উল্লেখ করেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;জেভদেত ইলমাজের মতে, কূটনীতি ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে ইসলামি বিশ্বের বিভিন্ন সংকট মোকাবিলা করা সম্ভব। এজন্য সদস্য দেশগুলোর মধ্যে ঐক্য ও সমন্বয় আরও জোরদার করা প্রয়োজন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বিশ্লেষকদের মতে, ফিলিস্তিন সংকটে মুসলিম দেশগুলোর সম্মিলিত কূটনৈতিক অবস্থান, মানবিক সহায়তা এবং পুনর্গঠন কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ফুয়াদ, ট্রাইব্যুনালে হাজিরায় পেলেন সময় </title>
		<link>https://epaper.kalerdiganta.com/11114/asadzaman-fuad-tribunal-appearance-dengue</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৪]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 04 Nov 2026 21:28:50 +0600</pubDate>
		<category>আইন আদালত</category>
		<guid isPermaLink="true">https://epaper.kalerdiganta.com/11114/asadzaman-fuad-tribunal-appearance-dengue</guid>
		<description> ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ায় ট্রাইব্যুনালে হাজির হতে পারেননি এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান ফুয়াদ। পরবর্তী হাজিরার দিন ২৩ নভেম্বর। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ থাকায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে নির্ধারিত দিনে হাজির হতে পারেননি আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ। তাঁর আইনজীবীদের করা সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে আগামী ২৩ নভেম্বর পরবর্তী হাজিরার দিন ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল।&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;বুধবার (৪ নভেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ফুয়াদের পক্ষে আইনজীবী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যারিস্টার যোবায়ের আহমেদ ভূঁইয়া, ব্যারিস্টার সানী আব্দুল হক ও অ্যাডভোকেট মতিয়ার রহমান।&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;পরে ব্যারিস্টার যোবায়ের আহমেদ ভূঁইয়া জানান, ফুয়াদ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ রয়েছেন। এ কারণে নির্ধারিত দিনে আদালতে হাজির হতে না পারায় তাঁর পক্ষে সময় চাওয়া হয়। আদালত আবেদন মঞ্জুর করে ২৩ নভেম্বর পরবর্তী হাজিরার দিন নির্ধারণ করেছেন।&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;এর আগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করার অভিযোগে গত ১ নভেম্বর ফুয়াদকে তলব করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। তাঁকে ৪ নভেম্বর সশরীরে হাজির হয়ে বক্তব্যের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামীম জানিয়েছিলেন, এবি পার্টির একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় ব্যারিস্টার ফুয়াদ ট্রাইব্যুনালের বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে মন্তব্য করেন। বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি বলেন, সেখানে ‘বস্তায় বস্তায় লেনদেন হচ্ছে’।&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;প্রসিকিউটর আরও জানান, ফুয়াদের ওই বক্তব্য ট্রাইব্যুনালের নজরে আসার পর বিষয়টি স্বপ্রণোদিতভাবে আমলে নেওয়া হয়। একই সঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে সুয়োমোটো নোটিশ জারি করে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিতে ৪ নভেম্বর হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;তবে অসুস্থতার কারণে নির্ধারিত দিনে হাজির হতে না পারায় আইনজীবীর মাধ্যমে সময় চেয়েছেন এবি পার্টির এই নেতা।&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>সংবিধান নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক, সংবিধান দিবস পালনে অনীহা কেন? </title>
		<link>https://epaper.kalerdiganta.com/11113/constitution-politics-bangladesh-constitution-day</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৪]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 04 Nov 2026 21:23:20 +0600</pubDate>
		<category>সাক্ষাতকার</category>
		<guid isPermaLink="true">https://epaper.kalerdiganta.com/11113/constitution-politics-bangladesh-constitution-day</guid>
		<description> সংবিধান নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক থাকলেও সংবিধান দিবস পালনে অনীহা কেন? সাংবিধানিক সংস্কৃতি, নাগরিক অধিকার ও রাষ্ট্রীয় জবাবদিহির গুরুত্ব তুলে ধরেছেন এম এম খালেকুজ্জাম </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;বাংলাদেশের রাজনীতিতে সংবিধান নিয়ে আলোচনা ও বিতর্ক থাকলেও সংবিধান দিবস পালনে রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক পর্যায়ে প্রত্যাশিত উদ্যোগ দেখা যায় না। অথচ ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে সংবিধান গৃহীত হয়েছিল। স্বাধীনতার পর রাষ্ট্রের ভিত্তি নির্ধারণকারী এই গুরুত্বপূর্ণ দলিলের জন্য সরকারি স্বীকৃতিতে সময় লেগেছে প্রায় পাঁচ দশক। ২০২২ সালে সংবিধান গৃহীত হওয়ার ৫০তম বছরে ৪ নভেম্বর সংবিধান দিবস হিসেবে স্বীকৃতি পায়।&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এম এম খালেকুজ্জামান তাঁর এক মতামতধর্মী লেখায় বলেছেন, সংবিধানকে রাজনৈতিক দলগুলোর ক্ষমতার প্রতিযোগিতায় বৈধতা প্রতিষ্ঠার দলিল হিসেবে দেখার প্রবণতা থেকে বেরিয়ে আসা জরুরি। সংবিধান কোনো দলের সম্পত্তি নয়; এটি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার সীমা নির্ধারণ এবং নাগরিকের অধিকার সুরক্ষার মৌলিক ভিত্তি।&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;লেখকের মতে, সংবিধান থাকা আর সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনা করা এক বিষয় নয়। সাংবিধানিকতার মূল কথা হলো, সরকার ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান সংবিধানের সীমার মধ্যে থেকে কাজ করবে। নির্বাচিত সরকার কিংবা সংসদীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতাও সংবিধানের ঊর্ধ্বে নয়। ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ, নাগরিক অধিকার রক্ষা এবং সরকারের জবাবদিহি নিশ্চিত করাই সাংবিধানিক ব্যবস্থার অন্যতম উদ্দেশ্য।&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে সংবিধান প্রায়ই পারস্পরিক বৈধতা অস্বীকারের হাতিয়ার হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। ক্ষমতার পালাবদলের সঙ্গে সংবিধানের ব্যাখ্যা ও রাজনৈতিক ব্যবহারেও পরিবর্তন এসেছে। ফলে সংবিধান নাগরিকদের অভিন্ন আশ্রয় হয়ে ওঠার পরিবর্তে রাজনৈতিক বিরোধের কেন্দ্রে অবস্থান করছে।