এসএসসিতে দুই স্কুলের কেউই পাস করেনি
বোদার দুই বালিকা বিদ্যালয় থেকে পরীক্ষা দিয়েছিল মাত্র ৪ জন, সবাই ফেল
- আপলোড সময় : ১০-০৮-২০২৬ ০৩:০৩:০৭ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ১০-০৮-২০২৬ ০৩:০৩:০৭ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ১৭৫ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় এবারের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে অংশ নেওয়া কোনো পরীক্ষার্থীই উত্তীর্ণ হতে পারেনি। বলরামহাট মডেল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে একজন এবং বোদা সর্দারপাড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে তিনজন পরীক্ষায় অংশ নেন। চার পরীক্ষার্থীর সবাই অকৃতকার্য হয়েছেন।
প্রতিষ্ঠান দুটি হলো উপজেলার চন্দনবাড়ি ইউনিয়নের বলরামহাট মডেল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এবং বোদা সর্দারপাড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কার্যালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
সোমবার (১০ আগস্ট) বলরামহাট মডেল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত বিদ্যালয়টিতে প্রায় ১০০ জন শিক্ষার্থী থাকার কথা থাকলেও দুপুরে উপস্থিত ছিলেন মাত্র ১০ জনের মতো। এ সময় বিদ্যালয়ে তিনজন শিক্ষককে পাওয়া যায়। তবে প্রধান শিক্ষকসহ কয়েকজন শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন না।
বিদ্যালয়টিতে প্রধান শিক্ষকসহ মোট ১০ জন শিক্ষক ও পাঁচজন কর্মচারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। ১৯৯৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও এখনো প্রতিষ্ঠানটি এমপিওভুক্ত হয়নি। সরেজমিনে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে কোনো সাইনবোর্ডও দেখা যায়নি।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার অভিযোগ, বিদ্যালয়ে নিয়মিত পাঠদান হয় না এবং শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিও খুব কম। তাদের দাবি, এমপিওভুক্তির প্রত্যাশায় প্রতিষ্ঠানটি কোনোভাবে চালু রাখা হয়েছে। আগের বছরগুলোতেও বিদ্যালয়টির ফলাফল আশানুরূপ ছিল না বলে জানান তারা।
তবে বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ললিতা রাণী বলেন, এবার বিদ্যালয় থেকে একজন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। সে অকৃতকার্য হয়েছে। তার দাবি, শিক্ষার্থীটি পড়াশোনায় দুর্বল ছিল।
অন্যদিকে বোদা সর্দারপাড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে গিয়ে কোনো সাইনবোর্ড পাওয়া যায়নি। বিদ্যালয়ের একটি কক্ষ বন্ধ অবস্থায় ছিল। পাশে টিনের ছাউনি দেওয়া একটি বড় ঘর থাকলেও সেখানে দরজা-জানালা ও বেড়া নেই। প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম সম্পর্কেও উপজেলা শিক্ষা কার্যালয়ে পর্যাপ্ত তথ্য পাওয়া যায়নি।
বোদা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আইবুর ইসলাম বলেন, প্রতিষ্ঠান দুটি নন-এমপিও। সেখানে পাঠদানের ধারাবাহিকতা কখনোই ছিল না। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। প্রতিষ্ঠান দুটিকে মূলধারায় ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় ফিডব্যাক ও লজিস্টিক সাপোর্ট দেওয়ার চেষ্টা করা হবে।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।