হরমুজ প্রণালিতে ইরানের ‘একক নিয়ন্ত্রণ’ বিশ্ব মেনে নেবে না: বিশ্লেষক আলেকজান্দ্রো হুদিস্তানু
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ০৬-০৭-২০২৬ ১২:০৪:৪৫ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ০৬-০৭-২০২৬ ০১:৪০:৫৪ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ১২১ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালিতে ইরান তার ‘একক নিয়ন্ত্রণ’ প্রতিষ্ঠা করে একে একটি ‘নতুন স্বাভাবিকতা’ (নিউ নরমাল) হিসেবে দাঁড় করানোর চেষ্টা করছে। তবে বিশ্বের অন্যান্য দেশ ইরানের এই একচেটিয়া কর্তৃত্ব কোনোভাবেই মেনে নেবে না বলে মনে করছেন সামরিক ও সামুদ্রিক বিশ্লেষক আলেকজান্দ্রো হুদিস্তানু।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২
আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হুদিস্তানু বলেন, ইরান নিজেকে হরমুজ প্রণালির প্রধান তদারককারী বা নিয়ন্ত্রক হিসেবে জাহির করার চেষ্টা করছে। তবে আন্তর্জাতিক মহল এবং এই অঞ্চলের অন্যান্য রাষ্ট্রগুলো বর্তমান যুদ্ধ ও সংঘাতের পরিস্থিতি দ্রুত কাটিয়ে উঠে বাণিজ্যের স্বাভাবিক গতি ফিরিয়ে আনতে আগ্রহী।
মূলত সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে এবং একটি শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো চলমান সমঝোতা স্মারকগুলোর সফল বাস্তবায়ন এবং একটি স্থায়ী চুক্তির দিকে তাকিয়ে রয়েছে, যা দীর্ঘমেয়াদে এই অঞ্চলের বাণিজ্যিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে পারে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলের দেশগুলোর পাশাপাশি পুরো বিশ্বই এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে মুক্ত বাণিজ্য ও পণ্য পরিবহনের অবাধ প্রবাহ বজায় রাখতে চায়। তবে চলমান সংঘাত শেষ হওয়ার পর পরিস্থিতি ঠিক কোন রূপ নেয়, তা এখনো নিশ্চিত নয়।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরান হরমুজ প্রণালিতে তার ‘একক নিয়ন্ত্রণ’ প্রদর্শন করার পেছনে একটি দীর্ঘমেয়াদি কৌশল রয়েছে। চলমান সংঘাত বা যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর তেহরান যদি এটি প্রমাণ করতে পারে যে এই প্রণালির বাণিজ্যিক যাতায়াত তাদের নিয়ন্ত্রণেই ছিল, তবে ভবিষ্যতে এই জলপথে নিজেদের স্থায়ী কর্তৃত্ব ও আইনি আধিপত্য বজায় রাখার জন্য তারা এটিকে একটি জোরালো যুক্তি হিসেবে ব্যবহার করবে।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।