ইরান হরমুজ প্রণালিতে ব্রিটিশ পতাকাবাহী ট্যাংকার আটক: তেলবাহী জাহাজে উচ্চ সালফারযুক্ত গ্যাস অয়েল
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ১৫-১১-২০২৫ ১১:০৫:৪৯ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ১৫-১১-২০২৫ ১১:০৫:৪৯ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৫৭ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) হরমুজ প্রণালিতে ব্রিটিশ পতাকাবাহী ‘তালারা’ নামের তেলবাহী ট্যাংকার আটক করেছে। জাহাজটি সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে যাত্রা করছিল এবং আইআরজিসি দাবি করেছে, এটি অননুমোদিত পণ্য বহন করছিল।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২
বিস্তারিত নিউজ বডি:
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘তালারা’ মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের পতাকাবাহী এবং জাহাজটিতে উচ্চ সালফারযুক্ত গ্যাস অয়েল ছিল। মেরিটাইম নিরাপত্তা সংস্থা অ্যামব্রে জানিয়েছে, ট্যাংকারটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের আজমান বন্দর থেকে হরমুজ প্রণালির দক্ষিণ দিকে চলছিল। তিনটি ছোট নৌকা জাহাজটির কাছে আসার পরই ট্যাংকারটি অপ্রত্যাশিতভাবে দিক পরিবর্তন করে।
ট্যাংকারটির ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান কলম্বিয়া শিপ ম্যানেজমেন্ট জানিয়েছে, শুক্রবার সকালে সংযুক্ত আরব আমিরাতের খোর ফাক্কানের প্রায় ২০ নটিক্যাল মাইল দূরে জাহাজটির সঙ্গে তাদের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। মালিক সাইপ্রাসভিত্তিক প্রতিষ্ঠান পাশা ফাইন্যান্স। তারা নিরাপত্তা সংস্থা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং জাহাজমালিকদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছে।
যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম নৌবহর জানিয়েছে, তারা ঘটনাটি পর্যবেক্ষণ করছে এবং আন্তর্জাতিক জলসীমায় বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর চলাচলের অধিকার নিশ্চিত রাখতে নজর রাখছে। এক মার্কিন কর্মকর্তা উল্লেখ করেছেন, সাম্প্রতিক মাসে এমন কোনো অভিযান না চালানোর কারণে ঘটনা কিছুটা অপ্রত্যাশিত।
যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশন্স সেন্টারও সতর্কতা জারি করেছে এবং জাহাজগুলোকে নিরাপদভাবে নৌপথ অতিক্রম করার পরামর্শ দিয়েছে। পারস্য উপসাগরের গুরুত্বপূর্ণ এই শিপিং রুটে বৈশ্বিক তেল সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ পরিবাহিত হয়, যা এটিকে বিশ্বের সবচেয়ে সংবেদনশীল সামুদ্রিক রুট হিসেবে পরিগণিত করেছে।
ইরানের পক্ষ থেকে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ‘চোরাচালান’, ‘আইন লঙ্ঘন’ ও ‘অবৈধ পণ্য আমদানি’ যুক্তি দেখিয়ে বিভিন্ন সময়ে জাহাজ আটক করা হয়েছে। ২০২৫ সালের জুনে ইরান-ইসরায়েলের মধ্যে সামরিক সংঘাত এবং হরমুজ প্রণালি বন্ধের হুমকিও এই অঞ্চলের জটিল পরিস্থিতি আরও বাড়িয়েছে।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।