&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;এ প্রসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান দিবস পালনের উদাহরণ টেনেছেন লেখক। ২০২৬ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদ ও ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের যৌথ উদ্যোগে যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান দিবস পালিত হয়। অনুষ্ঠানে ক্ষমতার বিভাজন, আইনের শাসন এবং মৌলিক অধিকার সুরক্ষার মতো বিষয় আলোচিত হয়। লেখকের প্রশ্ন, অন্য দেশের সাংবিধানিক অভিজ্ঞতা নিয়ে এমন আয়োজন থাকলেও বাংলাদেশের সংবিধান দিবসকে জনপরিসরে প্রতিষ্ঠিত করতে একই ধরনের উদ্যোগ কেন দৃশ্যমান নয়।&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;তিনি মনে করেন, সংবিধান শুধু আইনজীবী, বিচারক বা রাজনীতিবিদদের আলোচনার বিষয় হওয়া উচিত নয়। কৃষক, শ্রমিক, শিক্ষার্থী, নারীসহ সমাজের সব শ্রেণির মানুষের জানা প্রয়োজন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, সমতা, ন্যায়বিচার ও রাষ্ট্রের কাছে জবাবদিহি চাওয়ার অধিকারের সঙ্গে সংবিধানের সম্পর্ক কী।&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;এ জন্য বিদ্যালয় ও বিশ্ববিদ্যালয়ে সংবিধান পাঠ, সংসদে বিশেষ আলোচনা, গণমাধ্যমে সহজ ভাষায় সাংবিধানিক অধিকার ব্যাখ্যা এবং স্থানীয় পর্যায়ে উন্মুক্ত সংলাপ আয়োজনের প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি।&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;লেখায় সাংবিধানিক দেশপ্রেমের ধারণার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এর মূল কথা হলো, নাগরিকের আনুগত্য কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল বা নেতার প্রতি নয়; বরং গণতান্ত্রিক নীতি, মৌলিক অধিকার ও সাংবিধানিক মূল্যবোধের প্রতি প্রতিষ্ঠিত হওয়া উচিত। সংবিধান সংশোধন বা এর কোনো বিধান নিয়ে বিতর্ক করা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার অংশ হলেও তা হতে হবে সাংবিধানিক পদ্ধতি ও নাগরিক অধিকারের প্রতি সম্মান রেখে।&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;লেখকের মতে, সংবিধান দিবসকে কেবল আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠান বা সরকারি বক্তব্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে এর প্রকৃত তাৎপর্য প্রতিষ্ঠিত হবে না। বরং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর জবাবদিহি, ক্ষমতার বিভাজন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং নাগরিক অধিকার কতটা সুরক্ষিত হচ্ছে, তা পর্যালোচনার উপলক্ষ হওয়া প্রয়োজন।&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;সংবিধানের ৭ নম্বর অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, প্রজাতন্ত্রের সব ক্ষমতার মালিক জনগণ। জনগণের পক্ষে সেই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে হবে সংবিধানের অধীন ও কর্তৃত্বে। লেখকের বক্তব্য, এই নীতির বাস্তব প্রতিফলনই হওয়া উচিত সংবিধান দিবসের প্রধান শিক্ষা। সংবিধানকে রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার হাতিয়ার না বানিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনা, নাগরিক অধিকার ও জবাবদিহির অভিন্ন ভিত্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করাই হওয়া দরকার ৪ নভেম্বরের মূল অঙ্গীকার।&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;&lt;strong&gt;সূত্র:&lt;/strong&gt; প্রথম আলো, মতামত বিভাগ। লেখক: এম এম খালেকুজ্জামান, আইনজীবী, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট।&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>অতিরিক্ত বল প্রয়োগ না করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ </title>
		<link>https://epaper.kalerdiganta.com/11112/police-excessive-force-worker-protest</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৪]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 04 Nov 2026 21:12:43 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="true">https://epaper.kalerdiganta.com/11112/police-excessive-force-worker-protest</guid>
		<description> শ্রমিক আন্দোলন ঘিরে পরিস্থিতি মোকাবিলায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অতিরিক্ত বল প্রয়োগ না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;চলমান শ্রমিক আন্দোলন ও সহিংস পরিস্থিতি মোকাবিলায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে প্রয়োজনের অতিরিক্ত বল প্রয়োগ না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে শ্রমিক আন্দোলনের নামে সহিংসতা ও অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;বুধবার (৪ নভেম্বর) সচিবালয়ে সংশোধিত সাইবার সুরক্ষা আইনের খসড়া পর্যালোচনা সংক্রান্ত সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;শ্রমিকদের চলমান আন্দোলন সম্পর্কে জানতে চাইলে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, কোথাও কোনো ঘটনা ঘটে থাকলে সেটিকে আন্দোলন, রাজনৈতিক এজেন্ডা নাকি সহিংসতা হিসেবে বিবেচনা করা হবে, তা নতুন করে সংজ্ঞায়িত করতে হবে।&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;তিনি বলেন, পোশাকশ্রমিকদের দাবি ছিল নির্ধারিত সময় অনুযায়ী নতুন করে ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণের জন্য মজুরি বোর্ড গঠন করা। সরকার আগেই এ উদ্যোগ নিয়েছিল। তবে শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধির নাম পেতে কিছুটা সময় লাগায় বোর্ড গঠনে বিলম্ব হয়। শ্রমিকপক্ষ নাম দেওয়ার পরদিনই বোর্ড গঠন করা হয়েছে এবং বুধবার বোর্ডের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রী শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে মজুরি নির্ধারণের নির্দেশনা দিয়েছেন। সরকারের লক্ষ্য রপ্তানি বৃদ্ধি, অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করা এবং কর্মসংস্থান বাড়ানো।&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;চলমান সহিংসতার বিষয়ে তিনি অভিযোগ করেন, কিছু ব্যক্তি শ্রমিক আন্দোলনের নামে অশান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করছেন। তারা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর যানবাহনে হামলা ও অগ্নিসংযোগসহ বিভিন্ন সহিংস কর্মকাণ্ডে জড়াচ্ছেন। এ ঘটনায় অতীতে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য, মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী ছিলেন, এমন কয়েকজন শিল্পমালিকের সংশ্লিষ্টতার বিষয়ও সামনে এসেছে বলে জানান তিনি। তাদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। পাশাপাশি দেশের ভেতরে ও পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে অস্থিরতা তৈরির আশঙ্কার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, যেকোনো ন্যায্য দাবি নিয়ে আলোচনা করতে সরকার প্রস্তুত। এ জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থা রয়েছে। মালিকপক্ষ ও শ্রমিক নেতাদের সঙ্গে সরকার বৈঠক করেছে। তাঁর দাবি, বর্তমান সহিংসতা শ্রমিকদের আন্দোলন নয়; বরং কেউ কেউ শ্রমিকদের ব্যবহার করে রাজনৈতিক সহিংসতা সৃষ্টির চেষ্টা করছেন।