মধ্যপ্রাচ্য থেকে যুক্তরাষ্ট্র ‘সম্মানজনক প্রস্থান’ খুঁজছে: গালিবাফ
নতুন আঞ্চলিক ব্যবস্থায় বিদেশি শক্তির প্রভাব কমছে বলে দাবি ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকারের
- আপলোড সময় : ১৯-০৮-২০২৬ ০৯:৪৪:৩৯ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ১৯-০৮-২০২৬ ০৯:৪৪:৩৯ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ১১৬ বার পঠিত
ছবি সংগৃহীত
মধ্যপ্রাচ্যে গড়ে ওঠা নতুন আঞ্চলিক ব্যবস্থার কারণে বিদেশি পরাশক্তিগুলোর রাজনৈতিক ও সামরিক প্রভাব দ্রুত কমে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। তার দাবি, পরিবর্তিত আঞ্চলিক বাস্তবতায় যুক্তরাষ্ট্র এখন মধ্যপ্রাচ্য থেকে একটি ‘সম্মানজনক প্রস্থান’-এর পথ খুঁজছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় এসব মন্তব্য করেন গালিবাফ। একই বার্তায় তিনি ২০২০ সালে ইরাকের রাজধানী বাগদাদে মার্কিন ড্রোন হামলায় নিহত ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) কুদস ফোর্সের প্রধান জেনারেল কাসেম সোলাইমানি এবং ইরাকের পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেসের (পিএমএফ) শীর্ষ কমান্ডার আবু মাহদি আল-মুহান্দিসের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
গালিবাফ বলেন, বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে যে পরিবর্তন দৃশ্যমান হচ্ছে, তা সোলাইমানি ও আবু মাহদির দীর্ঘদিনের সংগ্রাম এবং তাদের ‘পবিত্র রক্তের’ সুফল। তার বক্তব্য অনুযায়ী, অঞ্চলটিতে নতুন একটি আঞ্চলিক ভারসাম্য প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পথে রয়েছে।
ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার আরও দাবি করেন, নতুন এই আঞ্চলিক ভারসাম্যে মধ্যপ্রাচ্যের অভ্যন্তরীণ ও দ্বিপক্ষীয় বিষয়ে বিদেশি শক্তিগুলোর হস্তক্ষেপের সুযোগ ক্রমেই সংকুচিত হয়ে আসছে। ফলে অঞ্চলটির দেশগুলো নিজেদের রাজনৈতিক ও নিরাপত্তাসংক্রান্ত বিষয়ে তুলনামূলকভাবে বেশি স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে বলে তিনি মনে করেন।
গালিবাফের বক্তব্যে ইসরায়েল প্রসঙ্গও উঠে আসে। তিনি দাবি করেন, ইসরায়েলের ‘নদী থেকে সাগর পর্যন্ত’ ভূখণ্ড বিস্তারের ঐতিহাসিক নীলনকশা এখন পুরোপুরি একটি দিবাস্বপ্নে পরিণত হয়েছে।
তার এসব মন্তব্য এমন এক সময়ে সামনে এলো, যখন মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা ও ভূরাজনৈতিক কাঠামো নিয়ে আঞ্চলিক দেশগুলোর মধ্যে নতুন সমীকরণ তৈরি হচ্ছে। ইরান দীর্ঘদিন ধরে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক ও রাজনৈতিক উপস্থিতির বিরোধিতা করে আসছে। গালিবাফের বক্তব্যেও সেই অবস্থানের প্রতিফলন দেখা গেছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে অঞ্চল থেকে ‘সম্মানজনক প্রস্থান’ খোঁজার বিষয়ে এই বক্তব্যের সমর্থনে কোনো মার্কিন সরকারি অবস্থান উল্লেখ করা হয়নি।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।