ঢাকা , রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬ , ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (হেমন্তকাল) , ২৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্র হতে দেওয়া যাবে না: প্রধানমন্ত্রী তাহসিফের মৃত্যুতে রিমান্ডে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিলেন দিশা অতিরিক্ত বল প্রয়োগ না করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে সিনেটের নিয়ন্ত্রণ হারালো ট্রাম্পের রিপাবলিকান নিরাপত্তার কারণে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের প্রদর্শনী স্থগিত ২০২৬ সালে গতি পেয়েছে কোয়াড, এগিয়েছে তিন দেশের বৈঠক ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বেড়ে ২ হাজার ৬০ টাকা ২০২৭ সালে সরকারি ছুটি ২৯ দিন, সাধারণ ছুটি ১৫ দিন ছাদে সোলার প্যানেল বসালেই মিলবে কর ছাড় হাসিনার দেশত্যাগের ভিডিও ছড়ানোয় তাহসিফকে হত্যার সন্দেহ লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর রূপপুরের প্রথম ইউনিটে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডনের জামিন আবেদন ফের নাকচ কর্মকর্তাদের গাড়ির জ্বালানি বরাদ্দ কমাল ডিএসসিসি বিশ্ববাজারে পণ্যের দাম ২৩ শতাংশ বাড়ার পূর্বাভাস বিশ্বব্যাংকের তুরাগ নদে সাবেক বিমানবাহিনী কর্মকর্তা তাহসিফের লাশ উদ্ধার কুষ্টিয়ায় ছয় হত্যা মামলায় হানিফের মৃত্যুদণ্ড, তিনজনের আমৃত্যু কারাদণ্ড ৪৬ বছর পর ফিরছে গ্রাম সরকার, থাকছে ১৭ সদস্য খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার মামলায় সোহাগের ৩ দিনের রিমান্ড রমজান সামনে রেখে বাড়ছে নিত্যপণ্যের আমদানি, কমেছে কয়েকটির দাম

পুত্রা মসজিদ: মালয়েশিয়ার আধুনিক ইসলামী স্থাপত্যের মহিমান্বিত নিদর্শন

নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ২৪-০৮-২০২৫ ০৯:৩০:৫০ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৪-০৮-২০২৫ ০৯:৩০:৫০ পূর্বাহ্ন
  • ২ মিনিট পড়ার সময়
  • ১৩০ বার পঠিত
পুত্রা মসজিদ: মালয়েশিয়ার আধুনিক ইসলামী স্থাপত্যের মহিমান্বিত নিদর্শন পুত্রা মসজিদ, মালয়েশিয়া। সংগৃহীত ছবি

মালয়েশিয়ার প্রশাসনিক রাজধানী পুত্রজায়ার কেন্দ্রে দাঁড়িয়ে থাকা পুত্রা মসজিদ দেশটির অন্যতম আধুনিক ইসলামী স্থাপত্যকীর্তি হিসেবে পরিচিত। রাজধানী কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মাত্র ২০ কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত এই মসজিদটি দেশের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের পাশাপাশি পর্যটকদের কাছেও বিশেষ আকর্ষণ হয়ে উঠেছে। গোলাপি গ্রানাইটে নির্মিত গম্বুজ ও আকাশছোঁয়া মিনার ঘেরা স্থাপনাটি দিন ও রাতের ভিন্ন ভিন্ন আবহে দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করে।
 

পুত্রা মসজিদের নির্মাণকাজ শুরু হয়েছিল ১৯৯৭ সালে এবং মাত্র দুই বছরের মধ্যেই এটি সম্পন্ন হয়। ১৯৯৯ সালের সেপ্টেম্বরে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হলে মসজিদটি মালয়েশিয়ার জাতীয় গর্বে পরিণত হয়। প্রায় ২৫০ মিলিয়ন মালয়েশিয়ান রিংগিত ব্যয়ে নির্মিত এই প্রকল্পের স্থাপত্যশৈলীতে মালয়েশিয়ান, পারসিয়ান ও আরব-ইসলামিক ধারা মিলেমিশে গেছে। বিশেষভাবে নজরকাড়া প্রধান গম্বুজটির উচ্চতা প্রায় ১৬০ ফুট, আর সঙ্গে থাকা মিনারটি ৩৮১ ফুট উঁচু—যা দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ মিনার।
 

স্থাপনাটির নকশায় প্রাচীন পারস্যের পাবলিক বিল্ডিং গেটের আদল ব্যবহার করা হয়েছে, আর অভ্যন্তরে প্রতিফলিত হয়েছে স্থানীয় কারুশিল্প ও দেশীয় উপকরণের নিখুঁত সংমিশ্রণ। মসজিদটি তিনটি মূল অংশে বিভক্ত—প্রধান নামাজ কক্ষ, প্রাঙ্গণ (সাহান) এবং শিক্ষা ও সামাজিক কার্যক্রমের জন্য পৃথক কক্ষ। নামাজ কক্ষে একসঙ্গে প্রায় ১৫ হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারেন, আর প্রাঙ্গণে প্রায় পাঁচ হাজার মানুষ সমবেত হওয়ার সুযোগ পান।
 

প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত মসজিদটি দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকে। তবে নামাজের সময়ে অমুসলিম পর্যটকদের প্রবেশে সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হয়। দর্শনার্থীদের জন্য ধূমপান নিষিদ্ধ রাখা হয়েছে এবং নারী পর্যটকদের জন্য বিশেষ পোশাক ও মাথা ঢাকার ব্যবস্থা প্রবেশদ্বার থেকেই দেওয়া হয়।
 

পুত্রা মসজিদের আরেকটি বিশেষ আকর্ষণ হলো এর রাতের সৌন্দর্য। রঙিন আলোকসজ্জায় গম্বুজ ও মিনারের প্রতিচ্ছবি যখন পাশের লেকের জলে প্রতিফলিত হয়, তখন পুরো পরিবেশ যেন স্বপ্নময় আবহ তৈরি করে। মসজিদের সামনে মালয়েশিয়ার বিভিন্ন রাজ্যের পতাকা দোলায়িত হতে দেখা যায়, যা স্থাপনাটির মর্যাদাকে আরও বর্ধিত করে।
 

শুধু নামাজের স্থান হিসেবেই নয়, পুত্রা মসজিদ আজ মালয়েশিয়ার জাতীয় পরিচয়ের অংশ এবং আধুনিক ইসলামী স্থাপত্যের এক অনন্য নিদর্শন। তাই মালয়েশিয়া ভ্রমণে গেলে পুত্রজায়ার এই মসজিদটি ভ্রমণতালিকায় রাখা পর্যটকদের জন্য এক স্মরণীয় অভিজ্ঞতা হতে পারে।


নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৪

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।