ফিলিস্তিনি বন্দির মৃত্যুদণ্ড নিয়ে আরব লীগের হুঁশিয়ারি
মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের আশঙ্কা
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ২০-০৮-২০২৬ ০৫:৩৫:১৭ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ২০-০৮-২০২৬ ০৫:৩৭:৩৩ অপরাহ্ন
- ১ মিনিট পড়ার সময়
- ১১১ বার পঠিত
ছবি সংগৃহিত
আরব লীগ সতর্ক করে বলেছে, কোনো ফিলিস্তিনি বন্দির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হলে তা যুদ্ধাপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে এবং এর জন্য আন্তর্জাতিকভাবে জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। বুধবার ১৯ আগস্ট দেওয়া এক বিবৃতিতে সংগঠনটি ইসরাইলের সাম্প্রতিক উদ্যোগকে ফিলিস্তিনি বন্দিদের অধিকার লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে বিপজ্জনক ও নজিরবিহীন পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেছে।
আরব লীগের মতে, ফিলিস্তিনি বন্দিদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া এবং তাদের সঙ্গে অমানবিক বা নির্বিচার আচরণ আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের লঙ্ঘন হবে। এর মধ্যে চতুর্থ জেনেভা কনভেনশন, এর প্রটোকল এবং আন্তর্জাতিক নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকারবিষয়ক চুক্তির বিধান রয়েছে। সংগঠনটির অভিযোগ, গত মার্চে ইসরাইলি পার্লামেন্ট নেসেটে সন্ত্রাসবাদ সংশ্লিষ্ট অপরাধে মৃত্যুদণ্ডের প্রয়োগ সম্প্রসারণ করে আইন পাস এবং বর্তমানে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের অবকাঠামো তৈরির প্রস্তুতি একই পরিকল্পিত নীতির অংশ। এর মাধ্যমে ফিলিস্তিনি জনগণের অধিকার ও জাতীয় আকাঙ্ক্ষা দমন এবং ইসরাইলি কারাগারগুলোকে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের কেন্দ্রে পরিণত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করেছে তারা। গত মার্চে নেসেটে পাস হওয়া ওই আইন নিয়ে মানবাধিকার সংগঠনগুলোও উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল।
তাদের আশঙ্কা ছিল, আইনটি ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলকভাবে প্রয়োগ করা হতে পারে। বর্তমানে হাজার হাজার ফিলিস্তিনি ইসরাইলি কারাগারে আটক রয়েছেন। তাদের একটি অংশকে কোনো বিচার ছাড়াই প্রশাসনিক আটকাদেশের মাধ্যমে বন্দি রাখা হয়েছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলো দীর্ঘদিন ধরে এ ধরনের আটককে নির্বিচার এবং আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী বলে সমালোচনা করে আসছে।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১৩
আরব লীগের মতে, ফিলিস্তিনি বন্দিদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া এবং তাদের সঙ্গে অমানবিক বা নির্বিচার আচরণ আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের লঙ্ঘন হবে। এর মধ্যে চতুর্থ জেনেভা কনভেনশন, এর প্রটোকল এবং আন্তর্জাতিক নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকারবিষয়ক চুক্তির বিধান রয়েছে। সংগঠনটির অভিযোগ, গত মার্চে ইসরাইলি পার্লামেন্ট নেসেটে সন্ত্রাসবাদ সংশ্লিষ্ট অপরাধে মৃত্যুদণ্ডের প্রয়োগ সম্প্রসারণ করে আইন পাস এবং বর্তমানে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের অবকাঠামো তৈরির প্রস্তুতি একই পরিকল্পিত নীতির অংশ। এর মাধ্যমে ফিলিস্তিনি জনগণের অধিকার ও জাতীয় আকাঙ্ক্ষা দমন এবং ইসরাইলি কারাগারগুলোকে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের কেন্দ্রে পরিণত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করেছে তারা। গত মার্চে নেসেটে পাস হওয়া ওই আইন নিয়ে মানবাধিকার সংগঠনগুলোও উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল।
তাদের আশঙ্কা ছিল, আইনটি ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলকভাবে প্রয়োগ করা হতে পারে। বর্তমানে হাজার হাজার ফিলিস্তিনি ইসরাইলি কারাগারে আটক রয়েছেন। তাদের একটি অংশকে কোনো বিচার ছাড়াই প্রশাসনিক আটকাদেশের মাধ্যমে বন্দি রাখা হয়েছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলো দীর্ঘদিন ধরে এ ধরনের আটককে নির্বিচার এবং আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী বলে সমালোচনা করে আসছে।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।