ট্রাম্পের পরপরই বেইজিংয়ে পুতিন, বৈঠকের মূল এজেন্ডা কী?
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ২০-০৫-২০২৬ ১০:৪৪:৪৯ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ২০-০৫-২০২৬ ১০:৪৪:৪৯ পূর্বাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৭১ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক চীন সফরের পরপরই বেইজিংয়ে পৌঁছেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। অল্প সময়ের ব্যবধানে দুই প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তির নেতার এই সফর বিশ্ব কূটনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। এটি শুধু কূটনৈতিক সফর নয়, বরং বর্তমান বৈশ্বিক শক্তির ভারসাম্য নতুনভাবে সাজানোর ইঙ্গিত।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৩
ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর থেকে রাশিয়া ক্রমেই চীনের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার কারণে মস্কোর জন্য বেইজিং এখন সবচেয়ে বড় বাণিজ্য অংশীদার। বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমানে রাশিয়ার অর্থনীতি অনেকটাই চীনের চাহিদা ও বাজারের ওপর নির্ভর করছে। অন্যদিকে, চীনের বৈদেশিক বাণিজ্যের মাত্র প্রায় ৪ শতাংশ আসে রাশিয়া থেকে, যা সম্পর্কের অসম অবস্থান স্পষ্ট করে।
বিশ্লেষক আলেকজান্ডার গাবুয়েভের মতে, এই সম্পর্ক এখন অনেকটাই চীনের শর্তে পরিচালিত হচ্ছে। তার ভাষায়, রাশিয়া ক্রমশ বেইজিংয়ের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে এবং বড় সিদ্ধান্তগুলোতেও চীনের প্রভাব বাড়ছে।
পুতিন-শির মধ্যে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বৈঠকে জ্বালানি সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হতে যাচ্ছে। বিশেষ করে ‘পাওয়ার অব সাইবেরিয়া-২’ গ্যাস পাইপলাইন নিয়ে আলোচনা হতে পারে। এটার মাধ্যমে রাশিয়া থেকে বছরে প্রায় ৫০ বিলিয়ন ঘনমিটার গ্যাস চীনে সরবরাহ করা সম্ভব। হরমুজ প্রণালি ঘিরে অস্থিরতার কারণে চীন জ্বালানি সরবরাহ নিরাপদ করতে আগ্রহী।
ইউক্রেন যুদ্ধও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে। রাশিয়ার অভিযোগ, পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা তাকে চীনের দিকে ঠেলে দিয়েছে। অন্যদিকে পশ্চিমা দেশগুলো মনে করে, চীন পরোক্ষভাবে রাশিয়ার যুদ্ধ সক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে সহায়তা করছে। যদিও বেইজিং আনুষ্ঠানিকভাবে নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় রেখেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরান ঘিরে উত্তেজনা, ইউরোপে যুদ্ধ এবং বৈশ্বিক অস্থিরতার মধ্যে চীন একদিকে রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখছে, অন্যদিকে পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গেও ভারসাম্য রক্ষার চেষ্টা করছে। বিদ্যমান বৈশ্বিক পরিস্থিতি পুতিন-শি জিনপিং বৈঠককে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।