দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর উন্মুক্ত হলো বান্দরবানের পর্যটন স্পট
তমাতুঙ্গী, নাফাখুম, কেওক্রাডং ও রিজুক ঝরনা ঘুরে দেখার সুযোগ, স্থানীয় অর্থনীতিতে প্রাণ ফেরার আশা
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ১২-০৮-২০২৬ ১১:৪৪:২৯ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ১২-০৮-২০২৬ ১১:৪৪:২৯ অপরাহ্ন
- ১ মিনিট পড়ার সময়
- ১৪৬ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর বান্দরবানের থানচি ও রুমার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন সড়ক ও স্থান সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দিয়েছে জেলা প্রশাসন। এর ফলে দীর্ঘদিন পর দুর্গম পাহাড়ি পর্যটন এলাকাগুলোতে ভ্রমণের সুযোগ পাচ্ছেন পর্যটকরা।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২
জেলা প্রশাসনের গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ১১ আগস্ট অনুষ্ঠিত জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় সদস্যদের সর্বসম্মতিক্রমে বান্দরবান পার্বত্য জেলার নির্ধারিত কয়েকটি সড়ক ও স্থান সর্বসাধারণের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
উন্মুক্ত করা এলাকার মধ্যে রয়েছে থানচি উপজেলার তমাতুঙ্গী থেকে ২৪ কিলোমিটার তিন্দু পর্যন্ত এবং তিন্দুমুখ থেকে নাফাখুম পর্যন্ত সড়ক ও পর্যটন এলাকা। এ ছাড়া রুমা উপজেলার কেওক্রাডং পর্বত থেকে সুংসুংপাড়া পর্যন্ত এলাকা এবং রিজুক ঝরনাও পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে।
তবে এসব এলাকায় ভ্রমণের ক্ষেত্রে পর্যটকদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্ব দিয়েছে জেলা প্রশাসন। সংশ্লিষ্ট সড়ক ও পর্যটনকেন্দ্রে নিরাপত্তাসংক্রান্ত সব ধরনের বিধি-নিষেধ ও নির্দেশনা যথাযথভাবে মেনে চলার জন্য পর্যটকসহ সর্বসাধারণকে অনুরোধ করা হয়েছে।
থানচি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আব্দুল্লাহ আল ফয়সাল বলেন, জনস্বার্থে থানচি উপজেলার পর্যটন স্পটগুলো খুলে দেওয়া হয়েছে। পর্যটকদের নিরাপত্তা ও সার্বিক বিষয় বিবেচনায় রেখেই পর্যটনকেন্দ্রগুলো পরিচালনা করা হবে।
দীর্ঘদিন পর পর্যটনকেন্দ্রগুলো খুলে দেওয়ায় স্থানীয় পর্যটন ব্যবসায়ী, গাইড, নৌকার মাঝি ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। পর্যটকদের আনাগোনা বাড়লে থানচির পর্যটননির্ভর অর্থনীতিও চাঙা হবে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।