গাজার শান্তি প্রক্রিয়ায় নতুন মোড়: ট্রাম্পের পরিকল্পনা কী?
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ২৪-০৯-২০২৫ ০৯:৫৫:১০ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ২৪-০৯-২০২৫ ০৯:৫৫:২৫ পূর্বাহ্ন
- ১ মিনিট পড়ার সময়
- ৪১ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
গাজায় যুদ্ধবিরতির পর শান্তি ও পুনর্গঠন নিশ্চিত করতে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি নতুন পরিকল্পনা নিয়ে এসেছেন। এতে ইসরায়েলি বাহিনীর পরিবর্তে আরব দেশগুলোর সমন্বয়ে গঠিত সামরিক বাহিনী গাজার নিরাপত্তার দায়িত্ব নেবে। এ পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য হলো হামাসকে ভবিষ্যৎ প্রশাসন থেকে সম্পূর্ণরূপে বাদ দেওয়া এবং গাজার পুনর্গঠনে মুসলিম দেশগুলোর আর্থিক সহায়তা নিশ্চিত করা। ট্রাম্পের এ প্রস্তাব সৌদি আরব, কাতার, মিশর, তুরস্ক, ইন্দোনেশিয়া ও পাকিস্তানের মতো প্রভাবশালী মুসলিম দেশগুলোর কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২
ট্রাম্পের এ পরিকল্পনার বিস্তারিত দিকগুলো বেশ সুনির্দিষ্ট। প্রস্তাবনা অনুযায়ী, ইসরায়েলি সেনারা গাজা উপত্যকা থেকে সরে যাবে এবং তাদের শূন্যস্থান পূরণ করবে আরব দেশগুলোর সমন্বিত বাহিনী। এতে করে গাজার ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত হবে। একই সাথে, পরিকল্পনায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, হামাস কোনো অবস্থাতেই গাজার প্রশাসনিক ক্ষমতার অংশ হতে পারবে না।
গাজার পুনর্গঠনে প্রচুর অর্থের প্রয়োজন হবে, যা ট্রাম্পের প্রস্তাবিত পরিকল্পনা অনুযায়ী আরব দেশগুলোই সরবরাহ করবে। ইতোমধ্যেই ইন্দোনেশিয়া এ পরিকল্পনার প্রতি আগ্রহ দেখিয়ে গাজায় সামরিক বাহিনী পাঠাতে রাজি হয়েছে। এই পরিকল্পনার বিষয়টি ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুও অবগত আছেন। তিনি জানিয়েছেন, এই প্রস্তাবে কিছু "তিক্ত শর্ত" রয়েছে, যার মধ্যে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষকে গাজার প্রশাসনে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি অন্যতম। নেতানিয়াহুর এই মন্তব্য থেকে বোঝা যায়, এ প্রস্তাবনা কার্যকরের পথে কিছুটা জটিলতা থাকলেও এটি আলোচনার টেবিলে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।