‘আমেরিকান পরিচয়ের ওপর নতুন আক্রমণ’ দেখছেন ট্রাম্প
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ০৪-০৭-২০২৬ ১১:১১:৪৩ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ০৪-০৭-২০২৬ ১১:১১:৪৩ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৯৭ বার পঠিত
ডোনাল্ড ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্র ২৫০ বছরে পদার্পণ করেছে। তবে শনিবার স্বাধীনতার এই ঐতিহাসিক বার্ষিকী উদ্যাপিত হচ্ছে গভীর রাজনৈতিক বিভাজনের প্রেক্ষাপটে। একই সঙ্গে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ উদ্যাপনের কেন্দ্রবিন্দুতে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৩
স্বাধীনতা দিবসের এ আয়োজন এমন সময় অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যখন তীব্র তাপপ্রবাহে প্রায় ১৬ কোটি মার্কিন নাগরিক উচ্চ বা চরম তাপমাত্রার সতর্কতার আওতায় রয়েছেন। ফলে দেশের বিভিন্ন শহর ও জনপদে নির্ধারিত শোভাযাত্রা, ব্লক পার্টি ও অন্যান্য উৎসবসূচি ব্যাহত হয়েছে।
তবে প্রচণ্ড গরম প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে নিরুৎসাহিত করতে পারেনি। তিনি ব্যাপক উদ্যোগ নিয়েছেন, যাতে এ আয়োজনের বড় একটি অংশ তাঁর নেতৃত্ব ও কর্মকাণ্ডকে ঘিরেই আবর্তিত হয়।
ওয়াশিংটন থেকে এএফপি জানায়, ট্রাম্প শনিবার সন্ধ্যায় রাজধানী ওয়াশিংটনের ন্যাশনাল মলে নির্বাচনী সমাবেশের আদলে একটি বিশাল জনসভার আয়োজন করবেন। এতে সামরিক যুদ্ধবিমানের মহড়া এবং তার ভাষায় ‘বিশ্বের সবচেয়ে বড়’ আতশবাজি প্রদর্শনীও থাকবে।
এর আগে তিনি বলেছিলেন, ‘তাপমাত্রা প্রায় ১০৭ ডিগ্রি ফারেনহাইট (৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াস) হবে। তারপরও আমি সেখানে যাব এবং দীর্ঘ বক্তৃতা দেব-শুধু এটা দেখানোর জন্য যে আমি সবকিছুই করতে পারি।’
শুক্রবার রাতে ট্রাম্প মাউন্ট রাশমোর জাতীয় স্মৃতিসৌধে ভাষণ দেন। সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের চার কিংবদন্তি সাবেক প্রেসিডেন্টের বিশাল গ্রানাইট ভাস্কর্যের নিচে দাঁড়িয়ে তিনি বক্তব্য রাখেন।
ট্রাম্প তার ভাষণে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যতিক্রমী বৈশিষ্ট্যের প্রশংসা করেন এবং দেশটির অতীত নেতাদের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তবে একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, ‘আমেরিকান পরিচয় আবারও আক্রমণের মুখে পড়েছে।’
দেশের অভ্যন্তরের ‘উগ্রপন্থি’ ও ‘চরমপন্থিদের’ লক্ষ্য করে তিনি অভিযোগ করেন, ‘আমাদের ভূমিতে আবারও কমিউনিস্ট হুমকির পুনরুত্থান ঘটছে।’
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে তিনি বারবার এ ধরনের বক্তব্য দিয়েছেন। বিশেষ করে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রতিষ্ঠিত নেতৃত্ববিরোধী বামপন্থি প্রার্থীরা কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাইমারি নির্বাচনে জয় পাওয়ার পর ট্রাম্প এ ইস্যুকে আরও জোরালোভাবে তুলে ধরছেন।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।