ঢাকা , রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬ , ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (হেমন্তকাল) , ২৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্র হতে দেওয়া যাবে না: প্রধানমন্ত্রী তাহসিফের মৃত্যুতে রিমান্ডে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিলেন দিশা অতিরিক্ত বল প্রয়োগ না করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে সিনেটের নিয়ন্ত্রণ হারালো ট্রাম্পের রিপাবলিকান নিরাপত্তার কারণে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের প্রদর্শনী স্থগিত ২০২৬ সালে গতি পেয়েছে কোয়াড, এগিয়েছে তিন দেশের বৈঠক ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বেড়ে ২ হাজার ৬০ টাকা ২০২৭ সালে সরকারি ছুটি ২৯ দিন, সাধারণ ছুটি ১৫ দিন ছাদে সোলার প্যানেল বসালেই মিলবে কর ছাড় হাসিনার দেশত্যাগের ভিডিও ছড়ানোয় তাহসিফকে হত্যার সন্দেহ লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর রূপপুরের প্রথম ইউনিটে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডনের জামিন আবেদন ফের নাকচ কর্মকর্তাদের গাড়ির জ্বালানি বরাদ্দ কমাল ডিএসসিসি বিশ্ববাজারে পণ্যের দাম ২৩ শতাংশ বাড়ার পূর্বাভাস বিশ্বব্যাংকের তুরাগ নদে সাবেক বিমানবাহিনী কর্মকর্তা তাহসিফের লাশ উদ্ধার কুষ্টিয়ায় ছয় হত্যা মামলায় হানিফের মৃত্যুদণ্ড, তিনজনের আমৃত্যু কারাদণ্ড ৪৬ বছর পর ফিরছে গ্রাম সরকার, থাকছে ১৭ সদস্য খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার মামলায় সোহাগের ৩ দিনের রিমান্ড রমজান সামনে রেখে বাড়ছে নিত্যপণ্যের আমদানি, কমেছে কয়েকটির দাম

অভিবাসন আটক কেন্দ্র গড়তে ৩৮৩০ কোটি ডলার বরাদ্দের পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের

নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ১৪-০২-২০২৬ ১০:৩৬:৪৭ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৪-০২-২০২৬ ১০:৩৬:৪৭ অপরাহ্ন
  • ১ মিনিট পড়ার সময়
  • ৫০ বার পঠিত
অভিবাসন আটক কেন্দ্র গড়তে ৩৮৩০ কোটি ডলার বরাদ্দের পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ অভিবাসীদের নিয়ন্ত্রণ ও আটকের সক্ষমতা বাড়াতে ৩ হাজার ৮৩০ কোটি (৩৮.৩ বিলিয়ন) ডলারের একটি বিশাল বাজেট পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে দেশটির অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগকারী সংস্থা (আইসিই)। সম্প্রতি প্রকাশিত একটি ফেডারেল বাজেট নথিতে এই বিপুল অর্থ বরাদ্দের প্রস্তাব উল্লেখ করা হয়েছে। এই বাজেটের মূল লক্ষ্য হলো দেশজুড়ে নতুন অভিবাসন আটক কেন্দ্র বা কারাগার নির্মাণ, বিদ্যমান কেন্দ্রগুলোর সম্প্রসারণ এবং সেগুলোর নিয়মিত পরিচালনা নিশ্চিত করা।

 

​বাজেট নথির তথ্য অনুযায়ী, প্রস্তাবিত এই অর্থের বড় একটি অংশ ব্যয় হবে নতুন অবকাঠামো নির্মাণ এবং আধুনিকায়ন কাজে। এছাড়া আটক কেন্দ্রগুলোর দৈনন্দিন পরিচালনা ব্যয়, নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য প্রশাসনিক খরচও এই বরাদ্দের অন্তর্ভুক্ত। মূলত ট্রাম্প প্রশাসনের ‘গণ-বহিষ্কার’ বা ম্যাস ডিপোর্টেশন কর্মসূচি বাস্তবায়নের প্রাথমিক ধাপ হিসেবে এই বিশাল অবকাঠামো উন্নয়নের পরিকল্পনা করা হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।

 

​মানবাধিকার সংস্থাগুলো এই বিশাল বাজেটের সমালোচনা করলেও আইসিই কর্মকর্তাদের দাবি, সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং অবৈধভাবে বসবাসকারীদের আইনি প্রক্রিয়ার আওতায় আনতে আটক কেন্দ্রের সংখ্যা বাড়ানো জরুরি হয়ে পড়েছে। এই বাজেট পরিকল্পনাটি কার্যকর হলে যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন আটক কেন্দ্রগুলোর সক্ষমতা আগের চেয়ে কয়েক গুণ বৃদ্ধি পাবে, যা দেশটির অভিবাসন ইতিহাসে এক নজিরবিহীন ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে।


নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।