ভিয়েতনামে ঘূর্ণিঝড় কাজিকির আঘাত: নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেয়া হলো ৫ লাখের বেশি মানুষ
- আপলোড সময় : ২৫-০৮-২০২৫ ১০:৩০:০৩ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ২৫-০৮-২০২৫ ১০:৩০:০৩ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৫৩ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
ভিয়েতনামের উত্তর-মধ্য উপকূলে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় কাজিকি আঘাত হেনেছে, যার প্রভাবে সোমবার (২৫ আগস্ট) থেকে শুরু হয়েছে প্রবল বাতাস ও ভারী বর্ষণ। দুর্যোগ মোকাবিলার অংশ হিসেবে অন্তত পাঁচ লাখের বেশি মানুষকে ইতোমধ্যেই নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
দেশটির আবহাওয়া দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ঝড়টি নঘে আন ও হা তিন প্রদেশের উপকূলে প্রবল বেগে আঘাত হানে। শুরুতে বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১৬৬ কিলোমিটার, যা পরে কমে ১১৮-১৩৩ কিলোমিটার পর্যন্ত নেমে আসে। আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসের ঝুঁকির কারণে কর্তৃপক্ষ সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করেছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদন বলছে, ঝড়ের আঘাতে মুহূর্তেই মুষলধারে বৃষ্টি শুরু হয়। এতে গাছপালা উপড়ে পড়ে, রাস্তাঘাট প্লাবিত হয় এবং অনেক ঘরবাড়ি পানিতে তলিয়ে যায়। নঘে আন প্রদেশের কুয়া লো শহরের বাসিন্দা ৪৮ বছর বয়সী ডাং জুয়ান ফুওং জানান, তিনি নিজের বাসার উপরের তলা থেকে দুই মিটার পর্যন্ত উঁচু ঢেউ দেখেছেন, যা শহরের সড়কগুলোতে পানি ঢুকিয়ে দিয়েছে।
রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, হা তিন প্রদেশের বহু এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে, বাড়িঘরের ছাদ উড়ে গেছে এবং মাছের খামার ভেসে গেছে। সতর্কতা হিসেবে ভিয়েতনাম আগেই বিমানবন্দর ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে এবং ঝড় মোকাবিলায় মানুষকে সরিয়ে নিতে ব্যাপক প্রস্তুতি নেয়।
কাজিকিকে এ বছরের অন্যতম শক্তিশালী ঝড় হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। দেশটির কর্মকর্তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, এটি গত বছরের ভয়াবহ টাইফুন ইয়াগির মতোই ক্ষয়ক্ষতি ডেকে আনতে পারে। ইয়াগির আঘাতে তখন প্রায় ৩০০ মানুষের মৃত্যু হয় এবং আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়ায় ৩.৩ বিলিয়ন ডলার।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।