&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার ধৈর্যের পরিচয় দিচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অনেক সদস্য হামলায় গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এরপরও বাহিনীর সদস্যদের প্রয়োজনের অতিরিক্ত বল প্রয়োগ না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;শ্রমিকদের নিজ নিজ কর্মস্থলে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, শ্রমিকদের কর্মসংস্থান ও শিল্প উৎপাদন যাতে ব্যাহত না হয়, তা বিবেচনায় নিতে হবে। মজুরি বোর্ড গঠন করা হয়েছে এবং কাজ শুরু করেছে। নির্ধারিত সময়ের আগেই নতুন মজুরি ঘোষণা করতে বোর্ডকে বলা হয়েছে। আগামী ১ জানুয়ারি থেকে নতুন মজুরি কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগেই ঘোষণা করা সম্ভব হলে তা ভালো হবে।&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ইসলামি বইমেলার গুরুত্ব ও তাৎপর্য নিয়ে কিছু আলোচনা </title>
		<link>https://epaper.kalerdiganta.com/11111/discussion-about-the-importance-of-islami-book-fair</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১২]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 04 Nov 2026 19:55:09 +0600</pubDate>
		<category>ইসলামিক</category>
		<guid isPermaLink="true">https://epaper.kalerdiganta.com/11111/discussion-about-the-importance-of-islami-book-fair</guid>
		<description> সর্বোপরি নিজ নিজ অবস্থান থেকে আমাদেরকে সচেতন হতে হবে। ইসলামি বইমেলাকে মাধ্যম বানিয়ে নিজে ইসলামি জ্ঞান অর্জন করতে হবে। পাশাপাশি অন্যকেও জ্ঞান অর্জনে সাহায্য করতে </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;আরমিন ইসলাম অর্থী,&lt;/span&gt;&lt;br&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;শিক্ষার্থী&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;
&lt;span style=&quot;font-size: 18px;&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;রবিউল আউয়াল মাস জুড়ে বাইতুল মোকাররমে আয়োজিত ইসলামি বই মেলার পর্দা নেমেছে। এবারের মতো বইমেলা যদিও শেষ হয়েছে কিন্তু বইমেলার গুরুত্ব সম্পর্কে কি আমরা যথাযথ ভাবে সচেতন হতে পেরেছি? কিংবা জনসাধারণের মাঝে কি সচেতনতা সৃষ্টি করতে পেরেছি? নিজে সচেতন হওয়া কিংবা মানুষের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধি করা- উভয় কাজের জন্যই দরকারি হলো বইমেলার গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করা। তা না হলে নিজে সচেতন হওয়া এবং অন্যকে সচেতন করার পথে বাধা সৃষ্টি হয়।&lt;/span&gt;&lt;br&gt;
&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;ভালো ও উপকারি বই মানুষের জ্ঞান ভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করে তোলে। আর সেটা যদি হয় ইসলামি বই, তাহলে অজানাকে জানার, নিজের অর্জিত জ্ঞানকে পরিপক্ক করে তোলার ক্ষেত্রে এটি হতে পারে অন্যতম একটি সহায়ক মাধ্যম। প্রয়োজনীয় নানা ধরনের জ্ঞান অর্জন থেকে শুরু করে কল্পনা শক্তির বিকাশ ঘটানো- ইসলামি বই পড়ে পাওয়া সম্ভব এমন নানা উপকারিতা। বই মানুষকে সাহায্য করে জ্ঞানকে বিকশিত করতে। &lt;/span&gt;&lt;br&gt;
&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;নানা ধরনের, নানা বিষয়ের ইসলামি জ্ঞান অর্জনের এক অভিনব মাধ্যম হলো ইসলামি বইমেলা। ইসলামি বইমেলার ঐ পরিসরের মধ্যেই একজন পাঠক হাদিস, ফিকহ, আক্বিদাহ, সীরাহ, ইতিহাস সহ নানা বিষয়ের জ্ঞান অর্জন করতে পারেন। কখনো তাজবীদের বই থেকে নিজের তিলাওয়াতকে আরও উন্নত করা, কখনো হাদিসের বই থেকে নিজের জীবনে এর প্রতিফলন ঘটানো, কখনো সীরাহর বই থেকে যেন সেই প্রায় সাড়ে ১৪০০ বছর আগের সাহাবীদের জীবন যাত্রাকে নিজের জীবনে প্রতিফলিত করার চেষ্টা।&lt;/span&gt;&lt;br&gt;
&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;বই মেলায় সমাহার ঘটে নানা ধরনের ইসলামি ইতিহাসের বইয়ের। এক্ষেত্রে এক জায়গায় অনেক বই পাওয়া যায় বলে সুযোগ থাকে অনেক বই এর মাঝ থেকে যাচাই-বাছাই করে একটি বই কিনে নেয়ার। যার কারণে ভালো-মন্দ যাচাই করে নিজের পছন্দকে গুরুত্ব দিয়ে বই কেনার সুযোগ থাকে পাঠকের কাছে। &lt;/span&gt;&lt;br&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;ঘরে বসেই হাজারেরও বেশি বছর আগের ইসলামি শাসনামলে ফিরে যেতে চাইলে আমাদের প্রয়োজন ইসলামি ইতিহাসের বই। কেননা ইতিহাস সম্বলিত ইসলামি বই থেকে আমরা অবগত হতে পারি আমাদের ইসলামের স্বর্ণযুগ সম্পর্কে। খোলাফায়ে রাশেদীনের শাসনামল, নানা রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে ইসলামের বিজয়, দ্বীন প্রতিষ্ঠাসহ এমন আরও নানা বিষয়কে হৃদয় দিয়ে অবলোকন করতে ইসলামি ইতিহাসের বই হতে পারে আপনার জন্য অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি মাধ্যম। সাড়ে ১৪০০ বছর আগের সেই সোনালি ইতিহাসকে ছুঁয়ে দিতে আমাদের সাহায্য করতে পারে ইসলামি ইতিহাসের বই। এছাড়া নবি মুহাম্মাদ ﷺ এর আগে আরও যারা নবি ও রাসুল হিসেবে প্রেরিত হয়েছেন, তাদের সম্পর্কেও জানার সুযোগ তৈরি হয় ইসলামি বইমেলার মাধ্যমে।&lt;/span&gt;&lt;br&gt;
&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;মুমিন হিসেবে কুরআন মাজিদ সহিহ- শুদ্ধভাবে পড়তে পারা আমাদের জন্য বাধ্যতামূলক। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে, আমরা অনেকেই শুদ্ধভাবে কুরআন পড়তে জানি না। আর তার চেয়েও দুঃখের বিষয় হলো এই অপারগতা থেকে মুক্তির জন্য আমাদের অনেকের মধ্যেই কোনো পদক্ষেপ নেয়ারও প্রবণতা নেই। এই তাজবীদ শেখার প্রাথমিক একটি পদক্ষেপ আপনি নিতে পারেন ইসলামি বইমেলা থেকেই। বইমেলায় আপনি পেয়ে যাবেন নানা ধরনের তাজবীদের বই। যাচাই-বাছাই করে কিনলে&amp;nbsp; মাখরাজ, মাদ, গুন্নাহ সহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো আপনি পেতে পারেন শুধু একটি বইয়েই। এমনকি সেখানে আপনি এমন তাজবীদের বইও পাবেন যেখানে আলাদাভাবে চিত্রের মাধ্যমে বিভিন্ন হারফের উচ্চারণ স্থান দেখানো হয়েছে।&lt;/span&gt;&lt;br&gt;
&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;যদি আমরা অ্যারাবিকে দক্ষ হতে চাই, তাহলে &quot;এসো আরবী&amp;nbsp; শিখি&quot;র মতো বই গুলো হতে পারে আমাদের সহায়ক। কেবল এটি নয়, ইসলামি বইমেলায় আপনি পেয়ে যাবেন বেসিক থেকে শুরু করে উচ্চতর পর্যায় পর্যন্ত আরবি শেখার নানা বই। যদি আপনি আরবি শেখার খুব শুরুর দিকে থাকেন, তাহলে ইসলামি বইমেলায় প্রাথমিক পর্যায়ের যে বইগুলো পাওয়া যায়, সেগুলো হতে পারে আপনার জন্য ভালো অপশন। এভাবে অনেক বই থেকে পাঠক বাছাই করে নিজের শেখার লেভেল অনুযায়ী বই কিনতে পারেন। &lt;/span&gt;&lt;br&gt;
