জন্মহার ও অভিবাসনে ধস: ইসরায়েলের ইতিহাসে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার রেকর্ড সর্বনিম্ন
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ০১-০১-২০২৬ ০৮:০৮:৩৮ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ০১-০১-২০২৬ ০৮:০৯:০৩ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৭৫ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
প্রতিষ্ঠার ৭৮ বছরের ইতিহাসে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হারে নজিরবিহীন সংকটের মুখে পড়েছে ইসরায়েল। ২০২৫ সালের হিসাব অনুযায়ী, দেশটিতে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার নেমে এসেছে মাত্র ০.৯ শতাংশে, যা ১৯৪৮ সালে রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর থেকে সর্বনিম্ন রেকর্ড। এর আগে কখনোই এই বৃদ্ধির হার ১.৫ শতাংশের নিচে নামেনি। সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে ‘Taub Center for Social Policy Studies’ জানিয়েছে, এই নিম্নমুখী প্রবণতা সাময়িক কোনো বিষয় নয়; বরং ২০৩০ সাল নাগাদ দেশটিতে জন্মহার আরও ভয়াবহভাবে হ্রাস পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২
পরিসংখ্যান বলছে, ইসরায়েল কেবল জন্মহারের সংকটেই নেই, বরং বড় ধরনের জনশক্তি হারানোর ঝুঁকিতেও রয়েছে। টানা দ্বিতীয় বছরের মতো দেশটিতে আসার তুলনায় মানুষের দেশ ছাড়ার প্রবণতা বহুগুণ বেড়ে গেছে। ইসরায়েলের ইমিগ্রেশন ও অ্যাবসর্পশন মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, ২০২৫ সালে ইহুদি অভিবাসনের (আলিয়া) সংখ্যা গত বছরের তুলনায় প্রায় এক-তৃতীয়াংশ কমে গেছে। অর্থাৎ, আন্তর্জাতিক পরিমন্ডল থেকে নতুন করে ইহুদি ধর্মাবলম্বীদের ইসরায়েলে স্থায়ী হওয়ার আগ্রহ উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পেয়েছে।
তবে এই সংকটের মধ্যেও একটি ব্যতিক্রমী তথ্য লক্ষ্য করা গেছে। সামগ্রিক অভিবাসন কমলেও যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, ফ্রান্স এবং যুক্তরাজ্য থেকে ইসরায়েলে অভিবাসনের হার আগের চেয়ে কিছুটা বেড়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতা, নিরাপত্তা সংকট এবং রাজনৈতিক অস্থিরতাই মূলত ইসরায়েলে সাধারণ মানুষের বসবাসের আগ্রহ কমিয়ে দিয়েছে। দীর্ঘমেয়াদে এই জনসংখ্যা সংকট ইসরায়েলের অর্থনীতি ও সামরিক সক্ষমতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।