ডেঙ্গু হলে কী খাবেন, কোন ওষুধ এড়িয়ে চলবেন
পর্যাপ্ত তরল ও সহজপাচ্য খাবার জরুরি, জ্বর কমলেও বিপৎসংকেত দেখা দিলে দ্রুত হাসপাতালে নিতে হবে।
- আপলোড সময় : ১৮-১০-২০২৬ ০৮:৪৩:৫৩ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ১৯-১০-২০২৬ ১০:৫৮:১২ পূর্বাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ১২২ বার পঠিত
ছবি সংগৃহিত
ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হলে নির্দিষ্ট কোনো অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ নেই। এ সময় পর্যাপ্ত বিশ্রাম, শরীরে পানিশূন্যতা রোধ এবং সুষম ও সহজপাচ্য খাবার গ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ। জ্বর ও শরীরের ব্যথা কমাতে চিকিৎসকের পরামর্শে প্যারাসিটামল নেওয়া যেতে পারে। তবে অ্যাসপিরিন ও আইবুপ্রোফেনের মতো ওষুধ এড়িয়ে চলতে হবে, কারণ এগুলো রক্তপাতের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
ডেঙ্গু রোগীর জন্য পানি, ওরস্যালাইন, ডাবের পানি ও স্যুপের মতো তরল নিয়মিত পান করা জরুরি। বমি বা ডায়রিয়া হলে পানিশূন্যতার ঝুঁকি বাড়ে। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী তরল গ্রহণ করতে হবে।
খাবারের তালিকায় ভাত, খিচুড়ি, ডাল, নরম সবজি, ফল, ডিম ও মাছ রাখা যেতে পারে। ক্ষুধা কম থাকলে একবারে বেশি না খেয়ে অল্প অল্প করে বারবার খাওয়া ভালো। পুষ্টির চাহিদা পূরণে প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবারও উপকারী।
ডেঙ্গুতে রক্তের প্লেটলেট কমে যেতে পারে। তবে প্লেটলেট বাড়ানোর জন্য কোনো নির্দিষ্ট খাবার বা ঘরোয়া পদ্ধতির ওপর নির্ভর করা ঠিক নয়। পেঁপে পাতার রসসহ বিভিন্ন প্রচলিত উপায়ের কার্যকারিতা নিয়ে পর্যাপ্ত নির্ভরযোগ্য বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। চিকিৎসকের পরামর্শে রক্ত পরীক্ষা ও শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা জরুরি।
মিষ্টি কুমড়া, লেবু, আমলকী, ডালিম ও সবুজ শাকসবজির মতো পুষ্টিকর খাবার সুষম খাদ্যতালিকার অংশ হতে পারে। তবে এসব খাবার সরাসরি প্লেটলেট বাড়ায়, এমন নিশ্চয়তা নেই। অ্যালোভেরার জুস বা পেঁপে পাতার রসকে ডেঙ্গুর চিকিৎসা হিসেবে ব্যবহার করাও উচিত নয়।
জ্বর কমে যাওয়ার পরও ডেঙ্গুতে সতর্ক থাকা প্রয়োজন। তীব্র পেটব্যথা, বারবার বমি, নাক বা মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়া, রক্তবমি, কালো পায়খানা, অতিরিক্ত দুর্বলতা, অস্থিরতা কিংবা শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে দ্রুত হাসপাতালে নিতে হবে। শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি, গর্ভবতী নারী ও অন্যান্য শারীরিক জটিলতা থাকা রোগীদের বিশেষ সতর্কতা প্রয়োজন।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।