&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;আমরা জানি, ইসলামিক নানা গুরুত্বপূর্ণ বই রচিত হয়েছে উর্দু ভাষায়, তাই আরবির পর উর্দু ভাষায় দক্ষতা অর্জন করতে পারলে আমাদের পক্ষে সেসব বই থেকে জ্ঞান অর্জন করা সম্ভব হবে ইনশাআল্লাহ। আর উর্দু ভাষায় রচিত অনেক বই পাঠকগণ পেয়ে যাবেন ইসলামি বইমেলায়। নিজ নিজ পছন্দ অনুযায়ী পাঠকগণ এখান থেকে পছন্দ করে নিতে পারেন উর্দু ভাষায় রচিত ইসলামি ইতিহাসের বই, সাহাবিদের নিয়ে রচিত বই কিংবা আরও অন্য কোনো বিষয়ের পুস্তক।&lt;/span&gt;&lt;br&gt;
&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;কুরআনের অনুবাদ জানার জন্য আমাদের প্রয়োজন কুরআনের অনুবাদ সম্বলিত&amp;nbsp; এবং ব্যাখা সহ একটি তাফসির। বই মেলায় আপনি পেতে পারেন নানা ধরনের তাফসির বই। যারা প্রথমবারের মতো তাফসির পড়ার পরিকল্পনা করছেন তারা শুরুতে মেলা থেকে বেছে নিতে পারেন, &quot;তাফসিরে তাওযীহুল কুরআন&quot; এর মতো ছোট তাফসিরগুলো। এরপর অগ্রসর হতে পারেন &quot;তাফসিরে ইবনে কাসির&quot; এর মতো তাফসিরগুলোর দিকে যেগুলোতে রয়েছে বিস্তারিত আলোচনা। আর যারা ইতিমধ্যেই ছোট কোনো তাফসির পড়ে শেষ করেছেন, তারা শুরুতেই মেলা থেকে ক্রয় করতে পারেন বিস্তারিত কোনো তাফসির গ্রন্থ। &lt;/span&gt;&lt;br&gt;
&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;মুমিনের জীবনযাত্রাকে যথাযথভাবে সংজ্ঞায়িত করার জন্য সীরাহর কোনো বিকল্প নেই। একজন মুমিন স্বভাবতই সুন্নাহ অনুযায়ী জীবনযাপন করবে এবং এই সুন্নাহসম্মত জীবনযাপনের জন্য সীরাহর জ্ঞান অর্জন করা আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ইসলামি বইমেলায় নানা ধরনের সীরাহ বিষয়ক বইয়ের সমাহার ঘটানো হয়। কোনো বইয়ে সংক্ষিপ্তভাবে আলোচনা করা হয় নবি ﷺ এর জীবনবৃত্তান্ত আবার কোনো বইয়ে থাকে বিস্তারিত আলোচনা। এভাবেই বিক্রেতাগণ পাঠক কিংবা ক্রেতাদের জন্য আলাদা প্রকারের বই এর ব্যবস্থা রাখেন যাতে পাঠকগণ নিজ আগ্রহ অনুযায়ী বই বাছাই করে নিতে পারেন। &quot;আর রাহিকুল মাখতুম&quot; সহ বেশ কিছু সীরাতের বই বাংলাদেশের মানুষের কাছে জনপ্রিয়তা পেয়েছে।&lt;/span&gt;&lt;br&gt;
&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;নবি ﷺ এর কথা ও কাজ সম্পর্কে আমরা জানতে পারি হাদিস থেকে। নবি ﷺ এর একেকটি হাদিস যেন আমাদের দৈনন্দিন জীবনের একেকটি পাথেয়। কোন কাজটি কীভাবে করব, কীভাবে আল্লাহ তাআলাকে সন্তুষ্ট করব, কীভাবে শয়তানের ষড়যন্ত্র থেকে বেঁচে থাকব- জীবন পথে চলার এমন নানা পদক্ষেপ সম্পর্কে আমরা জানতে পারি হাদিস থেকে। কীভাবে স্বলাত আদায় করব, কুরবানির নানা বিধান, হজ্জে কখন-কীভাবে শামিল হব- ইত্যাদি নানা বিষয় নবি ﷺ এর হাদিস থেকে আমরা জানতে পারি। আর এই হাদিস গুলো সংকলিত করার মাধ্যমে আমাদের জন্য ব্যবস্থা করা হয়েছে হাদিস এর বইগুলো। ইসলামি বইমেলা থেকে আমরা এই বইগুলো সংগ্রহ করে হাদিসের জ্ঞান অর্জন করতে পারি এবং নিজেদের জ্ঞানভাণ্ডার কে সমৃদ্ধ করতে পারি। &lt;/span&gt;&lt;br&gt;
&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;কেবল বড়দের জন্য নয় কিংবা শুধুমাত্র প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিদের জন্য নয়, ইসলামি বইমেলায় শিশুদের জন্যও নানা প্রকারের বই এর ব্যবস্থা রাখা হয়। যেমন- আল্লাহকে চেনা (আক্বিদাহ), ফিকহ, হাদিস ইত্যাদি বিষয়গুলো কখনো গল্পের মাধ্যমে, কখনো ছড়ার মাধ্যমে শিশুদের সামনে উপস্থাপন করা হয়। এসব বইয়ে ব্যবহার করা হয় চমৎকার ইলাস্ট্রেশন এবং লেখাগুলোকেও রাখা হয় সহজবোধ্য। যার কারণে এসব বই শিশুদের মধ্যে পড়ার আগ্রহ তৈরি করে এবং এভাবেই শিশুরা ইসলামি জ্ঞান নিজেদের মধ্যে ধারণ করতে শুরু করে। তাই অভিভাবকদের উচিত শিশুতোষ ইসলামি বইগুলো কেনা এবং তাদের মধ্যে ইসলামি বইগুলো পড়ার প্রতি আগ্রহ তৈরি করা। ছোটবেলার এই বুনিয়াদ শিশুদের পরবর্তী জীবনের ভিত্তি গড়ে তোলার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। &lt;/span&gt;&lt;br&gt;
&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;ইসলামি বইমেলায় কেবল মুসলিমদের জন্যই বই এর ব্যবস্থা থাকে, বিষয়টি এমন নয়। বরং যারা অমুসলিম অর্থাৎ ভিন্ন ধর্মাবলম্বী তাদের জন্যও বই পাওয়া যায় ইসলামি বইমেলায়। মূলত এর উদ্দেশ্য হলো ইসলাম সম্পর্কে অমুসলিমদের জানানো এবং তাদেরকে দ্বীনের দাওয়াত দেওয়া। এছাড়া এই বইগুলো পড়ার মাধ্যমে আমরা অমুসলিম ভাই-বোনদের দাওয়াত দেওয়ার পদ্ধতি সম্পর্কেও জানতে পারি। তাই আমাদের উচিত দাওয়াহ সংক্রান্ত বইগুলো ইসলামি বইমেলা থেকে সংগ্রহ করা।&amp;nbsp; এর ফলে আমরা নিজে দাওয়াত দেওয়ার তরিকা কিংবা পথ ও পদ্ধতি সম্পর্কে যেমন জ্ঞান অর্জন করতে পারব, একই ভাবে অমুসলিম ভাইদের এসব বই উপহার দেওয়ার মাধ্যমে তাদেরকে দ্বীন ইসলাম সম্পর্কে জানানোর চেষ্টা করতে পারব।&lt;/span&gt;&lt;br&gt;
&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;ইসলামি বইমেলা থেকে সার্বিক ভাবে উপকৃত হওয়ার জন্য কেবল নিজে এর গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতন হলেই হবে না, পাশাপাশি অন্যকে সচেতন করার বিষয়েও ফিকির করতে হবে। এভাবে সকলে মিলে সচেতন হয়ে সার্বিক ভাবে, বৃহৎ পরিসরে ইসলামি বইমেলা থেকে উপকৃত হওয়া সম্ভব। তাই আমরা চেষ্টা করব বেশি বেশি ইসলামি বই কিনতে, পড়তে এমনকি অন্যকে উপহার দিতে।&lt;/span&gt;&lt;br&gt;
&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;কোনো কিছুর প্রচার-প্রসারের জন্য এর মার্কেটিং পলিসি সম্পর্কে সচেতন হওয়া প্রয়োজন। অর্থাৎ বিষয়টি সকলের কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং পরিচিত করে তোলার জন্য কিছু পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। ইসলামি বইমেলার ক্ষেত্রেও তাই। প্রচার-প্রসার সংক্রান্ত পদক্ষেপগুলো যত শক্তিশালী হবে তত এর মার্কেটিং পলিসি জোরদার হবে এবং আরও বেশি মানুষের কাছে ইসলামি বইমেলা পৌঁছে যাবে।&lt;/span&gt;&lt;br&gt;
&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot; ;=&quot;&quot;&gt;সর্বোপরি নিজ নিজ অবস্থান থেকে আমাদেরকে সচেতন হতে হবে। ইসলামি বইমেলাকে মাধ্যম বানিয়ে নিজে ইসলামি জ্ঞান অর্জন করতে হবে। পাশাপাশি অন্যকেও জ্ঞান অর্জনে সাহায্য করতে হবে।&lt;/span&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>দিনাজপুরে দুই বাড়িতে মিলল ১৯৪ বস্তা অবৈধভাবে মজুত সার </title>
		<link>https://epaper.kalerdiganta.com/11110/dinajpur-194-sacks-fertilizer-seized</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১৩]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 04 Nov 2026 16:39:18 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="true">https://epaper.kalerdiganta.com/11110/dinajpur-194-sacks-fertilizer-seized</guid>
