জোয়ারের প্রভাবে বরিশালের ৮ নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে
ভোলা, বরগুনা, পিরোজপুর ও ঝালকাঠির বিভিন্ন পয়েন্টে নদীর পানি বিপজ্জনক উচ্চতায়
- আপলোড সময় : ১৩-০৮-২০২৬ ১০:০৭:২২ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ১৩-০৮-২০২৬ ১০:০৭:২২ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ১৭২ বার পঠিত
ছবি সংগৃহীত
জোয়ারের প্রভাবে বরিশাল বিভাগের ৮টি নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানির অস্বাভাবিক বৃদ্ধিতে উপকূলীয় জেলার নিম্নাঞ্চলে প্লাবনের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) বরিশাল কার্যালয়।
পাউবোর তথ্য অনুযায়ী, বিভাগের প্রধান ১৫টি নদীর মধ্যে ৮টি নদীর ১১টি পয়েন্টে পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। এছাড়া একটি পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার সমান্তরালে অবস্থান করছে।
সবচেয়ে নাজুক পরিস্থিতি ভোলা জেলায়। তজুমদ্দিন পয়েন্টে সুরমা-মেঘনা নদীর বিপৎসীমা ২ দশমিক ২২ মিটার হলেও দুপুর ২টায় পানির উচ্চতা ৩ দশমিক ০২ মিটার রেকর্ড করা হয়, যা বিপৎসীমার ৮০ সেন্টিমিটার ওপরে। দৌলতখান পয়েন্টে বিপৎসীমা ২ দশমিক ৯৫ মিটারের বিপরীতে বিকেল ৩টা ১৫ মিনিটে পানি ৩ দশমিক ৪২ মিটারে ওঠে।
ভোলা খেয়াঘাটে তেঁতুলিয়া নদীর পানি বিপৎসীমার ১১ সেন্টিমিটার ওপরে প্রবাহিত হচ্ছে। বরগুনার বিষখালী নদীর একাধিক পয়েন্টেও পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। বিষখালী ও খাকদোন নদীর মোহনা, পাথরঘাটা ও বেতাগী পয়েন্টে পানির উচ্চতা বিপৎসীমার চেয়ে ২৩ থেকে ২৭ সেন্টিমিটার বেশি রেকর্ড করা হয়েছে।
এদিকে মির্জাগঞ্জে পায়রা নদীর পানি বিপৎসীমার ১২ সেন্টিমিটার ওপরে রয়েছে। একই নদীর আমতলী পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার সমান্তরালে প্রবাহিত হচ্ছে। পিরোজপুর সদরে বলেশ্বর ও উমেদপুরে কঁচা নদীর পানি বিপৎসীমার ২১ সেন্টিমিটার ওপরে উঠেছে।
ঝালকাঠি ও বরিশাল সদরেও নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। তবে বিভাগের কয়েকটি পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে পানি এখনো বিপৎসীমার নিচে রয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড বরিশালের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জাবেদ ইকবাল জানান, জোয়ারের সময় পানি সাময়িকভাবে দ্রুত বাড়লেও ভাটার সঙ্গে সঙ্গে তা কমতে শুরু করে। উপকূলীয় এলাকার জরাজীর্ণ বাঁধগুলোর ওপর সার্বক্ষণিক নজরদারি রাখা হচ্ছে।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।