রমজানের শুরুতেই ফলের দাম ঊর্ধ্বমুখী, কেজিতে বেড়েছে ২০–৬০ টাকা
- আপলোড সময় : ১৮-০২-২০২৬ ০৪:১৩:৪৩ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ১৮-০২-২০২৬ ০৪:১৩:৪৩ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ২৫০ বার পঠিত
রোজার আগেই ফলের বাজারে লাগামছাড়া দাম বৃদ্ধি। ছবি: সংগৃহীত
পবিত্র রমজান মাসের শুরুতেই রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে দেশি ও আমদানি করা ফলের দামে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি দেখা গেছে। আপেল ও মাল্টার মতো আমদানিনির্ভর ফলের কেজিপ্রতি ৪০–৬০ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়েছে, আর কলা ও বরইয়ের মতো দেশি ফলেও ২০–৫০ টাকার বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বিভিন্ন খুচরা বাজার ঘুরে দেখা যায়, দেশি কলা প্রতি ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকায়, যা কয়েক দিন আগেও ছিল ১২০ টাকা। সাগর ও সাবরি কলা ১৫০–১৬০ টাকায় এবং বাংলা কলা ১০০–১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
রমজান শুরুর আগে বাজারে তরমুজের দাম কেজিপ্রতি ৭০–৯০ টাকা, পেয়ারা ১০০–১৫০ টাকা, আনারস ৪০–৬০ টাকা এবং মৌসুমি বরই ১২০–২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশি পেঁপের দামও বেড়ে কেজিপ্রতি ৮০–১০০ টাকায় দাঁড়িয়েছে। ব্যবসায়ীরা জানান, গত দুই থেকে তিন দিনের ব্যবধানে এসব দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।
আমদানিকৃত ফলের মধ্যে খেজুর, মাল্টা ও আপেলের চাহিদা রমজানে বেশি থাকে। বর্তমানে মাল্টা কেজিপ্রতি ৩২০–৩৬০ টাকা এবং আপেল ৩৬০–৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বিক্রেতাদের দাবি, রমজানকে কেন্দ্র করে চাহিদা হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় এবং সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে সরবরাহে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে। পাশাপাশি পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধিও মূল্যবৃদ্ধির পেছনে ভূমিকা রাখছে বলে তারা উল্লেখ করেন। রাজধানীর রামপুরা এলাকার এক বিক্রেতা বলেন, পাইকারি বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ না থাকায় বেশি দামে ফল কিনতে হচ্ছে, যা খুচরা বাজারে প্রভাব ফেলছে।
অন্যদিকে ক্রেতাদের অভিযোগ, রমজান এলেই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মতো ফলের দামও বাড়ে। মহিউদ্দিন চৌধুরী নামে এক ক্রেতা বলেন, বাজারে কার্যকর নজরদারি না থাকায় প্রতিবছর একই পরিস্থিতি তৈরি হয়।
সার্বিকভাবে, রমজান শুরুর আগেই ফলের বাজারে মূল্যবৃদ্ধি ভোক্তাদের উদ্বেগ বাড়িয়েছে। বাজার নিয়ন্ত্রণ ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর তদারকি প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।