নিত্যপণ্য ও এলপিতে ১০২ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা
৩০ জেলায় ৪৪টি দলের অভিযানে অতিরিক্ত দামে এলপি গ্যাস বিক্রি, ভাউচার না রাখা ও ওজনে কারচুপিসহ বিভিন্ন অনিয়ম ধরা পড়ে
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ০৫-১০-২০২৬ ০১:৪৬:৩৭ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ০৬-১০-২০২৬ ০৬:১৪:২৪ পূর্বাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৯১ বার পঠিত
ছবি সংগৃহিত
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ ও সরকার নির্ধারিত মূল্যে এলপি গ্যাস বিক্রি নিশ্চিত করতে দেশজুড়ে বিশেষ অভিযান চালিয়েছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। ঢাকা মহানগরসহ ৩০ জেলায় পরিচালিত এ অভিযানে বিভিন্ন অনিয়মের দায়ে ১০২টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ১০ লাখ ৩১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। রোববার অধিদপ্তরের ৪৪টি দল একযোগে বিভিন্ন পাইকারি ও খুচরা বাজারে অভিযান চালায়। এ সময় দোকানে হালনাগাদ মূল্যতালিকা প্রদর্শন, ক্রয়-বিক্রয়ের ভাউচার সংরক্ষণ, পণ্যের সঠিক ওজন এবং নির্ধারিত দামে এলপি গ্যাস বিক্রি হচ্ছে কি না, তা যাচাই করা হয়।
অধিদপ্তর জানায়, বাজারে অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি ঠেকানো, পণ্যের স্বাভাবিক সরবরাহ বজায় রাখা এবং এলপি গ্যাসের সিলিন্ডারে অতিরিক্ত অর্থ আদায় বন্ধ করাই অভিযানের মূল উদ্দেশ্য। সাভারের আমতলা ও কুটুরিয়া এলাকায় দুটি এলপি গ্যাস ডিলার পয়েন্টে অনিয়ম শনাক্ত হয়। অভিযানে ‘হাজী আব্দুর রহমান এন্টারপ্রাইজ’কে ১০ হাজার টাকা এবং ‘ইকবাল এন্টারপ্রাইজ’কে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। প্রতিষ্ঠান দুটির বিরুদ্ধে ভাউচার না রাখা, নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি মূল্যে গ্যাস বিক্রি এবং বিশেষ পাইপের মাধ্যমে সিলিন্ডার থেকে গ্যাস স্থানান্তর করে ওজনে কম দেওয়ার অভিযোগের প্রমাণ পাওয়া যায়। এ সময় কারচুপিতে ব্যবহৃত বিশেষ পাইপ ও বিভিন্ন ব্র্যান্ডের সিল-স্টিকার জব্দ করা হয়।
অভিযানকালে ব্যবসায়ীদের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি, অবৈধ মজুদ ও পণ্য সরবরাহে বিঘ্ন না ঘটানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। ফল ব্যবসায়ীদের পচা বা নষ্ট ফলের সঙ্গে ভালো ফল মিশিয়ে বিক্রি এবং ক্ষতিকর রাসায়নিক বা অননুমোদিত পদার্থ ব্যবহারের বিষয়েও সতর্ক করা হয়েছে। ভোক্তাদের পণ্য কেনার আগে মূল্যতালিকা, ওজন, সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য, উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ যাচাই করতে বলা হয়েছে। এলপি গ্যাস কেনার ক্ষেত্রে সিলিন্ডারের ওজন, সিল অক্ষত আছে কি না এবং কোনো দৃশ্যমান ত্রুটি রয়েছে কি না, তা পরীক্ষা করে ক্যাশ মেমো সংগ্রহের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বাজারে অনিয়ম বা প্রতারণার শিকার হলে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের হটলাইন ১৬১২১ নম্বরে অভিযোগ জানাতে বলা হয়েছে। বাজারে শৃঙ্খলা, সঠিক মূল্য ও স্বাভাবিক সরবরাহ নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে অধিদপ্তর।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১৩
অধিদপ্তর জানায়, বাজারে অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি ঠেকানো, পণ্যের স্বাভাবিক সরবরাহ বজায় রাখা এবং এলপি গ্যাসের সিলিন্ডারে অতিরিক্ত অর্থ আদায় বন্ধ করাই অভিযানের মূল উদ্দেশ্য। সাভারের আমতলা ও কুটুরিয়া এলাকায় দুটি এলপি গ্যাস ডিলার পয়েন্টে অনিয়ম শনাক্ত হয়। অভিযানে ‘হাজী আব্দুর রহমান এন্টারপ্রাইজ’কে ১০ হাজার টাকা এবং ‘ইকবাল এন্টারপ্রাইজ’কে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। প্রতিষ্ঠান দুটির বিরুদ্ধে ভাউচার না রাখা, নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি মূল্যে গ্যাস বিক্রি এবং বিশেষ পাইপের মাধ্যমে সিলিন্ডার থেকে গ্যাস স্থানান্তর করে ওজনে কম দেওয়ার অভিযোগের প্রমাণ পাওয়া যায়। এ সময় কারচুপিতে ব্যবহৃত বিশেষ পাইপ ও বিভিন্ন ব্র্যান্ডের সিল-স্টিকার জব্দ করা হয়।
অভিযানকালে ব্যবসায়ীদের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি, অবৈধ মজুদ ও পণ্য সরবরাহে বিঘ্ন না ঘটানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। ফল ব্যবসায়ীদের পচা বা নষ্ট ফলের সঙ্গে ভালো ফল মিশিয়ে বিক্রি এবং ক্ষতিকর রাসায়নিক বা অননুমোদিত পদার্থ ব্যবহারের বিষয়েও সতর্ক করা হয়েছে। ভোক্তাদের পণ্য কেনার আগে মূল্যতালিকা, ওজন, সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য, উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ যাচাই করতে বলা হয়েছে। এলপি গ্যাস কেনার ক্ষেত্রে সিলিন্ডারের ওজন, সিল অক্ষত আছে কি না এবং কোনো দৃশ্যমান ত্রুটি রয়েছে কি না, তা পরীক্ষা করে ক্যাশ মেমো সংগ্রহের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বাজারে অনিয়ম বা প্রতারণার শিকার হলে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের হটলাইন ১৬১২১ নম্বরে অভিযোগ জানাতে বলা হয়েছে। বাজারে শৃঙ্খলা, সঠিক মূল্য ও স্বাভাবিক সরবরাহ নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে অধিদপ্তর।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।