		<description> দিনাজপুরের বোচাগঞ্জে দুই বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ১৯৪ বস্তা সার জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন। একজনকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;দিনাজপুরের বোচাগঞ্জে অবৈধভাবে মজুতের অভিযোগে দুটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ১৯৪ বস্তা সার জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ ঘটনায় বেলাল হোসেন নামে এক ব্যক্তিকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অপর অভিযুক্ত মুক্তার আলমের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করা হয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাতে উপজেলার ইশানিয়া ইউনিয়নের বর্থ ও উত্তর কৃষ্ণপুর গ্রামে এ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মারুফ হাসান।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;অভিযানে বর্থ গ্রামের মো. নুরুল হকের ছেলে মুক্তার আলমের বাড়ি থেকে ১৪০ বস্তা এবং উত্তর কৃষ্ণপুর গ্রামের মো. আবেদ আলীর ছেলে বেলাল হোসেনের বাড়ি থেকে ৫৪ বস্তা সার জব্দ করা হয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;অভিযানে বর্থ গ্রামের মো. নুরুল হকের ছেলে মুক্তার আলমের বাড়ি থেকে ১৪০ বস্তা এবং উত্তর কৃষ্ণপুর গ্রামের মো. আবেদ আলীর ছেলে বেলাল হোসেনের বাড়ি থেকে ৫৪ বস্তা সার জব্দ করা হয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;অভিযানের সময় মুক্তার আলম পালিয়ে যাওয়ায় তার বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। অন্যদিকে, বেলাল হোসেনকে ১৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। বোচাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহসান হাবীব মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মারুফ হাসান জানান, জব্দ করা সারের মধ্যে টিএসপি, ডিএপি, ইউরিয়া ও পটাশসহ বিভিন্ন ধরনের সার রয়েছে। এসব সার কৃষি বিভাগের তত্ত্বাবধানে কৃষকদের কাছে সরকারি নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করা হবে। বিক্রির অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হবে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়নে কাজ করছে বাংলাদেশ লাইভস্টক সোসাইটি </title>
		<link>https://epaper.kalerdiganta.com/11109/bangladesh-livestock-society-development</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১৩]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 04 Nov 2026 16:03:32 +0600</pubDate>
		<category>শিল্প-সাহিত্য</category>
		<guid isPermaLink="true">https://epaper.kalerdiganta.com/11109/bangladesh-livestock-society-development</guid>
		<description> প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়ন, খামারি প্রশিক্ষণ, নিরাপদ খাদ্য ও গবেষণায় কাজ করছে বাংলাদেশ লাইভস্টক সোসাইটি (BLS)। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;২০২৪-২৫ অর্থবছরের তথ্য অনুযায়ী, দেশের জিডিপিতে প্রাণিসম্পদ খাতের অবদান ১ দশমিক ৮১ শতাংশ এবং কৃষিজ জিডিপিতে অবদান ১৬ দশমিক ৫৪ শতাংশ। এ সময়ে খাতটির প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৩ দশমিক ১৯ শতাংশ। একই অর্থবছরে দেশে দুধ উৎপাদন হয়েছে ১৫৫ দশমিক ৩৮ লাখ মেট্রিক টন, মাংস ৮৯ দশমিক ৫৪ লাখ মেট্রিক টন এবং ডিম উৎপাদন হয়েছে প্রায় ২ হাজার ৪৪০ কোটি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়নে অবদান রাখা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা দিতে ২০১২ সাল থেকে এ পর্যন্ত পাঁচটি BLS অ্যাওয়ার্ড, সেমিনার ও লাইভস্টক-পোল্ট্রি মেলার আয়োজন করা হয়েছে। আগামী ১৪ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে ষষ্ঠবারের মতো এ আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এ ছাড়া বিশ্ব ভেটেরিনারি দিবস, বিশ্ব ডিম দিবস, প্রাণিসম্পদ সেবা সপ্তাহ ও ওয়ান হেলথ ডেসহ বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস পালন করে আসছে সংগঠনটি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;দীর্ঘমেয়াদি কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে একটি স্থায়ী কার্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছে BLS। এ লক্ষ্যে প্রায় ২ কোটি ৫০ লাখ টাকার তহবিল গঠনের পরিকল্পনা রয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সংগঠনটির লক্ষ্য, খামারি, ভোক্তা, গবেষক, চিকিৎসক, ব্যবসায়ী ও নীতিনির্ধারকদের সম্মিলিত অংশগ্রহণের মাধ্যমে প্রাণিসম্পদ খাতের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা। এ জন্য সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসহ সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা প্রত্যাশা করছে বাংলাদেশ লাইভস্টক সোসাইটি।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>শ্রমিক আন্দোলনে বিশৃঙ্খলা হলে কঠোর হুঁশিয়ারি আজাদের </title>
		<link>https://epaper.kalerdiganta.com/11108/nazrul-islam-azad-garment-workers-warning</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১৩]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 04 Nov 2026 15:56:56 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="true">https://epaper.kalerdiganta.com/11108/nazrul-islam-azad-garment-workers-warning</guid>
		<description> শ্রমিকদের ব্যবহার করে নারায়ণগঞ্জে বিশৃঙ্খলা ও রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা হলে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন নজরুল ইসলাম আজাদ। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;নারায়ণগঞ্জে গার্মেন্টস শ্রমিকদের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে কেউ রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করলে তা রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিএনপির ঢাকা বিভাগের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম আজাদ। তিনি শ্রমিকদের অধিকার নিয়ে রাজনীতি না করার আহ্বান জানিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার অনুরোধ করেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে গার্মেন্টস শ্রমিকদের সর্বনিম্ন বেতন ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে চলমান অবরোধ প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়ে জেলার বিভিন্ন গার্মেন্টস ও শিল্পপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;নজরুল ইসলাম আজাদ বলেন, কেউ রাজনৈতিকভাবে পরিস্থিতি ঘোলাটে করতে চাইলে রাজনৈতিকভাবেই তার মোকাবিলা করা হবে। তবে শ্রমিকদের ভাগ্য ও অধিকার নিয়ে কাউকে খেলতে দেওয়া হবে না।