গুম প্রতিরোধে কঠোর শাস্তির বিধানসহ খসড়া অধ্যাদেশের নীতিগত অনুমোদন
প্রেস ব্রিফিং
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ২৯-০৮-২০২৫ ১১:৩১:১৭ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ২৯-০৮-২০২৫ ১১:৪৫:২৯ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৬৬ বার পঠিত
বাংলাদেশে গুম প্রতিরোধ, প্রতিকার ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রণীত নতুন খসড়া আইনের নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ। তবে এটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি; ভবিষ্যতে আরও আলোচনা ও মতামতের ভিত্তিতে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে। শুক্রবার প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত পরিষদের ৪০তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০১
পরে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, খসড়া অধ্যাদেশে গুমকে চলমান অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে এবং এ অপরাধে মৃত্যুদণ্ডসহ কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। এছাড়া গোপন আটক কেন্দ্র ব্যবহারের মতো কার্যক্রমকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ ঘোষণা করা হয়েছে।
খসড়া অনুযায়ী, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্তের ক্ষমতা প্রদান করা হবে। একই সঙ্গে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন, অভিযোগ গঠনের ১২০ দিনের মধ্যে বিচার সম্পন্নের বাধ্যবাধকতা, ভুক্তভোগী ও সাক্ষীর সুরক্ষা, ক্ষতিপূরণ এবং আইনগত সহায়তা নিশ্চিত করার বিষয়গুলোও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
প্রেস সচিব বলেন, গুম প্রতিরোধে কার্যকর আইন প্রণয়নের জন্য আন্তর্জাতিক ও জাতীয় মানবাধিকার সংস্থা এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মতামত বিবেচনা করা হয়েছে। অধ্যাদেশ কার্যকর হলে ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারকে সুরক্ষা, প্রতিকার ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
তিনি স্পষ্ট করে জানান, আজকের অনুমোদন নীতিগত মাত্র; চূড়ান্ত অনুমোদনের আগে বিষয়টি নিয়ে আরও বিস্তারিত আলোচনা হবে। সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার ও সিনিয়র সহকারী প্রেস সচিব ফয়েজ আহম্মদ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।