রাজশাহীতে তীব্র লোডশেডিং, গ্রামাঞ্চলে দুর্ভোগ বেশি
শহরে দুই থেকে চার ঘণ্টা, গ্রামে বিদ্যুৎহীনতা আরও দীর্ঘ
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ১২-০৮-২০২৬ ০২:২০:২৬ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ২০-০৮-২০২৬ ০৯:৪৮:২৮ পূর্বাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ১৮১ বার পঠিত
ছবি সংগৃহিত
রাজশাহী নগর ও গ্রামাঞ্চলে তীব্র লোডশেডিংয়ে জনজীবনে দুর্ভোগ বেড়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নগরীতে প্রতিদিন দুই থেকে চার ঘণ্টা এবং গ্রামাঞ্চলে ছয় থেকে আট ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকছে না। তীব্র দাবদাহের মধ্যে শিশু ও বৃদ্ধদের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। বিদ্যুৎ সংকটে কৃষি, ক্ষুদ্র ব্যবসা ও স্থানীয় শিল্পকারখানার কার্যক্রমও ব্যাহত হচ্ছে। গ্রামের গ্রাহকদের অভিযোগ, শহরের তুলনায় গ্রামাঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহের পরিস্থিতি আরও খারাপ। দিন ও রাত মিলিয়ে অনেক এলাকায় দুই থেকে আট ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎহীন থাকতে হচ্ছে। ফলে গরমের মধ্যে রাতেও স্বস্তি মিলছে না বলে জানান তারা।
বিদ্যুৎ বিতরণকারী প্রতিষ্ঠান নেসকো সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার দিবাগত রাতে রাজশাহী নগরীতে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৩৯ মেগাওয়াট। এর বিপরীতে সরবরাহ পাওয়া গেছে ১১৩ মেগাওয়াট। এছাড়া দিন ও রাতে নগরীতে গড়ে ১৩৫ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ করা হচ্ছে ১১১ মেগাওয়াট। এতে গড়ে প্রায় ২৪ মেগাওয়াট ঘাটতি থাকছে।
অন্যদিকে রাজশাহী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার রমেন্দ্র চন্দ্র রায় জানান, জেলার পাঁচটি উপজেলায় দিন ও রাতে বিদ্যুতের চাহিদা ১১০ থেকে ১১৫ মেগাওয়াট। বিপরীতে সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে ৮০ থেকে ৮৫ মেগাওয়াট। ফলে চাহিদার তুলনায় প্রতিদিন প্রায় ২৫ শতাংশ লোডশেডিং করতে হচ্ছে। রমেন্দ্র চন্দ্র রায় আরও জানান, বিদ্যুতের ঘাটতির কারণে গ্রাহকদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হচ্ছে। এ কারণে অপ্রীতিকর আচরণ ও অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে উপকেন্দ্রগুলোতে বাড়তি পুলিশি নিরাপত্তা চেয়ে প্রশাসনের কাছে চিঠি দেওয়া হয়েছে।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২
বিদ্যুৎ বিতরণকারী প্রতিষ্ঠান নেসকো সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার দিবাগত রাতে রাজশাহী নগরীতে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৩৯ মেগাওয়াট। এর বিপরীতে সরবরাহ পাওয়া গেছে ১১৩ মেগাওয়াট। এছাড়া দিন ও রাতে নগরীতে গড়ে ১৩৫ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ করা হচ্ছে ১১১ মেগাওয়াট। এতে গড়ে প্রায় ২৪ মেগাওয়াট ঘাটতি থাকছে।
অন্যদিকে রাজশাহী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার রমেন্দ্র চন্দ্র রায় জানান, জেলার পাঁচটি উপজেলায় দিন ও রাতে বিদ্যুতের চাহিদা ১১০ থেকে ১১৫ মেগাওয়াট। বিপরীতে সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে ৮০ থেকে ৮৫ মেগাওয়াট। ফলে চাহিদার তুলনায় প্রতিদিন প্রায় ২৫ শতাংশ লোডশেডিং করতে হচ্ছে। রমেন্দ্র চন্দ্র রায় আরও জানান, বিদ্যুতের ঘাটতির কারণে গ্রাহকদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হচ্ছে। এ কারণে অপ্রীতিকর আচরণ ও অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে উপকেন্দ্রগুলোতে বাড়তি পুলিশি নিরাপত্তা চেয়ে প্রশাসনের কাছে চিঠি দেওয়া হয়েছে।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।