ইনুর নির্দেশ নিয়ে প্রসিকিউটরের বক্তব্য
১০ বছরের সাজা বাড়িয়ে মৃত্যুদণ্ড চেয়ে আপিল, ১১টি গ্রাউন্ড দেখিয়েছে প্রসিকিউশন
- আপলোড সময় : ০৫-১০-২০২৬ ০৩:১৯:১২ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ০৫-১০-২০২৬ ০৩:১৯:১২ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ১১৪ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনুর নির্দেশনা একজন সেনা কমান্ডারের নির্দেশের চেয়েও বেশি কার্যকর ছিল বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম। তাঁর ভাষ্য, একজন বেসামরিক ঊর্ধ্বতন নেতার নির্দেশের সঙ্গে বক্তব্য ও পরিবেশ তৈরির বিষয়ও যুক্ত থাকে।
সোমবার (৫ অক্টোবর) ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন প্রসিকিউটর তামিম। তিনি জানান, জুলাই-আগস্টের আন্দোলন ঘিরে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ইনুকে দেওয়া ১০ বছরের কারাদণ্ড বাড়িয়ে সর্বোচ্চ শাস্তির আবেদন জানিয়ে প্রসিকিউশন আপিল করেছে।
তামিম বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনে রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করার বিধান রয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই প্রসিকিউশন আপিল করেছে। এতে ১১টি গ্রাউন্ড তুলে ধরে ইনুর সাজাকে অপর্যাপ্ত দাবি করা হয়েছে। একই সঙ্গে যেসব অভিযোগে তিনি খালাস পেয়েছেন, সেগুলোতেও সাজা দেওয়ার আবেদন করা হয়েছে।
প্রসিকিউটরের দাবি, অপরাধের ভয়াবহতা, গভীরতা এবং এতে কত মানুষ নিহত বা আহত হয়েছেন—সাজার ক্ষেত্রে এসব বিষয় বিবেচনা করা প্রয়োজন। ট্রাইব্যুনালের পর্যবেক্ষণের সঙ্গে ১০ বছরের কারাদণ্ডের বিষয়টি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলেও আপিলে উল্লেখ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
ইনুর নির্দেশ প্রসঙ্গে তামিম বলেন, আন্তর্জাতিক বিচারব্যবস্থার নজিরের ভিত্তিতে প্রসিকিউশন দেখিয়েছে যে বেসামরিক ঊর্ধ্বতন নেতার নির্দেশের প্রভাব সামরিক কমান্ডারের নির্দেশের চেয়ে ভিন্ন হতে পারে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, একজন বেসামরিক নেতা নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি বক্তব্যের মাধ্যমে অধীনদের ওপর প্রভাব ফেলতে পারেন এবং এর মাধ্যমে অপরাধ সংঘটনের পরিবেশ তৈরি হতে পারে।
গত ৩০ জুন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ ইনুকে আটটি অভিযোগের মধ্যে তিনটিতে দোষী সাব্যস্ত করে মোট ১০ বছরের কারাদণ্ড দেন। বাকি পাঁচটি অভিযোগ থেকে তাঁকে খালাস দেওয়া হয়। পরে গত ২০ সেপ্টেম্বর ট্রাইব্যুনালের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।