কুয়েতে প্রবাসীর মরদেহে চাঁদা, দূতাবাসের সতর্কতা
কুয়েতে আকামাবিহীন প্রবাসীর মরদেহ দেশে পাঠাতে চাঁদা না তুলে দূতাবাসে লিখিত আবেদন করার পরামর্শ
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ০৫-১০-২০২৬ ০১:৫১:০৯ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ০৬-১০-২০২৬ ০৬:১৪:৪৫ পূর্বাহ্ন
- ১ মিনিট পড়ার সময়
- ৭৮ বার পঠিত
ছবি সংগৃহিত
কুয়েতে মারা যাওয়া আকামাবিহীন বাংলাদেশি প্রবাসীদের মরদেহ দেশে পাঠানোর নামে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চাঁদা বা অর্থ সংগ্রহের বিষয়ে সতর্ক করেছে বাংলাদেশ দূতাবাস। এ ধরনের আহ্বানে বিভ্রান্ত না হয়ে সরাসরি দূতাবাসের সহায়তা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। রোববার (৪ অক্টোবর) কুয়েতে বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রম কল্যাণ উইং এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সতর্কতা জারি করে। এতে বলা হয়, একটি স্বার্থান্বেষী মহল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে আকামাবিহীন প্রবাসী কর্মীর মরদেহ দেশে পাঠানোর নামে অর্থ সংগ্রহের জন্য মানুষকে উৎসাহিত করছে।
দূতাবাস জানায়, কুয়েতের শ্রম আইন অনুযায়ী ১৮ নম্বর ভিসায় কর্মরত কোনো বাংলাদেশি প্রবাসী মারা গেলে মরদেহ দেশে পাঠানোর খরচ সংশ্লিষ্ট কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানকে বহন করতে হয়। একইভাবে ২০ নম্বর ভিসায় গৃহকর্মী হিসেবে কর্মরত কারও মৃত্যু হলে ওই খরচ বহন করেন সংশ্লিষ্ট কফিল বা নিয়োগকর্তা। তবে কোনো কর্মীর কফিল বা নিয়োগকর্তা না থাকলে এবং তিনি আকামাবিহীন অবস্থায় মারা গেলে কুয়েতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস নিজস্ব আর্থিক সহায়তায় তার মরদেহ দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করে। এ কারণে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর মাধ্যমে মরদেহ দেশে পাঠানোর নামে অর্থ সংগ্রহের কার্যক্রমে যুক্ত না হতে প্রবাসীদের অনুরোধ করেছে দূতাবাস। কোনো আকামাবিহীন বাংলাদেশি প্রবাসী মারা গেলে পরিবার, স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের চাঁদা না তুলে সরাসরি বাংলাদেশ দূতাবাসে লিখিত আবেদন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১৩
দূতাবাস জানায়, কুয়েতের শ্রম আইন অনুযায়ী ১৮ নম্বর ভিসায় কর্মরত কোনো বাংলাদেশি প্রবাসী মারা গেলে মরদেহ দেশে পাঠানোর খরচ সংশ্লিষ্ট কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানকে বহন করতে হয়। একইভাবে ২০ নম্বর ভিসায় গৃহকর্মী হিসেবে কর্মরত কারও মৃত্যু হলে ওই খরচ বহন করেন সংশ্লিষ্ট কফিল বা নিয়োগকর্তা। তবে কোনো কর্মীর কফিল বা নিয়োগকর্তা না থাকলে এবং তিনি আকামাবিহীন অবস্থায় মারা গেলে কুয়েতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস নিজস্ব আর্থিক সহায়তায় তার মরদেহ দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করে। এ কারণে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর মাধ্যমে মরদেহ দেশে পাঠানোর নামে অর্থ সংগ্রহের কার্যক্রমে যুক্ত না হতে প্রবাসীদের অনুরোধ করেছে দূতাবাস। কোনো আকামাবিহীন বাংলাদেশি প্রবাসী মারা গেলে পরিবার, স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের চাঁদা না তুলে সরাসরি বাংলাদেশ দূতাবাসে লিখিত আবেদন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।