জননিরাপত্তা রক্ষায় কঠোর ডিএমপি: প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন ‘যমুনা’ ও সংলগ্ন এলাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ০৫-১২-২০২৫ ১২:৪০:১৪ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ০৫-১২-২০২৫ ১২:৪০:১৪ পূর্বাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৪৯ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) জনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন 'যমুনা'র নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আগামী শনিবার (৬ ডিসেম্বর) থেকে নির্দিষ্ট এলাকায় সকল ধরনের সভা-সমাবেশ, মিছিল ও গণজমায়েত নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। ডিএমপি অর্ডিন্যান্সের ক্ষমতাবলে জারি করা এই নিষেধাজ্ঞা পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন 'যমুনা' ও এর পার্শ্ববর্তী গুরুত্বপূর্ণ ক্রসিংগুলো, যার মধ্যে রয়েছে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল ক্রসিং, কাকরাইল মসজিদ ক্রসিং, অফিসার্স ক্লাব ক্রসিং এবং মিন্টু রোড ক্রসিংয়ের মধ্যবর্তী এলাকা।
প্রধান উপদেষ্টার নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এবং এলাকার জনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে ঢাকা মহানগর পুলিশ একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী স্বাক্ষরিত গণবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, আগামী শনিবার (৬ ডিসেম্বর) থেকে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে এবং পরবর্তী নির্দেশ জারি না হওয়া পর্যন্ত তা বলবৎ থাকবে।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২
প্রধান উপদেষ্টার নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এবং এলাকার জনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে ঢাকা মহানগর পুলিশ একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী স্বাক্ষরিত গণবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, আগামী শনিবার (৬ ডিসেম্বর) থেকে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে এবং পরবর্তী নির্দেশ জারি না হওয়া পর্যন্ত তা বলবৎ থাকবে।
নিষেধাজ্ঞা অনুযায়ী, প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন 'যমুনা' এবং এর সংলগ্ন এলাকা—যেমন হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল ক্রসিং, কাকরাইল মসজিদ ক্রসিং, অফিসার্স ক্লাব ক্রসিং ও মিন্টু রোড ক্রসিংয়ের মধ্যবর্তী সব রাস্তায়—কোনো প্রকার সভা, সমাবেশ, গণজমায়েত, মিছিল, মানববন্ধন, অবস্থান ধর্মঘট ও শোভাযাত্রা করা যাবে না।
ডিএমপি এই বিধিনিষেধ আরোপ করেছে ডিএমপি অর্ডিন্যান্সের ক্ষমতাবলে। সাধারণত রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং তাদের বাসভবন ও কর্মস্থলের আশেপাশে স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখার স্বার্থে পুলিশ এ ধরনের পদক্ষেপ নিয়ে থাকে। এই নিষেধাজ্ঞার লক্ষ্য হলো জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়ানো।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।