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;নারায়ণগঞ্জের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন, শ্রমিকরা রাজপথে না নেমে কারখানায় কাজ করে সুশৃঙ্খল আচরণের পরিচয় দিয়েছেন। এতে মালিক-শ্রমিক উভয় পক্ষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে এবং জেলার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রায়হান কবির, পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান এবং বিএনপির নেতাকর্মীদের ভূমিকার প্রশংসা করেন তিনি। পাশাপাশি যারা অন্তর্ঘাতমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ও রাজনৈতিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মজুরি প্রসঙ্গে নজরুল ইসলাম আজাদ বলেন, গার্মেন্টস খাতে বিভিন্ন পদ ও যোগ্যতা অনুযায়ী শ্রমিকদের বেতন ৪০ থেকে ৪৫ হাজার টাকা পর্যন্ত রয়েছে বলে আলোচনায় উঠে এসেছে। শ্রমিকদের দক্ষতা, যোগ্যতা ও কাজের ধরন বিবেচনায় যথাযথ মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এ সময় নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, শিল্পপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং জেলা ও মহানগর বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা নিবন্ধনে লাগবে ৫ ধরনের কাগজপত্র </title>
		<link>https://epaper.kalerdiganta.com/11107/documents-required-for-battery-run-autorickshaw-registration</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১৮]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 04 Nov 2026 15:10:09 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="true">https://epaper.kalerdiganta.com/11107/documents-required-for-battery-run-autorickshaw-registration</guid>
		<description> ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা নিবন্ধনে পাঁচ ধরনের কাগজপত্র জমা দিতে হবে। প্রয়োজনীয় নথির তালিকা প্রকাশ করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার বিশৃঙ্খল চলাচল নিয়ন্ত্রণ ও সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নিবন্ধন প্রক্রিয়া চালু করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। এ কার্যক্রমের আওতায় অটোরিকশা নিবন্ধন করতে আবেদনকারীদের নির্ধারিত পাঁচটি কাগজপত্র জমা দিতে হবে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সম্প্রতি ডিএসসিসির প্রকাশিত একটি সচেতনতামূলক পোস্টারে নিবন্ধনের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের তালিকা তুলে ধরা হয়েছে। সেগুলো হলো—&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;1. আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) সত্যায়িত অনুলিপি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;2. সদ্য তোলা দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;3. নির্ধারিত ফি জমার মূল রসিদ বা ব্যাংক ডিপোজিট স্লিপ।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;4. নির্ধারিত ছকে প্রস্তুত করা ফিটনেস সার্টিফিকেট।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;5. বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) নির্ধারিত প্রযুক্তিগত ও নিরাপত্তা মানদণ্ড অনুযায়ী টেকনিক্যাল ক্লিয়ারেন্স।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ডিএসসিসি সূত্রে জানা গেছে, নিবন্ধন ছাড়া কোনো ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় চলাচল করতে পারবে না। নিবন্ধিত প্রতিটি অটোরিকশার জন্য আলাদা নম্বর বরাদ্দ করা হবে। এর মাধ্যমে যানবাহন শনাক্ত করা সহজ হবে এবং সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি যাত্রীদের নিরাপত্তা বাড়বে বলে আশা করছে সংস্থাটি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;নিবন্ধন প্রক্রিয়া ও প্রয়োজনীয় শর্ত সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সংশ্লিষ্ট বিভাগ বা ওয়েবসাইট থেকে জানা যাবে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাংলাদেশি জাহাজ চলাচলে ইরানের সহযোগিতার আশ্বাস </title>
		<link>https://epaper.kalerdiganta.com/11106/iran-to-assist-bangladeshi-ships-in-hormuz-strait</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১৮]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 04 Nov 2026 15:03:58 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="true">https://epaper.kalerdiganta.com/11106/iran-to-assist-bangladeshi-ships-in-hormuz-strait</guid>
		<description> হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী বাংলাদেশি পতাকাবাহী বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপদ পারাপারে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন ইরানের রাষ্ট্রদূত জালিল রাহিমি। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাংলাদেশি জাহাজের নিরাপদ চলাচলে সহযোগিতা করার আশ্বাস দিয়েছে ইরান। বন্ধুত্বের নিদর্শন হিসেবে আগাম সমন্বয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশি পতাকাবাহী বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে নিরাপদে পারাপারে সব ধরনের সহায়তা করা হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত জালিল রাহিমি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) ঢাকায় ইরান দূতাবাসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ আশ্বাস দেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;রাষ্ট্রদূত বলেন, হরমুজ প্রণালিতে সাম্প্রতিক হামলার ঘটনাগুলোর সঙ্গে ইরানের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। বাংলাদেশসহ কোনো দেশের জ্বালানি পরিবহনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইরান সরাসরি ভূমিকা রাখতে পারে না। তবে বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের অংশ হিসেবে প্রণালিটি দিয়ে চলাচলকারী বাংলাদেশি জাহাজগুলোকে সহযোগিতা করা হবে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বাংলাদেশের জনগণকে মুসলিম ভাই-বোন হিসেবে উল্লেখ করে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ইস্যুতে ইরানের প্রতি সমর্থন জানানোর জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন জালিল রাহিমি। তিনি বলেন, লোহিত সাগর ও হরমুজ প্রণালির উত্তেজনার কারণে সৃষ্ট অর্থনৈতিক চাপ এবং মূল্যবৃদ্ধির জন্য যুক্তরাষ্ট্র দায়ী। ইরান ইস্যুতে বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের অবস্থানেও সন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সমঝোতার সম্ভাবনা প্রসঙ্গে রাষ্ট্রদূত বলেন, ইরানের কাছে এ ধরনের সমঝোতার অর্থ আত্মসমর্পণ, যা দেশটি মেনে নেবে না। যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েল হামলা চালালে পূর্ণ শক্তিতে তা মোকাবিলায় ইরান প্রস্তুত। তবে তেহরান নিজে থেকে কোনো যুদ্ধ বা সংঘাত শুরু করতে চায় না।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তিনি আরও বলেন, আত্মরক্ষার সক্ষমতা বাড়াতে ইরান নতুন ড্রোন তৈরি করেছে এবং যেকোনো আক্রমণ প্রতিহত করার প্রস্তুতি রয়েছে। তবে ইরান যুদ্ধের পরিবর্তে শিল্প, সংস্কৃতি ও মানবতায় বিশ্বাসী।