ঢাকা , রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬ , ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (হেমন্তকাল) , ২৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্র হতে দেওয়া যাবে না: প্রধানমন্ত্রী তাহসিফের মৃত্যুতে রিমান্ডে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিলেন দিশা অতিরিক্ত বল প্রয়োগ না করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে সিনেটের নিয়ন্ত্রণ হারালো ট্রাম্পের রিপাবলিকান নিরাপত্তার কারণে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের প্রদর্শনী স্থগিত ২০২৬ সালে গতি পেয়েছে কোয়াড, এগিয়েছে তিন দেশের বৈঠক ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বেড়ে ২ হাজার ৬০ টাকা ২০২৭ সালে সরকারি ছুটি ২৯ দিন, সাধারণ ছুটি ১৫ দিন ছাদে সোলার প্যানেল বসালেই মিলবে কর ছাড় হাসিনার দেশত্যাগের ভিডিও ছড়ানোয় তাহসিফকে হত্যার সন্দেহ লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর রূপপুরের প্রথম ইউনিটে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডনের জামিন আবেদন ফের নাকচ কর্মকর্তাদের গাড়ির জ্বালানি বরাদ্দ কমাল ডিএসসিসি বিশ্ববাজারে পণ্যের দাম ২৩ শতাংশ বাড়ার পূর্বাভাস বিশ্বব্যাংকের তুরাগ নদে সাবেক বিমানবাহিনী কর্মকর্তা তাহসিফের লাশ উদ্ধার কুষ্টিয়ায় ছয় হত্যা মামলায় হানিফের মৃত্যুদণ্ড, তিনজনের আমৃত্যু কারাদণ্ড ৪৬ বছর পর ফিরছে গ্রাম সরকার, থাকছে ১৭ সদস্য খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার মামলায় সোহাগের ৩ দিনের রিমান্ড রমজান সামনে রেখে বাড়ছে নিত্যপণ্যের আমদানি, কমেছে কয়েকটির দাম

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে আইসল্যান্ডে প্রথমবার পাওয়া গেল মশা

নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ২২-১০-২০২৫ ০৩:১৯:২৩ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২২-১০-২০২৫ ০৩:১৯:২৩ অপরাহ্ন
  • ১ মিনিট পড়ার সময়
  • ৭১ বার পঠিত
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে আইসল্যান্ডে প্রথমবার পাওয়া গেল মশা সংগৃহীত ছবি
 

বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাবে আইসল্যান্ডের আবহাওয়া এখন পোকামাকড়ের জন্য ক্রমেই অনুকূল হয়ে উঠছে। এরই মধ্যে দেশটিতে প্রথমবারের মতো মশার উপস্থিতি শনাক্ত করা হয়েছে— যা জলবায়ু পরিবর্তনের সরাসরি প্রভাবের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
 

ব্রিটিশ দৈনিক দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, চলতি মাস পর্যন্ত আইসল্যান্ড ছিল বিশ্বের কয়েকটি স্থানের একটি যেখানে কোনো মশা পাওয়া যায়নি। অন্য একমাত্র অঞ্চল হলো অ্যান্টার্কটিকা।
 

আইসল্যান্ডের ন্যাচারাল সায়েন্স ইনস্টিটিউটের কীটতত্ত্ববিদ ম্যাথিয়াস আলফ্রেডসন মশার অস্তিত্ব নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, কিডাফেলে, কিওস এলাকায় মথ ধরার জন্য ব্যবহৃত ওয়াইন ফাঁদে তিনটি মশার নমুনা পাওয়া গেছে— দুটি স্ত্রী ও একটি পুরুষ।
 

বিজ্ঞানীরা আগেই ধারণা করেছিলেন, একসময় আইসল্যান্ডে মশা টিকে থাকতে পারবে, কারণ সেখানে প্রচুর জলাভূমি ও পুকুর রয়েছে যা প্রজননের জন্য উপযোগী। তবে শীতল আবহাওয়া এতদিন তাদের বিস্তারে বাধা দিয়েছে।
 

তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পরিস্থিতি নাটকীয়ভাবে বদলে গেছে। দেশটিতে তাপমাত্রা উত্তর গোলার্ধের গড় বৃদ্ধির চেয়ে চারগুণ দ্রুত বাড়ছে। গলে যাচ্ছে হিমবাহ, আর দক্ষিণাঞ্চলের উষ্ণ পানির মাছ যেমন ম্যাকেরেল এখন আইসল্যান্ডের জলেও দেখা যাচ্ছে।
 

বিশেষজ্ঞদের মতে, পৃথিবীর তাপমাত্রা যত বাড়ছে, ততই মশার নতুন প্রজাতি পৃথিবীর নানা স্থানে বিস্তার লাভ করছে। যুক্তরাজ্যে সম্প্রতি মিশরীয় মশার (Aedes aegypti) ডিম এবং কেন্ট এলাকায় এশীয় টাইগার মশা (Aedes albopictus) শনাক্ত হয়েছে— যেগুলো ডেঙ্গু, জিকা ও চিকুনগুনিয়ার মতো রোগ বহনে সক্ষম।


নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৪

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।