শহীদদের স্মরণে বৃক্ষরোপণের ডাক মোজতবা খামেনির: ইরানে জাতীয় সংহতির নতুন প্রতীক
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ০২-০৪-২০২৬ ০৪:১১:১৯ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ০২-০৪-২০২৬ ০৪:১১:১৯ অপরাহ্ন
- ১ মিনিট পড়ার সময়
- ৫০ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
চলমান যুদ্ধে নিহত শহিদদের স্মরণে শহর ও গ্রামে স্মৃতিসৌধ হিসেবে জনগণকে ফলের গাছ লাগাতে বললেন আয়াতুল্লাহ সৈয়দ মোজতবা খামেনি। এ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ইরানিদের আশা, উন্নয়ন এবং জাতীয় সহনশীলতার প্রতীক হিসেবে কাজ করবে বার্তা দিয়েছেন মোজতবা খামেনি।
তিনি বলেন, চলমান মার্কিন ও ইসরায়েলি আগ্রাসনের মধ্যে, এই গাছ লাগানো কর্মসূচি দেশের পুনর্গঠন ও উজ্জ্বল ভবিষ্যতের প্রতীক হবে। মোজতবা খামেনি আরও উল্লেখ করেন, শহর ও গ্রামে ফল-দায়ী গাছ লাগানো বিশেষভাবে ফারওয়ারদিন মাস থেকে বসন্তের শেষ পর্যন্ত করা উচিত।
তিনি বলেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে স্মৃতিসৌধ হিসেবে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হবে, বিশেষ করে তৃতীয় আরোপিত যুদ্ধের শহিদদের জন্য। এই গাছগুলো শক্তিশালী ও ফলদায়ী হয়ে দেশ ও জনগণের স্থায়ী জীবনের প্রতীক হবে বলে আশা প্রকাশ করেন ইরানের বর্তমান ইমাম।
উল্লেখ্য, ফেব্রুয়ারি ২৮ তারিখে ইসলামিক বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি সহ কয়েকজন উর্ধ্বতন সেনা ও বেসামরিক নাগরিকের হত্যার মধ্য দিয়ে ইরানের বিরুদ্ধে বৃহৎ সামরিক অভিযান চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। যৌথ বাহিনীর হামলায় ইরানের সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনায় ব্যাপক ক্ষতি এবং হতাহতের কারণ হয়েছে। এর জবাবে, ইরানি সশস্ত্র বাহিনী মার্কিন ও ইসরায়েলি অবস্থানগুলো লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালাচ্ছে।
ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ বাহিনীর হামলায় ইরানে এখন পর্যন্ত ১৩৪০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। অন্যদিকে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় লেবাননে ১২৮০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২
তিনি বলেন, চলমান মার্কিন ও ইসরায়েলি আগ্রাসনের মধ্যে, এই গাছ লাগানো কর্মসূচি দেশের পুনর্গঠন ও উজ্জ্বল ভবিষ্যতের প্রতীক হবে। মোজতবা খামেনি আরও উল্লেখ করেন, শহর ও গ্রামে ফল-দায়ী গাছ লাগানো বিশেষভাবে ফারওয়ারদিন মাস থেকে বসন্তের শেষ পর্যন্ত করা উচিত।
তিনি বলেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে স্মৃতিসৌধ হিসেবে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হবে, বিশেষ করে তৃতীয় আরোপিত যুদ্ধের শহিদদের জন্য। এই গাছগুলো শক্তিশালী ও ফলদায়ী হয়ে দেশ ও জনগণের স্থায়ী জীবনের প্রতীক হবে বলে আশা প্রকাশ করেন ইরানের বর্তমান ইমাম।
উল্লেখ্য, ফেব্রুয়ারি ২৮ তারিখে ইসলামিক বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি সহ কয়েকজন উর্ধ্বতন সেনা ও বেসামরিক নাগরিকের হত্যার মধ্য দিয়ে ইরানের বিরুদ্ধে বৃহৎ সামরিক অভিযান চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। যৌথ বাহিনীর হামলায় ইরানের সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনায় ব্যাপক ক্ষতি এবং হতাহতের কারণ হয়েছে। এর জবাবে, ইরানি সশস্ত্র বাহিনী মার্কিন ও ইসরায়েলি অবস্থানগুলো লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালাচ্ছে।
ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ বাহিনীর হামলায় ইরানে এখন পর্যন্ত ১৩৪০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। অন্যদিকে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় লেবাননে ১২৮০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।