ইরানের ১৪ দফা পরিকল্পনা: হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ও যুদ্ধবিরতির নতুন শর্ত
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ১০-০৫-২০২৬ ১২:২৩:৩৫ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ১০-০৫-২০২৬ ১২:২৩:৩৫ অপরাহ্ন
- ১ মিনিট পড়ার সময়
- ৮৩ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
ইরানের ১৪ দফা পরিকল্পনার দিকে তাকালে যুদ্ধ শেষ করার বিষয়ে দেশটির চিন্তাভাবনা ও কৌশল বোঝা যায়।
ইরান বলেছে, প্রথম ধাপে সব ফ্রন্টে যুদ্ধ বন্ধ করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে, বিশেষ করে দক্ষিণ লেবানন ও হিজবুল্লাহর নিরাপত্তার বিষয়ে। অর্থাৎ, ইরান আলোচনার অগ্রগতিকে হিজবুল্লাহ এবং অঞ্চলে তার মিত্রদের পরিস্থিতির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত করছে।
এটি আগের যুদ্ধবিরতির সময় দেখা অবস্থানের সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ। তখন ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত তেহরান কোনো ইতিবাচক সংকেত দেয়নি।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো হরমুজ প্রণালি ঘিরে নতুন বাস্তবতা। ইরান দাবি করছে, এই কৌশলগত জলপথের ওপর বর্তমানে তাদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের ওপর থেকে অবরোধ তুলে নেয়, তবে তেহরানও সেই নিয়ন্ত্রণ কিছুটা শিথিল করতে প্রস্তুত। একইসঙ্গে ইরান নিশ্চয়তা চায় যে, ভবিষ্যতে যেন এমন পরিস্থিতি আর না ঘটে এবং যুদ্ধ পুনরায় শুরু না হয়।
এসব রাজনৈতিক ও কৌশলগত বিষয়ের স্থায়ী সমাধান হওয়ার পরই ইরান সবচেয়ে জটিল ও স্পর্শকাতর বিষয়—অর্থাৎ পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনায় বসতে রাজি হবে বলে জানিয়েছে।
সূত্র: আল জাজিরা
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২
ইরান বলেছে, প্রথম ধাপে সব ফ্রন্টে যুদ্ধ বন্ধ করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে, বিশেষ করে দক্ষিণ লেবানন ও হিজবুল্লাহর নিরাপত্তার বিষয়ে। অর্থাৎ, ইরান আলোচনার অগ্রগতিকে হিজবুল্লাহ এবং অঞ্চলে তার মিত্রদের পরিস্থিতির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত করছে।
এটি আগের যুদ্ধবিরতির সময় দেখা অবস্থানের সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ। তখন ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত তেহরান কোনো ইতিবাচক সংকেত দেয়নি।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো হরমুজ প্রণালি ঘিরে নতুন বাস্তবতা। ইরান দাবি করছে, এই কৌশলগত জলপথের ওপর বর্তমানে তাদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের ওপর থেকে অবরোধ তুলে নেয়, তবে তেহরানও সেই নিয়ন্ত্রণ কিছুটা শিথিল করতে প্রস্তুত। একইসঙ্গে ইরান নিশ্চয়তা চায় যে, ভবিষ্যতে যেন এমন পরিস্থিতি আর না ঘটে এবং যুদ্ধ পুনরায় শুরু না হয়।
এসব রাজনৈতিক ও কৌশলগত বিষয়ের স্থায়ী সমাধান হওয়ার পরই ইরান সবচেয়ে জটিল ও স্পর্শকাতর বিষয়—অর্থাৎ পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনায় বসতে রাজি হবে বলে জানিয়েছে।
সূত্র: আল জাজিরা
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।