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মধ্যপ্রাচ্যের আরব দেশগুলোর সঙ্গে ইরানের বিরোধ নেই বলেও দাবি করেন রাষ্ট্রদূত। তাঁর ভাষ্য, আরব দেশগুলোতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি থেকে ইরানের ওপর হামলা না হলে দেশটি কোনো আরব রাষ্ট্রে আক্রমণ করবে না। পবিত্র মক্কা ও মদিনাকে ইরানের ‘রেড লাইন’ উল্লেখ করে তিনি পশ্চিমা হস্তক্ষেপ ছাড়াই আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ‘মক্কা চুক্তি’ গঠনের প্রস্তাব দেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের সঙ্গে সৌদি আরবের সংঘাতের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে জালিল রাহিমি বলেন, এ বিরোধ ইরানের ইসলামি বিপ্লবেরও আগের। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরোধিতার কারণে ইয়েমেনের হুথি, ফিলিস্তিনের হামাস, লেবাননের হিজবুল্লাহ এবং ইরাকের হাশদ আল-শাবির প্রতি ইরানের রাজনৈতিক ও আধ্যাত্মিক সমর্থন রয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;শিয়া-সুন্নি বিভাজনের বিষয়টি নাকচ করে রাষ্ট্রদূত বলেন, ইরান সমর্থনের ক্ষেত্রে কোনো গোষ্ঠীর ধর্মীয় পরিচয়কে প্রাধান্য দেয় না। সুন্নি সংগঠন হামাসকেও দেশটি সমর্থন করছে। একইভাবে মিয়ানমারের রোহিঙ্গা মুসলিমরা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে অবস্থান নিলে তাদেরও সমর্থন দিতে ইরান প্রস্তুত বলে জানান তিনি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দল পরাজিত হলেও ইরান বিষয়ে দেশটির নীতিতে পরিবর্তন আসবে না বলে মনে করেন জালিল রাহিমি। তাঁর মতে, নির্বাচনের ফলাফল যা-ই হোক, ইরানকে ঘিরে ওয়াশিংটনের অবস্থান অপরিবর্তিত থাকবে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে গাজীপুরে পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ </title>
		<link>https://epaper.kalerdiganta.com/11105/gazipur-garments-worker-protest-nov-2026</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 04 Nov 2026 12:42:00 +0600</pubDate>
		<category>চাকুরী</category>
		<guid isPermaLink="true">https://epaper.kalerdiganta.com/11105/gazipur-garments-worker-protest-nov-2026</guid>
		<description> ন্যূনতম বেতন বৃদ্ধির দাবিতে গাজীপুরের বড়বাড়ী এলাকায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন পোশাক শ্রমিকরা। এ সময় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;গাজীপুরের ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের সাইনবোর্ড এলাকায় পোশাক শ্রমিকরা বিক্ষোভ শুরু করলে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বুধবার (৪ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টা থেকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক আন্দোলনকারীদের বিক্ষোভে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;গাজীপুর শিল্প পুলিশের পুলিশ সুপার আমজাদ হোসেন বলেন, সাইনবোর্ড এলাকায় শ্রমিকরা সড়ক অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন। এ সময় আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাদেরকে ছত্রভঙ্গ করে দিয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বেতন বৃদ্ধির দাবিতে গত কয়েকদিন যাবৎ গাজীপুরের বিভিন্ন শিল্প এলাকার শ্রমিকরা বিক্ষোভ, অবরোধ, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে আসছিল।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এসব ঘটনায় পুলিশ ও সাংবাদিকসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে। এছাড়া গতকাল পুলিশের গাড়িসহ বিভিন্ন যানবাহন ও কারখানার গুদামে অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটেছে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সে দুই পদে নিয়োগ, আবেদন করবেন যেভাবে </title>
		<link>https://epaper.kalerdiganta.com/11104/us-bangla-airlines-job-circular-two-engineering-posts-2026</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৬]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 04 Nov 2026 12:31:54 +0600</pubDate>
		<category>চাকুরী</category>
		<guid isPermaLink="true">https://epaper.kalerdiganta.com/11104/us-bangla-airlines-job-circular-two-engineering-posts-2026</guid>
		<description> ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে CAMO Engineer পদে দুই জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি। ঢাকায় কর্মস্থল। অনলাইনে আবেদন করা যাবে ১৪ নভেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে দুটি পদে জনবল নিয়োগ দেবে বেসরকারি এয়ারলাইন্স ইউএস-বাংলা। এ জন্য ঢাকাভিত্তিক ইঞ্জিনিয়ারিং টিমে CAMO Engineer (Technical Services) এবং CAMO Engineer (Planning Services &amp;amp; Technical Records) পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;নিয়োগপ্রাপ্তদের উড়োজাহাজের অপারেশনাল নিরাপত্তা ও ফ্লিট অ্যাভেইলিবিলিটি নিশ্চিত করার দায়িত্ব পালন করতে হবে। এ ক্ষেত্রে প্রার্থীদের ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে দক্ষতা, নিয়ন্ত্রক সংস্থার বিধিবিধান সম্পর্কে জ্ঞান এবং উড়োজাহাজের রক্ষণাবেক্ষণসংক্রান্ত তথ্য ব্যবস্থাপনায় পারদর্শিতা থাকতে হবে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;দুটি পদেরই কর্মস্থল ঢাকা। আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী &lt;strong&gt;১৪ নভেম্বর ২০২৬&lt;/strong&gt; পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;পদ ও আবেদন লিংক&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;১. CAMO Engineer (Technical Services)&lt;/strong&gt;&lt;br&gt;আবেদন লিংক: &lt;a href=&quot;https://job-portal.usbair.com/jobs/15/apply&quot;&gt;https://job-portal.usbair.com/jobs/15/apply&lt;/a&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;২. CAMO Engineer (Planning Services &amp;amp; Technical Records)&lt;/strong&gt;&lt;br&gt;আবেদন লিংক: &lt;a href=&quot;https://job-portal.usbair.com/jobs/14/apply&quot;&gt;https://job-portal.usbair.com/jobs/14/apply&lt;/a&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;&lt;br&gt;&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;আবেদন করবেন যেভাবে&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আগ্রহী প্রার্থীদের সংশ্লিষ্ট পদের জন্য নির্ধারিত লিংকে প্রবেশ করে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় ১৪ নভেম্বর ২০২৬।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;&lt;br&gt;&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;কর্মস্থল:&lt;/strong&gt; ঢাকা&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>তারেক-শি সমঝোতা বাস্তবায়নে ঢাকায় চীনা কমিউনিস্ট পার্টির মন্ত্রী </title>
