ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের মন্তব্য, ‘এখনই চুক্তি জরুরি নয়’
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ০১-০৪-২০২৬ ১১:১২:৪৩ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ০১-০৪-২০২৬ ১১:১৪:০১ পূর্বাহ্ন
- ১ মিনিট পড়ার সময়
- ৪২ বার পঠিত
ছবি সংগৃহিত
ইরান অন্তত কয়েক বছরেও পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে পারবে না—এমন মন্তব্য করে নতুন কোনো চুক্তির তাড়াহুড়ো নেই বলে জানিয়েছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump। তার এই বক্তব্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে চলমান আলোচনায় নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা তাৎক্ষণিক হুমকি তৈরি করছে না। তার দাবি, ইরান এখনও এমন পর্যায়ে পৌঁছায়নি যেখানে খুব শিগগিরই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি সম্ভব। ফলে নতুন করে কোনো চুক্তি বা সমঝোতায় যাওয়ার প্রয়োজনীয়তা তিনি দেখছেন না।
ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই পশ্চিমা বিশ্ব ও তেহরানের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। বিশেষ করে Joint Comprehensive Plan of Action থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সরে যাওয়ার পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। ট্রাম্প প্রশাসনের সময়েই ওই চুক্তি থেকে বেরিয়ে এসে ইরানের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই মন্তব্য মূলত তার পূর্ববর্তী নীতিরই ধারাবাহিকতা। তবে বর্তমান ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এমন অবস্থান নতুন করে কূটনৈতিক সমীকরণকে প্রভাবিত করতে পারে।
অপরদিকে, সমালোচকরা বলছেন, ইরানের পারমাণবিক কার্যক্রম নিয়ে সতর্কতা শিথিল করলে তা ভবিষ্যতে বড় ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ইরানের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১৩
ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই পশ্চিমা বিশ্ব ও তেহরানের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। বিশেষ করে Joint Comprehensive Plan of Action থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সরে যাওয়ার পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। ট্রাম্প প্রশাসনের সময়েই ওই চুক্তি থেকে বেরিয়ে এসে ইরানের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই মন্তব্য মূলত তার পূর্ববর্তী নীতিরই ধারাবাহিকতা। তবে বর্তমান ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এমন অবস্থান নতুন করে কূটনৈতিক সমীকরণকে প্রভাবিত করতে পারে।
অপরদিকে, সমালোচকরা বলছেন, ইরানের পারমাণবিক কার্যক্রম নিয়ে সতর্কতা শিথিল করলে তা ভবিষ্যতে বড় ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ইরানের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।