অবৈধ অভিবাসন ঠেকাতে কঠোর সরকার, বাতিল ৪৯ রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স
বৈধ পথে কর্মী পাঠাতে জনসচেতনতা বাড়াতে গোলটেবিল বৈঠকের উদ্যোগ
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ২৯-০৯-২০২৬ ০৮:০৬:১৩ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ৩০-০৯-২০২৬ ০৭:২৬:০৬ অপরাহ্ন
- ১ মিনিট পড়ার সময়
- ১০৬ বার পঠিত
ছবি সংগৃহিত
অবৈধ অভিবাসন বন্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার কথা জানিয়েছেন প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। তিনি বলেছেন, সরকার বৈধ উপায়ে কর্মী বিদেশে পাঠাতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়াতে অভিবাসনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, সংস্থা ও সাংবাদিকদের নিয়ে শিগগির গোলটেবিল বৈঠক আয়োজন করা হবে। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূত ও হেড অব ডেলিগেশন মাইকেল মিলারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে এসব কথা বলেন মন্ত্রী। তিনি জানান, অবৈধ অভিবাসনসহ বিভিন্ন অপরাধ ও অনিয়মে জড়িত ৪৯টি রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স ইতিমধ্যে বাতিল করা হয়েছে।
কয়েকটি এজেন্সির কার্যালয় সিলগালা করা হয়েছে এবং আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সাক্ষাতে ইইউ রাষ্ট্রদূত আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশ থেকে ১ কোটি কর্মী বিদেশে পাঠানোর সরকারের লক্ষ্যের বিষয়ে জানতে চান। পাশাপাশি বিপুলসংখ্যক কর্মী পাঠানো রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স প্রদান ও নিয়ন্ত্রণ প্রক্রিয়া সম্পর্কেও বিস্তারিত জানতে চান তিনি।
মাইকেল মিলার ইথিক্যাল মাইগ্রেশন, বৈধ অভিবাসন উৎসাহিত করা এবং উচ্চ ব্যয়ে বিদেশ যাওয়ার প্রবণতা কমাতে বাংলাদেশের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। বাংলাদেশি কর্মীরা যাতে বৈধ পথে ইউরোপে যেতে পারেন, সে লক্ষ্যে ‘ট্যালেন্ট পার্টনারশিপ’ ও বৈধ অভিবাসন নিশ্চিতে ইইউ কাজ করবে বলেও জানান তিনি। এ ছাড়া বাংলাদেশে ‘ইউরোপিয়ান ট্রেনিং ফাউন্ডেশন’ আনয়ন এবং বিদেশফেরত কর্মীদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক পুনর্বাসনে ইইউর সহযোগিতা অব্যাহত রাখার কথা জানান রাষ্ট্রদূত।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১৩
কয়েকটি এজেন্সির কার্যালয় সিলগালা করা হয়েছে এবং আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সাক্ষাতে ইইউ রাষ্ট্রদূত আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশ থেকে ১ কোটি কর্মী বিদেশে পাঠানোর সরকারের লক্ষ্যের বিষয়ে জানতে চান। পাশাপাশি বিপুলসংখ্যক কর্মী পাঠানো রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স প্রদান ও নিয়ন্ত্রণ প্রক্রিয়া সম্পর্কেও বিস্তারিত জানতে চান তিনি।
মাইকেল মিলার ইথিক্যাল মাইগ্রেশন, বৈধ অভিবাসন উৎসাহিত করা এবং উচ্চ ব্যয়ে বিদেশ যাওয়ার প্রবণতা কমাতে বাংলাদেশের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। বাংলাদেশি কর্মীরা যাতে বৈধ পথে ইউরোপে যেতে পারেন, সে লক্ষ্যে ‘ট্যালেন্ট পার্টনারশিপ’ ও বৈধ অভিবাসন নিশ্চিতে ইইউ কাজ করবে বলেও জানান তিনি। এ ছাড়া বাংলাদেশে ‘ইউরোপিয়ান ট্রেনিং ফাউন্ডেশন’ আনয়ন এবং বিদেশফেরত কর্মীদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক পুনর্বাসনে ইইউর সহযোগিতা অব্যাহত রাখার কথা জানান রাষ্ট্রদূত।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।