		<link>https://epaper.kalerdiganta.com/11103/china-communist-party-minister-liu-haixing-dhaka-visit</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৬]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 04 Nov 2026 12:30:15 +0600</pubDate>
		<category>কূটনীতি</category>
		<guid isPermaLink="true">https://epaper.kalerdiganta.com/11103/china-communist-party-minister-liu-haixing-dhaka-visit</guid>
		<description> প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের বৈঠকের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারে ঢাকায় এসেছেন চীনা কমিউনিস্ট পার্টির মন্ত্র </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের বৈঠকে নেওয়া সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন এবং দুই দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে ঢাকায় এসেছেন চীনের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইসিং।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মঙ্গলবার রাতে ঢাকায় পৌঁছান তিনি। তিন দিনের এ সফরে বিএনপি ও সরকারের সঙ্গে চীনের রাজনৈতিক যোগাযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রযুক্তি হস্তান্তর, শিল্পায়ন ও জ্বালানি সহযোগিতার বিষয়গুলো গুরুত্ব পেতে পারে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বুধবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে লিউ হাইসিংয়ের সাক্ষাতের কথা রয়েছে। একই দিন দুপুরে রাজধানীর একটি হোটেলে চীন-বাংলাদেশ রাজনৈতিক সহযোগিতা নিয়ে আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকে বক্তব্য দেবেন তিনি। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ–চায়না সেন্টার ফর পার্টি অ্যান্ড স্টেট গভর্ন্যান্স স্টাডিজের উদ্বোধনও করবেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সফরের শুরুতে সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিস্থল পরিদর্শন করে তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর কর্মসূচি রয়েছে চীনা মন্ত্রীর।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;সমঝোতা বাস্তবায়নে গুরুত্ব&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;কূটনৈতিক সূত্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী, গত জুনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের পর দেশটি থেকে ঢাকায় আসা প্রথম জ্যেষ্ঠ রাজনৈতিক নেতা লিউ হাইসিং। ওই সফরে দুই দেশের মধ্যে একাধিক চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হয়। এর মধ্যে বিএনপি ও চীনের কমিউনিস্ট পার্টির মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর সমঝোতা স্মারকও ছিল।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এ কারণে এবারের সফরে ওই সমঝোতা বাস্তবায়ন, দুই দলের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ এবং রাজনৈতিক পর্যায়ে সহযোগিতার কাঠামো গড়ে তোলার বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে বলে মনে করছেন কূটনৈতিক সূত্রগুলো।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>তিন বিভাগে হালকা বৃষ্টির আভাস </title>
		<link>https://epaper.kalerdiganta.com/11102/light-rain-forecast-three-divisions-november-2026</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৬]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 04 Nov 2026 12:28:38 +0600</pubDate>
		<category>আবহাওয়া</category>
		<guid isPermaLink="true">https://epaper.kalerdiganta.com/11102/light-rain-forecast-three-divisions-november-2026</guid>
		<description> ঘূর্ণিঝড় মুরাসুর প্রভাবে সৃষ্ট স্থল নিম্নচাপের কারণে রাজশাহী, ঢাকা ও খুলনা বিভাগের কিছু এলাকায় হালকা বৃষ্টি হতে পারে। জেনে নিন আগামী পাঁচ দিনের আবহাওয়ার পূর্বাভ </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’র প্রভাবে সৃষ্ট স্থল নিম্নচাপের কারণে দেশের রাজশাহী, ঢাকা ও খুলনা বিভাগের কিছু এলাকায় হালকা বৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া আগামী কয়েক দিনে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত কমার সম্ভাবনা রয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বুধবার (৪ নভেম্বর) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আবহাওয়াবিদ খো. হাফিজুর রহমান জানান, দক্ষিণ অন্ধ্রপ্রদেশ ও তৎসংলগ্ন উপকূলীয় এলাকায় অবস্থানরত প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’ উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে অন্ধ্রপ্রদেশ ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় স্থল নিম্নচাপ হিসেবে অবস্থান করছে। এটি আরও উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ক্রমে দুর্বল হয়ে যেতে পারে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;আজকের আবহাওয়ার পূর্বাভাস&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বুধবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রাজশাহী, ঢাকা ও খুলনা বিভাগের দু-এক জায়গায় হালকা বৃষ্টি হতে পারে। দেশের অন্যত্র আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এ সময় সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে। দিনের তাপমাত্রাও সামান্য কমতে পারে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;আগামী কয়েক দিনের পূর্বাভাস&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;৫ নভেম্বর, বৃহস্পতিবার:&lt;/strong&gt; সারাদেশে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে, দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;৬ নভেম্বর, শুক্রবার:&lt;/strong&gt; আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। সারাদেশে আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে, দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;৭ নভেম্বর, শনিবার:&lt;/strong&gt; সারাদেশে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। রাত ও দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকার পূর্বাভাস রয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;৮ নভেম্বর, রোববার:&lt;/strong&gt; চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। দেশের অন্যত্র আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে, দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বর্ধিত পাঁচ দিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা থাকার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

</channel>
</rss>