বেরোবিতে র্যাগিং: তিন শিক্ষার্থী বহিষ্কার, আরও নয়জনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ
- আপলোড সময় : ২৭-১১-২০২৫ ০৮:৩২:৪৮ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ২৭-১১-২০২৫ ০৮:৩২:৪৮ পূর্বাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৫৭ বার পঠিত
সংগৃহীত ছবি
রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) র্যাগিংয়ের ঘটনায় তিন শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। একই অভিযোগে আরও নয় শিক্ষার্থীকে অভিভাবকসহ কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হয়েছে। বুধবার (২৬ নভেম্বর) বিকেল ৪টার ১১৮তম সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়।
বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীদের মধ্যে মামুন মিয়া ও রাফি আহমেদকে দুই শিক্ষাবর্ষের জন্য এবং আজিজুল হাকিমকে এক শিক্ষাবর্ষের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে। তদন্ত সূত্রে জানা যায়, গত রোববার রাত ১২টার দিকে বাংলা বিভাগের ২৩–২৪ সেশনের (১৬ ব্যাচ) কয়েকজন শিক্ষার্থী একই বিভাগের ২৪–২৫ সেশনের (১৭ ব্যাচ) কয়েকজনকে হলের ছাদে ডেকে নেয়। সেখানে র্যাগিংয়ের নামে ১৬ ব্যাচের শিক্ষার্থী মামুন, ১৭ ব্যাচের শিক্ষার্থী দীন ইসলামকে মারধর করেন। মারধরে দীন ইসলামের কানের পর্দা ফেটে যায় বলে চিকিৎসকেরা জানান।
ঘটনা প্রকাশ পেলে সাংবাদিকরা হলে পৌঁছালে অভিযুক্তরা বিষয়টি আড়াল করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়। পরে সহপাঠীদের সহায়তায় দীন ইসলামকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয় হল প্রশাসন তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে। বিজয় ২৪ হলের সহকারী প্রভোস্ট ড. এটিএম জিন্নাতুল বাসার কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, সঙ্গে সদস্য ছিলেন সাইফুদ্দীন খালেদ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর মো. ফায়সাল আলম।
তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সিন্ডিকেট সভায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। উপাচার্য ড. মো. শওকাত আলী বলেন, “ঘটনাটি ইতোমধ্যে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এসেছে। আমরা এ ধরনের ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই।” তিনি জানান, হাইকোর্ট ও ইউজিসির নির্দেশনা অনুযায়ী ক্যাম্পাসে র্যাগিংবিরোধী নানান প্ল্যাকার্ড স্থাপন করা আছে এবং বিশ্ববিদ্যালয় র্যাগিং ও যৌন হয়রানির বিষয়ে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে।
তিনি আরও বলেন, “ঘটনার পর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। বুধবার সকালে তদন্ত প্রতিবেদন শৃঙ্খলা কমিটিতে উপস্থাপন করা হয় এবং সবার সম্মতিতে শাস্তির সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।”
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।