চকরিয়ায় ছাত্রদল নেতাকে তুলে নিয়ে নির্যাতনের পর হত্যার অভিযোগ
হাত-পা বাঁধা অবস্থায় মহাসড়কের পাশে মরদেহ উদ্ধার, রাজনৈতিক বিরোধের যোগসূত্র পায়নি পুলিশ
- আপলোড সময় : ২৮-০৯-২০২৬ ০৮:৩০:৩০ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ২৮-০৯-২০২৬ ০৮:৩০:৩০ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৯৯ বার পঠিত
ছবি সংগৃহীত
কক্সবাজারের চকরিয়ায় ইউনিয়ন ছাত্রদলের নেতা ইসফাতুল ইসলাম জিসানকে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে হাত-পা বেঁধে নির্যাতনের পর হত্যার অভিযোগ উঠেছে। নিহত জিসান চকরিয়া উপজেলার কাকারা ইউনিয়ন শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। তবে পুলিশ বলছে, প্রাথমিক অনুসন্ধানে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সরাসরি কোনো রাজনৈতিক বিরোধের যোগসূত্র পাওয়া যায়নি।
নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক ১১টার দিকে চকরিয়ার কাকারা মাঝের স্টেশন এলাকায় অবস্থান করছিলেন জিসান। এ সময় একদল ব্যক্তি মাইক্রোবাসে করে সেখানে আসে। পরে তারা প্রকাশ্যে জিসানকে জোরপূর্বক গাড়িতে তুলে নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
ঘটনার পর পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। প্রায় চার ঘণ্টা পর মধ্যরাতে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের খুটাখালী কচ্ছপিয়া ঢালা এলাকায় রাস্তার পাশে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় একটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। পরে স্বজনরা মরদেহটি নিখোঁজ জিসানের বলে শনাক্ত করেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, জিসানের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত ও গুরুতর জখমের চিহ্ন রয়েছে। পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাকে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে নির্জন স্থানে নেওয়া হয়। সেখানে অমানবিক নির্যাতনের পর তাকে হত্যা করে মরদেহ মহাসড়কের পাশে ফেলে রাখা হয়েছে।
তবে প্রাথমিক অনুসন্ধানে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে কোনো রাজনৈতিক বিরোধের সরাসরি যোগসূত্র পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রাথমিক ধারণা, ব্যক্তিগত শত্রুতা অথবা আর্থিক লেনদেনকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট কোনো দ্বন্দ্ব থেকে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে।
ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।