চীনা জাহাজকে হটাতে কোস্টগার্ড জাহাজ ও বিমান মোতায়েন ফিলিপাইনের
তাইওয়ানের কাছাকাছি ফিলিপাইনের বাতানেস প্রদেশে অননুমোদিতভাবে অবস্থান করা একটি চীনা গবেষণা জাহাজকে হটাতে নিজেদের সবচেয়ে বড় কোস্টগার্ড জাহাজ ও বিমান পাঠিয়েছে ম্যানিলা।
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ০১-১০-২০২৬ ০৫:১৩:২৭ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ০১-১০-২০২৬ ০৫:১৩:২৭ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৭৮ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
তাইওয়ানের কাছাকাছি ফিলিপাইনের উত্তরাঞ্চলীয় বাতানেস প্রদেশের জলসীমায় অবস্থান নেয়া একটি চীনা গবেষণা জাহাজকে তাড়াতে নিজেদের সবচেয়ে বড় কোস্টগার্ড জাহাজ ও একটি উড়োজাহাজ মোতায়েন করেছে ম্যানিলা।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২
বৃহস্পতিবার (০১ অক্টোবর) ফিলিপাইনের কোস্টগার্ড জানিয়েছে, তাদের এই পদক্ষেপের ফলে চীনা জাহাজটির অননুমোদিত সামুদ্রিক গবেষণা ব্যাহত হয়েছে এবং সেটি ওই এলাকা থেকে সরে যেতে বাধ্য হয়েছে। তবে উত্তেজনা চলাকালে সেখানে চীনের একটি কোস্টগার্ড জাহাজও উপস্থিত হয়।
দক্ষিণ চীন সাগর বিষয়ক ফিলিপাইনের কোস্টগার্ডের মুখপাত্র জে তারিয়েলা জানান, গত ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে ইতবেয়াত দ্বীপের প্রায় ৩৭ নটিক্যাল মাইল উত্তর-পশ্চিমে অবস্থান করছিল 'জিয়া হাই কে ৭' নামের ওই চীনা গবেষণা জাহাজ। ফিলিপাইনের কোস্টগার্ডের দাবি, জাহাজটি নিজের আসল অবস্থান গোপন করে বাতানেস উপকূলে ঘোরাফেরা করছিল। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ৯৭ মিটার দীর্ঘ 'বিআরপি তেরেসা মাগবানুয়া' নামের জাহাজটি ও একটি উড়োজাহাজ পাঠানো হয়। তেরেসা মাগবানুয়া চীনা জাহাজটির ১০০ গজের মধ্যে পৌঁছে যায় এবং একটি ছোট বোট নামিয়ে সেটির চারদিকে চক্কর দিয়ে রেডিওর মাধ্যমে সতর্কবার্তা পাঠাতে থাকে। এ সময় চীনা জাহাজটি বারবার ফিলিপাইনের বোটগুলোকে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।
পরিস্থিতি সামাল দিতে একপর্যায়ে সেখানে চীনের একটি কোস্টগার্ড জাহাজ উপস্থিত হয়ে গবেষণা জাহাজটিকে আড়াল করার চেষ্টা করে। উল্টো তারা ফিলিপাইনের জাহাজটিকে রেডিওতে পাল্টা সতর্কবার্তা দেয়। ফিলিপাইনের কোস্টগার্ড বিষয়টিকে অত্যন্ত 'তাৎপর্যপূর্ণ বলে উল্লেখ করেছে। কারণ, জিয়া হাই কে ৭ একটি ব্যক্তিমালিকানাধীন জাহাজ। এর নিরাপত্তায় চীনা সরকারের কোস্টগার্ডের সরাসরি উপস্থিতি প্রমাণ করে যে বেইজিংয়ের সাথে এর গভীর সম্পর্ক রয়েছে। বাতানেস এবং লুসোন প্রণালীর সমুদ্রতলের সাবমেরিন ক্যাবল করিডোরের কাছে তারা কী ধরনের তথ্য সংগ্রহ করছিল, তা নিয়েও এখন নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।
কোস্টগার্ড আরও জানিয়েছে, অভিযান এখনো চলমান। চীনা জাহাজটি ওই এলাকা ছাড়তে বাধ্য হলেও সেটি যেন ফিলিপাইনের এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোন (ইইজেড) পুরোপুরি ত্যাগ করে, তা নিশ্চিত করতে তেরেসা মাগবানুয়া নজরদারি অব্যাহত রেখেছে। তবে এ বিষয়ে ম্যানিলার চীনা দূতাবাস তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।
সূত্র: রয়টার্স
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।