ঢাকা , রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬ , ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (হেমন্তকাল) , ২৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্র হতে দেওয়া যাবে না: প্রধানমন্ত্রী তাহসিফের মৃত্যুতে রিমান্ডে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিলেন দিশা অতিরিক্ত বল প্রয়োগ না করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে সিনেটের নিয়ন্ত্রণ হারালো ট্রাম্পের রিপাবলিকান নিরাপত্তার কারণে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের প্রদর্শনী স্থগিত ২০২৬ সালে গতি পেয়েছে কোয়াড, এগিয়েছে তিন দেশের বৈঠক ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বেড়ে ২ হাজার ৬০ টাকা ২০২৭ সালে সরকারি ছুটি ২৯ দিন, সাধারণ ছুটি ১৫ দিন ছাদে সোলার প্যানেল বসালেই মিলবে কর ছাড় হাসিনার দেশত্যাগের ভিডিও ছড়ানোয় তাহসিফকে হত্যার সন্দেহ লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর রূপপুরের প্রথম ইউনিটে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডনের জামিন আবেদন ফের নাকচ কর্মকর্তাদের গাড়ির জ্বালানি বরাদ্দ কমাল ডিএসসিসি বিশ্ববাজারে পণ্যের দাম ২৩ শতাংশ বাড়ার পূর্বাভাস বিশ্বব্যাংকের তুরাগ নদে সাবেক বিমানবাহিনী কর্মকর্তা তাহসিফের লাশ উদ্ধার কুষ্টিয়ায় ছয় হত্যা মামলায় হানিফের মৃত্যুদণ্ড, তিনজনের আমৃত্যু কারাদণ্ড ৪৬ বছর পর ফিরছে গ্রাম সরকার, থাকছে ১৭ সদস্য খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার মামলায় সোহাগের ৩ দিনের রিমান্ড রমজান সামনে রেখে বাড়ছে নিত্যপণ্যের আমদানি, কমেছে কয়েকটির দাম

শুকনো মৌসুমে তিস্তা নদীতে পানি সংকট, সেচ প্রকল্পে প্রভাব: পানির অব্যবস্থাপনা নিয়ে উদ্বেগ

নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ২৫-১১-২০২৫ ০৭:৫২:৪৪ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৫-১১-২০২৫ ০৭:৫২:৪৪ অপরাহ্ন
  • ২ মিনিট পড়ার সময়
  • ৮৬ বার পঠিত
শুকনো মৌসুমে তিস্তা নদীতে পানি সংকট, সেচ প্রকল্পে প্রভাব: পানির অব্যবস্থাপনা নিয়ে উদ্বেগ ছবি সংগৃহীত

তিস্তা নদীর ডালিয়া পয়েন্টে পানি বর্তমান শূন্যের কাছাকাছি নেমে এসেছে, যা দেশের বৃহত্তম তিস্তা সেচ প্রকল্পের সেচ সরবরাহে জটিলতা সৃষ্টি করছে। প্রতি বছর নভেম্বর থেকে এপ্রিল পর্যন্ত শুকনো মৌসুমে নদীর পানি স্বাভাবিকভাবেই কমে যায়। নদীর নিম্নাংশে ক্রমাগত পলি জমে বিশাল বালুচর তৈরি হওয়ায় পানি প্রবাহের বাধা তৈরি হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে ড্রেজিং না হওয়ায় পলির স্তর প্রতিবছর বৃদ্ধি পাচ্ছে। ব্যারেজের মাধ্যমে প্রবাহিত পলি ডালিয়া থেকে রংপুরের কাউনিয়া পর্যন্ত প্রায় ৬৫ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিশাল চর গঠনের কারণ হচ্ছে।

শুকনো মৌসুমে তিস্তার চারপাশের বিস্তীর্ণ এলাকা বালুচরে ঢাকা থাকে। নদীর পানি কমে যাওয়ায় সেচ মৌসুমে সঠিক পরিমাণ পানি সরবরাহ করা সম্ভব হয় না। ভারতের গজলডোবা থেকে একতরফা পানি প্রত্যাহারের কারণে তিস্তা সেচ প্রকল্পে প্রতিবছরই ঘাটতি দেখা দেয়। বর্ষাকালে অতিরিক্ত পানি ছেড়ে দেওয়ায় ব্যারেজ ও আশপাশের এলাকা ঝুঁকির মুখে পড়ে। কোটি কোটি টন পলি নদী ভরাট করলেও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকালে ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি প্রবাহ ছিল প্রায় ৬ হাজার কিউসেক, যা প্রতিদিন কমতে থাকে। জানুয়ারি থেকে সেচ মৌসুম শুরু হলে নদীতে কমপক্ষে ৩–৪ হাজার কিউসেক পানি প্রয়োজন। তিস্তার এমন অবস্থা থাকায় পুরো সেচ কমান্ড এলাকায় সেচ দেওয়া সম্ভব হয় না। অন্যদিকে বর্ষার সময় প্রতিদিন দুই লাখ কিউসেকের বেশি পানি ছেড়ে দেওয়া হয়।

তিস্তা নদী ব্রহ্মপুত্র ও যমুনার একটি উপনদী। উত্তর সিকিমের পার্বত্য এলাকা থেকে লাচেন ও লাংচু নামে দুটি স্রোতধারা মিলিত হয়ে তিস্তার উৎপত্তি। এরপর চুংথাংয়ে এই দুটি স্রোতা মিলিত হয়ে নদীটি ধীরে ধীরে প্রশস্ত হতে থাকে। পরবর্তীতে বিভিন্ন উপনদী যেমন রাংনিচু, ডিকচু, তালাংচু ও চাকুংচু তিস্তার সঙ্গে মিলিত হয়। ভারতীয় অংশ অতিক্রম করে নদী বাংলাদেশে প্রবেশ করে এবং কুড়িগ্রামের চিলমারীতে যমুনার সঙ্গে মিলিত হয়।

তিস্তা সেচ প্রকল্পের মাধ্যমে প্রথমে ডালিয়ার পানি ব্যবহার করে ১ লাখ ৫৪ হাজার হেক্টর জমিতে সেচ সুবিধা দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। তবে পানির অব্যবস্থাপনা ও অপর্যাপ্ত প্রবাহের কারণে প্রকল্প কার্যকরভাবে সম্পূর্ণ করা সম্ভব হচ্ছে না। রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম জানান, নভেম্বর থেকে শুকনো মৌসুম শুরু হয়, এ সময় নদীর পানি স্বাভাবিকভাবেই কম থাকে এবং সেচের জন্য পর্যাপ্ত পানি পাওয়ায় প্রতিবছর সমস্যা দেখা দেয়।


নিউজটি আপডেট করেছেন : Kaler Diganta

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।