আবু সাঈদ হত্যা মামলার প্রধান সাজাপ্রাপ্ত আসামি বেরোবির সাবেক ভিসি হাসিবুর রশিদ ট্রাইব্যুনালে হাজির
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ১৭-০৫-২০২৬ ০৩:৩১:৩০ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ১৭-০৫-২০২৬ ০৩:৩১:৩০ অপরাহ্ন
- ১ মিনিট পড়ার সময়
- ৮৫ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) সাবেক ভিসি হাসিবুর রশিদকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে।
রোববার (১৭ মে) দুপুর ১২টা ২৪ মিনিটে তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। গতকাল (শনিবার) রাতে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের সলিমুল্লাহ রোডের একটি বাসা থেকে হাসিবুর রশিদকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
এদিন বেরোবির সাবেক এই ভিসিকে ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে হাজির করা হবে। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করবে প্রসিকিউশন।
এর আগে, ৯ এপ্রিল শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের এ মামলায় ২৮ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেন ট্রাইব্যুনাল-২। এর মধ্যে প্রধান আসামি হিসেবে হাসিবুর রশিদকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর থেকেই তিনি পলাতক ছিলেন।
শনিবার (১৬ মে) রাতে মোহাম্মদপুরের সলিমুল্লাহ রোডে তাকে আটকে রাখেন স্থানীয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। পরে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২
রোববার (১৭ মে) দুপুর ১২টা ২৪ মিনিটে তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। গতকাল (শনিবার) রাতে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের সলিমুল্লাহ রোডের একটি বাসা থেকে হাসিবুর রশিদকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
এদিন বেরোবির সাবেক এই ভিসিকে ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে হাজির করা হবে। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করবে প্রসিকিউশন।
এর আগে, ৯ এপ্রিল শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের এ মামলায় ২৮ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেন ট্রাইব্যুনাল-২। এর মধ্যে প্রধান আসামি হিসেবে হাসিবুর রশিদকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর থেকেই তিনি পলাতক ছিলেন।
শনিবার (১৬ মে) রাতে মোহাম্মদপুরের সলিমুল্লাহ রোডে তাকে আটকে রাখেন স্থানীয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। পরে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।