শিশুর সব আবদার মেনে নেওয়া নয়, জেদ সামলাতে প্রয়োজন সঠিক দিকনির্দেশনা
শিশুর জেদকে প্রশ্রয় দিলে আচরণগত সমস্যা বাড়তে পারে। ধৈর্য ও ইতিবাচক নির্দেশনার মাধ্যমে শিশুকে সঠিক পথে পরিচালনা করা জরুরি।
- আপলোড সময় : ২৪-০৯-২০২৬ ০৭:৪০:১৩ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ২৪-০৯-২০২৬ ০৭:৪০:১৩ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ১২৩ বার পঠিত
প্রতীকী ছবি- ( সংগৃহীত)
শিশুরা বেড়ে ওঠার সময় নানা ধরনের আবদার ও জেদ করে থাকে। এটি তাদের স্বাভাবিক মানসিক বিকাশের একটি অংশ হলেও প্রতিটি জেদ বা দাবি মেনে নেওয়া সবসময় উপকারী নয়। শিশুর জেদকে নিয়মিত প্রশ্রয় দিলে ভবিষ্যতে আচরণগত সমস্যা তৈরি হওয়ার ঝুঁকি বাড়তে পারে।
কোনো শিশু যখন বুঝতে শেখে যে জেদ করলেই তার চাওয়া পূরণ হবে, তখন সে ধীরে ধীরে সেই আচরণকে অভ্যাসে পরিণত করতে পারে। ফলে পরিবার, স্কুল কিংবা সামাজিক পরিবেশে মানিয়ে চলার ক্ষেত্রে তার সমস্যা দেখা দিতে পারে।
তবে জেদের প্রতিক্রিয়ায় রাগ, শাস্তি বা কঠোর আচরণও সমাধান নয়। বরং শিশুর অনুভূতি বোঝার চেষ্টা করা, শান্তভাবে কথা বলা এবং কোন বিষয়টি গ্রহণযোগ্য আর কোনটি নয় তা স্পষ্টভাবে বুঝিয়ে দেওয়া বেশি কার্যকর হতে পারে।
শিশুর ভালো আচরণের প্রশংসা করা এবং নিয়ম মেনে চললে উৎসাহ দেওয়া উচিত। একই সঙ্গে পরিবারে কিছু নির্দিষ্ট সীমা ও নিয়ম থাকলে শিশুরা ধীরে ধীরে আত্মনিয়ন্ত্রণ শিখতে পারে।
শিশুর জেদকে পুরোপুরি নেতিবাচক হিসেবে দেখার প্রয়োজন নেই। অনেক সময় এটি তার ব্যক্তিত্ব, মত প্রকাশের ইচ্ছা বা স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগ্রহের প্রকাশ হতে পারে। তবে সেই প্রবণতাকে ইতিবাচক পথে পরিচালিত করাই অভিভাবকদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।
সন্তানের প্রতি ভালোবাসা দেখানো যেমন জরুরি, তেমনি প্রয়োজন সঠিক সীমারেখা তৈরি করা। ধৈর্য, বোঝাপড়া এবং ধারাবাহিক দিকনির্দেশনার মাধ্যমে শিশুকে দায়িত্বশীল ও ভারসাম্যপূর্ণ আচরণ শেখাতে পারলে তার সুস্থ মানসিক বিকাশে তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।