প্রাথমিক শিক্ষায় প্রয়োজন বাস্তবমুখী সংস্কার
- আপলোড সময় : ১৮-০৫-২০২৬ ১২:৪০:৫১ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ১৮-০৫-২০২৬ ১২:৪০:৫১ অপরাহ্ন
- ১ মিনিট পড়ার সময়
- ৬৯ বার পঠিত
প্রতীকী ছবি- ( সংগৃহীত)
দেশের প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় কার্যকর সংস্কারের দাবি ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। বিশেষ করে গ্রামীণ বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার মান উন্নয়ন, শিক্ষক উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং পরীক্ষাকেন্দ্রিক শিক্ষা থেকে বেরিয়ে এসে বাস্তবভিত্তিক শিখনের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
অনেক গ্রামের বিদ্যালয়ে নিয়মিত শিক্ষক উপস্থিত না থাকায় শিক্ষার্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এতে পাঠদানে ধারাবাহিকতা নষ্ট হচ্ছে এবং শিক্ষার্থীদের শেখার আগ্রহ কমে যাচ্ছে। তাই বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে কঠোর নজরদারি ও জবাবদিহিতা বাড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে ।
এছাড়া যোগ্য ও প্রশিক্ষিত শিক্ষক নিয়োগের বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন । একজন দক্ষ শিক্ষকই পারে একটি শিশুর শিক্ষার ভিত মজবুত করতে। তাই শুধু নিয়োগ দিলেই হবে না, শিক্ষকদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও আধুনিক শিক্ষাপদ্ধতির সঙ্গে পরিচিত করানোও জরুরি।
বর্তমানে অনেক ক্ষেত্রে শিক্ষা ব্যবস্থা অতিরিক্ত পরীক্ষানির্ভর হয়ে পড়েছে। ফলে শিক্ষার্থীরা মুখস্থবিদ্যার দিকে ঝুঁকে যাচ্ছে এবং বাস্তব জ্ঞান ও সৃজনশীলতা বিকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। তাই পরীক্ষার ফলাফলের চেয়ে শিখনের মান, বোঝার ক্ষমতা এবং ব্যবহারিক দক্ষতার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
অভিভাবকদের একটি অংশও মনে করেন, শিশুদের ওপর অতিরিক্ত পরীক্ষার চাপ কমানো প্রয়োজন। তাদের মতে, আনন্দময় ও শিশুবান্ধব শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারলে শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশও আরও ভালো হবে।
প্রাথমিক শিক্ষা একটি জাতির ভবিষ্যতের ভিত্তি। তাই এই স্তরে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, কার্যকর তদারকি এবং বাস্তবমুখী সংস্কার অত্যন্ত জরুরি।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।