দিনাজপুরে একই পরিবারের তিনজনের অ্যানথ্রাক্স শনাক্ত
১৬ দিন চিকিৎসার পর তিনজনই স্থিতিশীল
- আপলোড সময় : ২৪-০৯-২০২৬ ০৮:১২:১২ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ২৪-০৯-২০২৬ ০৮:১২:১২ অপরাহ্ন
- ১ মিনিট পড়ার সময়
- ১১৩ বার পঠিত
ছবি সংগৃহীত
দিনাজপুরের পার্বতীপুরে একই পরিবারের তিনজনের শরীরে অ্যানথ্রাক্সের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। হাত ও আঙুলে ক্ষত নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর নমুনা পরীক্ষায় তাদের অ্যানথ্রাক্স পজিটিভ আসে।
আক্রান্তরা হলেন রংপুরের পীরগাছা উপজেলার আদমপাড়া গ্রামের মো. সুমন মিয়া (২৯), তার বাবা মো. আব্দুল মান্নান ও মা মোছা. স্বপ্না বেগম। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন দিনাজপুরের সিভিল সার্জন ডা. মো. গোলাম রসুল রাখি।
জানা গেছে, গত ২ সেপ্টেম্বর হাত ও আঙুলে ক্ষত নিয়ে তিনজন পার্বতীপুরের খোলাহাটি ক্যান্টনমেন্টস্থ সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি হন। পরদিন চিকিৎসকেরা কিউটেনিয়াস অ্যানথ্রাক্সের সম্ভাবনার কথা জানান। পরে বিষয়টি আইইডিসিআরের নজরে আনা হয়।
৫ সেপ্টেম্বর আইইডিসিআরের ছয় সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ দল হাসপাতালে গিয়ে আক্রান্তদের তথ্য সংগ্রহ ও নমুনা নেয়। পরীক্ষায় তিনজনের নমুনাতেই অ্যানথ্রাক্সের সংক্রমণ শনাক্ত হয়।
হাসপাতালে প্রায় ১৬ দিন চিকিৎসা নেওয়ার পর বর্তমানে তিনজনের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে বলে জানা গেছে।
সিভিল সার্জন ডা. মো. গোলাম রসুল রাখি বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে তিনি অবগত রয়েছেন এবং এ নিয়ে আইইডিসিআর কাজ করছে। তাদের একটি অনুসন্ধানী দল পার্বতীপুরে গিয়ে রোগীদের নমুনা সংগ্রহ করেছে। বর্তমানে আক্রান্ত তিনজনের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।