ঢাকা , রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬ , ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (হেমন্তকাল) , ২৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্র হতে দেওয়া যাবে না: প্রধানমন্ত্রী তাহসিফের মৃত্যুতে রিমান্ডে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিলেন দিশা অতিরিক্ত বল প্রয়োগ না করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে সিনেটের নিয়ন্ত্রণ হারালো ট্রাম্পের রিপাবলিকান নিরাপত্তার কারণে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের প্রদর্শনী স্থগিত ২০২৬ সালে গতি পেয়েছে কোয়াড, এগিয়েছে তিন দেশের বৈঠক ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বেড়ে ২ হাজার ৬০ টাকা ২০২৭ সালে সরকারি ছুটি ২৯ দিন, সাধারণ ছুটি ১৫ দিন ছাদে সোলার প্যানেল বসালেই মিলবে কর ছাড় হাসিনার দেশত্যাগের ভিডিও ছড়ানোয় তাহসিফকে হত্যার সন্দেহ লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর রূপপুরের প্রথম ইউনিটে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডনের জামিন আবেদন ফের নাকচ কর্মকর্তাদের গাড়ির জ্বালানি বরাদ্দ কমাল ডিএসসিসি বিশ্ববাজারে পণ্যের দাম ২৩ শতাংশ বাড়ার পূর্বাভাস বিশ্বব্যাংকের তুরাগ নদে সাবেক বিমানবাহিনী কর্মকর্তা তাহসিফের লাশ উদ্ধার কুষ্টিয়ায় ছয় হত্যা মামলায় হানিফের মৃত্যুদণ্ড, তিনজনের আমৃত্যু কারাদণ্ড ৪৬ বছর পর ফিরছে গ্রাম সরকার, থাকছে ১৭ সদস্য খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার মামলায় সোহাগের ৩ দিনের রিমান্ড রমজান সামনে রেখে বাড়ছে নিত্যপণ্যের আমদানি, কমেছে কয়েকটির দাম

শিশুদের বই পড়ে শোনানো তাদের বিকাশে রাখতে পারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা

বই পড়ে শোনানো : শিশুদের মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ

নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ২৬-০৭-২০২৬ ০৩:০৪:০১ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৬-০৭-২০২৬ ০৩:০৪:০১ পূর্বাহ্ন
  • ২ মিনিট পড়ার সময়
  • ১৩১ বার পঠিত
শিশুদের বই পড়ে শোনানো তাদের বিকাশে রাখতে পারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা প্রতীকী ছবি- ( সংগৃহীত)

শিশুদের নিয়মিত বই পড়ে শোনানোর অভ্যাস তাদের ভাষাগত, মানসিক এবং বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। ছোটবেলা থেকেই বইয়ের সঙ্গে পরিচয় ঘটলে শিশু নতুন শব্দ শেখার পাশাপাশি চিন্তাশক্তি, কল্পনাশক্তি এবং শেখার আগ্রহও বৃদ্ধি করতে পারে।

গল্প, ছড়া এবং শিক্ষামূলক বই পড়ে শোনানোর মাধ্যমে শিশুর শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ হতে পারে। নতুন শব্দ ও বাক্য শুনতে শুনতে তারা ভাষা বোঝার এবং নিজের ভাব প্রকাশের দক্ষতা অর্জন করে। এটি ভবিষ্যতে পড়াশোনা ও যোগাযোগ দক্ষতা উন্নয়নে সহায়ক হতে পারে।

বইয়ের বিভিন্ন চরিত্র, ঘটনা এবং কাহিনি শিশুদের কল্পনাশক্তিকে উদ্দীপ্ত করে। তারা গল্পের জগৎ কল্পনা করতে শেখে এবং বিভিন্ন বিষয় নিয়ে চিন্তা করার সুযোগ পায়। এর ফলে সৃজনশীলতা বিকাশের ক্ষেত্রও তৈরি হয়।

অভিভাবক যখন শিশুকে বই পড়ে শোনান, তখন তাদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় হতে পারে। একসঙ্গে সময় কাটানোর মাধ্যমে শিশুর মধ্যে নিরাপত্তাবোধ এবং আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়, যা মানসিক সুস্থতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

বইয়ের গল্প শিশুদের বিভিন্ন সামাজিক মূল্যবোধ, সহানুভূতি এবং মানবিক আচরণ সম্পর্কে ধারণা দিতে পারে। গল্পের চরিত্রগুলোর অভিজ্ঞতার মাধ্যমে তারা অন্যের অনুভূতি বোঝার চেষ্টা করে এবং বিভিন্ন পরিস্থিতি সম্পর্কে সচেতনতা অর্জন করে।

শৈশব থেকে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে উঠলে ভবিষ্যতে শিক্ষার প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি পেতে পারে। অনেক শিশুর মধ্যে বইয়ের মাধ্যমে নতুন বিষয় জানার আগ্রহ তৈরি হয়।

বর্তমান সময়ে ডিজিটাল ডিভাইসের ব্যবহার বাড়লেও বইয়ের গুরুত্ব কমে যায়নি। বরং বই শিশুদের মনোযোগ ধরে রাখতে, ধৈর্য বাড়াতে এবং গভীরভাবে চিন্তা করতে সহায়তা করতে পারে।

শিশুর বয়স ও আগ্রহ অনুযায়ী বই নির্বাচন করে নিয়মিত পড়ে শোনানোর অভ্যাস গড়ে তোলা হলে তাদের সামগ্রিক বিকাশে ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। তাই পরিবারে বই পড়ার পরিবেশ তৈরি করা শিশুদের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।


নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১২

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।