ইরান যুদ্ধ বন্ধে নতুন প্রস্তাব ওয়াশিংটনের, চাপ ও কূটনীতির দ্বিমুখী বার্তা
- আপলোড সময় : ২১-০৫-২০২৬ ১০:৫৮:৫০ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ২১-০৫-২০২৬ ১০:৫৮:৫০ পূর্বাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৭৬ বার পঠিত
ছবি সংগৃহীত
ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে তেহরানের কাছে নতুন একটি প্রস্তাব পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। একই সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনার পথ খোলা রাখার কথা জানালেও, চুক্তিতে রাজি না হলে কঠোর পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প।
ইরানের গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, পাকিস্তানি মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ওয়াশিংটনের এই নতুন প্রস্তাব তেহরানে পৌঁছানো হয়েছে। এর আগে ইরান নিজস্ব ১৪ দফা প্রস্তাব উপস্থাপন করেছিল। বর্তমানে উভয় পক্ষের মধ্যে কূটনৈতিক পর্যায়ে দরকষাকষি অব্যাহত রয়েছে।
তবে সম্ভাব্য চুক্তির আগে ইরানের ওপর আরোপিত তেল নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হবে না বলে স্পষ্ট করেছেন ট্রাম্প। সাম্প্রতিক সময়ে কিছু আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে নিষেধাজ্ঞা শিথিলের সম্ভাবনার কথা উঠলেও তা নাকচ করে তিনি বলেন, ইরানকে ‘চূড়ান্ত ও গ্রহণযোগ্য’ প্রস্তাব দিতে হবে, অন্যথায় পরিস্থিতি আরও কঠোর হতে পারে।
এদিকে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান আলোচনার গুরুত্ব তুলে ধরে জানিয়েছেন, যুদ্ধ এড়াতে সব ধরনের কূটনৈতিক পথ এখনো খোলা রয়েছে। তবে কোনো ধরনের চাপ বা বলপ্রয়োগের মাধ্যমে ইরানকে সিদ্ধান্তে বাধ্য করা সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
অন্যদিকে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীতে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ আরও জোরদার করেছে ইরান। পার্সিয়ান গালফ স্ট্রেট অথরিটি এই অঞ্চলে একটি ‘নিয়ন্ত্রিত মেরিটাইম জোন’ ঘোষণা করেছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, কুহ-ই মুবারক থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ এবং কেশম দ্বীপ থেকে উম্ম আল-কুওয়াইন পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকায় চলাচলকারী জাহাজগুলোকে ইরানের অনুমতি ও সমন্বয়ের আওতায় থাকতে হবে।
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন পথ হিসেবে পরিচিত হরমুজ প্রণালীর এই নতুন নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহে প্রভাব ফেলতে পারে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।
বর্তমান পরিস্থিতিতে একদিকে কূটনৈতিক আলোচনার চেষ্টা চললেও, অন্যদিকে সামরিক ও কৌশলগত অবস্থান জোরদারের মধ্য দিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।