দীর্ঘ সময় পড়াশোনার মাঝে বিরতি দিলে কমে একঘেয়েমি
- আপলোড সময় : ১৪-০৫-২০২৬ ১১:২১:২৭ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ১৪-০৫-২০২৬ ১১:২১:২৭ পূর্বাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৮২ বার পঠিত
প্রতীকী ছবি- ( সংগৃহীত)
দীর্ঘ সময় টানা পড়লে মস্তিষ্কের ওপর চাপ বাড়তে পারে। এতে শেখার আগ্রহ কমে যায় এবং অনেক সময় পড়া ঠিকভাবে মনে রাখাও কঠিন হয়ে পড়ে। তাই নির্দিষ্ট সময় পর অল্প সময়ের বিরতি নেওয়া কার্যকর হতে পারে।
মন ও মস্তিষ্ক সতেজ থাকে
বিশেষজ্ঞদের মতে, বিরতির সময় অল্প হাঁটাহাঁটি, চোখকে বিশ্রাম দেওয়া বা কিছুক্ষণ রিল্যাক্স করলে মস্তিষ্ক কিছুটা স্বস্তি পায়। ফলে পুনরায় পড়তে বসলে মনোযোগ বাড়তে পারে।
একঘেয়েমি কমাতে সহায়ক
একটানা একই বিষয়ে দীর্ঘ সময় পড়াশোনা করলে অনেক শিক্ষার্থীর মধ্যে বিরক্তি তৈরি হয়। মাঝেমধ্যে বিরতি নিলে সেই একঘেয়েমি কমে এবং পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ ধরে রাখা সহজ হয়।
পরিকল্পিত রুটিনের গুরুত্ব
নির্দিষ্ট সময় ধরে পড়াশোনা এবং মাঝখানে ছোট বিরতি রাখার অভ্যাস শিক্ষার্থীদের জন্য উপকারী হতে পারে। এতে সময় ব্যবস্থাপনাও সহজ হয়।
অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহার থেকে সতর্কতা
বিরতির সময় অতিরিক্ত মোবাইল বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ডুবে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে । কারণ এতে মনোযোগ বিচ্ছিন্ন হতে পারে এবং পড়াশোনায় ফিরে আসা কঠিন হয়ে যেতে পারে।
কার্যকর পড়াশোনার জন্য শুধু দীর্ঘ সময় বইয়ের সামনে বসে থাকাই যথেষ্ট নয়। সঠিক পরিকল্পনা, পর্যাপ্ত বিশ্রাম এবং নিয়মিত ছোট বিরতি শিক্ষার্থীদের মনোযোগ ও শেখার দক্ষতা বাড়াতে সহায়তা করতে পারে।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।