ডিজিটাল স্বাধীনতায় রেকর্ড অগ্রগতি: ইন্টারনেট ফ্রিডম ইনডেক্সে ভারত-শ্রীলঙ্কার সমকক্ষ বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ১৫-১১-২০২৫ ১০:১২:৪৮ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ১৫-১১-২০২৫ ১০:৩৮:২৪ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৬৭ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
বিশ্বজুড়ে ডিজিটাল স্বাধীনতা কমলেও বাংলাদেশ ইন্টারনেট স্বাধীনতার সূচকে নতুন মাইলফলক স্পর্শ করেছে। আন্তর্জাতিক সংস্থা ফ্রিডম হাউসের সর্বশেষ প্রতিবেদনে বাংলাদেশের স্কোর বেড়ে ৪৫-এ পৌঁছেছে, যা সাত বছরে সর্বোচ্চ এবং অঞ্চলগতভাবে ভারত ও শ্রীলঙ্কার সঙ্গে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান নিশ্চিত করেছে।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২
ফ্রিডম হাউসের ‘ফ্রিডম অন দ্য নেট ২০২৫’ প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গত বছরের ৪০ থেকে বাংলাদেশ এ বছর ৪৫ স্কোর অর্জন করেছে— ৭২টি মূল্যায়নকৃত দেশের মধ্যে সবচেয়ে বড় উন্নতি। উন্নতির পেছনে রয়েছে সরকারের মৌলিক নীতিগত পরিবর্তন, আইনি সংস্কার ও নাগরিক স্বাধীনতা বৃদ্ধির পদক্ষেপ।
ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের বিশেষ সহকারী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর ফয়েজ আহমদ তৈয়্যবের নেতৃত্বে নেয়া সংস্কারমূলক উদ্যোগ সমূহ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে। এসব উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে নতুন টেলিকম অধ্যাদেশ, নজরদারি কাঠামোর পুনর্গঠন, পার্সোনাল ডাটা প্রোটেকশন ও ন্যাশনাল ডাটা ম্যানেজমেন্ট অধ্যাদেশ পাস। বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধি দল এ দুটি আইনকে বিশ্বমানের বলে উল্লেখ করেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪ সালের আগস্টে শিক্ষার্থী নেতৃত্বাধীন আন্দোলনের পর দমনমূলক সরকার অপসারণ এবং অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে ইন্টারনেট শাটডাউনের অবসান ও বিতর্কিত সাইবার নিরাপত্তা আইন বাতিল দেশের স্কোর বৃদ্ধিতে বিশেষভাবে প্রভাব ফেলেছে।
বাংলাদেশের দ্রুত অগ্রগতিকে মুক্ত, স্বচ্ছ ও নিরাপদ ডিজিটাল পরিবেশ গঠনের ইতিবাচক সংকেত হিসেবে দেখা হচ্ছে। সরকারের চলমান উদ্যোগ—গুণগত ইন্টারনেট শাসন, ডিজিটাল রূপান্তর, টেলিকম লাইসেন্সিং সহজীকরণ ও আন্তঃসংযোগ উন্নয়ন— ভবিষ্যতে স্কোর ৫০-এর ওপরে নিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি করেছে।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।