১৯ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন এসএসসি পাসের হার
এবার জিপিএ ৫ পেয়েছে এক লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ শিক্ষার্থী
- আপলোড সময় : ১০-০৮-২০২৬ ১২:৫০:১৩ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ১০-০৮-২০২৬ ০৩:১৯:২০ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ২৯৭ বার পঠিত
সংগৃহীত ছবি
২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার কমে ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা ২০০৭ সালের পর অর্থাৎ গত ১৯ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। গত বছর পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। ফলে এক বছরের ব্যবধানে পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ২ শতাংশ পয়েন্ট।
এবার পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ শিক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন। জিপিএ ৫ পেয়েছে এক লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ শিক্ষার্থী, যা মোট উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীর ১০ দশমিক ২৪ শতাংশ। গত বছর জিপিএ ৫ পেয়েছিল এক লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন। সে হিসাবে এবার পূর্ণাঙ্গ জিপিএ ৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ২২ হাজার ৩৫৬ জন।
দেশে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় সর্বোচ্চ পাসের হার ছিল ২০২১ সালে, ৯৩ দশমিক ৬ শতাংশ। বিপরীতে ২০০৭ সালে পাসের হার ছিল ৫৭ দশমিক ৩৭ শতাংশ। সেই হিসাবে ২০২৬ সালের ফলাফল গত প্রায় দুই দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন পাসের হার হিসেবে উঠে এসেছে।
এবারের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়েছিল ২১ এপ্রিল। এসএসসির তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হয় ২০ মে। আর দাখিল এবং এসএসসি ও ভোকেশনালের তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হয় ২৪ মে। সাধারণত তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হওয়ার দুই মাসের মধ্যে ফল প্রকাশ করা হলেও এবার নির্ধারিত সময়ের তুলনায় দেরিতে ফল প্রকাশ করা হয়েছে।
সোমবার সকাল ১০টায় দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডে একযোগে ফল প্রকাশ করা হয়। শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট এবং মুঠোফোনের এসএমএসের মাধ্যমে ফলাফল জানতে পারছেন।
১১টি শিক্ষা বোর্ডের ফলাফলে দেখা গেছে, সাধারণ নয়টি শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৬৪ দশমিক ০৫ শতাংশ। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে দাখিল পরীক্ষায় পাসের হার ৫৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৫৮ দশমিক ২০ শতাংশ।
লিঙ্গভিত্তিক ফলাফলেও মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে। এবার ছাত্রদের পাসের হার ৫৭ দশমিক ৮৬ শতাংশ হলেও ছাত্রীদের পাসের হার ৬৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ। মোট ৯ লাখ ১৭ হাজার ৬৯৪ ছাত্র পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছে ৫ লাখ ৩০ হাজার ৯৩৮ জন। অন্যদিকে ৯ লাখ ১১ হাজার ৭৯১ ছাত্রী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে ৬ লাখ ৭ হাজার ৯৩৯ জন।
এবার জিপিএ ৫ পাওয়া এক লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ শিক্ষার্থীর মধ্যে ছাত্রী ৬৩ হাজার ৮৯৬ জন এবং ছাত্র ৫২ হাজার ৭৮০ জন। অর্থাৎ পাসের হার ও জিপিএ ৫ পাওয়ার সংখ্যা উভয় ক্ষেত্রেই মেয়েরা ছেলেদের তুলনায় এগিয়ে রয়েছে।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।