ইরানে বিক্ষোভ: আত্মসমর্পণে ‘দাঙ্গাবাজদের’ ৩ দিন সময়, নমনীয় আচরণের ইঙ্গিত
- আপলোড সময় : ১৯-০১-২০২৬ ১১:৩৮:৫৮ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ১৯-০১-২০২৬ ১১:৩৮:৫৮ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৫৪ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
সাম্প্রতিক সহিংস বিক্ষোভে জড়িত ব্যক্তিদের আত্মসমর্পণের জন্য তিন দিনের সময়সীমা ঘোষণা করেছে ইরান। জাতীয় পুলিশপ্রধান আহমদ-রেজা রাদান জানিয়েছেন, যারা প্রতারণার শিকার হয়ে বা অনিচ্ছাকৃতভাবে বিক্ষোভে যুক্ত হয়েছেন, তারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আত্মসমর্পণ করলে তুলনামূলকভাবে হালকা শাস্তি পাবেন।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া বক্তব্যে আহমদ-রেজা রাদান বলেন, অনেক তরুণ পরিস্থিতির কারণে সহিংসতায় জড়িয়ে পড়েছেন, যাদের রাষ্ট্র শত্রু হিসেবে নয় বরং বিভ্রান্ত বা প্রতারিত ব্যক্তি হিসেবে দেখছে। তিনি জানান, ইরানের শাসনব্যবস্থায় এ ধরনের ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে নমনীয়তা দেখানো হবে এবং আত্মসমর্পণের জন্য সর্বোচ্চ তিন দিন সময় দেওয়া হয়েছে।
এদিকে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে কড়া অবস্থান জানিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তিনি সতর্ক করে বলেন, সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে লক্ষ্য করে কোনো ধরনের হামলা হলে তা পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ হিসেবে বিবেচিত হবে। স্থানীয় সময় রোববার (১৮ জানুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় তিনি এই হুঁশিয়ারি দেন।
একই বার্তায় পেজেশকিয়ান সাম্প্রতিক রক্তক্ষয়ী বিক্ষোভের পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের নিষেধাজ্ঞা ও শত্রুতাকে বড় কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানিদের জীবনে চলমান আর্থিক সংকট ও দুরবস্থার অন্যতম প্রধান কারণ হলো মার্কিন সরকার ও তাদের মিত্রদের আরোপিত নিষেধাজ্ঞা।
এর আগে, শনিবার (১৭ জানুয়ারি) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ইরানের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে মন্তব্য করে আয়াতুল্লাহ খামেনির দীর্ঘ শাসনের অবসানের আহ্বান জানান এবং বলেন, ইরানে নতুন নেতৃত্বের সময় এসেছে। এসব বক্তব্য ও পাল্টা প্রতিক্রিয়ার মধ্যেই ইরানের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠছে।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।