ইসরায়েলে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধে নতুন মাত্রা
- আপলোড সময় : ২৮-০৩-২০২৬ ০৮:১৬:২০ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ২৮-০৩-২০২৬ ০৮:১৬:২০ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৫৬ বার পঠিত
ছবি সংগৃহীত
ইসরায়েলের দিকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে আনুষ্ঠানিকভাবে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতে প্রবেশের ঘোষণা দিয়েছে হুতি গোষ্ঠী। শনিবার (২৮ মার্চ) এই হামলার ঘটনা ঘটে।
ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী জানায়, স্থানীয় সময় ভোরে ইয়েমেন থেকে একটি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে এবং তা প্রতিহত করার চেষ্টা চালানো হয়।
সিএনএন-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান-ইসরায়েল সংঘাত শুরুর প্রায় চার সপ্তাহ পর এই প্রথম ইয়েমেন থেকে সরাসরি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা শনাক্ত করলো ইসরায়েল।
এর আগে হুতি গোষ্ঠীর এক কর্মকর্তা সতর্ক করে বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল হামলা বাড়ালে তারা ইরানের পক্ষে যুদ্ধে যোগ দেবে। সেই হুঁশিয়ারির কয়েকদিনের মধ্যেই এই হামলা চালানো হলো।
হুতি সশস্ত্র বাহিনীর বিবৃতিতে জানানো হয়, ইরান, লেবানন, ইরাক ও ফিলিস্তিনে চলমান হামলার প্রতিবাদে তারা এই সামরিক অভিযান শুরু করেছে। দক্ষিণ ইসরায়েলের সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়।
এদিকে হুতিদের তথ্য মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মোহাম্মদ মনসুর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, হামলা বাড়লে তারা বাব এল-মান্দেব প্রণালী বন্ধ করার কথা বিবেচনা করতে পারে। এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ লোহিত সাগরকে বৈশ্বিক বাণিজ্য রুটের সঙ্গে যুক্ত করে।
মার্কিন জ্বালানি তথ্য প্রশাসন (EIA)-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের প্রথম ১১ মাসে এই প্রণালী দিয়ে বিপুল পরিমাণ প্রাকৃতিক গ্যাস ও বৈশ্বিক তেল পরিবহন হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, হুতিদের এই হামলা মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি রপ্তানি ও আন্তর্জাতিক নৌপথকে বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে। ইতোমধ্যে লোহিত সাগরে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার কারণে বিকল্প পথ ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছে অনেক জাহাজ, যা সময় ও খরচ বাড়িয়ে দিয়েছে।
এছাড়া পরিস্থিতি আরও জটিল হলে বৈশ্বিক তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১৫০ ডলারের বেশি পৌঁছাতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।