নিঝুম দ্বীপের বালুতে মিলল মূল্যবান ভারী খনিজ
নিঝুম দ্বীপের বালুর ঘনীভূত অংশে ২৫ শতাংশ ভারী খনিজ শনাক্ত, গবেষণায় উঠে এলো সিলিম্যানাইট ও জিরকনের মতো গুরুত্বপূর্ণ খনিজের তথ্য
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ১২-০৮-২০২৬ ১১:৪৮:৩৬ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ১২-০৮-২০২৬ ১১:৪৮:৩৬ অপরাহ্ন
- ১ মিনিট পড়ার সময়
- ১৩৯ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
মেঘনা নদীর মোহনায় বঙ্গোপসাগরের বুকে জেগে ওঠা নিঝুম দ্বীপের বালুতে মূল্যবান ভারী খনিজের (টিএইচএম) সন্ধান মিলেছে। এক গবেষণায় বালুর ঘনীভূত অংশে প্রায় ২৫ শতাংশ ভারী খনিজের উপস্থিতি পাওয়া গেছে।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২
গবেষণায় এক্স-রে ডিফ্র্যাকশন (এক্সআরডি) বিশ্লেষণের মাধ্যমে নিঝুম দ্বীপের বালুতে সিলিম্যানাইট, গারনেট (অ্যালম্যান্ডিন), জিরকন, রুটাইল, ইলমেনাইট, জেনোটাইম, মোনাজাইট ও ক্যানাইটসহ বিভিন্ন মূল্যবান খনিজ শনাক্ত করা হয়েছে।
এ ছাড়া অ্যাম্ফিবোল ও পাইরক্সিন গ্রুপের আরও বেশ কিছু খনিজের উপস্থিতিও পাওয়া গেছে। গবেষণায় বলা হয়েছে, নমুনায় অনেক ধরনের স্বতন্ত্র খনিজ রয়েছে। তবে একাধিক খনিজের এক্সআরডি পিক পরস্পরের সঙ্গে মিলে যাওয়ায় শুধু এই পদ্ধতিতে সব খনিজ আলাদাভাবে শনাক্ত করা কঠিন।
গবেষণায় দেখা যায়, বালুর চৌম্বকীয় অংশের সর্বোচ্চ তীব্রতায় প্রধানত এনস্টাটাইটের উপস্থিতি রয়েছে। পাশাপাশি বায়োটাইট, পারগাসাইট, মাসকোভাইট, সোডালাইট, ডায়োপসাইড, ম্যাগনেসাইট, পাইরক্সিন, স্পিনেল, ট্রেমোলাইট, অ্যানোরথাইট, ম্যাগনেসিওফেরাইট, টাইটানাইট, ক্যানাইট, পেরিক্লেজ, স্পোডুমিন, হর্নব্লেন্ড, অ্যালম্যান্ডিন ও মোনাজাইটের উপস্থিতিও শনাক্ত হয়েছে।
এসব খনিজ শনাক্ত করতে জাপানের রিগাকু কোম্পানির ‘স্মার্টল্যাব এসই’ এক্স-রে ডিফ্র্যাক্টোমিটার এবং এক্স’পার্ট হাইস্কোর প্লাস সফটওয়্যারের স্বয়ংক্রিয় ম্যাচিং ডেটা ব্যবহার করা হয়েছে।
এদিকে বাংলাদেশের নদ-নদীর বালুতে সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের প্রয়োজনীয় কাঁচামাল তৈরির সম্ভাবনা যাচাইয়ে প্রথমবারের মতো জরিপ চালানো হয়েছে। নিঝুম দ্বীপের বালুতে মূল্যবান ভারী খনিজের উপস্থিতি এ গবেষণাকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।