ঢাকা , রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬ , ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (হেমন্তকাল) , ২৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্র হতে দেওয়া যাবে না: প্রধানমন্ত্রী তাহসিফের মৃত্যুতে রিমান্ডে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিলেন দিশা অতিরিক্ত বল প্রয়োগ না করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে সিনেটের নিয়ন্ত্রণ হারালো ট্রাম্পের রিপাবলিকান নিরাপত্তার কারণে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের প্রদর্শনী স্থগিত ২০২৬ সালে গতি পেয়েছে কোয়াড, এগিয়েছে তিন দেশের বৈঠক ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বেড়ে ২ হাজার ৬০ টাকা ২০২৭ সালে সরকারি ছুটি ২৯ দিন, সাধারণ ছুটি ১৫ দিন ছাদে সোলার প্যানেল বসালেই মিলবে কর ছাড় হাসিনার দেশত্যাগের ভিডিও ছড়ানোয় তাহসিফকে হত্যার সন্দেহ লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর রূপপুরের প্রথম ইউনিটে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডনের জামিন আবেদন ফের নাকচ কর্মকর্তাদের গাড়ির জ্বালানি বরাদ্দ কমাল ডিএসসিসি বিশ্ববাজারে পণ্যের দাম ২৩ শতাংশ বাড়ার পূর্বাভাস বিশ্বব্যাংকের তুরাগ নদে সাবেক বিমানবাহিনী কর্মকর্তা তাহসিফের লাশ উদ্ধার কুষ্টিয়ায় ছয় হত্যা মামলায় হানিফের মৃত্যুদণ্ড, তিনজনের আমৃত্যু কারাদণ্ড ৪৬ বছর পর ফিরছে গ্রাম সরকার, থাকছে ১৭ সদস্য খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার মামলায় সোহাগের ৩ দিনের রিমান্ড রমজান সামনে রেখে বাড়ছে নিত্যপণ্যের আমদানি, কমেছে কয়েকটির দাম

শিশুদের টাইফয়েডের টিকা নিয়ে গবেষকদের উদ্বেগ

নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ২৭-১০-২০২৫ ০১:১২:৪৫ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৭-১০-২০২৫ ০১:১২:৪৫ পূর্বাহ্ন
  • ২ মিনিট পড়ার সময়
  • ৭১ বার পঠিত
শিশুদের টাইফয়েডের টিকা নিয়ে গবেষকদের উদ্বেগ
বাংলাদেশে সম্প্রতি প্রায় চার কোটি ৯০ লাখ শিশু ও কর্মসূচির আওতাভুক্তদের টাইফয়েড কনজুগেট ভ্যাকসিন (TCV) দেওয়া শুরু হয়েছে। তবে টিকার কার্যকারিতা ও নিরাপত্তা নিয়ে দেশের গবেষক ও বিশেষজ্ঞদের মধ্যে দেখা দিয়েছে উদ্বেগ ও প্রশ্ন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) সর্বশেষ তথ্যানুসারে, টাইফয়েডে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা বাংলাদেশে এখনো উল্লেখযোগ্য। এ কারণেই সরকার দেশব্যাপী টাইফয়েড টিকা কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। তবে বর্তমানে ব্যবহৃত
ভারতের বায়োলজিক্যাল ই লিমিটেড (Biological E Limited) কোম্পানির উৎপাদিত টিকাটি এখনো পর্যন্ত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রিকোয়ালিফাইড তালিকায় নেই।
 

গবেষকরা বলছেন, টিকার কার্যকারিতা ও নিরাপত্তা সম্পর্কে দীর্ঘমেয়াদি বৈজ্ঞানিক তথ্য প্রকাশিত হয়নি। এ কারণে শিশুদের ওপর এর প্রভাব নিয়ে তারা প্রশ্ন তুলেছেন।
 

টিকার কার্যকারিতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে ডা. জুবায়ের মাহমুদ বলেন, “আমরা টিকার বিপক্ষে নই। তবে যেকোনো টিকা ব্যবহারের আগে বৈজ্ঞানিকভাবে এর কার্যকারিতা ও নিরাপত্তা যাচাই করা জরুরি। অন্যথায় তা শিশুদের স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।”
 

অন্যদিকে ডা. রেজাউর রহমান মনে করেন, “আমাদের দেশে টিকার বিরুদ্ধে অবস্থান নয়, বরং টিকার মান, নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা যাচাই করে ব্যবহার করা উচিত। ভালো মানের টিকা শিশুদের সুরক্ষায় কার্যকর ভূমিকা রাখবে।”

 

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও আইইডিসিআর (IEDCR) সূত্রে জানা গেছে, এই টিকাটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রাথমিক নির্দেশনা অনুযায়ী অনুমোদনপ্রাপ্ত। টিকাটি শিশুদের টাইফয়েড প্রতিরোধে কার্যকর বলে কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে।


টিকাদান কর্মসূচির প্রোগ্রাম ম্যানেজার ডা. সাজিদা পারভিন বলেন, “দেশব্যাপী টিকাদান কার্যক্রম ইতিবাচকভাবে এগোচ্ছে। জনগণ সাড়া দিচ্ছে ভালোভাবে। আমরা এই কর্মসূচি নিয়ে আশাবাদী।”
 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশে ব্যবহৃত টিকার নিরাপত্তা, সংরক্ষণ প্রক্রিয়া এবং কার্যকারিতা সম্পর্কে আরও বিস্তারিত গবেষণা ও পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন। তারা মনে করেন, যদি টিকাটি দীর্ঘমেয়াদে কার্যকর প্রমাণিত হয়, তবে এটি শিশুদের টাইফয়েড প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তবে প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে— যে টিকাটি এখনো WHO-এর পূর্ণ প্রিকোয়ালিফিকেশন পায়নি, তা দিয়ে এত বিপুল সংখ্যক শিশুকে টিকা দেওয়া কতটা নিরাপদ?

 

নিউজটি আপডেট করেছেন : Kaler Diganta

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।