নভেম্বর থেকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শুরু হচ্ছে ‘মিড-ডে মিল’ কর্মসূচি
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ২৯-১০-২০২৫ ০১:২৯:০৬ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ২৯-১০-২০২৫ ০১:২৯:০৬ পূর্বাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ১০৬ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
আগামী ১৭ নভেম্বর থেকে দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে চালু হচ্ছে ‘মিড-ডে মিল’ বা স্কুল ফিডিং কর্মসূচি। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে শুরু হওয়া এই প্রকল্পটি চলবে ২০২৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২
চলতি বছরের জানুয়ারিতে প্রকল্পটির কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা থাকলেও বিভিন্ন জটিলতায় তা বিলম্বিত হয়। প্রথম পর্যায়ে ঢাকা, খুলনা, ময়মনসিংহ ও রাজশাহী বিভাগে নির্বাচিত বিদ্যালয়গুলোতে সীমিত পরিসরে কর্মসূচিটি শুরু হবে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের তথ্যমতে, সারাদেশে ৮ বিভাগের ৬২ জেলার ১৫০ উপজেলার ১৯ হাজার ৪১৯টি বিদ্যালয়ের ৩১ লাখ ৩০ হাজার শিক্ষার্থী এই প্রকল্পের আওতায় আসবে। শুরুতে শিক্ষার্থীদের পরিবেশন করা হবে বিস্কুট ও বনরুটি, পরে রিটেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে যুক্ত হবে অন্যান্য খাবার।
খাদ্যতালিকা অনুযায়ী সপ্তাহে পাঁচ দিনের খাবার:
খাদ্যতালিকা অনুযায়ী সপ্তাহে পাঁচ দিনের খাবার:
রবি, মঙ্গল, বৃহস্পতি: বনরুটি ও সেদ্ধ ডিম
সোম: বনরুটি ও ইউএইচটি দুধ
বুধ: ফরটিফাইড বিস্কুট ও মৌসুমি ফল (যেমন কলা)
প্রতিটি খাবারের নির্ধারিত ওজন:
বনরুটি ১২০ গ্রাম, ডিম ৬০ গ্রাম, দুধ ২০০ গ্রাম, বিস্কুট ৭৫ গ্রাম, ফল ১০০ গ্রাম।
প্রকল্পটির মোট ব্যয় ৫ হাজার ৪৫২ কোটি টাকার বেশি, যার মধ্যে ৯৭ শতাংশ ব্যয় ধরা হয়েছে খাদ্য সরবরাহের জন্য। শুধু ২০২৫–২৬ অর্থবছরেই বরাদ্দ নির্ধারণ করা হয়েছে ২ হাজার ১৬৪ কোটি টাকার বেশি।
প্রকল্প পরিচালক ও যুগ্ম সচিব হারুন অর রশীদ বলেন,
"১৭ নভেম্বর থেকে কর্মসূচি চালু হবে। আপাতত চারটি বিভাগে বিস্কুট ও বনরুটি দিয়ে শুরু করছি। রিটেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে অন্যান্য খাবার যুক্ত করা হবে। নিরাপদ খাদ্য সরবরাহই আমাদের প্রধান লক্ষ্য ।"
প্রতিটি উপজেলায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নেতৃত্বে স্কুল ফিডিং মনিটরিং কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা, মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা, নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক ও প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তারা যুক্ত আছেন।
প্রতিটি উপজেলায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নেতৃত্বে স্কুল ফিডিং মনিটরিং কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা, মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা, নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক ও প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তারা যুক্ত আছেন।
এ ছাড়া প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রশিক্ষণকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ১৯২টি ব্যাচে ওরিয়েন্টেশন ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রায় ১৯ হাজার ৭১৯ জন শিক্ষক ও কর্মকর্তা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রকল্প শিক্ষার্থীদের পুষ্টি ঘাটতি দূর, শ্রেণিকক্ষে মনোযোগ বৃদ্ধি এবং ঝরে পড়ার হার কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।