পানিবণ্টনে ভারতের কাছে ন্যায্য হিস্যা চায় বাংলাদেশ
আন্তর্জাতিক আইন ও জনগণের সমর্থনকে ভিত্তি করে পানি ইস্যুতে ভারতের সঙ্গে সংলাপ এগিয়ে নিতে চায় বাংলাদেশ
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ০৮-১০-২০২৬ ০১:৪৬:২১ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ০৮-১০-২০২৬ ০৮:০১:০২ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৮৮ বার পঠিত
ছবি সংগৃহিত
ভারতের সঙ্গে পানি সহযোগিতার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে ন্যায্য হিস্যা আদায়ে কাজ করবে নির্বাচিত সরকার বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। তিনি বলেন, পানিবণ্টন ইস্যুতে বাংলাদেশের অবস্থানের পক্ষে আন্তর্জাতিক আইনের ভিত্তি রয়েছে। পাশাপাশি জনগণের সমর্থন ও আকাঙ্ক্ষাও আলোচনায় বাংলাদেশের অবস্থানকে শক্তিশালী করছে। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) ‘পানির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন ভাবনা : তরুণ নেতৃত্ব, ন্যায়বিচার ও সহযোগিতা’ শীর্ষক সেমিনারে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।
হুমায়ুন কবির জানান, পানি ইস্যুতে দুই দেশের মধ্যে কার্যকর যোগাযোগ ও সংলাপ বাড়াতে বাংলাদেশ একটি কমিটি গঠন করেছে। এ বিষয়ে ভারতের প্রতিনিধিদের নাম চাওয়া হয়েছে। ভারতীয় পক্ষের ইতিবাচক সাড়া পাওয়ার আশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, দ্রুত জবাব পাওয়া গেলে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে এবং পরবর্তী দফার পানিচুক্তি নবায়নের পথও তৈরি হবে। ১৫৪টি অভিন্ন নদীর পানিবণ্টন নিয়েও আলোচনা চলছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। তাঁর মতে, দুই দেশের নেতৃত্ব ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মধ্যে আন্তরিকতা থাকলে আঞ্চলিক সহযোগিতা বাড়ানোর পাশাপাশি পানি সমস্যার সৌহার্দ্যপূর্ণ ও ইতিবাচক সমাধান সম্ভব। তিনি বলেন, পানিবণ্টন নিয়ে আলোচনায় আন্তর্জাতিক আইনের অবস্থানকে বিবেচনায় রাখা হচ্ছে।
আলোচনা, সংলাপ ও কূটনীতির মাধ্যমেই এ ধরনের সমস্যা সমাধান করতে হবে। দুই দেশের নেতৃত্বের মধ্যে সহযোগিতার মানসিকতা থাকলে পানি নিয়ে বন্ধুত্বপূর্ণ সমাধানে পৌঁছানো সম্ভব বলেও মন্তব্য করেন তিনি। দেশের ভবিষ্যৎ সংকট মোকাবিলায় প্রচলিত ধারার বাইরে গিয়ে গুণগত পরিবর্তনের মাধ্যমে কাজ করার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১৩
হুমায়ুন কবির জানান, পানি ইস্যুতে দুই দেশের মধ্যে কার্যকর যোগাযোগ ও সংলাপ বাড়াতে বাংলাদেশ একটি কমিটি গঠন করেছে। এ বিষয়ে ভারতের প্রতিনিধিদের নাম চাওয়া হয়েছে। ভারতীয় পক্ষের ইতিবাচক সাড়া পাওয়ার আশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, দ্রুত জবাব পাওয়া গেলে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে এবং পরবর্তী দফার পানিচুক্তি নবায়নের পথও তৈরি হবে। ১৫৪টি অভিন্ন নদীর পানিবণ্টন নিয়েও আলোচনা চলছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। তাঁর মতে, দুই দেশের নেতৃত্ব ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মধ্যে আন্তরিকতা থাকলে আঞ্চলিক সহযোগিতা বাড়ানোর পাশাপাশি পানি সমস্যার সৌহার্দ্যপূর্ণ ও ইতিবাচক সমাধান সম্ভব। তিনি বলেন, পানিবণ্টন নিয়ে আলোচনায় আন্তর্জাতিক আইনের অবস্থানকে বিবেচনায় রাখা হচ্ছে।
আলোচনা, সংলাপ ও কূটনীতির মাধ্যমেই এ ধরনের সমস্যা সমাধান করতে হবে। দুই দেশের নেতৃত্বের মধ্যে সহযোগিতার মানসিকতা থাকলে পানি নিয়ে বন্ধুত্বপূর্ণ সমাধানে পৌঁছানো সম্ভব বলেও মন্তব্য করেন তিনি। দেশের ভবিষ্যৎ সংকট মোকাবিলায় প্রচলিত ধারার বাইরে গিয়ে গুণগত পরিবর্তনের মাধ্যমে কাজ করার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।