জাতীয় ই-হেলথ প্ল্যাটফর্ম চালুর উদ্যোগ, শুরু হবে পাইলট প্রকল্প
কয়েকটি জেলায় পরীক্ষামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে প্ল্যাটফর্মটির কার্যকারিতা, ব্যয় ও বাস্তবায়নযোগ্যতা যাচাই করবে সরকার।
- আপলোড সময় : ২২-০৮-২০২৬ ১০:৪৬:২৮ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ২২-০৮-২০২৬ ১০:৪৬:২৮ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ১৬৩ বার পঠিত
ছবি সংগৃহীত
দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে একটি সমন্বিত ডিজিটাল কাঠামোর আওতায় আনতে ‘ন্যাশনাল ই-হেলথ প্ল্যাটফর্ম’ চালুর পরিকল্পনা করছে সরকার। এর অংশ হিসেবে প্রাথমিক পর্যায়ে দেশের কয়েকটি জেলায় পাইলট প্রকল্প বাস্তবায়নের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পরীক্ষামূলকভাবে এই কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে প্ল্যাটফর্মটির কার্যকারিতা, সম্ভাব্য সমস্যা, ব্যয় এবং বাস্তবায়নযোগ্যতা যাচাই করা হবে। পরবর্তী সময়ে পাইলট প্রকল্পের অভিজ্ঞতা ও ফলাফল পর্যালোচনা করে পর্যায়ক্রমে দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও এর কার্যক্রম সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।
শনিবার (২২ আগস্ট) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে স্বাস্থ্যখাতে সমন্বিত তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থা নিয়ে আয়োজিত এক সভায় ন্যাশনাল ই-হেলথ প্ল্যাটফর্ম চালুর বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সভায় প্ল্যাটফর্মটির সম্ভাব্য কাঠামো, পরিচালনা পদ্ধতি এবং দেশের স্বাস্থ্যসেবায় তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করা হয়। এ সময় প্রধানমন্ত্রী প্রাথমিকভাবে কয়েকটি জেলায় পাইলট প্রকল্প শুরু করার নির্দেশনা দেন।
সভায় স্বাস্থ্যসেবায় তথ্যপ্রযুক্তির কার্যকর ও বাস্তবমুখী ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, সমন্বিত ডিজিটাল স্বাস্থ্যব্যবস্থা এমনভাবে তৈরি করতে হবে, যাতে সাধারণ মানুষ সহজেই এর সুফল পান এবং চিকিৎসাসেবা গ্রহণের প্রক্রিয়া আরও সহজ ও কার্যকর হয়। রোগীর স্বাস্থ্যসংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য নিরাপদভাবে সংরক্ষণ এবং প্রয়োজনের সময় সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের কাছে তা সহজে পৌঁছানোর ব্যবস্থা রাখার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।
প্রস্তাবিত ই-হেলথ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে রোগীর স্বাস্থ্যতথ্য সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি চিকিৎসাসেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর সমন্বিত ব্যবস্থা গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে এই ধরনের জাতীয় পর্যায়ের ডিজিটাল স্বাস্থ্যব্যবস্থা বাস্তবায়নে তথ্যের নিরাপত্তা, ব্যক্তিগত গোপনীয়তা এবং ব্যবহারকারীর তথ্য সুরক্ষার বিষয়টি বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
সরকারপ্রধান আরও নির্দেশ দেন, প্ল্যাটফর্মটি যেন সাধারণ মানুষের জন্য সহজে ব্যবহারযোগ্য হয় এবং এর পরিচালন ব্যয়ও যৌক্তিক পর্যায়ে রাখা যায়। একই সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদে যাতে ব্যবস্থাটি কার্যকর ও টেকসইভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হয়, সে বিষয়েও পরিকল্পনা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। পাইলট প্রকল্প বাস্তবায়নের পর এর ফলাফল ও অভিজ্ঞতা যথাযথভাবে মূল্যায়ন করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে দেশের স্বাস্থ্যসেবায় একটি সমন্বিত ডিজিটাল কাঠামো প্রতিষ্ঠার পথে সরকার এগোতে চাইছে।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।